এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ৯৪

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১২৩ বার পঠিত
  • আজ ভোরবেলায় ঘুম ভেঙে উঠে বিছানায় বসে রইল সাগর। জানলা দিয়ে বাইরের নীরব কোমল আলোমাখা আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকল। আলো এখনও ফোটেনি তেমন করে। রাতের হিম ধোয়া ভোর পাঁচটার আকাশ। সাগর কখনও আকাশ দেখেনি এইভাবে। নীরব নিথর ব্যোমতলে পৌষালি খেজুর রসের মতো অনাবিল নরম আলোর ঘুম ভাঙছে। তাকিয়ে থাকতে থাকতে কি জানি কেন সাগরের বুকের পাথর ভেঙে উঠে এসে ক'ফোঁটা জল গড়িয়ে পড়ল তার দুচোখ বেয়ে। তার কেমন মন খারাপ হতে লাগল। তার মনে হল এ ক'টা দিন তার কাছে স্বপ্ন ছিল। বংশীলালের লোকগুলো তার যে কি উপকার করেছে সেটা বংশী কোনদিনই জানতে পারবে না। কিন্তু আজ আর কেউ ড্রেসিং করাতে আসবে না। তাকে নাকি সাবধানে থাকতে হবে। সাবধানে কিভাবে থাকতে হয় তা তো তার জানা নেই। সে ভাবল, কেউ যদি তাকে শিখিয়ে দেয় তা'লে খুব ভাল হয়। কিন্তু কেই বা শেখাবে তাকে। সব কেমন ফাঁকা ফাঁকা লাগছে।
    দেখতে দেখতে ক্রমে ক্রমে আকাশের আলো জাগতে লাগল। আলোর পাপড়ি ছড়িয়ে পড়ছে চারদিকে।

    সময় তো আর বসে থাকার নয়। সে নিজের মতো বয়ে চলেছে। বেলা দশটা বাজল। কাল থেকে সিদ্ধেশ্বর হার্ডওয়্যারে গিয়ে বসবে ঠিক করেছে সাগর।
    কানু আর বাদল এসে হাজির হল। বাদল বলল, ' ম্যাডামকে কাল একদম সেফলি পৌঁছে দিয়েছি ... '
    সাগর বলল, ' হুমম্ ... '। আর কিছু বলল না।
    বাদল কিছু একটা আন্দাজ করে বলল, ' রবিবার আসবে বলেছে ... তোমাকে এখন বেশি চলাফেরা করতে বারণ করেছে। ক্ষতি হতে পারে ... '
    সাগরের বুকের ভিতর থেকে কি সব উঠে আসছিল পাক মেরে। সে অতি দ্রুত সেসব চাপা দিল।
    সে আবার সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়া দিল, ' হুঁ হুঁ .... '।
    সাগরের মনে মনে এখন থেকেই চোখ মেলে বসে থাকা শুরু করল রবিবারের দিকে চেয়ে।

    রাত্রে বাইরের দোকানে দুটো দেশলাইয়ের বাক্স কিনতে গিয়েছিল রাত্রি। দেখল ঝন্টু দোকানের পাশে দাঁড়িয়ে সিগারেট খাচ্ছে। নিপাট ভালমানুষের মতো রাত্রির দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করল, ' কিরে, কেমন আছিস ... শিবুদার শরীর ঠিক আছে তো ? '
    ----- ' হ্যাঁ হ্যাঁ .... তোমার শরীর মন সব ঠিক আছে তো ? '
    ঝন্টু বলল, ' ওই ... আছে একরকম ... শান্তি নেই কোথাও ... '
    ------ ' কেন গো ... কি হল হঠাৎ ... ব্লাড প্রেসার ঠিক আছে তো ? '
    -----‐ ' ব্লাড প্রেসারের আর দোষ কি ? যাদের চোখের সামনে বড় হতে দেখলাম তাদেরই বিপথে চলে যেতে দেখছি ... চিন্তায় রাতে ঘুম হয়না ... '
    ----- ' কিরকম ... কিরকম ? '
    ----- ' সব কথা কি আর খুলে বলা যায় ? অসৎ সঙ্গে নরকবাস কথাটা তো আর মিথ্যে নয় ... '
    ----- ' একেবারেই মিথ্যে নয়। সেই জন্যই তো অনেককে এড়িয়ে চলি। ঠিক করি না ? '
    শুনে মাথায় আগুন জ্বলে গেল ঝন্টুবাবুর। কিন্তু সে রাগটা গিলে ফেলল।
    গম্ভীরভাবে বলল, ' একটু বুঝেসুঝে কথা বল রে ... কাকে কি বলছিস একটু চিন্তা করিস ... '
    ------ ' যা ব্বাবা ! তোমার গায়ে লাগছে কেন ? আমি তো কারও নাম করে কিছু বলিনি ... '
    দোকানদার তাদের দিকে তাকিয়ে থেকে মজা নিচ্ছে দেখে ঝন্টু একটু পাশের দিকে সরে গেল।
    বোধহয় কথাবার্তা চালিয়ে যেতে চায়।
    রাত্রি কিন্তু আর সময় নষ্ট করতে চাইল না। বলল, ' বাবা বসে আছে ... আমি আর দাঁড়াতে পারছি না ... কাল সকালে বেরোতে হবে ... '
    ----- অ ... তা সকাল সকাল ডিউটিটা কোথায় ? '
    ----- ' কেন, সেটা জানলে তোমার নিজের ডিউটিটা ঠিক করতে সুবিধা হয় না কি ? '
    ----- ' মানে ? ' ঝন্টু সিগারেটটা শেষ টান মেরে নীচে ফেলে পা দিয়ে ঘসে দিল।
    ----- ' মানেটা আমার চেয়ে তুমিই ভাল জান। তুমি আর জি কর-এ কার সেবা করতে যাও দিন বুঝে বুঝে সেটা তো তুমিই ভাল বলতে পারবে ... '
    ----- ' তুই কি আজকাল গোয়েন্দাগিরি করছিস নাকি ? '
    ----- ' আমার অত শখও নেই, সময়ও নেই। আর প্রয়োজন তো নেইই। শুধু মনে রেখ, আমার ব্যক্তিগত জীবনে নাক গলাবার চেষ্টা ক'র না। মুশ্কিলে পড়ে যাবে ... '
    ----- ' তুই কি আমাকে হুমকি দিচ্ছিস নাকি ? পেছনে কে সাগর মন্ডল ? ঘুঘু দেখেছিস, এখনও ফাঁদ দেখিসনি .... আগুন নিয়ে খেলা করছিস ... সব বুঝতে পারবি ... '
    রাত্রি ঠান্ডা গলায় বলল, ' দেখার, বোঝার অপেক্ষায় থাকলাম। কোন অসুবিধে নেই... তৈরি আছি ... আসলাম ... '
    ঝন্টু তার পরের উত্তরটা সাজাতে সাজাতে দেখল রাত্রি অনেকটা দূরে চলে গেছে।
    'তৈরি আছি' টা একটা নতুন চিন্তার জন্ম দিল ঝন্টুর মনে। সে আর একটা সিগারেট ধরাল।

    সুমনা আর প্রতিবিম্ব হেদুয়া থেকে বেরিয়ে দেখল একজন আধময়লা ধুতি পাঞ্জাবী পরা বছর পঞ্চান্ন ছাপ্পান্নর ভদ্রলোক হেদুয়ার সামনে দিয়ে বিবেকানন্দ রোডের দিকে হেঁটে যাচ্ছেন। হেদুয়ার দিকে তাকিয়ে কি দেখতে দেখতে যাচ্ছেন আপন মনে।
    প্রতিবিম্ব ' আরে ... ' বলে ভদ্রলোকের দিকে তাকিয়ে রইল।
    সুমনা বলল, ' কি হল ? '
    ----- ' ওই ভদ্রলোককে চেন ? '
    ----- ' না ... ঠিক ... '
    ----- ' শিবরাম চক্রবর্তী। তোমাদের বাড়ির এক স্টপ পরে থাকেন। '
    ----- ' তাই নাকি ! হর্ষবর্ধন গোবর্ধন ... ওঃ ফ্যানটাস্টিক ... ওনাকে শ্রীমাণি মার্কেটের ওখান দিয়ে কয়েকবার হেঁটে যেতে দেখেছি। আমি তো
    চিনতাম না ... ওঃ কি দারুণ ... ' সুমনা বলল।
    তারপর বলল, ' আলাপ করলে হয় না ? '
    ------ ' কি দরকার রাস্তার মধ্যে ওনাকে ডিসটার্ব করে। ওনার ভাল নাও লাগতে পারে। উনি আপনমনে আছেন ... শুনেছি খুব ইন্ট্রোভার্ট ... '
    ----- ' থাক তা'লে ... অন্য কোনদিন হবে। কাছেই তো থাকেন ... '
    ----- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... ওই তো ঠনঠনের কাছে ... ' প্রতিবিম্ব জানায়।
    শিবরামবাবু হাঁটতে হাঁটতে বিবেকানন্দ রোড পেরিয়ে গেলেন। দেখা গেল, একটুখানি এগিয়ে একটা পানের দোকানের সামনে দাঁড়ালেন। দোকানদার একটা পান সেজে তার হাতে দিল। তিনি সেটা মুখে দিয়ে, পয়সা মিটিয়ে দিয়ে আবার হাঁটতে থাকলেন।

    প্রতিবিম্ব বলল, ' পুজো তো এসে গেল প্রায়, কি প্রোগ্রাম ঠিক করলে ? '
    ------ ' কিছু জানি না। প্রোগ্রাম আবার কি ! বিবেকানন্দ স্পোর্টিং আর সিমলা ব্যায়াম সমিতির ঠাকুর দুটো দেখতে আসব এটা বলতে পারি ... '
    ----- ' জ্যোতিষী ঠাকুরের কি হবে তা'লে ? পুজোটা কি পানসে কাটবে ? গ্রহ নক্ষত্রদের মনে কি আছে কে জানে ... '
    ----- ' কেন, গনণাতে কি দেখা যাচ্ছে। কেমন যোগ আছে দেবীপক্ষের আগে পরে ? ' সুমনা গাম্ভীর্য বজায় রেখে প্রশ্ন করে। ভাবে, এখানে কাবেরী থাকলে মজা জমত ভাল।
    ----- ' যোগ তো ভালই। কিন্তু বিক্ষিপ্তভাবে দুর্যোগের সম্ভাবনাও আছে। '
    ------ ' তাই নাকি ? '
    ----- ' তাহলে এর প্রতিকার কি বাবাঠাকুর ? '
    ----- ' প্রতিকার একটা আছে ... '
    ----- ' সেটা কি ? '
    ----- ' পুজোর ক'দিন একসাথে চারদিনে চারটে সিনেমা দেখা ... '
    ----- ' ওরে বাবা... ইয়ে আমার ক্ষমা কর প্রভু ... অসম্ভব ... সে বিস্তর ঝঞ্ঝাট ... কোনরকমে একটা দিন হলেও হতে পারে .... '
    ----- ' তবে তাই হোক ... সপ্তমী বা অষ্টমীর দিন ... বাংলা বা হিন্দী যাই হোক ... '
    ----- ' তাই হোক, তবে তাই হোক ... দ্বার দিলেম খুলে .... হাঃ হাঃ হাঃ ... '
    ----- ' ঠিক আছে চল এবার ... আমি বাড়ি যাব ... মামার শরীর ভাল নেই ...
    ------ ' তাই নাকি ? এতক্ষণ বলনি তো ... কি হয়েছে ? '
    ----- ' না না ... তেমন কিছু না। ওই ইনফ্লুয়েঞ্জা মতো হয়েছে আর কি ... '
    ------ ' তা বললে তো হবে না ... ডাক্তার দেখাতে হবে। ক'দিন হয়েছে ? '
    ----- ' এই দু তিনদিন হবে ... '
    ----- ' কালকের মধ্যে শরীর ঠিক না হলে পরিতোষ মুখার্জীর চেম্বারে নিয়ে আসবে অবশ্যই সন্ধেবেলা।আমি ওখানে থাকব ... '
    ----- ' না না ... ডাক্তার দেখাবার দরকার নেই এখনই... '
    ----- ' দরকার নেই মানে ? আমি যেটা বললাম সেটাই করবে। তুমি ডাক্তারবাবুর চেম্বারে নিয়ে এস ... তারপর যা করার আমি করব ... ঠিক আছে ? '
    ----- ' আ..চ্ছা... ঠিক আছে ... আমি বাড়ি গিয়ে আগে দেখি কি অবস্থা ... তা'লে ওই কথাটা ঠিক রইল তো ? '
    ----- ' কোন কথাটা ? '
    ----- ' ওই পুজোর প্রোগ্রামটা ....'
    ----- ' হ্যাঁ ... ইচ্ছে তো আছে ... এখন দেখা যাক ... সবই তাঁর ইচ্ছে ... '

    বিভূতিবাবু দীনবন্ধুকে পাকড়াও করলেন বাড়ির কাছাকাছি।
    ----- ' কি ভায়া ... আজকাল তো আর দেখতেই পাইনা ... এদিকে আর আস না নাকি ? '
    ----- ' না মেশোমশাই ... আমি তো প্রত্যেক রবিবারেই আসি। আপনার সঙ্গে দেখা হয়ে ওঠেনি আর কি ... '
    ----- ' আচ্ছা আচ্ছা ... তা হবে হয়ত। তা, মেসে কোন অসুবিধে হচ্ছে না তো ? '
    ----- ' না না ... ওখানে খুব ভাল আছি। আপনার জন্যই সিট পেলাম ... সকলেই খুব ভাল লোক ... '
    ------ ' বেশ বেশ। বলছি যে, চল একদিন আর একটা থিয়েটার দেখি ... '
    ----- ' হ্যাঁ ... তা গেলে হয়। আমাদের ওদিকে তো এসব দেখার সুযোগ নেই ... এবারে কিন্তু টিকিট আমি কাটব ... কোন কথা শুনব না ... '
    ----- ' আ... হাচ্ছা... সে দেখা যাবে'খন ... '
    ----- ' এবারেও কি ঐতিহাসিক নাটক ? ' দীনবন্ধু জিজ্ঞাসা করে।
    ----- ' এবারে একদম অন্যরকম .... উৎপল দত্তের নাম শুনেছ ? '
    ----- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... খুব শুনেছি .... '
    ----- ' তারই নাটক ... ওনারই পরিচালনা ... অঙ্গার। আমি কয়েক মাস আগে একবার দেখেছি। মিনার্ভায় সামনের রবিবার পরপর দুটো শো আছে ... দেখলে বুঝতে পারবে একটা নাটক কেমন হতে পারে ... মাথা খারাপ হয়ে যাবে একেবারে ... '
    ----- ' আধুনিক নাটক, নাকি ? '
    ----- ' হ্যাঁ ওইরকমই ... দু তিন বছর আগে বিহারে বড়ধেমো কয়লাখনিতে ওই যে শ্রমিকরা দুর্ঘটনায় পড়ে মারা গেল না ... খনির ভেতরে আগুন পুড়ে, জলে ডুবে .... সেটা নিয়ে, ওঃ, সে মারাত্মক প্লে একখানা ... দেখলে লোম খাড়া হয়ে যাবে একেবারে ...। কিভাবে খনি শ্রমিকদের শোষণ চলে ... হরিবল... বুঝলে কিনা ... '
    ----- ' শুনেই তো আমার লোম খাড়া হয়ে যাচ্ছে। নাটকের নামটা কি বললেন যেন ... '
    ----- ' অঙ্গার অঙ্গার ... '
    ----- 'কবে শো আছে বললেন যেন ... '
    ----- ' এই তো ... রবিবার। যাই গিয়ে টিকিটের লাইনে দাঁড়াই। দিনটা ফাঁকা রেখ কিন্তু ... '
    ----- ' আরে মেসোমশাই... আমি তো পুরো ফাঁকাই .... হাঃ হাঃ হাঃ ... '
    বিভূতিবাবু কি বুঝলেন কে জানে।
    বললেন, ' তা ভাল .... তা ভাল ... '

    ( চলবে )
    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন