এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ৫৩ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ নভেম্বর ২০২৩ | ৩৮৭ বার পঠিত
  • সুমনা কাবেরীদের দিকে নজর রেখে বলল,
    ' দাঁড়াও এদিকেই আসছে হাঁটতে হাঁটতে। ডানদিকে ঘুরে মনে হয় এখান দিয়েই যাবে যদি না রামদুলালের দিকের গেট দিয়ে বেরিয়ে যায় ... '
    ----- ' আরে, বাদ দাও না ওসব ... তোমার দরকার কি? ' প্রতিবিম্ব বিরক্ত বোধ করে।
    কিন্তু কে কার কথা শোনে। ফেমিনিন কিউরিওসিটি বলে কথা। সুমনা তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল, ' আরে চুপ কর না ... ওদিকের গেট দিয়ে বেরোয়নি গো ... এদিকেই আসছে ... '
    ----- ' তুমি এমন করছ যেন কোন গোয়েন্দা রহস্যের সমাধান করতে চলেছ ... '
    ----- ' ঠিক আছে ঠিক আছে ... দাঁড়াও ... ওই তো এদিকেই আসছে কথা বলতে বলতে। ওঃ ... কথায় যেন মশগুল হয়ে আছে দুজনে ... '
    ---- ' মশগুল হবে নাতো কি? সবাই কি আমাদের মতো হবে নাকি? '
    কিন্তু কথাটার কোন প্রভাব পড়ল না সুমনার ওপর। সে বলল, ' তুমি বরং এখানে বসে থাক। না না ... তুমিও উঠে এস ... এই যে এই গাছটার আড়ালে এস ... '
    ----- ' কি পাগলামি শুরু করলে তুমি ! '
    ----- ' ঠিক আছে ... এখন এস এস ... চলে এস শিগ্গীর... '
    প্রতিবিম্ব আর উপায় না পেয়ে গাছটার আড়ালে সুমনার পাশে গিয়ে দাঁড়াল।
    কাবেরী আর পার্থপ্রতিম মৃদুস্বরে কিছু কথা বলতে বলতে জায়গাটা পেরিয়ে গেল। মোটেই তেমন বিভোর ব্যাকুল হাবভাব নয়। সুমনা ছেলেটাকে ভালভাবে দেখে নিল। শ্যামবর্ণ, লম্বা, দোহারা চেহারা। গালে পাতলা দাড়ি।
    ----- ' দেখছ ... কিরকম ক্যাজুয়াল বেপরোয়া জেসচার ... ' সুমনা বলে।
    ----- ' সবাই কি আমাদের মতো ন্যালাক্ষ্যাপা হবে নাকি? '
    ----- ' ন্যালাক্ষ্যাপা হওয়াই ভাল .... ওরকম হওয়ার কোন দরকার নেই ... '
    ----- ' বলছ? '
    ---‐- ' নিশ্চয়ই... '
    ----- ' বেশ ... তা'লে তাই ... '
    ----- ' ঠিক আছে ... চল এবার বেরিয়ে যাই .... মানে যে যার কলেজে চলে যাই এদিকের কর্ণারের গেট দিয়ে বেরিয়ে ... ' সুমনা বলে।
    ----- ' তা তোমার মিশন সাকসেসফুল তো? '
    ----- ' হ্যাঁ, যা দেখার দেখে নিয়েছি। এতেই হবে ...'
    কাবেরীরা হাঁটতে হাঁটতে আবার পুকুরের ওপারে চলে গেছে। একইভাবে অলস পায়ে হেঁটে চলেছে কারোর থেকে নিজেদের আড়াল না করেই।
    সুমনা নিউক্লিয়ার ফিজিক্সের কোন দুরূহ তত্ত্ব পর্যবেক্ষণের মগ্নতায় আবার বলল, ' জেনে নিতে হবে এটাই অমিতাভ কিনা ... ঠিক আছে, বেরিয়ে যাবে ঠিক ... আচ্ছা, তুমি তা'লে কলেজে ক্লাস অ্যাটেন্ড কর গিয়ে ... আমি আসছি ... '
    ----- ' আবার কবে আসব? ' প্রতিবিম্ব জিজ্ঞেস করল।
    ----- ' এ..ই ...শুক্রবার ... ঠিক আছে? '

    বিভূতিবাবু শেষ পর্যন্ত অখিলবাবু এবং তার পরিবারকে তার নিজের বাড়ির দোতলায়, যেখানে অনিল ঘোষরা থাকতেন, সেখানে এনে তুললেন। আহিড়িটোলার বাসা যে খুব খারাপ ছিল তা না, তবু বিভূতিবাবুর প্রবল উৎসাহে অখিলবাবু বাসাবদল করে রামদুলাল সরকার স্ট্রিটে চলে আসতে রাজি হয়ে গেলেন। ভাড়া টাড়ার কথা কথা তুলতে যাচ্ছিলেন অখিলবাবু। কিন্তু বিভূতিবাবু ব্যাপারটা গোড়াতেই নস্যাৎ করলেন।
    ----- ' আরে ওসব কথা ছাড়ুন না ... এখন কিছু দিতে হবে না ... আপনি থিতু হয়ে নিন ... তারপর
    না হয় দেখা যাবে ... ওগুলো কোন ব্যাপার না ... আপনারা এলে আমি নতুন সঙ্গী পাব এটাই আমার বড় পাওনা ... এটাই আর কি ... দোতলাটা খাঁ খাঁ করছে ... আমি একটু লোকজন ভালবাসি ... '
    অখিলবাবুর স্ত্রী এবং দুই মেয়ে ছাড়াও তার বাবা আছেন। মা মারা গেছেন। অখিলবাবু বললেন,
    বাবার বয়স আশির ওপর। বিভূতিবাবু দেখলেন, তার শরীর এখনও যথেষ্ট সুস্থ ও সবল। খুব সহজ সরল কথাবার্তা। একটু লাজুক ধরণের লোক, মিতবাক প্রকৃতির। সাধারণত গ্রামের লোক যেমন হয়। নিতাইবাবুর সঙ্গে খুব পটে গেল অখিলবাবুর বাবা জন্মেজয় চক্রবর্তীর সঙ্গে। নিতাইবাবু জন্ম থেকে শহুরে মানুষ। পুব বাংলার এক পাড়াগেঁয়ে মানুষের মুখে টুকরো টুকরো মাটি মাখা নানা মেঠো অভিজ্ঞতার বর্ণন শুনতে লাগলেন বিভোর হয়ে। জন্মেজয়বাবু একদিন কথায় কথায় বললেন, ' যদি কখনও সম্ভব হয় আমাদের গ্রামে নিয়া যাব আপনাদের ... ভগবান যদি মুখ তুলে চান ... যদি সুজুগ আসে ... '
    ----- ' হ্যাঁ মেসোমশাই... সুযোগ নিশ্চয়ই আসবে ... '
    ----- ' কি জানি বাবা ... তেমন ভাগ্যি কি আর হবে এ জীবনে ... দেশের নেতারা কি যে করল ... গান্ধীই বা ভাগাভাগিটা মেনে নিল কেন কিসু বোঝতে পারি না বাবা ... দেশ গাঁ ছেড়ে অন্য স্থানে ঠাঁই নেওয়া কি কষ্টের বলেন দিনি ... '
    নিতাইবাবু রাজনীতির খুঁটিনাটি সম্পর্কে একেবারেই অজ্ঞ। তিনি এসব রাজনৈতিক কূটকচালি ঠিক বুঝতে পারেন না।
    তিনি আর কোন কথা না পেয়ে বললেন, ' সে তো বটেই ... সে তো বটেই। আসুন মেসোমশাই ঘরে আসুন। এক কাপ চা খেয়ে যান ... '
    ------ ' তা চলেন ... তবে চা খাওয়ার আমাদের তেমন অ-ভ্যাস নাই। ওহানে থাকতে মাসে হয়ত একদিন এট্টু ... এমনি চায়ের কোন চল নাই গ্রামে।
    ----- ' আমাদের এই পাড়ায় থাকতে থাকতে আপনার খুব ভাল লেগে যাবে দেখবেন ... '
    ----- ' হ্যাঁ, সেটা অখনই বুঝতে পারত্যাসি ... আপনারা বড় ভাল মানুষ। ওই পার্কটা ... হেদুয়া না কি বলে ... কাল ওহানে গিয়া ঘুইরা আইসি ... বেশ সুন্দর ... '
    নিতাইবাবু সগর্বে বললেন, ' সুন্দর না? এখানে থাকুন না ... খুব ভাল লাগবে ... '
    ----- ' হ ... হইতে পারে ... '
    ----- ' আমি তো ওদিকে এক জায়গায় বাড়ি করেছি। কিন্তু এ পাড়া ছেড়ে যেতে পারলাম না। ফাঁকা জায়গা। গাছপালা, পুকুর সব আছে। আমরা ঠিক করেছি ছাব্বিশে জানুয়ারি আমরা ওখানে একটা পিকনিক করব ... '
    ------ ' ও আচ্ছা ... তা ভাল তো ... '
    ----- ' হ্যাঁ ... আপনারাও চলুন না ... দত্তবাবু বোধহয় আপনার ছেলেকে বলেছে ... '
    ----- ' ও তা ভাল ... দেহি অখিল কি করে ... '

    অসিতও এক কথায় রাজি হয়ে গেল পিকনিকে যেতে। অনিমেষ, উৎপলরা লেগে পড়ল পিকনিকের তোড়জোড়ে। টাকা পয়সার মূল দায়িত্ব আপাতত বিভূতিবাবু নিয়েছেন। পরে অবশ্য ভাগাভাগি করে কিছুটা দিয়ে দিতে হবে তাকে।
    সে যাই হোক, অসিতও পিকনিকে যাবে শুনে শ্রীলেখার মনের কোণে মধুকর গুঞ্জন করে বেড়াতে লাগল।

    কাবেরী আর পার্থপ্রতিমের দ্বিপাক্ষিক হেদুয়া পরিক্রমা আজকের মতো শেষ হল।
    কাবেরী বলল, ' এবার যাই... অনেকক্ষণ হয়ে গেল। একটা ক্লাস বাদ চলে গেল .... আমার যে অনার্স থাকবে না এটা একদম শিওর ... শুধু আজেবাজে বকবক করার জন্য ক্লাস বাঙ্ক করা ... আমিও কি গাধা ... কোন মানেই হয় না .... তার জন্য অবশ্য তোমাকে দোষ দিচ্ছি না ... আমি আমার নিজের স্বভাব জানি ... কিন্তু কিছুতেই বদলাতে পারি না নিজেকে ... সুমনাকেও তো দেখি ... কি কন্ট্রোল নিজের ওপর .... অনেক কিছু শেখার আছে ওর কাছে ... '
    ----- ' তা হঠাৎ এমন চৈতন্যোদয়ের কারণ? সুমনাটা কে? '
    ----- ' সুমনা আমার ক্লাসমেট। তোমার না চিনলেও চলবে। চৈতন্যই তো আমার নেই... তার আবার উদয় কি? '
    ----- ' যাক, ওসব ইন্টেলেকচুয়াল কথা বাদ দাও। নেক্সট তা'লে কবে মিট করছি আমরা? ' পার্থ বলে।
    ------ ' আর নেক্সট টেক্সট নয়। আজই প্রথম, আজই শেষ .... '
    ----- ' সে কি? ইয়ার্কি মারছ কেন? প্রবেশানারি পিরিয়ডেই ডিসমিসড ! যাঃ ... সে আবার হয় নাকি ! '
    ----- ' আমি কিন্তু একদম সিরিয়াস... '
    ----- ' তোমার মাথার ঠিক আছে তো? '
    ----- ' এই মুহূর্তে একদম ... '
    ------ ' আমাকে তা'লে এখানে ডাকলে কেন? '
    ------ 'বিরাট ভুল হয়ে গেছে। অ্যাপলজি চাইছি ... '
    ----- ' তোমার তো কাউন্সেলিং দরকার ... '
    ----- ' হতে পারে। আছে নাকি কোন ডাক্তার ... '
    ----- ' থাকবে না কেন? কিন্তু তোমার মতো সেয়ানা পাগলকে তারা ট্রিটমেন্ট দিতে পারবে না ... '
    ------ ' তাই? কি জানি ... তা'লে অমিতাভকে বলতে হবে, তার যদি চেনা জানা কেউ থাকে। '
    ------ ' ও আচ্ছা .... এতক্ষণে বুঝতে পেরেছি। দুজনে মিলে খেলছ আমার সঙ্গে ... ইউ ডুয়ো আর প্লেয়িং আ ডেঞ্জারাস গেম ... ইউ উইল হ্যাভ টু পে ফর ইট ... আই টেল ইউ... '
    কাবেরী অবিচলিত ভঙ্গীতে বলল, ' না না ... তুমি ভুল বুঝছ। এখানে অমিতাভর কোন ভূমিকা নেই। ও এসব জানেই না। ডিসিশানটা সম্পূর্ণ আমার নিজস্ব ... আমি আজ অনেকটা সময় ধরে তোমার সঙ্গে কথা বলে বুঝলাম তোমার সঙ্গে আমার কোন সম্পর্ক হওয়া অসম্ভব ... '
    ----- ' কেন? '
    ----- ' কেন, ঠিক এক্সপ্লেন করতে পারব না ... আমার এরকম একটা ফিলিং হল। আমার এরকম আগেও হয়েছে। '
    ----- ' আচ্ছা ! তাই নাকি? তুমি তো তাহলে এ লাইনে পাকা খেলোয়াড় ... '
    ------ ' না না ... আমি খেলোয়াড় টেলোয়াড় কিছু নই। আমার এরকম হয় ... কি করব? আচ্ছা আমি আসি তা'লে ... দেরি হয়ে যাচ্ছে ... ' কাবেরী নির্বিকারভাবে বলল।
    ----- ' যাচ্ছ যাও ... কিন্তু ইউ মাস্ট হ্যাভ টু পে ফর ইট .... আগে কেউ কেউ ছেড়ে দিলেও আমি তোমাকে ছাড়ব না ... আই উইল ফিড ইউ দা প্রপার মেডিসিন ... '
    কাবেরী আবার নির্বিকার ভঙ্গীতে বলল, ' ঠিক আছে ... আসছি এখন ... '

    পার্থপ্রতিম হতভম্ব হয়ে দাঁড়িয়ে রইল।

    ( চলবে )
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন