এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ২৩ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ২৭৪ বার পঠিত
  • নাটকের রিহার্সালের দৌলতে বিভূতিবাবুর মন বেশ ফুরফুরে আছে। যদিও তিনি নাটকে কোন চরিত্রে নেই, তার উৎসাহ এবং উদ্যমের শেষ নেই। যেদিন রিহার্সাল থাকে তার মনে হয় উৎসবের দিন। অসিতের ক্যাপ্টেন্সিতে মহড়া ভালই এগোচ্ছে। ছোকরার এলেম আছে বলতে হবে। জিনিসটা দাঁড়িয়ে যাবে মনে হয়। অভিনেতারা সবাই একনিষ্ঠ হয়ে নিয়মিত হাজিরা দিচ্ছে। একটু বয়স্ক অনেকের অভিনয় দেখে মনে হচ্ছে জীবনের অনেকটা বেলা পিছনে ফেলে এসে এখন একটা কিছু প্রমাণ করার প্রবল তাগিদ অনুভব করছে।

    বিভূতিবাবু নিজেই সিদ্ধান্ত নিলেন যে, বটতলা থানার পিছনের ওই ছোট অডিটোরিয়ামেই নাটকটা নামানো হবে। কাউকে কিছু না জানিয়ে তিনি একশ টাকা অ্যাডভান্স করে এলেন ওখানে।

    গত পরশুদিন বাজারে যাওয়ার সময়ে বিভূতিবাবু রাস্তার মোড়ে দেখতে পেলেন নিতাইবাবুকে। নিতাইবাবু নিবারণ সাহার সঙ্গে কি সব আলোচনা করছিলেন। তারা ঠিক খেয়াল করলেন না বিভূতিবাবুকে। বিভূতিবাবু রাস্তা পার হয়ে ওদিকে চলে গেলেন।

    দোতলার ভাড়াটে অনিল ঘোষ তার স্ত্রীর সঙ্গে শলাপরামর্শ করে ঠিক করেছেন যে মাসে মাসে বাড়িভাড়া না গুনে এন্টালিতে তাদের যে পুরণো ভাঙাচোরা বাড়িটা আছে,সেটাই সারিয়ে সুরিয়ে নিয়ে সেখানে চলে যাওয়াই ভাল। বাড়িওয়ালা ভাড়া বাড়াবার জন্য তাগাদা দিচ্ছে। কি দরকার অন্য লোকের বাড়িতে কারও বদান্যতার মুখ চেয়ে বসে থাকার। বিভূতিবাবু ঠারেঠোরে প্রায়ই ইঙ্গিত দেন যে তার ছেলে,ছেলে বউয়ের ঘরের খুব সমস্যা হচ্ছে। ঠিক করেছেন এ মাসেই বাড়ি মেরামতের কাজে হাত দেবেন। কালিপুজোর পরই বাড়ি বদলের কথা ভাবছেন অনিলবাবু। দরকার কি পরের অসুবিধা করে থাকার।
    বিভূতিবাবু একদিন রিহার্সাল শেষ হওয়ার পর অনিমেষকে বললেন, ' তোরা কি এ পাড়া ছেড়ে চলে যাবি ? আমি কি কখনও কিছু বলেছি ... '
    অনিমেষ চটপট বলল, ' কে বলল ? ওসব ছাড় তো জেঠু ... বাবার যতসব ইয়ে ... আমি এ পাড়া ছেড়ে কোথাও যাব না ... '

    নির্ধারিত দিন অনুযায়ী পরের বৃহস্পতিবার প্রতিবিম্ব আর তার মামা পরমানন্দবাবু বোস অ্যাডভোকেট অলোকেন্দু মিত্রের বাড়িতে উপস্থিত হল।
    দিবাকর দেশ থেকে ইতিমধ্যে ফিরে এসেছে। সেই সদর দরজা খুলে দিল।
    প্রতিবিম্ব বলল, 'অ্যাপয়েন্টমেন্ট আছে .... সাতটার সময় ... আগে একদিন এসেছিলাম ... '
    ----- ' হ্যাঁ ঠিক আছে ... আসুন আসুন ... '

    পরমানন্দবাবু আর প্রতিবিম্ব দিবাকরের পিছন পিছন দোতলায় গেল। চেম্বারের পাশে সেই আয়তাকার ঘরটার সামনে এসে বলল, ' বসুন ... খবর দিচ্ছি ... '। ঘরে আর কেউ নেই। বনবন করে ফ্যান ঘুরছে। বয়স্ক বাড়ির প্রায় পনের ফুট ওপরে সিলিং। প্রতিবিম্ব আজকেও সামনের দেয়ালে লাগানো জলরঙে আঁকা ল্যান্ডস্কেপের দিকে তাকিয়ে রইল খানিকক্ষণ। একটু পরে চোখ নামিয়ে মাথা নীচু করে কি চিন্তা করতে লাগল। এখানে বসে বসে মিছিমিছি সময় নষ্ট হচ্ছে। অনার্সের কোর্স রিভিশানের এখনও অনেক বাকি। প্রচুর অঙ্ক প্র্যাকটিস করতে হবে। প্রতিবিম্ব জানে, তার শুধু ফার্স্ট ক্লাস পেলে চলবে না, ওপরের দিকে থাকতে হবে। এছাড়া তার অন্য কোন উপায় নেই। নইলে পায়ের নীচে তেমন শক্ত জমি পাওয়া কঠিন। সে নিজে না দাঁড়াতে পারলে মামাকে ভরসা দেবে কি করে। মামার হাতে একটা যুগান্তর পত্রিকা ছিল। তিনি সেটা খুলে পড়তে লাগলেন। চেম্বারে মনে হয় অন্য মক্কেল আছে। কতক্ষণ সময় লাগবে কে জানে। প্রতিবিম্ব বেশ উসখুস করতে লাগল। বিবেকমোহন স্যারের কাছে কয়েকটা জিনিস বোঝার আছে। আজ সাড়ে আটটা নাগাদ স্যারের কাছে যাওয়ার কথা।তিনি প্রতিবিম্বের কাছ থেকে কোন টাকা পয়সা নেন না। এখনই তো সওয়া সাতটা বাজে। এখান থেকে কতক্ষণে বেরোতে পারবে কে জানে। প্রতিবিম্বর মনে হল, সেদিন যে মেয়েটা ছিল, সে থাকলে ভাল হত। বেশ চটপট চেম্বারে ঢুকিয়ে দিয়েছিল সেদিন। আজ বোধহয় এই ভদ্রলোকের ডিউটি পড়েছে। ইনি তেমন করিতকর্মা বলে হচ্ছে না। প্রায় আধঘন্টা হয়ে গেল। পরমানন্দবাবু এক রাউন্ড খবরের কাগজ পড়া শেষ করে কাগজটা ভাঁজ করে ঝোলার ভিতর রেখে দিলেন।
    এই সময়ে ওরা দেখল যে তিনজন ভদ্রলোক দরজার সামনে দিয়ে হেঁটে চলে গেল সিঁড়ির দিকে।
    ঠিক তার পরই দিবাকর এসে আবির্ভূত হল। বলল, ' যান ... আপনারা যান ... '

    ওরা ঘরে ঢুকতেই অলোকেন্দুবাবু প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়ে বললেন, ' আরে এস এস ... স্কটিশ চার্চ এস ... '। তারপর পরমানন্দবাবুর দিকে মুখ ঘুরিয়ে বললেন, ' সরি ... একটু দেরি হয়ে গেল ... একটা আন্ডার ট্রায়াল কেস ছিল ... বসুন বসুন ...'
    দুঁদে উকিল অলোকেন্দু মিত্রের কাছ থেকে এরকম অপ্রত্যাশিত আপ্যায়ন পেয়ে পরমানন্দবাবু বেশ হকচকিয়ে গেলেন। তিনি বিড়ম্বিত ভঙ্গীতে বললেন, ' ঠিক আছে স্যার ... আপনি ব্যস্ত মানুষ ....'
    একটু চুপ করে বসে থাকলেন খানিকক্ষণ। অলোকেন্দুবাবু কি সব কাগজপত্র উল্টেপাল্টে দেখতে লাগলেন।
    পরমানন্দবাবু একটু অধৈর্য হয়ে তার মধ্যেই বললেন,
    ' স্যার কিছু মনে করবেন না ... বলছি যে আমাদের কেসটা কিছু হয়েছে ? সেদিন দলিলটা রেখে গিয়েছিলাম ... '
    ----- ' নিশ্চয়ই নিশ্চয়ই.... হবে না মানে ? ' অলোকেন্দুবাবু কাগজপত্রগুলো একপাশে পেপারওয়েট চাপা দিয়ে রাখলেন।
    উনি টেবিলের ড্রয়ার টেনে দলিলটা বার করলেন।
    ------ ' এ..ই তো .... এই যে ... ' দলিলটা পরমানন্দবাবুর দিকে এগিয়ে দিলেন।
    পরমানন্দের মুখ নিরানন্দে ব্যথাতুর হয়ে উঠল।
    ----- ' কিছু করা গেল না স্যার ? '
    ----- ' না করে উপায় আছে ? আপনারা হলেন ফুচার ক্যান্ডিডেট ... কোন চিন্তা করবেন না। আমি যা দেখার দেখে নিয়েছি। কোর্ট থেকে ব্ল্যাঙ্কেট অর্ডার বার করব সাতদিনের মধ্যে। চুপচাপ থাকুন। কেউ দাঁত ফোটাতে পারবে না। আমার নাম অলোকেন্দু মিত্র ... '
    পরমানন্দবাবু কৃতজ্ঞতায় গলে গিয়ে বললেন, ' আপনাকে কি বলে ধন্যবাদ জানাব স্যার .... আপনি কি উপকার যে করলেন ... আমি আশা করতে পারিনি যে এত তাড়াতাড়ি কিছু হবে ... '
    ----- ' হ্যাঁ ঠিক কথাই বলেছেন ... নর্মাল কেসে হয়ত এত তাড়াতাড়ি হত না। কিন্তু ওই যে বললাম, আপনারা হলেন ফুচার ক্যান্ডিডেট ... ' বলে প্রতিবিম্বের দিকে তাকিয়ে বললেন, ' কি তাই তো মিস্টার ফিজিক্স ? '
    প্রতিবিম্বের কাছে প্রশ্নটা ফিজিক্সের অঙ্কের চেয়ে অনেক কঠিন অঙ্ক হয়ে গেল। সে কোন উত্তর না দিয়ে মৃদু হাসল শুধু। সে ভাবছে, আটটা বাজতে চলল, তাকে সাড়ে আটটার মধ্যে বিবেক স্যারের বাড়ি পৌঁছতে হবে। কতক্ষণে এখান থেকে বেরনো যায় কে জানে।
    পরমানন্দবাবু বলেন, ' ওই যে ফুচার কথা বললেন, যে মেয়েটি আগের দিন আমাদের খুব হেল্প করেছিল, সে আজকে নেই বুঝি ... আজ অন্য লোক দেখছি ... '
    অলোকেন্দুবাবু বললেন, ' না, আজ তিনি বোধহয় পড়াশোনায় ব্যস্ত আছেন ... '
    ----- ' ও আচ্ছা ... চাকরির সঙ্গে সঙ্গে পড়াশোনাও চালিয়ে যাচ্ছে। বাঃ খুব ভাল ... '
    ------ ' হ্যাঁ ... স্বেচ্ছাশ্রম দানের চাকরি তো, বিশেষ করে বিশেষ কোন ক্লায়েন্ট এলে আর কি ... অবৈতনিক। পড়াশোনা তাই চালিয়ে যেতেই হয়। পড়াশোনা খাওয়া পরার ভার অবশ্য আমি নিয়েছি... '
    ----- ' ও আচ্ছা আচ্ছা ... আপনার সত্যি তুলনা হয় না ... একদম মন থেকে বলছি। মহৎ কাজ করছেন নিঃসন্দেহে ... আপনি ওর বাবার মতো কাজ করছেন ... '
    অলোকেন্দুবাবু সবিনয়ে মুচকি হেসে বললেন,
    ' সে যা মনে করেন ... '
    প্রতিবিম্ব কৌতূহলবশত জিজ্ঞেস করে ফেলল, ' কোন কলেজে পড়ে ? '
    ------ ' তোমার কলেজের উল্টোদিকে, মানে হেদুয়ার ওদিকে ... বেথুন কলেজে। যতদূর জানি, ম্যাথমেটিক্সে অনার্স ... '
    ----- ' বাঃ বাঃ ... খুব ভাল, খুব ভাল ... ' পরমানন্দবাবু উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

    ( চলবে )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন