এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ৭৬ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৫ জানুয়ারি ২০২৪ | ২৩৭ বার পঠিত
  • নিতাইবাবু অঞ্জলিকে বললেন, ‘জমিটা অনেকদিন দেখা হয়নি, চল একদিন দেখে আসি। বর্ষা তো পড়েই গেল। বৃষ্টি বাদলা হলে অবশ্য যাওয়া যাবে না।’
    অঞ্জলি বলল, ‘হ্যাঁ হ্যাঁ .... চল চল ... আমাদের পিকনিকটা কিন্তু বেশ ভাল হয়েছিল। দত্তবাবুকেও যেতে বলব ...’
    ----- ’হ্যাঁ, তা বললে হয় ... ওদের দু একজনকেও আবার বললে হয়।’
    ----- ‘হ্যাঁ হ্যাঁ ... বেশ মজা হবে তা'লে ...’, অঞ্জলি সায় দিল।
    বিভূতিবাবুকে বলাতে তিনি তো এক পায়ে খাড়া।
    বললেন, ‘আরে, এ তো খুব ভাল কথা। আর কেউ না যাক আমি যাব .... ’
    তিনি কাল দীনবন্ধুর সঙ্গে রঙমহলে চন্দ্রগুপ্ত দেখে এসেছেন। মন বেশ ফুরুফুরে আছে। অহীন্দ্র চৌধুরীর চাণক্য তার মনে ঘুরে ফিরে আসছে। ওই রোমকূপ খাড়া করা অভিব্যক্তি তিনি ভুলতে পারছেন না। রাধিকানন্দ মুখার্জীর চন্দ্রগুপ্তও তেমনি।
    হল থেকে ফেরার পথে বিভূতিবাবু দীনবন্ধুকে নিয়ে গিয়ে লক্ষীনারায়ণ সাউয়ের দোকান থেকে পেঁয়াজি আর কাশ্মীরি চপ খেলেন।
    তেলেভাজা খেতে খেতে বললেন, ‘নাটক কেমন দেখলে ভায়া ? ’
    ------ ‘ অসাধারণ। কোনদিন দেখিনি। এই প্রথম কলকাতার কোন হলে ঢুকে থিয়েটার দেখলাম। দারুণ অভিজ্ঞতা হল ... ’
    ------ ‘ যাক ...তোমার ভাল লেগেছে জেনে খুব আনন্দ হল ... ’
    বিভূতিবাবুর মুখে এমন একটা তৃপ্তির ছাপ পড়ল যেন তিনিই নাটকটির নির্দেশক। এইসব ঐতিহাসিক নাটকের ভাল মন্দের দায় যেন তার কাঁধে।
    তিনি বলতে লাগলেন, ‘ ... দুঃখের কথা কি বলব তোমাদের মতো অল্পবয়সী ছেলেরা আজকাল এসব নাটক দেখতেই চায় না। তারা কি সব ভজখট ব্যাঁকাট্যারা নাটক দেখে .... ওগুলো দেখে ওরা কি আনন্দ যে পায় ভগবান জানে। আমি মিনার্ভায় ওরকম একটা শো দেখেছিলাম বছরখানেক আগে ... ওঃ, আমার মাথা বনবন করে ঘুরছিল ... কি বলব ... সে গুচ্চের জড়ানো গল্প ... ’
    দীনবন্ধু চুপ করে রইল, কারণ ঐতিহাসিক কিংবা আধুনিক কোন নাটক দেখার অভিজ্ঞতাই তার নেই। সে ন মাসে ছ মাসে বাজার চলতি দু একটা সিনেমা অবশ্য দেখে থাকে, তবে তার সংখ্যাও খুব বেশি না। শ্যামবাজারের মেসে মাঝে মাঝে সিনেমা নিয়ে জোর আলোচনা হয়। তবে থিয়েটার নিয়ে মাথা ঘামাতে কাউকে দেখেনি মেসে। সিনেমা সংক্রান্ত ব্যাপারে কোন ‘বই‘-এ নায়ক নায়িকার ‘দারুণ অ্যাকটিং’ বা ‘দূর দূর অ্যাকটিংই জানে না’ আর ‘একদম পরিষ্কার গল্প’ গোছের মন্তব্যের বাইরে আর কোন গভীরতর প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত শোনেনি দীনবন্ধু। রাত আটটার পর তাস খেলতে খেলতে এসব কথা ওঠে এবং বিক্ষিপ্ত মন্তব্য ছিটকে আসে।

    সামনের রবিবার নিতাইবাবুর সিঁথির জমিতে দীনবন্ধুও যেতে রাজি হল। আর কেউ অবশ্য বিশেষ উৎসাহ দেখাল না। আর অসিত অবশ্যই যাবে .... শ্রীলেখার টানে।
    বাকিরা ‘বড্ড গরম এখন ... গরমটা একটু কমলে না হয় ...’, বলে এড়িয়ে গেল।

    রবিবার রথযাত্রার দিন। চিড়িয়ামোড়ে মেলা বসেছে। রামকান্ত বোস স্ট্রিটে নব বৃন্দাবন মন্দিরের সামনেও জমাটি মেলা বসে। বিভূতিবাবু প্রত্যেক বছর বিকেলবেলায় শ্বশুরবাড়ি ঘুরে নব বৃন্দাবনে যান। মেলা থেকে পাঁপড়ভাজা কিনে খান। এবারে সময় বার করা শক্ত, যদি নিতাইবাবুর সঙ্গে সিঁথিতে যাওয়া হয়।

    অসিতের সঙ্গে শ্রীলেখার বেশ কিছুদিন ধরে দেখা হচ্ছে না। অসিত কি একটা পারিবারিক ব্যবসার কাছে পাটনা গিয়েছিল। অনিমেষের মুখে খবর পাওয়া গেল গতকাল পাটনা থেকে ফিরেছে।
    বিভূতিবাবুর খুব ইচ্ছে অসিতও সঙ্গে যাক। সেই সরীসৃপ নাটক মঞ্চস্থ হবার পর থেকে নাটক পাগল বিভূতিবাবু অসিতের রীতিমতো গুণমুগ্ধ হয়ে পড়েছেন। তিনি মনে মনে প্ল্যান ছকে রেখেছেন পুজোর পরে অসিতকে দিয়ে আর একটা নাটক নামাবেন। অসিতের সঙ্গে একদিন কথা বলতে হবে এ ব্যাপারে। এখনকার ধরণের কোন নাটক হলেও অসুবিধে নেই তার। গতবারেরটা সবার মন ভরিয়ে দিয়েছিল। বিভূতিবাবুর খুব ইচ্ছে গতবারের মতো এবারেও তার ঘরেই যেন রিহার্সালটা হয়। খুব উন্মাদনার মধ্যে ছিলেন তিনি ওই সময়টায়। আর একজনও খুব উন্মাদনার মধ্যে ছিল। শ্রীলেখা। উৎকর্ণ হয়ে থাকত কখন সিঁড়ি দিয়ে কারো ওঠা নামার আওয়াজ পাওয়া যাবে। অসিতের পায়ের শব্দ তার বড় চেনা। তবে চেনা মানুষকেও প্রায়ই অচেনা লাগে। এক কিশোরী মনের আর কতটুকু বোধবুদ্ধি। মনে মনে হয়রাণ হতে থাকে মাঝে মাঝেই। তার স্কুলের বন্ধু দেবযানী কেমন পাকাপোক্ত এই বয়সেই। একদিন বলল, ‘ওকে নিয়ে এত আদিখ্যেতা করিস কেন রে ... কি এমন ছেলে ... কোন ভবিষ্যত আছে ওর ? যাক গে ... যার যেথা মজে মন ... ’
    শ্রীলেখা তেমন গুছিয়ে কোন উত্তর দিতে পারেনি।
    এর উত্তরই তো তার জানা নেই। ‘ভবিষ্যত থাকা’ কাকে বলে সে ব্যাপারেও সে অজ্ঞ। তার শুধু থেকে থেকে মন খারাপ হয় অকারণেই।

    আকাশে আজ সকাল থেকেই মেঘের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে। বৃষ্টি নামলেও নামতে পারে। নিতাইবাবুরা কিন্তু সোৎসাহে বেরিয়ে পড়ল। এটা একরকম বর্ষার পিকনিক বলা যেতে পারে। নিবারণ সাহা আর শশীভূষণবাবু মিলে নিতাইবাবুর নতুন বাড়িতে খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করেছে। খিচুড়ি, আলুর দম আর কাঁচা আমের চাটনি।
    বেলা প্রায় দুটো বাজে। ওরা কেউ কেউ খেতে বসেছে, কেউ কেউ খেতে দিচ্ছে ... এমন সময় আকাশ নিকষ কালো মেঘে ছেয়ে গেল। পুব দিক থেকে ঝলকে ঝলকে জোলো হাওয়া বয়ে আসতে লাগল। গম্ভীর বাতাসে মৃদুস্বরে গুরুগুরু ডম্বরু ধ্বনি নেমে এল। আকাশ দুবার হাল্কা ঝলকানির শাসানি দিল সহসা।
    একটু পরেই বৃষ্টি নেমে গেল মুষলধারায়। ওপাশের পুকুরে ঝরে পড়তে লাগল বর্ষার অবারিত বারিধারা। কত পাখি গাছগুলোর পাতাপত্রের আড়ালে জড়সড় হয়ে পালকে মুখ গুঁজে বসে আছে। খালি গায়ে দুটো বাচ্চা সামনের মাঠ দিয়ে দৌড়ে চলে গেল হি হি হি হি করে হাসতে হাসতে। বিরাট শব্দে একটা বাজ পড়ল কাছাকাছি। একটা বাদামী কুকুর লাফিয়ে এসে উঠল নিতাইবাবুর বাড়ির বারান্দায়। নিতাইবাবু বললেন, ‘ এঃ ... এ তো বড় বিপত্তি হল ... কখন ধরবে কে জানে ... এতগুলো লোক ... ’
    শশীভূষণবাবু বললেন, ‘ আহা ... চিন্তা করছেন কেন? এত জোরে হচ্ছে যখন থেমে যাবে শিগ্গির। আপনাদের ফেরার ব্যবস্থা করে দেব খন। দিনেমানে অসুবিধা কি ? ততক্ষণ গরম খিচুড়ি খেতে খেতে বর্ষা দেখুন না। এমন সুন্দর বর্ষা আপনাদের ওদিকে পাবেন না।’
    জানলার কাছে এসে বাইরের দিকে তাকিয়ে এমন অপরূপ নববরষার জলধারা দেখতে লাগল অসিত, যার নাকি কোন ভবিষ্যত নেই। আর সবার দৃষ্টি এড়িয়ে তার দিকে তাকিয়ে রইল নিতাইবাবুর মেয়ে শ্রীলেখা।

    ঠনঠনিয়া কালীবাড়ির পাশে একটা গাড়িবারান্দার তলায় গুচ্চের লোক এসে জুটেছে বর্ষা থেকে মাথা বাঁচাতে। মাঝখানে একটা ডাঁটো শরীরের ষাঁড় বসে আছে অনড় হয়ে। চোখ বুজে নির্বিকারভাবে রোমন্থন করে যাচ্ছে।
    অমিতাভ আর কাবেরী বৃষ্টিতে আধভেজা হয়ে ছুটতে ছুটতে গাড়িবারান্দার তলায় এসে ঢুকল। কাবেরী ষাঁড়টার গায়ে হোঁচট খেয়ে ওর গায়ে পড়তে যাচ্ছিল, অমিতাভ ধরে ফেলল। কাবেরী বলল, ‘ ওঃ, ইশশ্ ... ভাগ্যিস ধরলে। বৃষ্টিটা ধরলে বাঁচি ... বড় বিরক্ত লাগে ... এই বর্ষাকালটা এত বাজে না ... ’

    ( চলবে )
    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ০৫ জানুয়ারি ২০২৪ ০৬:০৫527400
  • আপনাকে কুর্নিশ। এতগুলো চরিত্রকে সামলাতে হচ্ছে। তারপর প্রায় ৬০-৭০ বছর আগের সেই সময়, আমার শৈশব। আমি দক্ষিণ কলকাতার বাঙাল এলাকায় বড় হয়েছি। আমার অজানা উত্তর কলকাতার চমৎকার ছবি পাচ্ছি আপনার লেখায়, জলরঙে আঁকা।
  • Tarun Kumar Roy | ০৫ জানুয়ারি ২০২৪ ১৩:২৪527408
  • Asadharon golpo. 
  • Anjan Banerjee | ০৬ জানুয়ারি ২০২৪ ০৯:২৭527421
  • রঞ্জন রায়,
          একরাশ  ধন্যবাদ  ও ভালবাসা রইল 
  • Anjan Banerjee | ০৬ জানুয়ারি ২০২৪ ০৯:২৯527422
  • Tarun Kumar Roy ,
                     অনেক অনেক ভালবাসা রইল 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন