এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ৩৬ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ অক্টোবর ২০২৩ | ২০৫ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • উত্তুরে হাওয়া দিচ্ছে থেকে থেকে। আর ক'দিন পরে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়বে বোঝা যাচ্ছে। পাড়ায় পাড়ায় ব্যাটবল বেরিয়ে পড়েছে। পার্কগুলোয় গা ঘেঁসাঘেঁসি করে ক্রিকেটের পিচ পড়েছে। ইডেন গার্ডেনে দলীপ ট্রফির ম্যাচ চলছে মধ্যাঞ্চলের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের। বিজয় মঞ্জরেকার কাল সেঞ্চুরি করেছে। আজ পঙ্কজ রায় পাল্টা দিচ্ছে। এখন পর্যন্ত সেভেন্টি থ্রি নট আউট। অনিমেষরা তিন বন্ধু পরটা, আলু চচ্চড়ি আর জয়নগরের মোয়া গুছিয়ে নিয়ে ইডেনে খেলা দেখতে গেছে। উৎপল কিছু কমলালেবুও নিয়ে গেছে। একতিরিশে ডিসেম্বর থেকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে। ওটা তো আর দেখার ভাগ্য হবে না অনিমেষদের। মাঠের দক্ষিণ দিকে ইডেনের প্যাভেলিয়নের দিকে তাকিয়ে রইল অনিমেষ। কত রহস্যে ঘেরা ওই তাঁবুটা। ভিতরে যেন আশ্চর্য এক জগৎ। ক'দিন বাদে রোহন কানহাই, গারফিল্ড সোবার্সরা ওর ভেতরে ঘোরাফেরা করবে ভেবে অনিমেষ রোমাঞ্চিত হতে লাগল।পঙ্কজ রায় একটা নিখুঁত চাঁটা মারল অনসাইডে পায়ের গোড়া থেকে হাফভলিতে বল নিয়ে। মিড অন আর মিড উইকেটের মধ্যে দিয়ে ইডেনের সবুজ কার্পেট চিরে বল গড়িয়ে যাচ্ছে বাউন্ডারির দিকে।

    চারদিকে কাঠের গ্যালারি। শুধু হাইকোর্টের দিকে বিশাল স্কোর বোর্ডের পাশে এক অর্ধসমাপ্ত কংক্রিটের বিশাল কাঠামো। পশ্চিমে গঙ্গার দিক থেকে হু হু করে হাওয়া আসছে। পতপত করে উড়ছে সেলিম দুরানির সাদা শার্ট আর হাল্কা ঘিয়ে রঙের ট্রাউজার।

    লাইটহাউস সিনেমায় রোমান হলিডে ঘুরে এসেছে আবার। গত পাঁচ বছরে তিনবার এল। এখনও হাউস ফুল হচ্ছে। বিভূতিবাবু তৃতীয়বারের জন্য রোমান হলিডে দেখে এলেন ম্যাটিনি শোয়ে।

    এসপ্ল্যানেড ট্রামডিপো থেকে ফাঁকা পাঁচ নম্বর ট্রামে উঠে জানলার ধারে বসলেন। বেশ শীত শীত লাগছে। ভাবলেন, একটা সোয়েটার পরে আসলে ভাল হত। বউবাজারে ভীম নাগের দোকানের উল্টোদিক দিয়ে একটা লোক, দেখে মনে হচ্ছে অ্যাংলো ইন্ডিয়ান, ঘোড়ায় চড়ে যাচ্ছে। মাথায় একটা লাল রঙের পানামা ক্যাপ। সাতচল্লিশের আগে বিভূতিবাবু এরকম অনেক দেখেছেন ওয়েলিংটন স্কোয়ারের আশেপাশে। বৌবাজারের বো ব্যারাকে আগে প্রত্যেক বছর পঁচিশে ডিসেম্বরের দিন যেতেন। কি সুন্দর করে সাজাত, নাচ গান আনন্দ করত ওরা। বেশ মশগুল হয়ে যেতেন বিভূতিবাবু। খুব ভাল লাগত। ট্রামে জানলার ধারে বসে রাস্তা দেখতে দেখতে বিভূতিবাবুর নানা কথা মনে পড়তে লাগল। ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে হাতিবাগানের দিকে হেঁটে যাওয়া, শীতের ভোরে খেজুর পাতায় মুখ ঢাকা কলসি করে খেজুর রস নিয়ে বাড়ি বাড়ি বিক্রি করে বেড়ানো বসিরহাটের বসিরুদ্দিনের কথা মনে পড়ে গেল। সে কোথায় মিলিয়ে গেল কে জানে। বসিরুদ্দিনের মতো কত লোক জীবন থেকে হারিয়ে গেছে। ফিরবে না আর এ জীবনে।

    হেদুয়ায় এসে ট্রাম থেকে নামলেন বিভূতিবাবু। ওখানে নেমেই বলাইয়ের সঙ্গে দেখা। বলাই মোহান্তি। বলাই উড়িষ্যার লোক। কাজের বাড়িতে, মানে বিয়ে শ্রাদ্ধ অন্নপ্রাশনে রান্নার কাজ করে। তাদের দলবল আছে। ওদের ঠেক হল শ্যামপুকুর থানার পাশে। বলাই বিভূতিবাবুর অনেকদিনের পরিচিত। তার ছেলের বিয়ের সময়ও বলাই কাজ করেছিল।

    বিভূতিবাবু বললেন, ' আরে বলাই যে ... কি খবর ? কি ব্যাপার... এদিকে ? '
    ----- ' ওই বিডন রো-এ গেছিলাম ... সুবিনয় সরকারের বাড়ি। মেয়ের বিয়ে আছে একুশে মাঘ।'
    ------ ' ও আচ্ছা ... সুবিনয় সরকার ... '
    ----- হ্যাঁ, চেনেন নাকি ? '
    ------ না, ঠিক মনে করতে পারছি না। দেখলে হয়ত চিনতে পারব ... '
    ------- ' হ্যাঁ তাই। তা বাবু আছেন কেমন ? '
    ------ ' এ..ই বাঁধা ছাঁদা করে রেডি হয়ে আছি। গাড়ি এলেই উঠে পড়ব আর কি ... '
    ------ ' আরে ছি ছি ... এসব কি বলছেন ! আপনার কি এমন বয়েস হয়েছে ? '
    ----- ' বয়সের ব্যাপার নয় রে বলাই। আর ভাল লাগে না ... কত চেনা লোক চলে গেল। আরও কত যাবে। আমি এখানে বসে কাকে নিয়ে থাকব ? '
    এই সময়ে বলাই একটা দামী কথা বলল।
    ------ ' কেন বাবু .... নতুনদের সঙ্গে মিশে যাবেন ... পুরণোদের ছেড়ে দিন না .... নিজের বয়েস কুড়ি বছর কমিয়ে নিন না ... '
    কথাটা শুনে একটু গুম মেরে রইলেন বিভূতিবাবু। তারপর বললেন, ' খুব সহজভাবে দারুণ কথা বললি রে বলাই ... এদিকে এলে বাড়িতে একটু আসিস ... তোরা সব পুরণো লোক ... এলে ভাল লাগে ... যাই বলিস, নতুন কারো সঙ্গে কি আর তেমনভাবে জোড় লাগে চট করে ...'
    ------ ' হ্যাঁ বাবু ....নিশ্চয়ই যাব ... এই তো পরের বুধবার আবার আসতে হবে সরকারবাবুর বাড়ি। সেদিন দেখা করব আপনার সঙ্গে ... '

    দুপুরবেলায় হেদোর পুকুরের পশ্চিম দিকে শিরিষ গাছের নীচে আবার সুমনা আর প্রতিবিম্বর দেখা।
    ----- ' বড়দির বিয়ের ঠিক হয়ে গেল জান তো ...যাদবপুরের ওই ফ্যামিলিটা ... '
    ----- ' তাই নাকি ? বাঃ খুব ভাল। এবারে আর কোন গন্ডগোল হয়নি তো আগেরবারের মতো। এবার তোমাকে লুকিয়ে রাখা হয়েছিল নিশ্চয়ই ... '
    প্রতিবিম্ব সুমনার মুখের দিকে তাকিয়ে রইল।
    ------ ' সে আর বলতে ... '
    ----- ' হীরে মাণিক ঘরে থাকলে তাকে লুকিয়েই রাখতে হয় ... '
    ----- ' আর উঁচুতে তুলো না। মাটিতে পড়ে গেলে হাড়গোড় ভেঙে যাবে ... '
    ------ ' মাটিতে পড়তে দেব না। তার আগেই ধরে নেব ... '
    ----- ' হীরে মাণিক যদি কেউ হয় সে হল তুমি ... '
    ----- ' আহা..হা, আর একবার বল ... আর একবার বল ... শুনেও সুখ ... আমার মতো চালচুলোহীন, সে কিনা হীরে মাণিক ... ' প্রতিবিম্ব বলতে থাকে।
    সুমনা একজন পরিণতমনস্কের ভঙ্গীতে শান্তস্বরে বলল, ' হীরে কি আর জানে যে সে হীরে। লোকে বুঝতে পারে যে সে হীরে ... তাছাড়া কয়লা ছেনে তাকে বার করতে হয় .... '
    ------ ' হমম্ ... তা এই কয়লা ছানার ছুরি কি তুমি ?'
    ------ ' তাতে আপনার কোন সন্দেহ আছে মশাই '
    ----- ' বেশ ধারাল ছুরি মনে হচ্ছে। অসাবধানে বুকের বাঁদিকে লেগে না যায় ... '
    সুমনা ঘাড় ঘুরিয়ে প্রতিবিম্বের চোখের দিকে তাকিয়ে রইল নির্নিমেষে কোন কথা না বলে।
    দুই অর্বাচীন নবীন নবীনার সম্পর্ক বেশ পেকে উঠতে চলেছে মনে হচ্ছে। এখন পরিণতি কি হয় সেটাই দেখার।

    বলাই মোহান্তিকে বিদায় দিয়ে বিভূতিবাবু বাড়ির দিকে এগোলেন। সেই সময়ে ইডেন ফেরতা তিনমূর্তি কাল এই ম্যাচের শেষ দিনে আবার খেলা দেখতে যাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা করতে করতে সেখানে আবির্ভূত হল।
    বিভূতিবাবু বললেন, ' কিরে ... তোরা কোথায় গিয়েছিলি ? '
    ------ ' ইডেনে খেলা দেখতে ... '
    ------ ' তাই নাকি ? আমাকেও বলতে পারতিস ... যেতুম ... '
    ----- ' চল তা'লে কাল যাওয়া যাক। কাল লাস্ট দিন ... ' সমীরণ বলে।
    ------ ' কাল বোধহয় হবে নারে ... কাজ আছে। ক'দিন বাদে তো ওয়েস্ট ইন্ডিজ আসছে। তখন একটা সিজন টিকিট জোগাড় করতে হবে ... '
    উৎপল বলল, ' আমাদের কি আর সে ভাগ্য হবে ?'
    ------ ' আচ্ছা ... সে আমি ব্যবস্থা করব'খন ... '
    ------ ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... জেঠু দেখুন দেখুন ... যদি হয় ...'

    আর একটু এগোতে অসিতের সঙ্গে দেখা। সে এখানে কি করতে এসেছে কে জানে। সে যাই হোক, অসিত এখন এ চত্বরে সেলিব্রিটি, সরীসৃপ মঞ্চস্থ হবার পর থেকে। অনেকেরই ধারণা হয়েছে যে সে অচিরেই এক মহান নাট্যব্যক্তিত্ব হতে চলেছে।
    অনিমেষ বলল, ' অসিতদা এখানে ? '
    ------ ' এই এলাম তোমাদের সঙ্গে দেখা করতে ... '
    ------ ' চল চল .... আমাদের বাড়িতে চল ... '
    বিভূতিবাবু বললেন, ' এখানে হয়ে গেলে,ওপরে আমার ওখানেও একটু এস ... '
    শ্রীলেখা বাড়ির দরজায় দাঁড়িয়েছিল এক বন্ধুর সঙ্গে। দূর থেকে দেখতে পেল তার দাদা একজনের হাত ধরে তাদের বাড়ির দিকে টেনে আনছে সাদরে।
    শ্রীলেখা ঠোঁট বেঁকিয়ে আপনমনে বলল, ' ভারি একেবারে ... '
    বান্ধবী ব্রততী বলল, ' কি বললি ? '
    ----- ' না, কিছু না ... '

    ( আগামী পর্বে শেষ)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন