ছোটবেলায় নেহরুর লেখা এন্ড অফ ফিয়ার পড়েছিলাম। বাপুজির নেতৃত্বে ভয়ের মুক্তি না হলে স্বাধীনতা আন্দোলন হতো না। এই ভয়ের মুক্তির ব্যাপারটা হিন্দুস্থানের লোক বোঝে।১৯৭৭ এ লোকনায়ক জয়প্রকাশজির নেতৃত্বে আর এক ভয়ের মুক্তি হয়। জরুরি অবস্থার সেই ভয়ের মুক্তির ঊষালগ্নে বিজেপির বীজও বপন হয়। সে আন্দোলনে সিঁদ কেটেই বিজেপির উত্থান।তারা যেন ভুলে না যায় তাদের এক লোকনায়কের দরকার ছিল যাঁর স্বাধীনতা সংগ্রামী হিসেবে মান্যতা আছে।সোনাম ওয়াংচুক আর সিজেপি বা আইসার নেহা সহ ছাত্রদের নেতৃত্বে এরকমই এক ভয় মুক্তির দরকার হচ্ছে কারণ লোকে অধিকাচ্যুতির ভয় থেকে মুক্তি চায়, সব ধরণের অধিকারচ্যুতির ভয় থেকে, পেপার লিক থেকে চাকরিচ্যুতি, ভোটার লিস্টে নাম বাদ থেকে জল জমি জঙ্গলের অধিকারচ্যুতির ... ...
মানুষ ভালোবাসে দুঃখ পাবে বলে,দুঃখই সত্য,সুখ মিথ্যা।সুখ মরীচিকা।মানুষ সারা জীবন ছুটে বেড়ায় সুখ পাবে বলে।যখন সুখ পেয়ে যায়,তখন বুঝতে পারে,এ তো সুখ নয়,বরং দুঃখের মুখবন্ধ।পুরোনো দুঃখের শেষে নতুন দুঃখের হালখাতা।আমি দুঃখবিলাসী,সুখের পেছনে ছোটা বন্ধ করেছি বহুকাল।আমি শুধু মৃত্যুর মন্ত্র জপ করি,মৃত্যুর অপেক্ষায়।ও আসে না,ছল করে,আড়ালে আবডালে উঁকি দিয়ে লুকিয়ে পড়ে কোথায়!আমি খুঁজে মারি,ডেকে ফিরি -সাড়া দেয় না,আসে না কাছে।মৃত্যুর পর কী হয়?জানি না,জানতে চাই না।আমি শুধু মিশে যেতে চাই পঞ্চভূতে,আবার জন্ম নিতে চাই শত প্রাণের অংশ হিসেবে,ওদের স্নায়ু,পেশী,কোষ দিয়ে অনুভব করতে চাই দুঃখ,আমি প্রতিটা অনু-পরমাণুতে।কালচক্রে,জন্মমৃত্যুর চাকায় নিষ্পেষিত হতে চাই,যতদিন না ব্রহ্মান্ডের শীতল মৃত্যু হয়,এনট্রপি চরমে না পৌঁছায়।আমি মুক্তি চাই না,চাই ... ...
১বুলবুলি পালক ফেলল-কুড়িয়ে নিলাম আমি।সূর্য সেটা ফলো করলো, এমন হারামি! ২পাতা পাতা হাস্যকর হাওয়াযাওয়া যাওয়া এমনি চ’লে যাওয়াছাতা ছাতা বিরক্তিকর মেঘখাতা খাতা উল্টোপাল্টা লেখা৩প্রয়োজনে ফোন করলে–আমায় তুমি পাবে না।তোমায় যখন ফোন করব–তখন তোমায় পাব না। ৪বাড়ির গায়ে রোদ। বাড়ির ভেতর ঝগড়া। বাইরে থেকে তাকিয়ে দেখলে,কিছুই বোঝা যায় না।৫এই তো যেন সেদিনকেই!এই তো সবে-সবেঘ’টে যাওয়া সব ঘটনাই–নতুন হ’য়ে থাকে। ... ...
দিল্লির যন্তরমন্তরে অভিজিৎ দিপকে-এর নেতৃত্বে ককরোচ জনতা পার্টি নিট দুর্নীতির বিরুদ্ধে হ্যাঙ্গার স্ট্রাইক চলছে। সোনম ওয়াংচুর মতো ব্যক্তিত্ব ও সেই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করে অসুস্থ হয়ে পড়েন। আদালত সরকারকে তাঁর স্বাস্থ্যের দিকে যত্ন নিতে বলেন। সরকার পুলিশ দিয়ে সোনমকে হাসপাতালে তুলে নিয়ে যায়। অভিজিৎ দিকপে মুখে কালি ছিটিয়ে দেয় এক মহিলা। না অনশনকে ব্রতকে ভাঙতে পারেনি বিজেপি সরকার। উল্টে অসংখ্য যুবক-যুবতী অনশনে বসে পড়েন। অতঃপর ওই এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে আন্দোলনকে বানচাল করার চেষ্টা করছে। বিজেপি কখনো আন্দোলন, ধর্না, বিক্ষোভ পছন্দ করে না। মানে গণতান্ত্রিক এই ব্যবস্থাটাই ওদের পছন্দ নয়। এটা মোদি বলে নয়। বাজপেয়ীজিও এমন ছিলেন। ওনার সময়ে সারা দেশজুড়ে ... ...
নৌকো ছিল স্বপ্নে ভাসমান।বন্ধু ছিল স্বপ্ন থেকে দূরে...ভালোবাসা এখন শুধুই তার–সাহসকে যে পোষ মানাতে পারে।কষ্টে ছিল মৃদুমন্দ আরাম। আনন্দে তাই গুচ্ছ প্রীতিমরণ...ভালোবাসলে তোমায় হয়তো পেতাম,কিন্তু যদি ফুরিয়ে যেতো মন? ভালোবাসা এখন শুধুই তার–সাহসকে যে পোষ মানাতে পারে।ভালোবাসা এমন উপহার—মুহূর্তে যে ফুরিয়ে যেতে পারে!
গান শোনার বিষয়ে আমরা প্রত্যেকেই খুব স্পর্শকাতর ও সংবেদনশীল। কোনো কোনো সময় এমন হয় খুব প্রিয় গানগুলোই যেনো শুনতে মন চায় না। কারণ চারপাশ টা সেই গানগুলোর একেবারেই প্রতিকূলে সেই মুহূর্তে। তখন খুব না প্রিয় কোনো গান অদ্ভুত ভাবে মানিয়ে যায় চারপাশের সঙ্গে। তার মানে কি গান মন ঠিক করে নাকি মন গান ঠিক করে ? এ এক অদ্ভুত হেঁয়ালী, এক অদ্ভুত ধাঁধা। আমার আজকের বিষয়বস্তু এই ; কোনো আঘাত বা অভিযোগ নয় ; একান্ত ব্যক্তিগত কিছু ভালো লাগা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া - বরং হয়ে যাক না এক নির্ভেজাল আড্ডা, আমার এই লেখার হাত ধরেই, আমার বড় ... ...
( ২৮ ) মেঘলা দিন। সকাল থেকেই নিবিড় ছায়ায় ঢাকা। অনুমিতের মনটা যেন গাছতলায় পড়ে থাকা শুকনো পাতার মতো এলোমেলো উড়ে বেড়াচ্ছে। পবন, সিরাজ, শৌর্যরা নিশ্চয়ই এমন ছায়া মাখা দিনে মস্তি নিতে বসে গেছে কোন একটা ঠেকে বোতল খুলে। অনুমিত ভাবল ওদের কাউকে একটা ফোন করে। কিন্তু তেমন চাড় বোধ করল না। মনটা কেমন মেঘলা মেঘলা লাগছে। বাবাও অনেকদিন কাজ টাজের ব্যাপারে কিছু বলছে না। বোধহয় নতুন গভর্নমেন্টকে বুঝে নিতে চাইছে একটু। পলিটিক্সের ছানবিন করতে ব্যস্ত। বাড়িতে থাকতে ভাল লাগছে না। কারও একজনের সঙ্গে কথা ... ...
মন যদি কাল শুকনো স্রোতে আরাম নামায়, কী করবে? হয়তো তখন ঘোরের মধ্যে নিজের ভেতর খুঁজবে প্রেম! প্রশংসাশোক বাসলে ভালো, ঠোঁটের কাছে অন্তরাল... বাতাস তোমার মাঙ্গলিক আর জয়ের ঊর্ধ্বে সাম্য লাল! আহত সাত ঘোড়ার প্রতি তোমার মায়ের বিতৃষ্ণায়—ঘাসের রঙে ঘটছে বদল, নতুনশাসক ব্যবস্থায়... ছন্দে তুমি মন রাখোনি, অগত্যা কাল কী করবে? তোমায় দিচ্ছি দ্বন্দ্ব সমাস। আমাকে দাও সান্ধ্যমেঘ... ... ...
শনিবারের বারবেলাতে প্রেমটা চটকে গেলোইসাবেলার ভুলডোজার-বাবা হাজির হলো; মাথায় টাকবেজায় রাগ-উত্তরে তে ছিলো!!
বাইরে থেকে দেখলে মনে হবে সবকিছু বেশ শান্ত, স্বস্তিদায়ক। কিন্তু একটু চোখ-কান খোলা রাখলেই বুঝবেন, থিয়েটারের পর্দাটা আসলে অন্য কারোর ইশারায় উঠছে আর নামছে। বিশ্ব রাজনীতির একটা অলিখিত নিয়ম আছে—যে দেশ মাথা তুলে দাঁড়াতে চাইবে, তার পায়ে ল্যাং মারার জন্য গ্লোবাল মোড়লরা সবসময় তৈরি। আজকে যে 'ভারত ভাগ করার চেষ্টা' বা দেশকে ভিতর থেকে ভেঙে টুকরো করার একটা সুক্ষ্ম চক্রান্ত চলছে, সেটা কোনো সস্তার হোয়াটসঅ্যাপ ফরোয়ার্ড নয়, এটা পিওর ভূরাজনীতি বা জিওপলিটিক্স। বাঙালির চায়ের আড্ডার আঁতলামি মার্কা নিরপেক্ষতা বজায় রাখার চক্করে আমরা আসল বিপদটা দেখতেই পাচ্ছি না। একদিকে ওয়াশিংটনের থিংক ট্যাংক, অন্যদিকে বেজিংয়ের নীরব আগ্রাসন—দুটি মহাশক্তিই একটা বিষয়ে একমত: ভারতকে ... ...
সেদিন কলেজ স্ট্রিট কফিহাউসে আমায় মধুময়দা(মধুময় পাল, বিশিষ্ট কথাকার) বললেন,“ এটা দেখো।”দেখলাম তসলিমা নাসরিনের বই দ্বিখণ্ডিত নিষিদ্ধ করার বিরুদ্ধে একটা সুন্দর মুসাবিদা করা প্রতিবাদ পত্রের খসড়া। সময়টা ২০০৩এর নভেম্বর। আমি তখন নিয়মিত কফি হাউসে যেতাম শনিবার শনিবার। আগে গিয়ে মধুময়দার সঙ্গে আড্ডা মারতাম তারপর রক্তকরবী পত্রিকার টেবিলে রবি সেন, প্রদীপ ভট্টাচার্য, শান্তি নাথ ও আরো অনেকের সঙ্গে সময় কাটিয়ে বাড়ি ফিরতাম রাতে। কফি হাউসে আড্ডার এক গভীর আঠা আছে যা গায়ে মাথায় লেগে থাকলে সহজে ওঠে না। আমার ক্ষেত্রে ওই আঠা বংশগত বলাও যায় কারণ এ আঠা ছিল বাবারও আর অনেকদিন আগে প্রথম বাবার সঙ্গেই কলেজ স্ট্রিট কফি হাউসে গিয়ে ছিলাম। ... ...
অধ্যায় ১: গেম থিওরি কী? — লিলি আর মিমির খেলার ঘরগল্প শুরু হয় লিলি আর মিমির খেলার ঘর থেকে। তারা মিলে একটা নতুন খেলা খেলার সিদ্ধান্ত নিল।লিলি বলল, "আমরা একটা খেলা খেলব। আমি একটা সংখ্যা ভাবব, তুই সেটা বলতে হবে। কিন্তু তুই যদি ঠিক বলিস, তুই জিতবি। আর যদি ভুল বলিস, আমি জিতব।"মিমি বলল, "এটা তো খুব সহজ! আমি ৫ ভাবছি?"লিলি বলল, "না, আমি ৩ ভাবছিলাম। আমি জিতলাম!"ঠিক তখন তাদের মা ঘরে এলেন। তিনি বললেন, "তোরা যে খেলা খেলছিস, সেটারই একটা গণিত আছে। তার নাম গেম থিওরি।"লিলি বলল, "গেম থিওরি? খেলার গণিত?"মা বললেন, "হ্যাঁ। গেম থিওরি শেখায়, কীভাবে প্রতিযোগিতামূলক পরিস্থিতিতে ... ...
জলের ওপর দাগ কাটা যায়না, তাই তুমি জলে তুললে ঢেউ-ঢেউ আছড়ে পড়েছে রুক্ষ- শুষ্ক অগনন বেলাভূমিতে;সিক্ত করেছে অসঙ্কোচে মানব জমিন-উর্বর করেছে হৃদয় আর বোধ। তবু বুদ্ধির আড়ালে রয়ে গেছে মণীষা,ধীশক্তি। তোমার সংগ্রহে রয়েছে শ্রমের ফসল -ঈর্ষনীয় সে সব সম্পদ! বুদ্ধের মত সাহস তোমার-শান্ত সমাহিত এক ব্যক্তিত্ব! শক্তি আর তারুণ্যে ভরপুর তোমার চারপাশ। তোমার সততা তোমার জীবনকে করেছে তুচ্ছ;তোমার আদর্শ কোটি কোটি মনকে আকর্ষণ করে-আপোষহীন সংগ্রাম তোমার শোণিতে; তবুও কি দিশা পাবে এই প্রেক্ষিত!তবুও কি কাঙ্খিত মিহির কিরণ স্পর্শে কাটবে কুয়াশা! তোমার দর্শনে তোমার- বিজ্ঞানে মোহিত আপামর ;সংখ্যায় যারা নিতান্তই মুষ্টিমেয়-তুমি তাদেরই একজন। তোমাকে বড় বেশি করে প্রয়োজন আগামী প্রজন্মের। পশুদের কেবল ক্ষিধে থাকে, নীতি নেই-অপেক্ষায় থাকে শুধু মাংসের;আকাশে ... ...
বৃষ্টিমুহাম্মদ ফজলুল হকটানা তিন দিন ধরে আকাশ ভেঙে মুষলধারে বৃষ্টি নামছে। থামার কোনো লক্ষণ নেই। আষাঢ়ের এই অবিশ্রান্ত বর্ষণে নদী-নালা, খাল-বিল উপচে পানি থইথই করছে। চারদিকের ঘরবাড়ি ভিজে শ্যাঁতশেঁতে। মোবারকের কাজে যাওয়ার উপায় নেই। অভাবের জাঁতাকলে পিষ্ট সংসারে অনাহার যেন আরও জেঁকে বসেছে। ঘরে চাল-ডাল নেই বললেই চলে। কেরোসিনের কুপিটাও নিভু নিভু। সামান্য গম আর শিমের বিচি সেদ্ধ করে এবং আটার ঝুরি বানিয়ে বাচ্চাদের মুখে তুলে দিয়ে কোনো রকমে দিন পার করছে মোবারকের স্ত্রী।বাইরে তখনো ঝমঝম শব্দে বৃষ্টি ঝরছে। ঘরের দাওয়ায় স্তব্ধ হয়ে বসে আছে মোবারক আর শাহিদা। দুজনের চোখেই অন্ধকারের ছায়া। একসময় নীরবতা ভেঙে শাহিদা ফিসফিসিয়ে বলল, “বৃষ্টি মাথায় ... ...
নতুন এলাকায় আমরা উঠে আসার কয়েকদিনের মধ্যেই আমি লক্ষ করি আমাদের বাসার ঠিক সামনে, অন্যপাশের পার্কটির এক নির্জন বেঞ্চে একজন বৃদ্ধ লোক বসে থাকেন। বসে কাজ করতে থাকলে প্রায় ঘন্টাখানেক পরে পরেই ঘড়ি একটা সংকেত দিত, অনেকক্ষণ বসা হয়ে গেছে, এইবার একটু হেঁটে আসুন। সেই সংকেতকে সম্মান দিতে, এবং প্রতিদিনের আট হাজার স্টেপ হাঁটার লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমি দিনে কয়েকবার বের হতাম হাঁটতে। পার্কটি দুই চক্কর দিয়ে আবার ফিরে আসতাম।যতবার হাঁটতে গিয়েছি, ততবার লোকটাকে ঠিক একই জায়গায় বসে থাকতে দেখেছি। তাঁর শাদা লম্বা চুল ঘাড় পর্যন্ত, বেশভূষা পরিষ্কার। মাথায় হ্যাট, পরনে থাকত ধূসর রঙের এক কোট, এবং শাদা শার্ট, কালো ... ...
তৃণমূলের পরাজয়ের পর থেকেই তৃণমূল ছেড়ে বেরিয়ে যাওয়া নেতারা সবাই অভিষেককেই দোষারোপ করছে। অভিষেক এত খারাপ, অভিষেকের নেতৃত্ব মেনে নেওয়া যায় না, তাহলে পরাজয়ের আগে পর্যন্ত চুপ ছিল কেন? অভিষেকের বিরোধিতা করলে শুভেন্দুর গুডবুকে থাকা যাবে, তাই তো? ইডি, সিবিআই, জেলহাজত সব দূরে থাকবে। তাই তো? তাই অভিষেককে যত হ্যাটা করা যাবে, ততই শুভেন্দু খুশি হবে। অভিষেক শুভেন্দুর প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল। কারণ শুভেন্দুর স্বপ্ন ছিল মমতার পরেই উনি মুখ্যমন্ত্রী হবে। হঠাৎ অভিষেকের উত্থান শুভেন্দুর সেই স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। শুভেন্দু বুঝে নিয়েছিল তৃণমূলে থাকলে তার পক্ষে মুখ্যমন্ত্রী হওয়া কোনোমতেই সম্ভব নয়। শিকে যদি ছেঁড়ে, সেই ভরসায় থাকলে ইডি/সিবিআইয়ের তাড়া ... ...
প্রথম অংশ"এই যে, আমার বন্ধু," আমি লাবার্বকে বললাম, "তুমি এইমাত্র সেই পাঁচটি শব্দ আবার উচ্চারণ করলে, যেটা ঐ মোরিন নামের শূকরটার জন্য ব্যবহৃত হয়। কেন যেন মোরিনের নাম শুনলেই তাকে শূকর বলে ডাকা হয়, সেটা আমি কখনো বুঝতে পারি না?"লাবার্ব, যিনি একজন ডেপুটি (প্রতিনিধি), প্যাঁচার মতো চোখ করে আমার দিকে তাকিয়ে বললেন, "তুমি কি বলতে চাচ্ছ যে তুমি মোরিনের কাহিনী জানো না, অথচ তুমি লা রোশেল থেকে এসেছ?" আমি স্বীকার করতে বাধ্য হলাম যে আমি মোরিনের কাহিনী জানি না, তাই লাবার্ব হাত ঘষতে লাগলেন এবং তাঁর বর্ণনা শুরু করলেন।"তুমি মোরিনকে চিনতে, তাই না? আর কুয়াই দে লা রোশেল-এ তার বড় ... ...
১ধর্ম কী? সে বিষয়ে জানার কোনও উত্তেজনানেই আমার। আমি শুধু জানি, ধর্ষকের ধর্ম ধর্ষণ করা। মায়ের ধর্ম কোলের শিশুকে বুকের দুধ দেওয়া আর প্রেমের ধর্ম, ছাপোষা নাগরিক হ’য়ে গোলাপ কিনে নেওয়া অফিস থেকে ফেরার পথে। এই তো। এইটুকুই। এর বেশি ধর্ম সম্পর্কে আমার কোনও উত্তেজনা নেই। নেই কোনও আন্তরিকবন্ধন।২আমি শুনেছি, শুনে এসেছি যে, শত্রুদের কোনও স্বর্গ নেই। নরকও নেই। শুনেছি এমন। শুনে এসেছি। কোথায় শুনেছি, কখন শুনেছি, কবে শুনেছি— সেসব জানি না। যে আমার এই লেখাটা পড়ছ, পড়তে চলেছ, সে হয়তো আমার বন্ধু। হয়তো শত্রু। শুধু জেনো, নিজের কাছে আমি কখনও নিজের বন্ধু নই। নই শত্রুও। কে আমাকে কীভাবে দেখছে, সেটা বড়কথা নয়। বড়কথা হচ্ছে, নিজের সঙ্গে যে ভাষায় কথা বলি, আমি তার ... ...