• ভাটিয়ালি
  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা।

  • commentAtoz | 162.158.187.86 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:১৪
  • "মনিয়ার ঘরে রাত", এই মনিয়া যে কে, সেই নিয়ে একটা নেশ ইন্টারেস্টিং লেখা পড়ছিলাম কিছুদিন আগে।
  • commento | 172.68.141.81 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:১৩
  • একটা কথা বারবার মনে হয়। জীবনানন্দের উপন্যাস পড়লেই চোখে পড়ে লম্বা লম্বা সংলাপ। কথা, কথা আর শুধু কথা। কেবল 'নিরুপম যাত্রা' নামের নভেলাটি বাদ দিলে প্রায় সব উপন্যাসে সংলাপের একটা বিরাট উপস্থিতি। কিন্তু কেন? ক্রমাগত স্বাভাবিক একেবারে মুখের ভাষায় সমস্ত অসাবধান শব্দ ও পদের ব্যবহার সমেত সংলাপ লেখবার চেষ্টা করেছেন লেখক। অথচ তাঁর সংলাপ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উন্মোচনের কাজে ব্যবহৃত হয় না। চরিত্রেরা কেবল ঘুরে ঘুরে জলের মত কথা বলে চলে। য্যানো সব সংলাপ শেষপর্যন্ত সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়ে দাঁড়ায়। এইটে আসলে তাঁর টেকনিক।

    যেকোনো ফিকশনকে যদি এভাবে দেখি যে তা আসলে চরিত্রগুলোর প্রাথমিক অবস্থান থেকে অন্তিম অবস্থানে পৌঁছনোর ট্র্যাজেকটরি, তাহলে সনাতন সাহিত্যতে আমরা এই ট্র্যাজেকটরিটি নিপুণভাবে আঁকবার একটি প্রতিযোগিতা লক্ষ্য করি। যেমন ধরুন শরৎচন্দ্র। তাঁর চরিত্ররা ঘটনা ঘটায়। ঘটনা তাদের মনোজগতে ছাপ ফ্যালে। তারা আবার প্রত্রিক্রিয়া দেখায়। এভাবে ট্র্যাজেকটরিটি নির্মিত হয়। এই রিয়ালিজমের ওপর সারা পৃথিবীর ক্লাসিক সাহিত্য দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু আধুনিক পৃথিবী এত জটিল হয়ে উঠল যে এভাবে সাহিত্যের পক্ষে খুব বেশি গভীরে যাওয়া দুরুহ হয়ে দাঁড়াল। ফলে ঘটনাক্রম সাজিয়ে লেখা গল্পের বদলে শুধু ঘটনার আভাস রচনা করার একটা ধারা তৈরী হল, যেখানে চরিত্রদের অ্যাকশন ও রিয়াকশনের ডিটারমিনিস্টিক ছকটিকে সম্পূর্ণ পরিত্যাগ করা হল। কাফকার মেটামরফোসিসে পাঠকের আর বোঝবার কোনো উপায় রইল না কেন গ্রেগর সামসা পোকা হয়ে গেল। এইটা আমরা জীবনানন্দের মধ্যে পাই ব্যর্থ সংলাপের ভেতর দিয়ে। মানিকের 'পদ্মানদীর মাঝি' পড়লে প্রায় ফ্রয়েড ধরে ধরে চরিত্রগুলির রিয়াকশন সাজানোর যে প্রচেষ্টা লক্ষ্য করি, জীবনানন্দে তা একেবারে অনুপস্থিত। বোধহয় জল্পাইহাটিতেই 'ফ্রয়েড কী বুঝবেন, উনি তো স্রেফ রোগীদের কফি খাইয়ে গল্প জুড়তেন' এরকম ধরনের একটা কথা আছে। একটা অদ্ভুত মরবিড জগতের ভেতর বসে মাল্যবান আর উৎপলা অজস্র অজস্র কথা বলে যায়। অথচ মাল্যবান আসলে কীরকম বা উৎপলা কীরকম সেটা পাঠকের ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যায়।

    আরেকটি অদ্ভুত লেখা সুতীর্থ। সুতীর্থ সম্পর্কে আলোচনা পড়ে আমি দেখেছি এটাকে ব্যর্থ উপন্যাস বলা হয়েছে। কারণ হিসেবে বলা হয়েছে মাল্যবান তবু কিছুটা দুঃখী-দুঃখী বলে পাঠকের মনে দাগ কাটে, সুতীর্থ ওরকম নয়। এ খুবই বিচিত্র সমালোচনা, কিন্তু আমি সত্যিই জানি না সুতীর্থ সার্থক না ব্যর্থ উপন্যাস। সুতীর্থকে য্যানো একেবারেই বোঝা যায় না। তার জটিল মনোজগতের একটা আভাস পাওয়া যায় মাত্র। বাসমতীর উপাখ্যান পড়লে দেখা যায় কলেজের প্রিন্সিপ্যাল ও এক ছাত্রীর মধ্যে লম্বা একটা সংলাপ। তার মধ্যে অবদমিত যৌনতা, অন্তর্লীন ক্ষমতার স্ট্রাকচার সবই এসেছে, অথচ আসলে তারা কী বলতে চায় তার স্রেফ আভাস মেলে মাত্র। সচরাচর তারা যা বলতে চায়, আসলে তা বলে না। আসলে জীবনানন্দের সব সংলাপ ব্যর্থ।

    না বললে পাপ হবে, এই আভাস রচনা করবার খেলা আরেকজন খেলেছেন খুব মন দিয়ে। তিনি কোর্তাজার। এই খেলার নানারকম টেকনিক পরীক্ষা করে দেখেছেন ভদ্রলোক। অবশ্য একটু ফিলোজফিক্যালি। 'অ্যাক্সলটল'-এ দেখুন একটা লোক রোজ অ্যাকোরিয়ামে গিয়ে পায়ে হাঁটা মাছেদের দ্যাখে এবং একদিন সে নিজেই একটা পায়ে হাঁটা মাছ হয়ে যায়। 'স্টোরি উইথ স্পাইডারস'-এ দেখি দুজন মানুষ সমুদ্রতীরে বাংলোতে নির্জন ছুটি কাটাতে গিয়ে দ্যাখে পাশের ঘরে দু'টি মেয়ে উঠেছে। দেয়ালের এপাশ থেকে মেয়েদুটির ফিসফিসানি শুনতে শুনতে অবসেসড মানুষদুটি মাকড়সায় পরিণত হয়। 'উই লাভ গ্লেন্ডা সো মাচ', তাতেও একদল ফ্যান প্রিয় অভিনেত্রীকে হত্যা করার সিদ্ধান্ত নেয়। এই যে মরবিড জগত কাফকার বা কোর্তাজারের বা জীবনানন্দের, এ য্যানো সাহিত্যের সমস্ত গুরুদায়িত্বকে ঠাট্টা করতে করতে ঢুকে পড়ে গভীর অন্ধকারের ভেতর।
  • commentAtoz | 162.158.187.86 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:১২
  • কুড়ি বছর পরে

    আবার বছর কুড়ি পরে তার সাথে দেখা হয় যদি!
    আবার বছর কুড়ি পরে—
    হয়তো ধানের ছড়ার পাশে
    কার্তিকের মাসে—
    তখন সন্ধ্যার কাক ঘরে ফেরে— তখন হলুদ নদী
    নরম-নরম হয় শর কাশ হোগলায়— মাঠের ভিতরে।

    অথবা নাইকো ধান খেতে আর;
    ব্যস্ততা নাইকো আর,
    হাঁসের নীড়ের থেকে খড়
    পাখির নীড়ের থেকে খড়
    ছড়াতেছে; মনিয়ার ঘরে রাত, শীত আর শিশিরের

    জীবন গিয়েছে চলে আমাদের কুড়ি-কুড়ি বছরের পার—
    তখন হঠাৎ যদি মেঠে পথে পাই আমি তোমারে আবার!

    হয়তো এসেছে চাঁদ মাঝরাতে একরাশ পাতার পিছনে
    সরু-সরু কালো-কালো ডালপালা মুখে নিয়ে তার,
    শিরীষের অথবা জামের,
    ঝাউয়ের— অামের;
    কুড়ি বছরের পরে তখন তোমারে নাই মনে!

    জীবন গিয়েছে চ’লে আমাদের কুড়ি-কুড়ি বছরের পার—
    তখন আবার যদি দেখা হয় তোমার আমার!

    তখন হয়তো মাঠে হামাগুড়ি দিয়ে পেঁচা নামে—
    বাবলার গলির অন্ধকারে
    অশথের জানালার ফাঁকে
    কোথায় লুকায় আপনাকে!
    চোখের পাতার মতো নেমে চুপি কোথায় চিলের ডানা থামে—

    সোনালি-সোনালি চিল— শিশির শিকার ক’রে নিয়ে গেছে তারে—
    কুড়ি বছরের পরে সেই কুয়াশায় পাই যদি হঠাৎ তোমারে!
  • commentAtoz | 162.158.187.86 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:১১
  • শিকার

    ভোর;
    আকাশের রং ঘাসফড়িঙের দেহের মতো কোমল নীল:
    চারিদিকের পেয়ারা ও নোনার গাছ টিয়ার পালকের মতো সবুজ।
    একটি তারা এখনও আকাশে রয়েছে:
    পাড়াগাঁর বাসরঘরে সব চেয়ে গোধূলি-মদির মেয়েটির মতো;
    কিংবা মিশরের মানুষী তার বুকের থেকে যে-মুক্তা আমার নীল মদের
    গেলাসে রেখেছিলো
    হাজার-হাজার বছর আগে এক রাতে— তেম্নি—
    তেম্নি একটি তারা আকাশে জ্বলছে এখনও।

    হিমের রাতে শরীর ‘উম্’ রাখবার জন্য দেশোয়ালীরা সারারাত মাঠে
    আগুন জ্বেলেছে—
    মোরগ ফুলের মতো লাল আগুন;
    শুকনো অশ্বত্থপাতা দুমড়ে এখনও আগুন জ্বলছে তাদের;
    সূর্যের আলোয় তার রং কুঙ্কুমের মতো নেই আর;
    হ’য়ে গেছে রোগা শালিকের হৃদয়ের বিবর্ণ ইচ্ছার মতো।
    সকালের আলোয় টলমল শিশিরে চারিদিকের বন ও আকাশ ময়ূরের
    সবুজ নীল ডানার মতো ঝিলমিল করছে।

    ভোর;
    সারারাত চিতাবাঘিনীর হাত থেকে নিজেকে বাঁচিয়ে-বাঁচিয়ে
    নক্ষত্রহীন, মেহগনির মতো অন্ধকারে সুন্দরীর বন থেকে অর্জুনের বনে ঘুরে-ঘুরে
    সুন্দর বাদামী হরিণ এই ভোরের জন্য অপেক্ষা করছিলো।

    এসেছে সে ভোরের আলোয় নেমে;
    কচি বাতাবী লেবুর মতো সবুজ সুগন্ধি ঘাস ছিঁড়ে-ছিঁড়ে খাচ্ছে;
    নদীর তীক্ষ্ণ শীতল ঢেউয়ে সে নামলো—
    ঘুমহীন ক্লান্ত বিহ্বল শরীরটাকে স্রোতের মতো একটা আবেগ দেওয়ার জন্য;
    অন্ধকারের হিম কুঞ্চিত জরায়ু ছিঁড়ে ভোরের রৌদ্রের মতো একটা বিস্তীর্ণ
    উল্লাস পাবার জন্য;
    এই নীল আকাশের নিচে সূর্যের সোনার বর্শার মতে জেগে উঠে
    সাহসে সাধে সৌন্দর্যে হরিণীর পর হরিণীকে চমক লাগিয়ে দেবার জন্য।

    একটা অদ্ভুত শব্দ।
    নদীর জল মচকাফুলের পাপড়ির মতো লাল।
    আগুন জ্বললো আবার— উষ্ণ লাল হরিণের মাংস তৈরি হ’য়ে এলো।
    নক্ষত্রের নিচে ঘাসের বিছানায় ব’সে অনেক পুরানো শিশিরভেজা গল্প;
    সিগারেটের ধোঁয়া;
    টেরিকাটা কয়েকটা মহিষের মাথা;
    এলোমেলো কয়েকট বন্দুক— হিম– নিঃস্পন্দ নিরপরাধ ঘুম।
  • commentAtoz | 162.158.187.86 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:১০
  • আট বছর আগের একদিন

    শোনা গেল লাসকাটা ঘরে
    নিয়ে গেছে তারে;
    কাল রাতে— ফাল্গুনের রাতের আঁধারে
    যখন গিয়েছে ডুবে পঞ্চমীর চাঁদ
    মরিবার হ’লো তার সাধ;

    বধূ শুয়েছিলো পাশে— শিশুটিও ছিলো;
    প্রেম ছিলো, আশা ছিলো— জ্যোৎস্নায়– তবু সে দেখিল
    কোন্ ভূত? ঘুম কেন ভেঙে গেল তার?
    অথবা হয়নি ঘুম বহুকাল— লাসকাটা ঘরে শুয়ে ঘুমায় এবার।
    এই ঘুম চেয়েছিলো বুঝি!
    রক্তফেনামাখা মুখে মড়কের ইঁদুরের মতো ঘাড় গুঁজি
    আঁধার ঘুঁজির বুকে ঘুমায় এবার;
    কোনোদিন জাগিবে না আর।

    ‘কোনোদিন জাগিবে না অার
    জানিবার গাঢ় বেদনার
    অবিরাম— অবিরাম ভার
    সহিবে না আর—’
    এই কথা বলেছিলো তারে

    চাঁদ ডুবে চ’লে গেলে— অদ্ভুত আঁধারে
    যেন তার জানালার ধারে
    উটের গ্রীবার মতো কোনো এক নিস্তব্ধতা এসে।

    তবুও তো পেঁচা জাগে;
    গলিত স্থবির ব্যাং আরো দুই মুহূর্তের ভিক্ষা মাগে
    আরেকটি প্রভাতের ইশারায়— অনুমেয় উষ্ণ অনুরাগে।

    টের পাই যূথচারী আঁধারের গাঢ় নিরুদ্দেশে
    চারিদিকে মশারির ক্ষমাহীন বিরুদ্ধতা;
    মশা তার অন্ধকার সঙ্ঘারামে জেগে থেকে জীবনের স্রোত ভালোবাসে।

    রক্ত ক্লেদ বসা থেকে রৌদ্রে ফের উড়ে যায় মাছি;
    সোনালি রোদের ঢেউয়ে উড়ন্ত কীটের খেলা কতো দেখিয়াছি।

    ঘনিষ্ঠ আকাশ যেন— যেন কোন্ বিকীর্ণ জীবন
    অধিকার ক’রে আছে ইহাদের মন;
    দুরন্ত শিশুর হাতে ফড়িঙের ঘন শিহরণ
    মরণের সাথে লড়িয়াছে;
    চাঁদ ডুবে গেলে পর প্রধান আঁধারে তুমি অশ্বত্থের কাছে
    এক গাছা দড়ি হাতে গিয়েছিলে তবু একা-একা;
    যে-জীবন ফড়িঙের, দোয়েলের— মানুষের সাথে তার হয়নাকো দেখা
    এই জেনে।

    অশ্বত্থের শাখা
    করেনি কি প্রতিবাদ? জোনাকির ভিড় এসে সোনালি ফুলের স্নিগ্ধ ঝাঁকে
    করেনি কি মাখামাখি?
    থুরথুরে অন্ধ পেঁচা এসে
    বলেনি কি: ‘বুড়ি চাঁদ গেছে বুঝি বেনোজলে ভেসে
    চমৎকার!

    ধরা যাক দু-একটা ইঁদুর এবার!’
    জানায়নি পেঁচা এসে এ তুমুল গাঢ় সমাচার?

    জীবনের এই স্বাদ– সুপক্ব যবের ঘ্রাণ হেমন্তের বিকেলের–
    তোমার অসহ্য বোধ হ’লো;
    মর্গে কি হৃদয় জুড়োলো
    মর্গে— গুমোটে
    থ্যাঁতা ইঁদুরের মতো রক্তমাখা ঠোঁটে।

    শোনো
    তবু এ মৃতের গল্প; কোনো
    নারীর প্রণয়ে ব্যর্থ হয় নাই;
    বিবাহিত জীবনের সাধ
    কোথাও রাখেনি কোনো খাদ,
    সময়ের উদ্বর্তনে উঠে এসে বধূ
    মধু— আর মননের মধু
    দিয়েছে জানিতে;
    হাড়হাভাতের গ্রানি বেদনার শীতে
    এ-জীবন কোনোদিন কেঁপে ওঠে নাই;
    তাই
    লাসকাটা ঘরে
    চিৎ হ’য়ে শুয়ে আছে টেবিলের ’পরে।

    জানি— তবু জানি
    নারীর হৃদয়— প্রেম— শিশু— গৃহ– নয় সবখানি;
    অর্থ নয়, কীর্তি নয়, সচ্ছলতা নয়—
    আরো-এক বিপন্ন বিস্ময়
    আমাদের অন্তর্গত রক্তের ভিতরে
    খেলা করে;
    আমাদের ক্লান্ত করে

    ক্লান্ত— ক্লান্ত করে;
    লাসকাটা ঘরে
    সেই ক্লান্তি নাই;
    তাই
    লাসকাটা ঘরে
    চিৎ হ’য়ে শুয়ে আছে টেবিলের ’পরে।

    তবু রোজ রাতে আমি চেয়ে দেখি, আহা,
    থুরথুরে অন্ধ পেঁচা অশ্বত্থের ডালে ব’সে এসে
    চোখ পাল্টায়ে কয়: ’বুড়ি চাঁদ গেছে বুঝি বেনোজলে ভেসে?
    চমৎকার!
    ধরা যাক্ দু-একটা ইঁদুর এবার—’

    হে প্রগাঢ় পিতামহী, আজো চমৎকার?
    আমিও তোমার মতো বুড়ো হবো— বুড়ি চাঁদটারে আমি ক’রে দেবো
    কালীদহে বেনোজলে পার;
    আমরা দু-জনে মিলে শূন্য ক’রে চ’লে যাবো জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার।
  • commentAtoz | 162.158.187.86 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৮:০৯
  • আমিও বেশ কিছু রেখে যাই। এখানে পড়া যাবে। ঃ-)
    নগ্ন নির্জন হাত

    আবার আকাশে অন্ধকার ঘন হ’য়ে উঠছে:
    আলোর রহস্যময়ী সহোদরার মতো এই অন্ধকার।

    যে আমাকে চিরদিন ভালোবেসেছে
    অথচ যার মুখ আমি কোনোদিন দেখিনি,
    সেই নারীর মতো
    ফাল্গুন আকাশে অন্ধকার নিবিড় হ’য়ে উঠছে।

    মনে হয় কোনো বিলুপ্ত নগরীর কথা
    সেই নগরীর এক ধূসর প্রাসাদের রূপ জাগে হৃদয়ে।

    ভারতসমুদ্রের তীরে
    কিংবা ভূমধ্যসাগরের কিনারে
    অথবা টায়ার সিন্ধুর পারে
    আজ নেই, কোনো এক নগরী ছিলো একদিন,
    কোনো এক প্রাসাদ ছিলো;
    মূল্যবান আসবাবে ভরা এক প্রাসাদ:
    পারস্য গালিচা, কাশ্মীরী শাল, বেরিন তরঙ্গের নিটোল মুক্তা প্রবাল,
    আমার বিলুপ্ত হৃদয়, আমার মৃত চোখ, আমার বিলীন স্বপ্ন আকাঙ্ক্ষা,
    আর তুমি নারী—
    এই সব ছিলো সেই জগতে একদিন।

    অনেক কমলা রঙের রোদ ছিলো,
    অনেক কাকাতুয়া পায়রা ছিলো,
    মেহগনির ছায়াঘন পল্লব ছিলো অনেক;
    অনেক কমলা রঙের রোদ ছিলো,
    অনেক কমলা রঙের রোদ;
    আর তুমি ছিলে;
    তোমার মুখের রূপ কতো শত শতাব্দী আমি দেখি না,
    খুঁজি না।

    ফাল্গুনের অন্ধকার নিয়ে আসে সেই সমুদ্রপারের কাহিনী,
    অপরূপ খিলান ও গম্বুজের বেদনাময় রেখা,
    লুপ্ত নাসপাতির গন্ধ,
    অজস্র হরিণ ও সিংহের ছালের ধূসর পাণ্ডুলিপি,
    রামধনু রঙের কাচের জানালা,
    ময়ূরের পেখমের মতে রঙিন পর্দায়-পর্দায়
    কক্ষ ও কক্ষান্তর থেকে আরো দূর কক্ষ ও কক্ষান্তরের
    ক্ষণিক আভাস—
    আয়ুহীন স্তব্ধতা ও বিস্ময়।

    পর্দায়, গালিচায় রক্তাভ রৌদ্রের বিচ্ছুরিত স্বেদ,
    রক্তিম গেলাসে তরমুজ মদ!
    তোমার নগ্ন নির্জন হাত;

    তোমার নগ্ন নির্জন হাত।
  • commentএকলহমা | 162.158.187.190 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:৪১
  • @আতোজ, @সিএস

    অনুসূর্যের গান - প্রিয় কবিতাটিকে আবার পড়ানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ।
  • commentAtoz | 162.158.187.84 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:২৭
  • সিএস, ধন্যবাদ।
    আকারের দিক দিয়ে না, ইন্টারেস্টিং গল্পের দিক দিয়ে বলছিলাম ইনফের্নো অংশটার কথা।
  • commentসিএস | 162.158.118.107 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:২৩
  • ডিভাইন কমেডির তিনটে ভাগ তো সমমাপের, প্রতিটিতেই তেত্রিশটি ক্যান্টো, প্রতি ক্যান্টোতেই সমসংখ্যক পংক্তি। ফলে, স্বর্গ অংশটি ছোট করে বলা নয়, বরং প্যারাদিসো থেকে ধরলে, স্বর্গ বা স্বর্গের ছোঁয়া লাগা বিষয়ই বেশী।

    আর এই হল অনুসূর্যের গানঃ

    https://sites.google.com/site/mohaprithibi/Home/sattitarartimir/onusurjergaan
  • commentAtoz | 162.158.186.155 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:১০
  • আহ, একটা প্রবন্ধের আইডিয়া পাওয়া যাচ্ছে, "রবীন্দ্রনাথ ও রাশিয়ার চিংড়ি"
    ঃ-)
  • commentএকলহমা | 108.162.238.112 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:০৮
  • @ গ
    আমার পড়া-শোনা বিশেষ কিছু নেই। তাই আমার পক্ষে যা সম্ভব তাই করি - যাঁরা জানেন, তাঁদের কথা শুনি, তাঁদের আলোচনা পড়ি, যতটা পারি বুঝি, নিজের ভাল-লাগা জানিয়ে যাই আর মাঝে মাঝে একটা-দুটো প্রশ্ন রাখি।

    আমি নিরন্তর সংশয়বাদী। খুব সামান্য কয়েকটি বিষয় ছাড়া সমস্ত পণ্ডিত, বোদ্ধা মানুষদের সবরকম প্রস্তর-দৃঢ় নিশ্চয়তায় আমায়ে সংশয় জারী থাকে, থাকবে। আমাকে অনধিকারী মনে হলে দুঃখিত।
  • comment | 172.68.146.91 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৭:০৭
  • আধুনিক সাহিত্যে চিরায়ত বলে কিসু হয়না, ইন ফ্যাক্ট সেটাই আধুনিক সাহিত্যে র মূল দার্শনিক অবস্থান। এনগেজমেন্ট টাই কনটেম্পোরখরি, সেইজন্যই রিয়ালিজম জিনিস টা ধরুন তৃতীয় শতাব্দী তে হয়নি, ঝট করে বলা যায় , মরালিটি বা স্টেট ক্রাফ্ট এর থেকে তখনকার রাজনীতি তে মানবজীবন সংক্রান্ত আর্টের আলাদা হবার উপায় ছিল না। এটা ঠিক আমি ভার্সাস আপনি না, দৃষ্টি ভঙ্গি র পার্থ ক্য শুধু না, সয়য়ের পার্থক্য। রবীন্দ্রনাথ ও কলোনি তে রিয়াক্ট করছেন, হিন্দু মেলা থেকে রাশিয়ার চিংড়ি বা সভ্যতার সংকট বা একটা কন্ট্রাস্ট টেড প্রাচ‌্য ধারণা র কথা বলছেন, কিন্তু সত্যি কথা বলতে কি, রবীন্দ্র পরবর্তী রিগ্রেসিভ রিডাকশন বা জেনুইন লি ইনভেনটিভ কল্লোল বা সোশলিস্ট রিয়ালিজম এর আগমন সবকিছু কেই একটা সিরিয়াস গুঁতো মেরে বাংলা সাহিত্য কে দুই যুদ্ধ এর মধ্যবর্তী সময়ে নিয়ে আসছে না এব়ং একাধারে প্রবল ক্রিয়েটিভ আসপিরেশন এবং একটা মিসান্থ্রোপিক সন্ত্রস্ত ভাব দুটি জিনিস ই তাকে সয়্ভ
    সম্ভব করছে। আমি টেক্সট রিডিং এ জীবনানন্দ কে সীমাবদ্ধ না রাখার বিষয়টা কনসিডার
    করতে বলছি মাত্র, ব‌্যক্তিগত মতপার্থক্য টাই একমাত্র ইসু না, আলোচনার স্কোপ টা বাড়ানো র কথা বলছি।
  • commentAtoz | 162.158.186.155 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৫৮
  • সিএস,
    অনুসূর্য জিনিসটা কী?
  • commentAtoz | 162.158.186.155 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৫৬
  • এইত্তো। আর একটা পেয়েছি। যাদুবাস্তবতা।
    ঃ-)
  • comment | 172.69.134.188 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৪৩
  • * নইলে কবিতা গুলো " পড়ার সময় " একসোটিকা চর্চা র সম্ভাবনা থেকে যায়। আর একটা কথা বোঝা দরকার, সাহিত্য শুধু না সাহিত্য আলোচনাতেও সম্ভবত মডার্নিজম , যাদুবাস্তবতা , আলো, অন্ধকার, এবং আরেকটি আছে, " স্ট্রীম অফ কনশাসনেস" এই ধারনা গুলো প্রতিটি র আলাদা সয়সায়য়িক স্পেসিফিসিটির বাইরে দেখা র জাস্ট কোন মানে হয়না।
  • commentarin | 198.41.238.119 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৪০
  • "জীবনানন্দর কবিতা কে আলো , শান্তি ইত্যাদি বললে জ্যাজ বা ক্লাসিক এবং এবং এফ এম কে অনৈতিহাসিক এবং অনৈতিক স্ট্রেস বাস্টার হিসেবে বেচার পদ্ধতি মনে পড়ে, ভদ্রলোকের সিরিয়াস সচেতন ভাবে তৈরি বিশ-ত্রিশ দশক পরবর্তী আধুনিকতার ভাষা কে কে অস্বীকার করা হয়।"

    আপনি অন্য ভাবে দেখতেই পারেন । সেটাকে সম্মান জানিয়েই ,

    "অনৈতিক স্ট্রেস বাস্টার" কথাটা বললেন বলে লিখতেই হচ্ছে যে  গান কবিতা এগুলো তো জীবনের মধ্যে থেকেই উঠে আসে , যার যা গান যার যা কবিতা । আমি  জেটস্কি করার সময় বনলতা সেনের কবিতার কথাটা কখনো ভাবিনি তবে এর পর যখন যাবো ভাববো অবশ্যই,  :-)

    গান কবিতা আর মৃত্যুর মুখোমুখি হবার কথা লিখতে গিয়ে হঠাৎ করে ইংরেজ কবি ও সৈন্য উইলফ্রেড ওয়েন এর কথা মনে এলো , প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আর্মিটিস চুক্তি হবার এক সপ্তাহ আগে ভদ্রলোক যুদ্ধে মারা যান ।

    মা সুসান ওয়েন রবীন্দ্রনাথ কে একটি চিঠি লেখেন যার বয়ান এরকম:


    ".. It is nearly two years ago, that my dear eldest son went out to the War for the last time and the day he said Goodbye to me—we were looking together across the sun-glorified sea—looking towards France with breaking hearts—when he, my poet son, said these wonderful words of yours... ‘when I leave, let these be my parting words: what my eyes have seen, what my life received, are unsurpassable’. And when his pocket book came back to me—I found these words written in his dear writing—with your name beneath. "
    ( https://www.livemint.com/Leisure/rGTDWdCUCGgC4DGx6mg5jI/A-strange-meeting-of-minds.html )

    কাজেই |

  • commentAtoz | 162.158.186.227 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৩৯
  • কিন্তু দিভিনা কোম্মেদিয়া তে গল্পটল্প সবই তো ইনফের্নো তে, তুলনায় স্বর্গ অংশটা তো সংক্ষেপে সেরে দেওয়া।
  • commento | 172.68.141.129 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৩১
  • আমি আরো দুটো জ্ঞানের কতা পাড়ব ভেবেছিলুম, কিন্তু অ্যাতোজের কমেন্ট পড়ে বিচ্ছিরিরকম হাসি পাচ্ছে। ঃ-)))
  • commentসিএস | 162.158.118.185 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:৩১
  • জীবনানন্দ প্রসঙ্গে দান্তেকে আনা, মজা করে বলিনি। জীবনানন্দের কাছে পশ্চিমি সাহিত্যের তিনটে প্রধান (মহৎ) বিন্দু ছিল। হোমার-্দান্তে-জয়েস, এই তিনজনের এক যোগ ছিল। কিন্তু শুধু জীবনানন্দই নয়, আধুনিকেরা দান্তের নরক থেকে যত নিয়েছে স্বর্গ থেকে নিশ্চয়ই বিশেষ কিছু নয়। এলিয়ট যখন ওয়েস্ট্ল্যান্ডে দান্তে কোট করেন (I had not thought death had undone so many), তখন লণ্ডন ব্রীজের ওপর যুদ্ধ পরবর্তী নতমুখ মানুষের হেঁটে যাওয়াকে দান্তের নরকের সাজাপ্রাপ্ত আত্মাদের সাথে তুলনা করেন। তো, দান্তের স্বর্গকে যে আধুনিকেরা নিতে পারছেন না (যদিও এলিয়টের ক্যাথলিক পর্বে, Four Quartrets ? এর ছোঁয়া আছে), তার কারণ দান্তের স্বর্গে আলোরই প্রাধান্য, আত্মাগুলির রূপ অনেক ক্ষেত্রেই থাকে আলো বিচ্ছুরণের মধ্যে, স্বর্গে ঈশ্বরের কোন মনুষ্যরূপ তো দেখানো হয়নি, সেও ছিল আলোই। কিন্তু দুই যুদ্ধের মধ্যবর্তী পর্যায়ে বা দ্বিতীয় মহাযুদ্ধর পরবর্তী পর্যায়ে, জীবননন্দের মত আধুনিকদের কাছে, আলো-টালো বিশেষ থাকছে না, বাণী-ফাণীও বিশেষ আসছে না , বড়জোর "চারিদিকে মহাপুরুষের উক্তি কোলাহল করে", তার বেশী কিছু নয়, ঈশ্বরের তো কোন উল্লেখই নেই, বাসমতীর উপাখ্যানে প্রধান চরিত্রটি লুক্রেশিয়াসের বইটি খুঁজে বেড়াচ্ছে, বইয়ের নাম হচ্ছে 'সাতটি তারার তিমির', অনেক জ্ঞানের পরও অন্ধকারই থাকছে, বড়জোর মানুষকে আশা দেখানোর জন্য রয়ে যাচ্ছে অনুসূর্য, পূর্ণ সুর্য কদাপি নয়।
  • comment | 162.158.165.197 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:২৮
  • জীবনানন্দের কবিতার ইউনিক চিহ্ন গুলো কে প্রি মডার্ন আর মডার্ন এর মধ্যে কার সাঁকো হিসেবে দেখাই সঙ্গত। নইলে কবিতা গুলো এক্সোটিকা চর্চার একটা সম্ভাবনা থেকে যায় , সময়ের সঙ্গে সম্পর্ক রহিত ভাবে সাহিত্য তো নয়ই, মহৎ সাহিত্য দেখা বেশ পরিশ্রম সাধ্য।
  • commentAtoz | 162.158.187.90 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:২১
  • আমার তো কেবল জ্যাজ, এফ এম আর হোমিওপ্যাথির জায়গাগুলোই শুধু কিঞ্চিৎ চেনা চেনা ঠেকল। আর হ্যাঁ , শিল্পবিপ্লবের কথাও মনে হচ্ছে ছিল নিচের্দিকে।
    ঃ-)
  • comment | 162.158.166.56 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:১৭
  • এলসিএম, স্মাইলি ইমোজি প্রিন্ট আসছে না, আলাদা করে হাসতে হচ্ছে, তোমাদের তো মাইরি রামগরুড়ারাইটিস ছিলনা।
  • commentAtoz | 162.158.187.90 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:১৪
  • কেউ কিছু বুঝলেন মহাশয়গণ? ঃ-)
  • comment | 172.69.134.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:১০
  • জীবনানন্দর কবিতা কে আলো , শান্তি ইত্যাদি বললে জ্যাজ বা ক্লাসিক এবং এবং এফ এম কে অনৈতিহাসিক এবং অনৈতিক স্ট্রেস বাস্টার হিসেবে বেচার পদ্ধতি মনে পড়ে, ভদ্রলোকের সিরিয়াস সচেতন ভাবে তৈরি বিশ-ত্রিশ দশক পরবর্তী আধুনিকতার ভাষা কে কে অস্বীকার করা হয়। এটা তো কয়েকজনই একাধিক বার সামান্য অন্য ভাষায় বললেন। বোদলেয়ার ও সম্ভবত বালজাক ও দস্তয়েভস্কি পরবর্তী কবিতা র ও সাহিত্যের ঐতিহ্য কে অস্বীকার করা হয়, এটা শুধু পার্সোনাল রিডিং এর বিষয় না বলেই মনে হয়। মনের শান্তি ইত্যাদি র জন্য হোমিওপ্যাথি ভালো হতে পারে, জেনুইন স্পিরিচুয়াল জার্নি থাকতে পারে, কিন্তু আলোর পথযাত্রার নাগালের
    বাইরে , এমনকি যাকে বলা যায় ইমরালিটিই একটা আর্ট পিসের একমাত্র চারন ও গম্য হলেও , মেটাফোর গুলি জরাগ্রস্ত বা আহত , উত্তরন সম্ভাবনা রহিত হলেও আধুনিক সাহিত্যে অবাক হবার কিসু নেই। সাধারণতঃ এনলাইটেনমেন্ট পরবর্তী আধুনিকতার কন্ট্রাস্ট হিসেবে আজকাল তথাকথিত মধ্যযুগীয় বা প্রাক আধুনিক সাহিত্যে ও (যে টার্মটা বেশি চলে, সেটা ট্রান্সফরমেশন ) ইরেভারেন্স খোঁজা র বা পাঠে টাকা চুল গজানোর ওষুধের মত কোন উপকার না খুঁজে পড়ার একটা চল হয়েছে , এখনকার লিট-ক্রিট সিলেবাস ও সেরকম ভাবে সাজানো, কিন্তু তাই দিয়ে উনবিংশ শতকের শিলপ বিপ্লব ও সাম্রাজ্য বাদের বীভৎসতা পরবর্তী বা বিংশ শতকের যুদ্ধ পরবর্তী সেন্সিবিলিটি র মধ্যে থেকে তৈরি হওয়া স্টল ওয়ার্ট দের আলাদা করা কঠিন, কোন শ্বাশ্বত কোন পুরোনো রকমের সুন্দর তাঁদের পথ দেখিয়ে ছে বলে য়নে হয়না। যাই হোক লহমা, ও, অন্যান্য দের ধন্যবাদ এই তাপস পরবর্তী জীবু ইজ ওয়েল কাম
  • commentAtoz | 162.158.187.90 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:০৯
  • জীবনানন্দ একটা ভিন্ন জগৎ গড়ে দেন কবিতাগুলো দিয়ে। একটা মায়াবী অনুভবের জগৎ। শুধু বনলতা কেন, সেই বন্য হরিণরা আর লুকিয়ে থাকা শিকারীরা, সেই মীরুজিন নদীর জলে সন্ধ্যার আকাশের ছায়া, মহীনের ঘোড়ারা কার্তিকের জ্যোৎস্নার প্রান্তরে, কমলালেবু রঙের রোদ্দুরে কাকাতুয়া আর পায়রা উড়ছে, সাদা দেয়ালের পাশে বিছানায় শুয়ে থাকা এক রোগী, তাকে কমলালেবুর করুণ মাংস এনে দেন দেখভাল করছেন যিনি, আর অনেক দূরে আকাশ ছড়িয়ে থাকে অপরাজিতার মত নীল হয়ে, তার ভিতর দিয়ে হাওয়ার রাতে উড়ে যায় কবির হৃদয়, নক্ষত্রের দিকে। সবটা মিলে একটা অখন্ড মায়াজগৎ। খুব কম কবিই এরকম পেরেছেন। এদিক থেকে দেখলে জীবনানন্দ তুলনারহিত।
  • comment:-( | 172.68.189.168 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:০৬
  • ক্ষী আশ্চজ্জ! লোকে স্ব [sb] লিখতে পাচ্চে না?
  • commentসিএস | 162.158.118.211 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৬:০৩
  • যাঃ, সবাই তো সঅর্গ লিখছেন !!
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৫৬
  • টাঁড়বাড়ো আছেন। বুনো মোষেদের রক্ষা করেন। যদিও ট দিয়ে শুরু, কিন্তু ব ও আছে নামের মধ্যে। ঃ-)
  • commentarin | 198.41.238.123 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৫৪
  • "দ্যাখেন, বিয়াত্রিচেতেও 'ব' আছে, বনলতাতেও 'ব' আছে। জীবনানন্দ, দান্তে ভালো করেই পড়েছিলেন আর দান্তের লেখায় তো বিয়াত্রিচেই পথহারা দান্তেকে সঅর্গপানে নিয়ে যায়।"

    সেই,
    বিয়াত্রিচে, অবলোকিতেশ্বর কুয়ান ইন, বনলতা সেন , পথহারা দিগ্ভ্রষ্ট মানুষএর
    স্বর্গের আগের স্টেশন এ পৌঁছনোর অবলম্বন :-)
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৫২
  • "হায় সখা, এ তো স্বগর্পুরী নয়।
    পুষ্পে কীটসম হেথা তৃষ্ণা জেগে রয়
    মর্মমাঝে, বাঞ্ছা ঘুরে বাঞ্ছিতেরে ঘিরে,
    লাঞ্ছিত ভ্রমর যথা বারম্বার ফিরে
    মুদ্রিত পদ্মের কাছে। হেথা সুখ গেলে
    স্মৃতি একাকিনী বসি দীর্ঘশ্বাস ফেলে
    শূন্যগৃহে--হেথায় সুলভ নহে হাসি।
    যাও বন্ধু, কী হইবে মিথ্যা কাল নাশি--
    উৎকণ্ঠিত দেবগণ।

    যেতেছ চলিয়া ?
    সকলি সমাপ্ত হল দু কথা বলিয়া?
    দশশত বর্ষ পরে এই কি বিদায় !"

    পারা যায় তো স্বর্গ লিখতে !!!!
  • commentসিএস | 162.158.118.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪৬
  • তাহলেই ভেবে দেখুন গুরুতে পর্যন্ত swarga লেখার উপায় নেই।
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪৩
  • সিএস, আমি তো ভেবেছিলাম অর্গ। মানে কিছু একটা ডট অর্গ। ঃ-)
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪১
  • অরিন, হাল ভেঙে দিশা হারালে সর্বদা মনে মনে স্মরণ করবেন "কপালকুন্ডলা" তে বৃদ্ধ গঙ্গাসাগরযাত্রীর সেই মহান বাণী, "কেনারায় পড়ো, কেনারায় পড়ো।" ঃ-)
  • commentসিএস | 162.158.118.245 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৪০
  • দ্যাখেন, বিয়াত্রিচেতেও 'ব' আছে, বনলতাতেও 'ব' আছে। জীবনানন্দ, দান্তে ভালো করেই পড়েছিলেন আর দান্তের লেখায় তো বিয়াত্রিচেই পথহারা দান্তেকে সঅর্গপানে নিয়ে যায়। কিন্তু জীবননান্দ অনেক পরের যুগের মানুষ হয়ে জানেন যে সঅর্গ ব্যাপারটা আর নেই, ফলতঃ অনেক ঘুরে, অনেক হাল ভেঙ্গে শেষ পর্যন্ত বিয়াত্রিচেকে আর পাওয়া যাচ্ছে না, বড়জোড় পড়ে থাকছে নাটোরের 'সাধারণ' বনলতা সেন।

    (দান্তে অ্যাংগেলটা আনতে পারলে, জীবনানন্দর কবিতা নিয়ে খানকতক লেখা সহজে নামানো যাবে।

    (আর, টাইপ করতে গিয়ে ঝামেলা, স এ ব এ সঅর্গ লিখতে পারলাম না)
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৩৩
  • শঙ্কুও। বাংলাসাহিত্যের যত দাদা আছে টেনি ঘনা পিন্ডি ফুচা ইত্যাদি প্রভৃতি প্রায় সবাই। নন্টে ফন্টে রাও। বাঁটুলও। হাঁদা ভোঁদাও।
  • commentAtoz | 162.158.187.138 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:৩০
  • ওটা ব্যামোফিলিক, বুঝলেন গননেন্দ্র? ব্যামোপ্রিয়।
    ঃ-)
  • commentS | 108.162.246.130 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:২৮
  • সেই মাঝখানে একবার হইচই হল যে টিনটিন নাকি গে। কারণ তার কোনও মেয়ে বন্ধু নেই। একমাত্র বন্ধু ক্যাপ্টেন হ্যাডক। কি মুশকিল। সেই হিসাবে তো ফেলুদা, তোপসে, জটায়ু, নকল হাজরা, এমনকি মগনলাল মেঘরাজও।
  • commentarin | 198.41.238.121 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৫:১৪
  • @Atoz, "কবিতাটা বহুমাত্রিকভাবে পড়া যায়। নানাভাবে দেখা যায়। পাঠকে পাঠকে অনেক অনেক বদলে যায় দেখা।"

    আসলে কবিতা একেকজনের কাছে একেক সময়ে একেক জীবনের গল্পের একেক ব্যঞ্জনা নিয়ে প্রতিভাত হয় । অল্প বয়েসে যখন পড়েছিলাম, তখন একরকম মনে হতো, এখন জীবনের নানান ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে যেতে যেতে মনে হয় এই কবিতাটিতে কোথাও যেন একটা চলার গল্প কেউ বলে, শুধু তাই নয়, বনলতা সেন একটা "unpanicked stability "'র metaphor, তাকে আশ্রয় করে দিব্যি সাংঘাতিক প্রতিকূল পরিবেশেও না panic করে অচল থাকা যায়।

    এই যে লাইনগুলো ধরুন,

    "আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
    আমারে দু-দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন।

    ... অতিদূর সমুদ্রের ’পর
    হাল ভেঙে যে-নাবিক হারায়েছে দিশা
    সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,
    তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে"

    আমার্ ধারণা আপনাদের মধ্যে যাঁরা জেটস্কি করেন, তাঁরা এই ব্যাপারটা উপলব্ধি করেন । ধরুন সমুদ্রে জেট স্কি করছেন, ঝোড়ো হওয়ার মুখে পড়েছেন, সেও তো "চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন", অথচ সেই মুহূর্তেই আপনার "হাল ভেঙে দিশা হারানো নাবিকের দশা " , যে কোনো মুহূর্তে সব শেষ হয়ে যেতে পারে। panic করলে, মন শান্ত না থাকলে বেঁচে ফেরা প্রায় অসম্ভব।

    আর তখনই ধরুন বনলতা সেন, অপার শান্তি আর স্টেবিলিটি নিয়ে হৃদয়ে প্রকাশিত হলেন, :-),

    জেটস্কির উদাহরণটি হয়তো extreme, তবু দিলাম, কারণ সমুদ্র, বিপদ, দিশা হারানো, বেঁচে ফিরতে হলে শান্ত থাকা, সব একসঙ্গে একাকার, কিন্তু আমার মনে হয় প্রায়ই জীবনের অন্য অনেক ক্ষেত্রেই এই ব্যাপারগুলো এসে পড়ে ।

    সেই perspective এ দেখলে আমার মনে হয় , বনলতা সেন সেই শান্তির, সেই stability র , metaphor ।
  • comment | 172.68.146.169 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৫৫
  • কিন্তু সবাই সবাইকে বামোফিলিক ধরে নিচ্ছে কেন?
  • commentAtoz | 162.158.187.12 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৪:৪৮
  • আরে একলহমা, আমি নিজেও অনুবাদেই পড়ি। প্রাণের ভাষা ছাড়া গল্প উপন্যাস কাহিনিকাব্য রোমাঞ্চ এসব পড়ে সুখ নেই। ঃ)
  • commentএকলহমা | 162.158.186.167 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৫৩
  • @আতোজ
    অনুবাদটা করছো? আমি আবার ইন্জিরিতে লাড্ডু। অনুবাদ ভালো লাগে।
  • comment:-.• | 162.158.255.211 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:৫২
  • দেখুন আমরা মিডিয়াকে অ্যাতো গাল দিই। তাপস পালের খবরের সঙ্গে কোনও কাগজ কিন্তু নন্দিনী-সোহিনী পালের প্রাইভেসীকে গুলিয়ে ফেলেনি। এটা প্রশংসনীয়।
  • comment বনলতা | 172.69.62.177 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০৩:২৩
  • কাব্যভাষার ব্যাপারটা আলাদা লেভেলের তো বটেই, নইলে এত বছর ধরে এত নাচানাচি কিসের আর ...
  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৫৮
  • একশ্রেণীর লোকের খুব পছন্দ এই ধরণের ব্যখ্যা। বেশ একটা "আমি ক্রেতা আমি ক্রেতা আমি উপভোক্তা আমি উপভোক্তা" ভাব আসে মনে হয়। আমি কিনতে পারি, ও নিজেকে বিক্রি করে উপভুক্তা হয়, বেশ একটা পরোক্ষ বিজয়লাভ ! পিতৃতন্ত্র একেবারে রন্ধ্রে রন্ধ্রে। কে যে কোথা দিয়ে ধরা পড়ে যাচ্ছে হয়তো নিজেরাও বোঝে না। কোথা দিয়ে যে মিসোজিনি ঢুকে পড়ছে সেও বুঝতে পারে না।
    এই একই জিনিস দেখি কিছু কিছু স্পেসিফিক বিখ্যাত গল্পের ক্ষেত্রে। একেবারে একধারসে উল্লাসে লাফিয়ে ওঠে গল্পগুলোর উল্লেখ পাওয়া মাত্র। ঃ-) শকুনি যেন বলছে, "এই জিতলাম এই জিতলাম।"
  • commentএকলহমা | 108.162.237.129 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৫৬
  • নাটোরের নৌটংকী - মনে ধরল খুব :-)
  • commentএকলহমা | 108.162.237.129 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৫৫
  • গুগল ট্রাস্লেটে - হা-হা-হা-হা।
    ওটা ভয়ানক কন্ড ঘটায়। :)
  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৫২
  • উফ্ফ এই নাটোরের নৌটংকী আমি বিশ বচ্ছরের বেশি সময় ধরে শুনে শুনে একাকার। প্রথম মনে হয় বেরিয়েছিল নব্বইয়ের দশকে বড় হাউসের এক পত্রিকায়। "বনলতা, নাটোরের রূপাজীবা? --এরকম কোনো শিরোনামে। (এঁরা আবার রূপাজীবা কথাটা ব্যবহার করেন, মনে হয় বেশি সফিস্টিকেটেড শোনায় তাই। )
  • commentDu | 172.69.70.58 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪৮
  • নাটোর নিয়ে গুরুতে আগেই লেখা হয়েছিল। তাই প্রতিদিন থেকে পাওয়া নয় এব্যাপারে এমনকি আমিও সাক্ষ্য দিতে পারি ঃ))
  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪৭
  • একলহমা,
    জানো, এডগার অ্যালান পো এর এই কবিতাটা গুগল ট্রাস্লেটে দিলাম। ইংলিশ থেকে বাংলা করে দিল। উফ্ফ সে যা কান্ড হল। ঃ-)
    আচ্ছা, "ক্যাম্পে" কবিতাটাও কি অনুপ্রেরণা পেয়েছিল এরকম কোনো অন্য কবিতা থেকে?
  • commentAtoz | 162.158.187.176 | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ০২:৪৪
  • এলসিএম, অনেক ধন্যবাদ। পুরনো টইগুলো খুঁজে খুঁজে বের করা বেশ কঠিন।

  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • জাগ্রত শাহিন বাগ
    (লিখছেন... শাহিনবাগ থেকে এস ও এস, বিপ্লব রহমান, আজ সুপ্রিম কোর্টে)
    জনসন্ত্রাসের রাজধানী
    (লিখছেন... র, pi, রঞ্জন)
    কোকিল
    (লিখছেন... দেবাশিস ঘোষ)
    বিনায়করুকুর ডায়েরি
    (লিখছেন... ^&*, একলহমা , pi)
    মিষ্টিমহলের আনাচে কানাচে - দ্বিতীয় পর্ব
    (লিখছেন... দীপক দাস , দীপক, দীপক)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • নিমো গ্রামের গল্প
    (লিখছেন... সুকি , সুকি , সুকি)
    আগামীর অবয়ব
    (লিখছেন... দ্রি, দ্রি, দ্রি)
    যুক্তরাস্ট্র নির্বাচন ২০২০
    (লিখছেন... )
    প্রেমিকাকে কোলকাতাতে ফুল পাঠাবো কিভাবে?
    (লিখছেন... pi, pi, সুকি)
    পুরোনো লেখা খুঁজছেন, পাচ্ছেন না - এখানে জিজ্ঞেস করুন
    (লিখছেন... lcm, r2h, দু:শাসন)
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • গাধা সময়ের পদাবলী : রোমেল রহমান
    (লিখছেন... Du)
    জোড়াসাঁকো জংশন ও জেনএক্স রকেটপ্যাড-৮ : শিবাংশু
    (লিখছেন... dd, i, শিবাংশু)
    তিরাশির শীত : কুশান গুপ্ত
    (লিখছেন... anandaB, ন্যাড়া, Apu)
    অপর্ণা সেনের 'ঘরের বাইরে আজ' : Nahar Trina
    (লিখছেন... একলহমা , ঐশিকা , Yashodhara Raychaudhuri)
    তরুণদের বিশ্ব জয়... : Muhammad Sadequzzaman Sharif
    (লিখছেন... )
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত