এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার  ধারে - ৩

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৬ আগস্ট ২০২৩ | ৩৮০ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • হেদুয়ায় পুকুরের পশ্চিমদিকে একফালি জমি আছে রাস্তার দিকে। সেখানে একদিন এক বেঁটেখাটো মোটাসোটা ভদ্রলোক এলেন। গেরুয়া রঙের পাঞ্জাবী এবং ধুতি পরা। ওখানে একজন বলল, ' ইনি হলেন অখিল নিয়োগী মানে, স্বপনবুড়ো। সবপেয়েছির আসর চালান সারা বাংলায়। এখানেও একটা করবেন বলে এসেছেন। ইনি নাকি বইও লেখেন। একটা বই সিনেমাও হয়েছে ---- বাবুই বাসার বোর্ডিং।'
    অনিমেষ আর তার দুই বন্ধু সেখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে লাগল। নানারকম ব্রতচারি নাচগান হতে লাগল। স্বপনবুড়ো একটা চেয়ারে বসে দেখতে লাগলেন।
    সমীরণ বলল, ' এনাকে যুগান্তর অফিসে দেখেছি। প্রত্যেক মঙ্গল না বুধবার যুগান্তরে একটা পাতা থাকে সবপেয়েছির আসরের ... '
    দেখা গেল উৎপলও জানে এদের ব্যাপারে। সে বলল, ' বাগবাজারের শ্যাম পার্কে আর দেশবন্ধু পার্কে সবপেয়েছির আসর আছে। নাম দুটোও আমি জানি। শ্যাম পার্কে গোপীমোহন আর দেশবন্ধু পার্কে নবমিতালি সবপেয়েছির আসর।
    উৎপলরা আগে বোসপাড়ায় থাকত। বোসপাড়া থেকে যুগান্তর অফিসের মধ্যে দিয়ে শর্টকাটে আনন্দ চ্যাটার্জী লেনে পৌঁছন যেত। প্রেসের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ঘটাং ঘটাং আওয়াজ শোনা যেত। উৎপলের মেজকাকা যুগান্তরে চাকরি করত। উৎপল মাঝে মাঝে ওপরে যেত কাকার সঙ্গে দেখা করতে। অনিমেষও সঙ্গে যেত। ওপরে গেলে দেখা যেত টেবিলে টেবিলে ধুতি পাঞ্জাবী কিংবা ধুতি আর শার্ট পরা লোকেরা বসে আছে। তার মধ্যে দু একজন শার্ট প্যান্ট পরা লোকও আছে। অনিমেষ চারদিকে চোখ ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে দেখে। তার খুব শখ, বড় হয়ে এরকম কোন খবরের কাগজের অফিসে কাজ করে। খবরের কাগজের সবকিছুই কেমন রোমাঞ্চক মনে হয় অনিমেষের।
    একদিন অনিমেষ উৎপলের সঙ্গে দাঁড়িয়ে আছে কাকার টেবিলের পাশে , এমন সময়ে উৎপল হঠাৎ বলল , ' ওই দেখ ... কে ... চিনিস ? '
    অনিমেষ ঘাড় ঘুরিয়ে দেখল ওপাশে ধুতি পাঞ্জাবী পরা, এই গরমেও কাঁধে একটা ক্রিম কালারের চাদর ফেলে দাঁড়িয়ে হাত নেড়ে নেড়ে একজনকে কি সব বোঝাচ্ছেন।
    অনিমেষ বলল, ' কে রে ? '
    উৎপল বলল, ' বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। রামধন মিত্তির লেনে থাকে ... '
    ------ ' তাই নাকি ? ওই যে মহালয়া করে সেই তো ... '
    ------ ' তাছাড়া আবার কে ? '
    বীরেনবাবু হঠাৎ কি কারণে একটু উত্তপ্ত হয়ে, 'আর এক মিনিটও এখানে নয় ... ' বলে জোরে হেঁটে সেখান থেকে বেরিয়ে গেলেন।
    একজন পিছন থেকে বলতে লাগল, ' বীরেনদা শুনুন ...বীরেনদা শুনুন ... '।
    কিন্তু উনি কোন কর্ণপাত না করে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গেলেন।

    সমীরণরা নাকি বাঙাল। নিতাইবাবু বলেন ওরা ওপার থেকে এসেছে। এপার ওপার ব্যাপারটা অনিমেষ এখনও ঠিক বুঝতে পারে না। ওদের বাড়িতে অনেক লোক। মাঝে মাঝেই চেঁচামেচি হয়। সমীরণের বাবার এক খুব বুড়ি পিসীমা ওদের সঙ্গে থাকে। দুটো ঘরে সবাইয়ের জায়গা হয় না। কয়েকজনকে বাইরের বারান্দায় শুতে হয় রাত্রে। পিসীমা লীলাবতীর ঠাঁই হয়েছে ভিতরদিকের বারান্দার এক পাশে। শীতকালে সদর দরজার মুখে বসে রোদ পোয়ান। পিসী তাতেই খুশি। তিনি জানেন, এ জীবনে আর কখনও সাত পুরুষের মায়া ভরা ভিটে মাটিতে গিয়ে তার রোদ পোয়ানো হবে না। পুব দিক থেকে সকালের আলো এসে পড়ে পিসীর অ্যাঁকাব্যাঁকা দাগওয়ালা মুখের ওপর। তিনি হাতের তেলো দিয়ে দুচোখ আড়াল করে তাকিয়ে থাকেন বেথুন কলেজের গীর্জার দিকে। বাবার পিসীকে অবশ্য কেউ উত্যক্ত করে না। মানে , সমীরণের বাবার ভয়ে করতে সাহস করে না। সমীরণদের অনেক আত্মীয় হাওড়া, পানিহাটি,আগরপাড়া এইসব নানা জায়গায় জমি জবরদখল বসে গেছে। সমীরণদেরও তারা ডাকাডাকি করছে। সমীরণের বাবা নাকি বলেছে তারা নাকি এ পাড়া ছেড়ে দিয়ে হাওড়ায় চলে যাবে। ওখানে তাদের বিশ্বনাথ কাকা আছে। বিশ্বনাথ কাকা করিতকর্মা লোক। তাদের খুব সুবিধে হবে।

    অনিমেষ একদিন বলল, ' চল সাঙ্গুভেলি রেস্টুরেন্টে গিয়ে একদিন ফাউল কাটলেট খাই। চার টাকা ম্যানেজ করেছি। তোরা কিছু দে ...'
    সমীরণের টাকা জোগাড় করতে অসুবিধে হবে উৎপল জানে। বলল, ' সমীরণেরটা আমি দিয়ে দেব ... কাল বিকেলে চল ... '
    তিনজনে বেশ সেজেগুজে সাঙ্গুভেলি রেস্টুরেন্টে ফাউল কাটলেট খেতে গেল।
    তিন বন্ধু তিন স্কুলে পড়ে। উৎপল টাউন স্কুলে, সমীরণ শৈলেন্দ্র সরকারে আর অনিমেষ শ্যামবাজার এ ভি স্কুলে।
    পরম তৃপ্তিকর কাটলেট অভিযান শেষ হলে মৌরি চিবোতে চিবোতে তিনজন সাঙ্গুভেলি থেকে বেরিয়ে উল্টোদিকে মানে, টাউন স্কুলের দিকে গেল।
    উৎপল এদের মধ্যে একটু অ্যাডভেঞ্চারাস টাইপের। একটা সিগারেটের দোকানের সামনে দাঁড়াল। একটা পাসিং শো সিগারেট কিনে নারকেল দড়ির আগুনে ধরিয়ে একটা টান মেরে ধোঁয়া ছাড়ল। অনিমেষ আর সমীরণ তো দেখে একেবারে থ।
    অনিমেষ বলল, ' এ কি রে ! '
    উৎপল বলল, ' খাবি নাকি ? '
    ----- ' আরে ধ্যাত ... পাগল নাকি ! '
    সমীরণ বলল, ' মুখ ধুইয়া বাড়ি ঢুকিস ... শুনেছি মুখে গন্ধ হয় ... '
    ------ ' হুঁ ... চল ... '
    পিছন ঘুরতেই রাস্তার ওপারে অনিমেষের চোখে পড়ল দুজনকে।তার বুকটা ছাঁত করে উঠল। তার ভিতরের মারকুটে সত্ত্বা জেগে উঠল আচমকা। কিন্তু সে সামলে নিল নিজেকে। ফ্রক পরা শ্রীলেখা আঙুল দিয়ে কপালের চুল একপাশে সরিয়ে মাথা নীচু করে ব্রীড়াবনত মুখে অসিত ঘোষালের সঙ্গে সাঙ্গুভেলি রেস্টুরেন্টে ঢুকছে।
    উৎপল বলল, ' কি হল ... দাঁড়ালি কেন , চল ... '
    ----- ' হ্যাঁ চল ... '

    একটা ঢোলা পাজামা আর আর্দির ফিনফিনে পাঞ্জাবী পরে ফ্রেন্ডস কেবিনের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। মোটাসোটা চেহারা। কপালে ঘাম জমেছে। তাকে ঘিরে আছে অন্তত দশজন লোক। দাদা এ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর।
    তিনি ভসভসে গলায় কি সব বলছেন তার লোকেদের ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। বিভূতিবাবু হাতিবাগানের দিকে যাচ্ছিলেন। তিনি জটলাটা দেখে একটু দাঁড়িয়ে গেলেন। একজনকে জিজ্ঞেস করলেন , ' কি হয়েছে দাদা ? '
    সে ভদ্রলোক বললেন, ' কাল বেপাড়া থেকে কারা এসে হুজ্জুতি করে গেছে ওই কালিমন্দিরের কাছে। সোডার বোতল , অ্যাসিড বাল্ব মেরে গেছে রাত প্রায় বারোটা নাগাদ। কি কান্ড বলুন দিকিনি। সেই নিয়ে কথা বলতে এসেছেন উনি ... '
    ----- ' ও ... আচ্ছা আচ্ছা .... সেই জন্যে একটা গোলমালের আওয়াজ পেলাম রাতের দিকে .... কি বিপদ হল বলুন তো ... এসব এদিকে ছিলই না কোনদিন ... দেখুন কি হয় .... '
    বলতে বলতে মাথা নাড়াতে নাড়াতে হাঁটা লাগালেন বিভূতিবাবু।
    কাউন্সিলরের নামটা যেন কি ... মনে করার চেষ্টা করতে লাগলেন বিভূতিবাবু। দূর ছাই... কিছুতেই মনে পড়ছে না। ভাবলেন, যাকগে পুজোর সময় তো ঠাকুর উদ্বোধন করতে আসবে, তখন জেনে নেওয়া যাবে।
    বিডন স্ট্রিটে কদিন বাদে আবার হুজ্জুতি হল রাত বারোটা নাগাদ। কোন ব্যক্তিগত শত্রুতার ব্যাপার মনে হচ্ছে। স্রেফ দুই গুন্ডার ব্যক্তিগত রেষারেষি হবে আর কি। খোকন আর সাগর। দুই পাড়ার দুই গুন্ডা।
    সে যাই হোক, পরের দিন সকাল থেকে তিনজন পুলিশ এসে হাজির হল , দিনরাত পাহারা দেবার জন্য।
    ওদিকে ফড়িয়াপুকুরে টিনের চালওয়ালা একটা সিনেমা হল খুলেছে। টকি শো হাউস না কি যেন নাম। সেখানে নাকি মেট্রো গোল্ডেন মেয়ারের ভাল ভাল ফিল্ম দেখাচ্ছে। খবর পেয়ে বিভূতিবাবু ফড়েপুকুরে গিয়ে হাজির হলেন এবং ইভনিং
    শো-এ রোমান হলিডে দেখে এলেন। মন ভরে গেল তার।

    আগামীকাল মিনার্ভা-এ সাজাহান-এর শো নামছে বেলা তিনটেয়। বিভূতিবাবুর উত্তেজনার শেষ নেই।

    (চলবে )
    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 174.251.160.133 | ০৬ আগস্ট ২০২৩ ১৩:১৬522158
  • "একটা বই সিনেমাও হয়েছে ---- বাবুই বাসার বোর্ডিং ।" 
    র-টার দরকার নাই -- বাবুই বাসা বোর্ডিং। 
  • যোষিতা | ০৬ আগস্ট ২০২৩ ১৩:১৮522159
  • কাউন্সিলর এসে "পুজোর উদ্বোধন" করত তখনকার দিনে?! বেশ বেশ, চলুক।
  • যোষিতা | ০৬ আগস্ট ২০২৩ ১৩:২০522160
  • ষোলো বছরের মেয়ে ফ্রক পরে প্রেম করত না সেকালে, স্কার্ট ব্লাউজ পরত।
  • Anjan Banerjee | ০৬ আগস্ট ২০২৩ ১৪:১৪522162
  • যোষিতা ,
        না,  কাউন্সিলার পুজোর উদ্বোধন করত না । তবে ক্ষেত্রবিশেষে কোন কোন পুজোয় পাড়ার গণ্যমান্য ব্যক্তি হিসেবে তাকে ডাকা হত এই আর কি ...
     
    হ্যাঁ ফ্রকের ব্যাপারটা অবশ্যই ভুল হয়ে গেছে । ওটা আমি correction করব । 
  • Anjan Banerjee | ০৬ আগস্ট ২০২৩ ১৪:১৭522163
  • বাবুই বাসা বোর্ডিং ..... correct . ধন্যবাদ  
  • যোষিতা | ০৬ আগস্ট ২০২৩ ২২:১৩522171
  • ঐ চার্চটার নাম ক্রাইস্ট চার্চ। আরেকটা চার্চ অনতিদূরে সেন্ট মার্গারেট ইস্কুলটার পাশে, সেটা ডাফ চার্চ। দুটোই প্রোটেস্টান্ট চার্চ। ক্রাইস্ট চার্চের ভেতরেই কোয়ার্টারে থাকত আমার বন্ধু। পরে ও বিশপস কলেজে পড়তে গেল, প্রিস্ট হবার জন্য। ওর নাম ছিল দেবব্রত বিশ্বাস। আমরা অনেক সময়ে ডাফচার্চের সানডে মাসে গাইতেও গেছি। বাংলায় মাস হতো ডাফ চার্চে। ঐ ছেলেটা চমৎকার অর্গান বাজাতো। আমরা আরো দুতিনজন বন্ধু মিলে কলেজের ক্লাস কেটে ওর আখড়ায় গিয়ে বিড়ি সিগারেট টানতাম।
  • Ranjan Roy | ১১ আগস্ট ২০২৩ ২২:৩১522345
  • বাবুইবাসা  বোর্ডিং--- শিশুসাথীতে ধারাবাহিক বেরোত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে প্রতিক্রিয়া দিন