এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ১৩২ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৬ মে ২০২৪ | ১৮৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রয়্যাডিক্যাল হিউম্যানিস্ট ... মানবেন্দ্রনাথ রায়।
    নিখিলবাবু এম এন রায়ের খুব ভক্ত।
    সময়ের গাড়ি গড়িয়ে যায় নিজের মতো নিয়ম মেনে। বুকে পিঠে সওয়ারি নিয়ে সময় গাড়ি পেরিয়ে গেল দু বছর। এসে গেল উনিশশো বাষট্টি।। সুমনার মেজদি বন্দনার বিয়ে হয়ে গেছে, সুমনা প্রতিবিম্বদের কলেজের পাট চুকে গেছে। প্রতিবিম্ব এম এস সি পড়ছে রাজাবাজার সায়েন্স কলেজে। কাবেরীও মোটামুটি মার্কস পেয়ে অনার্স নিয়ে পাশ করেছে। এখন আর নিখিল ব্যানার্জীর কোচিং ক্লাসে যাবার প্রশ্ন নেই। কিন্তু তার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছে। মাঝে সংগঠনের কথা শুনতে যায় সে অমিতাভ স্নেহাংশুদের সঙ্গে। অমিতাভ খুব জড়িয়ে পড়েছে নিখিলবাবুর সংগঠনের সঙ্গে। ওরা দুজনই এম এন রায়ের নীতির সমর্থক। নীতিটা বাস্তবে কতটা প্রযোজ্য ভারতের মতো দেশে, যেখানে কায়েমী স্বার্থান্বেষী মানুষের সংখ্যা অত্যধিক বেশি, সেটা অবশ্য বিবেচ্য ব্যাপার। এটা শুধুমাত্র একটা ইউটোপিয়া কিনা বিচার করার প্রয়োজন।
    রাত্রি এম এ-তে রীতিমতো ভাল রেজাল্ট করেছে। সাগরের আনন্দের সীমা নেই।
    এ সবের মধ্যে পুজোর পরে একদিন, বোধহয় বিশে অক্টোবর হবে, আচমকা চিন ভারতের যুদ্ধ লেগে গেল। বঞ্চিত নিপীড়িত লোকজনদের বাদ দিয়ে এদেশে যারা দুধে ভাতে থাকে এবং যারা যুদ্ধ টুদ্ধ বিশেষ দেখেনি, তারা বেশ উত্তেজক মজা পেতে লাগল। ব্ল্যাক আউট, মাঝে সাঝে সাইরেনের শব্দ, সন্ধে হলেই রেডিওর সামনে অল ইন্ডিয়া রেডিওর দিল্লী থেকে পড়া খবর শোনার জন্য পড়াশোনা, কাজকর্ম ফেলে বসে পড়া কলকাতাসীদের বৈচিত্রহীন জীবনযাত্রায় বেশ আমোদ বিতরণ করতে লাগল। শহরের থানাগুলো এবং বিশিষ্ট অফিস এবং অট্টালিকার সামনে ইঁটের ছোটখাট পাঁচিল এবং বালির বস্তার সুরক্ষা ঢাল দেখে শহরবাসী বেশ একটা গা ছমছমে শিহরণ বোধ করতে লাগল। তাদের আলুনি মার্কা জীবনচর্যায় এটুকু উত্তেজনা কম পাওয়া নয়। তাছাড়া লাইব্রেরিতে, চায়ের দোকানে, বাজারে, অফিসে, ট্রামে বাসে, রাস্তার মোড়ে তর্কপ্রিয়, বোদ্ধা বাঙালীদের কলরবে সকাল সন্ধে ধুনো জ্বলতে থাকল।
    বিভূতিবাবু হাঁটতে হাঁটতে বৈকুন্ঠ বুক হাউসের সামনে গিয়ে দেখতে পেলেন পাঁচ সাত জনের একটা জটলা। তার কানে এল, একজন বলছে 'এটা নেহেরুর গোয়ার্তুমির ফল। চায়নার স্ট্রেংঙ্গথ সম্বন্ধে কোন আইডিয়া ছিল না। এখন বোঝ ... কত ধানে কত চাল। চু এন লাই তো বার কয়েক শান্তি প্রস্তাব দিয়েছিল .... মেনে নিলেই হত .... '
    আর একজন বলল, 'এখন বোঝ ঠ্যালা। চিনেদের খ্যামতা তো জান না ... ওরা সাঙ্ঘাতিক ডাঁটো ... '
    অন্য কেউ একটা বলল, ' বর্ডারের কুড়ি মাইল এদিকে ওদিকে দু দল মিলেমিশে থাকলেই পারতিস .... সতের হাজার ফুট ওপরে আকসাই চিন না কি একটা বছরভর বরফে ঢেকে থাকা জনমানবশূন্য জায়গা ... সেটা নিয়ে দড়ি টানাটানি ...ওটা গেলেই বা কি, থাকলেই বা কি ... হ্যাঃ ... নেই কাজ তো খই ভাজ ... কৃষ্ণমেননটাও একটা অপদার্থ ... নেহেরুকে ঠিকমতো বোঝাতে পারল না ... '
    একজন বলল, ' সতের হাজার ফুট না, বারো হাজার ফুট ... নেহেরু কারো কথা শোনে নাকি ? '
    ----- ' বারো হাজার ... ওই একই হল ... ওরা তো অনেক সুযোগ দিয়েছিল ... চাচাজী সাপের পাঁচ পা দেখেছিল ... এখন বেধড়ক প্যাঁদানি খাও .... অতি দর্পে হতা লঙ্কা ... নিজের ক্ষমতা বুঝে কাজে নাম ... তা না ... '
    ----- ' একহাজার তো ছাড়িয়ে গেছে ডেথ। দেখ আজকের সন্ধের খবরে কি বলে ... '
    কে একজন বলল, ' এর মূলে তো ব্রিটিশরা। ওরকম উল্টোপাল্টা ম্যাকমোহন লাইন কেটে গিয়েই তো গন্ডগোল বাঁধিয়ে গেছে। '
    ----- ' যত দোষ নন্দ ঘোষ ... লাও সামলাও ... '
    কে একটা বলল।

    বিভূতিবাবু জাতীয় বা আন্তর্জাতিক কূটনীতি, রাজনীতি, রণনীতির এইসব জটিল তত্ত্বের ব্যাপারে একেবারেই নাবালক। যুদ্ধ একটা বেঁধেছে এইটুকু খবর তিনি রাখেন। কিন্তু এইসব পরম জ্ঞানীরা যেভাবে নেহেরু, চু এন লাই, কৃষ্ণমেননকে নিয়ে পাড়ার গোবিন্দ বা গঙ্গাপদর কোন ঘরোয়া সমস্যা সমাধানের ব্যাপারে অভিবাবকসুলভ ভঙ্গীতে কাঁটাছেঁড়া করছে সেটা দেখে ও শুনে এদের বিজ্ঞতা এবং বিচক্ষনতার প্রতি পরম শ্রদ্ধাশীল হয়ে উঠলেন তিনি। একপাশে দাঁড়িয়ে কান পেতে এদের আলাপ আলোচনা শুনতে লাগলেন।
    শুনতে বেশ লাগছিল তার। সন্ধেবেলায় রেডিওর সামনে গুছিয়ে বসবেন খবর শোনার জন্য।
    তার হঠাৎ সাগর মন্ডলের কথা মনে পড়ল। ভাবলেন, সাগর কি ভাবছে এ ব্যাপারে জানতে পারলে হত। বিভূতিবাবুর চোখে সাগরের চেয়ে বড় সোলজার দুনিয়ায় আর কেউ নেই।
    মাসখানেক বাদে একুশে নভেম্বর হঠাৎ যুদ্ধ থেমে গেল। এতে ভারতের কোন কৃতিত্ব নেই। চীন একতরফা যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করে দিল। করে, ভারতকে ছেড়ে দে মা কেঁদে বাঁচি গোত্রের অপমানের হাত থেকে বাঁচিয়ে দিয়ে গেল। নিরামিষ জীবন কাটানোয় অভ্যস্ত লোকজনের সামনে যুদ্ধের রোমাঞ্চ মাখা অধ্যায় দুম করে বন্ধ হয়ে গেল। বেশ বীররসে ভেজা রোমাঞ্চের ঘুরন্ত চাকা ঝট করে থেমে গেল। এলাকার অনেকেই তাতে বেশ মুষড়ে পড়ল। মজাটা মাটি হয়ে গেল। তেতো কুইনাইন খাওয়া মুখ করে তারা আবার তাদের গতানুগতিক দৈনিক রুটিনে ফিরে গেল। সন্ধেবেলায় পড়ায় ফাঁকি দেওয়া বালক বালিকারা লুডো খেলার পাট চোকাতে বাধ্য হল। তারা বিরসবদনে আবার বই খাতা খুলে বসল।
    এর মধ্যে রাত্রির বাবা শিবপ্রসাদবাবুর রিটায়ারমেন্ট হয়ে গেল। রাত্রি বেহালার দিকে একটা স্কুলে চাকরি পেয়েছে।
    শিবপ্রসাদবাবু তার মেয়ের সঙ্গে সাগরের সম্পর্কের ব্যাপারে ওয়াকিবহাল।
    একদিন মেয়েকে বললেন, ' কি ঠিক করলি ? একটা সেটলমেন্টে তো আসার দরকার আমি আর কতদিন বাঁচব ? এই বাড়িটা তো রইলই। তোদের অসুবিধে হবে না। সাগরের সঙ্গে কিছু কথাবার্তা হয়েছে ? '
    রাত্রি রুটি বেলতে বেলতে বলল, ' না ... তেমন কিছু না। আর ... তুমি মরার কথা বোল না তো ওরকম ... আমার মন খারাপ হয়ে যায় ... '
    ----- ' আচ্ছা, সে না হয় হল ... কিন্তু তোরা কথাবার্তা বলে কিছু একটা ঠিক কর ... সমাজে কথা হয় এসব নিয়ে ... '
    ------ ' সমাজ নিয়ে মাথা ঘামিও না বাবা। এই সমাজের খোলনলচে বদলানোই আমাদের মূলমন্ত্র। মানুষ না বদলালে কখনও রাষ্ট্র বদলায় না ... আর মানুষকে বদলানোর দায়িত্ব কাউকে নিতে হয় ... '
    ----- ' এসব তোদের নিখিল স্যারের কথা নিশ্চয়ই...'
    ----- ' তাছাড়া আর কে। কাল স্যার আমাদের কয়েকজনকে ডেকেছেন। চিন ভারতের যুদ্ধ নিয়ে পর্যালোচনা হবে ... অন্য ডিস্ট্রিক্ট থেকেও দু একজন আসবে। আমাকে আর সাগরকেও যেতে বলেছেন স্যার। কফি হাউসে কাবেরীর পরিচিত দু তিনজন আসবে। আর হ্যাঁ, সঞ্চারীর জ্যাঠতুতো দাদা অমলকেও আসতে বলেছেন স্যার ... এস খেতে এস ... '

    কালীবাবুর মন মোটে ভাল নেই। তার আর ছ মাস চাকরি আছে। তারপরে অবসর গ্রহণের পালা। তিনি ঠিক করেছেন, এরপর নিখিল ব্যানার্জীর সংগঠনে কাজ করবেন। তাতে বিপদ আপদ যা আসে আসুক। বটতলা থানার এত বছরের বারোমাস্যা তার হৃদয়ে বিছিয়ে বসে আছে। কত শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা পেরিয়ে এলেন কত বিচিত্র সব লোকজন দেখতে দেখতে। থানার এই চেনা পরিবেশ, সময়ে অসময়ে সাগর মন্ডলের আগমন এবং কর্মকান্ড... এই কনস্টেবল, সাব ইন্সপেক্টররা ... শক্তিপদর দোকানের গরম চা ... এসব ছেড়ে চলে যেতে হবে তিনি এখনও ভাবতেই পারছেন না। বিষাদ তাকে জড়িয়ে ধরেছে আষ্টেপৃষ্টে। তিনি ভাবপ্রবণ মানুষ। তাই মাঝেমাঝেই আবেগের পাখি উড়ে এসে বসছে তার মনের উদাসী ডালে।
    ডালে ডালে শুকনো পাতারা ঝরে যায় ঝরার সময় হলেই, অনেক কান্নাহাসির শিশির মাখামাখি হয়ে। আবার নতুন পাতারা আসে ডাল জুড়ে বসবার জন্য।
    সময় কারো জন্য বসে থাকে না। সে নির্বিকার উদাসীনতায় ভেসে চলে যায়। তাকে ধরেও রাখা যায় না। ফেরানোও যায় না। সে শুধু চলে যায় পিছনে না তাকিয়ে।

    ( চলবে )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • শান্তনিক বসাক | 2401:4900:707b:2947:32a:72:83ce:65c1 | ১৮ মে ২০২৪ ০২:২২531894
  • এ...এইভাবে এই লেখাটা বন্ধ করাটা কিন্ত জাস্ট ক্রাইম..... আই পি সি র আন্ডারে  ...মাইরি বলছি আমি না জাস্ট দু রাতে... জাস্ট দুরাতে ১৩২ টা পর্ব গোগ্রাসে গিলেছি.... পরেরগুলো কোথায় !!!!! মাইরি না পেলে কিন্ত আমি পটলের সাইকেলের দোকানে গিয়ে খবর দেব.... তারপর বুঝবেন...
  • যোষিতা | ১৮ মে ২০২৪ ০২:৫১531896
  • আরে দাঁড়ান দাঁড়ান যুদ্ধ আরও অনেক হবে।
  • Anjan Banerjee | ১৯ মে ২০২৪ ১২:৫২531962
  • কান ধরে ক্ষমা চাইছি । পটলের দোকানে খবর দেবেন না প্লিজ।  মরে যাব একেবারে । পরেরটা দিয়েছি । একটু দেখে নিন প্লিজ । 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন