এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ৪০ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৪ অক্টোবর ২০২৩ | ৪৩৪ বার পঠিত
  • কাবেরী পাড়াতুতো বন্ধু অনামিকার সঙ্গে ধর্মতলা স্ট্রীটে কমলালয় স্টোর্সে গেছে সোয়েটার কেনার জন্য। অনামিকা একটা কার্ডিগান এবং আরও কিছু কিনবে। অনেক দেখাদেখির পর দুই বন্ধুর কোন কিছুই পছন্দ হল না। কাবেরী বলল, ' দূর ... এসব ডিজাইন তো হাতিবাগানেই পাওয়া যায় ... '
    অনামিকা বলল, ' চল বরং নিউ মার্কেটে যাই ... '
    ----- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... তাই চল তাই চল ... ঘোরাও হবে ...'
    কাবেরী একপায়ে খাড়া।

    দুদিন বাদে বড়দিন। শীতকালে নতুন বছরের প্রাক্কালে নিউ মার্কেট চত্বর বড় মনোরম, আনন্দময়। মন ভাল করা উৎসবের ঝলমলে চুমকি ছড়িয়ে আছে চারদিকে। কমলা রোদ্দুর পড়েছে  লিন্ডসে স্ট্রিট জুড়ে।  দোকানগুলো রঙীন সাজগোজ করে দাঁড়িয়ে আছে। কদিন বাদে ইডেনে ওয়েস্ট  ইন্ডিজের সঙ্গে টেস্ট ম্যাচ শুরু হবে।

    কাবেরী আর অনামিকা লাইটহাউসের পাশ দিয়ে হগ মার্কেটের গেটের দিকে যাচ্ছিল। লাইটহাউসে টেন কম্যান্ডমেন্টস এসেছে আবার। বাইরের  টিকিট কাউন্টারের সামনে ইতিউতি লোকজন ঘোরাফেরা করছে। কাবেরীরা রাস্তা পার হয়ে ওদিকে গেল। লিন্ডসে স্ট্রিটের দিকে হাঁটতে লাগল। তারপর বাঁদিকে ঘুরে হগ মার্কেট। ঘোরার মুখে পাতলা দাড়িওয়ালা একজন দাঁড়িয়ে আছে। অনামিকা বলল, ' আমাদের দিকে কিরকম হ্যাংলার মতো তাকিয়ে আছে দেখ....  এদের না ... আমার ... কি বলব ... ' 
    ----- ' কোথায় ...কোথায় ...কে ? '
    অনামিকা নীচুস্বরে বলল, ' ওই তো ... সামনে দেখ না ... '
    কাবেরী সামনে তাকিয়ে দেখল এবং মনে মনে হোঁচট খেল। দেখল, একটা নীল রঙের ফুলহাতা গেঞ্জি আর সাদা ট্রাউজার পরে দু প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে তাদের দিকে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে পার্থপ্রতিম। আর একটু এগোতেই কাবেরীরা ওর সামনাসামনি হয়ে গেল একেবারে।
    ------ ' কি ব্যাপার আপনি এখানে?', কাবেরী বলে।
    ------ ' আপনারা যে কারণে এসেছেন আমিও সে কারণেই। মানে, কেনাকাটা করতে । এই যে .... বাটা থেকে কিনলাম ... ', পার্থপ্রতিম হাতের জুতোর প্যাকেটটা তুলে দেখাল। 
    বলল, ' এতদিনে রাগ পড়ে গেছে নিশ্চয়ই ... '
    ------ ' যত্ন করে রাগ পুষে রাখার মতো সময় নেই আমার। তবে আপনার সঙ্গে আর দেখা না হলেই ভাল হত .... ', কাবেরী যথারীতি কাঠ কাঠ জবাব দেয়।
    কিন্তু এটা বোধহয় ঠিক উচিত শিক্ষা দেওয়া হল না। আরও কড়া কি বলা যায় কাবেরী সেটাই ভাবতে লাগল কারণ, সুমনার সঙ্গে কথা হয়েছিল যে ওর সঙ্গে দেখা হলে চিনতেই পারবে না, মুখ ঘুরিয়ে চলে যাবে। কিন্তু সেটা ঠিকমতো করা হল না বলে কাবেরীর আফশোষ হতে লাগল।
    সে বলল, ' এখন কার জন্য দাঁড়িয়ে আছেন এখানে? '
    ------ ' কারো জন্য নয় .... এই তো দোকান থেকে বেরোলাম। এখন বাড়ি যাব ... ', পার্থ নিরুত্তাপ সরল উত্তর দিল।
    কাবেরী কিছু বলার না পেয়ে চুপ করে রইল। 
    ' কফি হাউসে নেক্সট কবে আসছেন? আমিও যাব সেদিন ... ' , পার্থ অম্লানবদনে বলল ।
    কাবেরী একটু থতমত খেয়ে গেল। সেটা সামলে উঠে বলল, ' কেন বলুন তো ... আমার যাওয়ার সঙ্গে আপনার যাওয়ার সম্পর্ক কি ? '
    পার্থপ্রতিম আবার অম্লানবদনে বলল, ' না, সম্পর্ক কিছু নেই। সকলে একসঙ্গে জড়ো হলে বেশ ভাল লাগে ... কতরকম কথাবার্তা হয় ... '
    কাবেরী কি বলবে ভেবে না পেয়ে মনের ভিতর জুতসই কথা হাতড়াতে লাগল।
    অনামিকা কিংকর্ত্তব্যবিমূঢ় হয়ে দাঁড়িয়ে আছে। বোকার মতো একবার এর মুখের দিকে, একবার ওর মুখের দিকে তাকাচ্ছে। রহস্যটা ঠিক ধরা  যাচ্ছে না।
    কাবেরীর কাছেও ব্যাপারটা অদ্ভুত লাগছে। সে ভাবল, ছেলেটা হয় শিশুর মতো সরল, আর নয় তো ব্যাপক ঘোড়েল।
    যাই হোক, কাবেরী আপাতত ব্যাপারটাকে আর বাড়াতে চাইল না। সে বলল, ' আচ্ছা ... ঠিক আছে , আসি এখন ... কাজ আছে ... '
    ----- ' হ্যাঁ, ঠিক আছে। আর আটকাব না ... শুক্রবারে কফি হাউসে যাচ্ছি ওদের সঙ্গে আড্ডা মারতে ... চলে আসুন না ... ভাল লাগবে ... '
    পার্থপ্রতিম নির্বিকারভাবে বলল। কাবেরী ভাবছে, অদ্ভুত চরিত্র তো! ঠিক যেন ধরাই যাচ্ছে না।
    সে আর সময় নষ্ট না করে অনামিকাকে বলল, '  চল ... চল ... দেরি হয়ে যাচ্ছে .... '
    পার্থপ্রতিমকে ওখানে রেখে ওরা হগ মার্কেটের  দিকে এগিয়ে গেল। 
    প্রবল কৌতূহলে ভরভুর অনামিকা এতক্ষণে প্রশ্ন করার সুযোগ পেল, ' কে রে ? '
    কাবেরী প্রসঙ্গটা উড়িয়ে দেবার ভঙ্গীতে বলল, ' ও কেউ না ... উটকো ঝামেলা  ... '

    বাসন্তীদেবীর মেজাজ সবসময়ে সপ্তমে চড়ে আছে ক'দিন ধরে । কানাই সিকদারকে সামনে পেয়ে তুলোধোনা করতে লাগলেন।
    ------ ' কিছু জান না, খবর রাখ না ... যত সব উটকো সম্বন্ধ নিয়ে আস ... দু দুবার এরকম হল ... কি ভেবেছ কি ... আমরা কি ঘাসে মুখ দিয়ে চলি? তোমার টাকার দরকার থাকে বল .... এসব দু নম্বরী  কারবার ছেড়ে দাও.... '
    কানাই কাঁচুমাচু মুখে অপমান হজম করছিল। সে এবার না বলে পারল না ----- ' ও কথা বলবেন না দিদি ... আগের বার তো কোন গোলমাল ছিল না। ছেলেটা সুমনাকে দেখে ওরকম করবে সেটা তো আমার জানার কথা নয় ... তাছাড়া ও তো আপনাদের কাছেও ... '
    ------ ' চুপ কর ... চুপ কর ... মেলা কথা বলিও না .... এমনিতে মাথা গরম হয়ে আছে। এসব কোন শুভ লক্ষণ নয়। বারবার বিয়ে ভেঙে যাওয়া ... '
    প্রানের চেয়েও প্রিয় সন্তানদের অমঙ্গল চিন্তায় কাতর বাসন্তীদেবীর উদভ্রান্ত বাক্যস্রোতে এই মুহুর্তে বাধা সৃষ্টি করে বিপদ ডেকে আনাটা উচিত কাজ বলে বিবেচনা করল না কানাই।  কাজেই সে বিনা প্রতিবাদে  চুপ করে রইল। 
    ক্রমশঃ রাত বেড়ে যাচ্ছে। দশটা বাজতে চলল। শীতের রাত। কানাইকে সালখিয়ায় ফিরতে হবে। সে উসখুস করতে লাগল। আরও মিনিট পাঁচেক পরে সে বলল, ' এখন তাহলে আমি উঠি ...   অনেকটা রাস্তা যেতে হবে .... যদি দরকার মনে করেন ডেকে পাঠাবেন ... '
    বাসন্তীদেবীর তো কানাই ছাড়া গতি নেই। তিনি কি একটা বলতে যাচ্ছিলেন, এমন সময়ে সুমনা ঘরে ঢুকল। বোধহয় মায়ের চেঁচামেচি শুনে এখানে চলে এসেছে। ঠিক সেই সময়ে অলোকেন্দুবাবু বাইরের নানা কাজ সেরে বাড়ি ফিরলেন এবং সটান এই  ঘরে ঢুকলেন।
    তিনি বললেন, ' এই  যে কানাই,  তোমার কথাই ভাবছিলাম ... আবার কোমর কষে লাগ দেখি .... এই ফাল্গুন মাসের মধ্যেই চন্দনার বিয়ে দেব ... আমি সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছি । '
    বাসন্তীদেবী বললেন, ' তোমার সিদ্ধান্তে কি এসে যায়? সবই তো তার হাতে। তুমি আমি সিদ্ধান্ত নেবার কে? জন্ম মৃত্যু বিয়ে, তিন বিধাতা নিয়ে ... '
    সুমনা বলল, ' মা তুমি সবই তো বোঝ। তাহলে মিছিমিছি মন খারাপ করছ কেন? '
    কানাইয়ের মুখে হাসি ফুটল। 
    অলোকেন্দুবাবু বললেন, ' কথাটা ধ্রুবসত্য এ ব্যাপারে সন্দেহ নেই। বিধাতার মনে কি আছে জানি না ... তবে একটা কথা বলে রাখছি, আমার ছোট মেয়ের বিয়ের পাত্র কিন্তু আমি নিজে ঠিক করব ... '
    সুমনা ঠোঁটে যুঁইফুলের মতো হাসি ফুটিয়ে অপলকে চেয়ে রইল তার বাবার দিকে।
    কানাই সিকদার একগাল হেসে বলল, ' এর চেয়ে ভাল আর কি হতে পারে জামাইবাবু ... '
    বাসন্তী অলোকেন্দুবাবুকে হাড়ে হাড়ে চেনেন।  তিনি এর মধ্যে তার কৌশল পারঙ্গম স্বামীর কোন গূঢ় অভিসন্ধি আন্দাজ করে ভ্রু কুঁচকে অলোকেন্দুবাবুর মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন।

    ( চলবে )
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • যোষিতা | ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ০০:৩৬525132
  • পার্থপ্রতিম কি দীপক চ্যাটার্জি? দুহাত প্যান্টের  পকেটে এবং একহাতে নতুন কেনা জুতোর প্যাকেট।
  • ব্যাখ্যা করে চিত্র | 165.1.172.197 | ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ০১:২৪525135
  • এরকম হতে পারে। যদিও এখানে প্যাকেট ঠিক হাতে না, বগলে।

     
     
    তবে পার্থপ্রতিমবাবু প্রেমে পড়েছেন এমন আন্দাজ করা অসঙ্গত না। আর প্রেমে পড়লে কত কী হয়।
  • kk | 2607:fb90:ea0c:cd31:7a6a:9d53:7567:cde4 | ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ০১:৩০525136
  • হা হা হা, ছবিগুলো দুর্দান্ত!!
  • যোষিতা | ২৫ অক্টোবর ২০২৩ ০২:১৬525137
  • ছবিগুলো সত্যিই ব্যাখ্যাময়। লেখাটা সমাপ্ত হলে ইলাস্ট্রেশনসহ বই ছাপানোর দাবী জানিয়ে দিচ্ছি। 
    পার্থপ্রতিমের তিনহাতওলা ছবি তো থাকবেই, আরও থাকবে হেদোর ধারে সুমনা, জমির দালাল, অভিনেতা অসিত, কফিহাউসে লিটল ম্যাগাজিন নিয়ে কফির কাপ চলকে কবিতা, বৈকুণ্ঠ বুক হাউসের সামনে হন্তদন্ত কাবেরী, কাঁচুমাচু কানাই ঘটক...
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন