এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ১৯

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৪৭৫ বার পঠিত
  • প্রতিবিম্ব রাজবল্লভ পাড়ার কাছে বাগবাজার রিডিং লাইব্রেরীর মেম্বার হয়েছে মাস ছয়েক হল। ওদিকে তেমন ভাল লাইব্রেরী নেই।লাইব্রেরীটা তাকে চিনিয়েছে অবশ্য সুশোভন, নলিন সরকার স্ট্রীটে যার বাড়িতে মাঝে মাঝে গ্রামাফোনে নতুন গান শুনতে যায় প্রতিবিম্ব।
    লাইব্রেরী রুমের বাইরে একটা বিরাট টেবিল। টেবিল ঘিরে অনেক চেয়ার পাতা। সেখানে বসে অনেক লোক টেবিলে কনুই রেখে পাতা ভাগাভাগি করে মন দিয়ে খবরের কাগজ পড়ে যতক্ষণ না রাত নটায় লাইব্রেরী বন্ধ হচ্ছে। প্রতিবিম্ব তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাঁসুলি বাঁকের উপকথা আর বিভূতিভূষণের ইছামতী উপন্যাসটা খুঁজছিল।
    যে কোন একটা নেওয়া যাবে অবশ্য। একবারে দুটো বই দেওয়া হয় না। ইছামতীটা পাওয়া গেল।
    বইটা পাবার পর প্রতিবিম্ব বাইরের টেবিলে বসল একটু। দু একজন খবরের কাগজ পড়ছে, মনে হয় রোজই পড়ে সন্ধেবেলা এখানে এসে। কেউ কেউ এমনি বসে আছে।
    একজন কাগজ পড়তে পড়তে বলল, 'নেহেরু চিনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বেশ জোরদার করে ফেলল ... '। আর একজন বলল, 'ওতে কি হবে ... বাংলার উদ্বাস্তু সমস্যা নিয়ে তার কোন মাথাব্যথা আছে? একেই রাজ্যে এত বেকার তার ওপর ... '
    একজন কাগজ পড়তে পড়তে মাথা না তুলেই বলল, 'রাজ্যের ব্যাপার তো বিধানবাবুকে সামলাতে হবে ... নেহেরু কি করবে?'
    আগের জন বলল, 'দেশভাগটা তো বিধানবাবু করে নি ... জিন্নাকে টেক্কা দেবার জন্য ওই নেহেরু আর গান্ধী মিলে ফাটকাটা খেলল ... প্রধানমন্ত্রীর চেয়ারটাই ছিল আসল লক্ষ্য ... '
    ------ ' এ লিটল লার্নিং ইজ এ ডেঞ্জারাস থিং ... কিছুই ভালভাবে জানেন না, অথচ ... '
    এবার শুরু হল তক্কাতক্কি। সে ভদ্রলোক ক্ষেপে লাল। বললেন,আপনিই বলুন না শুনি .... '
    ঝড় ওঠার আগেই প্রতিবিম্ব বেরিয়ে এল। হাঁটতে হাঁটতে কর্ণওয়ালিস স্ট্রীটের দিকে যেতে লাগল। ওখান থেকে বাস ধরবে। কাল কলেজে ছাত্র ইউনিয়নের মিটিং হবে। সবাই যেতে পারে। পুজোর আগেই কলেজের অ্যানুয়াল ফেস্ট আছে। সেখানে নাকি এবার হেমন্ত মুখার্জীকে আনার কথা হচ্ছে। প্রতিবিম্বর চিন্তা স্টুডেন্টদের থেকে চাঁদা টাদা চাইবে কিনা কে জানে। টাকা পয়সার ভীষণ টানাটানি। বাবা মা বেঁচে থাকলে এসব চিন্তা করতে হত না। বাবা হল মাথার ওপর ছাতার মতো। মামা যদিও খুবই স্নেহপরায়ণ, কিন্তু তার কাছে নিতান্ত প্রয়োজন ছাড়া টাকা চাইতে ভীষণ সংকোচ বোধ হয়। মামারও তো রোজগার বেশি না। কিন্তু তিনি সদাপ্রসন্ন থাকেন। প্রতিবিম্বের একটাই চিন্তা, বিএসসি পাশ করার পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটা চাকরি জোগাড় করা। কলেজে অনেকে বলে প্রতিবিম্ব নাকি ফিজিক্স অনার্সের এই ব্যাচের সবচেয়ে উজ্জ্বল ছাত্র। প্রতিবিম্ব জানে, একটা পরীক্ষায় খারাপ রেজাল্ট হলেই লোকে আর সেটা বলবে না। সব কিছু পরীক্ষার রেজাল্টকেন্দ্রিক।
    বাসন্তীদেবী বাড়ির সকলের সামনে, মানে তার তিন মেয়ে এবং স্বামী অলোকেন্দুবাবুর সামনে বিয়ের পাত্রের বৃত্তান্ত ফাঁস করলেন এবং এ ব্যাপারে তার সিদ্ধান্তের কথাও স্পষ্টাস্পষ্টি জানিয়ে দিলেন।
    কেউ কোন মন্তব্য করল না। সুমনা তার বড়দিকে আলতোভাবে জড়িয়ে ধরল।বন্দনা সেদিকে তাকিয়ে হাসতে হাসতে বলল, 'ও বাবা রে ... ফুচা তা'লে বড় হয়ে গেল ... বিয়ের সম্বন্ধ আসছে ... '। ফুচা হল সুমনার ডাকনাম।
    অলোকেন্দুবাবু বললেন, ' যাচ্ছলে .... '।
    মানে, সকলেই ব্যাপারটাকে পরিহাসচ্ছলে নিল, তার বেশি কিছু না।
    মেজদির কথা শুনে সুমনা বলল, 'ওরে আমার বুড়ি ঠাকুরমা রে .... আমার থেকে তো মোটে একবছর তিনমাসের বড় ... '।
    বন্দনা বলল, 'থাম তুই ... '।
    ওরা সকলে মিলে হাসি ঠাট্টা করতে লাগল। মূল অবাঞ্ছিত বিষয়টা দূরে সরে গেল।
    এর মাঝেই সুমনার মনে হল , সে বোধহয় সত্যিই বড় হয়ে গেছে। মেঘলা আকাশ দেখলে কেমন যেন মন খারাপ হয় আজকাল। হেদুয়ায় কে যেন ভীষণ টানতে থাকে।
    রাধা সিনেমায় ঢুলি বলে একটা বই লেগেছে। ধনঞ্জয়ের একটা গান দারুণ হিট ... ভাঙনের তীরে ঘর বেঁধে কিবা ফল ... '। এবার পুজোর সময় প্যান্ডেলে খুব বাজানো হবে মনে হচ্ছে। বিভূতিবাবু বইটা দেখে নিয়েছেন। আর একটা হিন্দী ছবি দেখলেন পরশুদিন ----- বিশ সাল বাদ। এর গানগুলোও খুব চলবে মনে হয় ...বেকারার করকে হামে ইঁউ না যাইয়ে ... , কঁহি দীপ কঁহি দিল জ্বলে ....।

    ওঃ ... বিভূতিবাবুর খুব ভাল লাগল। মন বেশ ফুরফুরে। কিন্তু তার ঘাড়ে একটা দায়িত্ব আছে। সরীসৃপ নাটকের অ্যাকটর জোগাড় করা। অনিমেষ,উৎপলরাও অবশ্য দেখছে। এক এক সময়ে মনে হচ্ছে তার এ সব ঝামেলায় না গেলেই হত। ওরা যা করত করত। পকেট থেকে কিছু টাকাও হয়ত খসবে। দিব্যি তো ছিলেন তিনি এখানে ওখানে সিনেমা থিয়েটার দেখে। এইরকম নানা টানাটানির দোলায় দুলতে লাগল তার মন। যা চিরাচরিত ছাপোষা মধ্যবিত্ত বাঙালীর স্বভাব আর কি ...। এক পা এগিয়ে, তারপর নানা ভাবনায় এলোমেলো হয়ে গিয়ে তিন পা পিছিয়ে আসা। এসব মাথায় আসছে ঠিকই, কিন্তু মনকে বোঝালেন, ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বিশ্বাসভঙ্গ করা উচিত হবে না। অনেক আশা করে তারা কথাটা তুলেছিল তার সঙ্গে। তাছাড়া তিনি নিজে থেকে তার ঘরে রিহার্সালের প্রস্তাবটা দিলেন। তিনি ভাবলেন, না না ছি ছি ... বিশ্বাস নষ্ট করাটা ঠিক না।

    বিভূতিবাবুহাতিবাগানের মোড়ে এসে রাস্তা পেরিয়ে ওদিকে গ্রে স্ট্রীটে কার্তিক বোস লেনের উল্টোদিকে হাতিবাগান টোলের দিকে যেতে লাগলেন। ওখানে বিনোদবিহারি চট্টরাজ বসেন বুধবার আর শনিবার সন্ধেবেলায়। বিনোদবিহারি আরও দু তিন জায়গায় বসেন মানুষের ভাগ্য বিচার করার জন্য।এ এলাকায় মোটামুটিপরিচিত জ্যোতিষী।বিনোদ চট্টরাজের সঙ্গে বিভূতিবাবুর অনেকদিনের পরিচয়। এল আই সি-র এজেন্ট ছিল আগে।বিভূতিবাবুর পরিবার থেকে দুটো পলিসিও করিয়েছিল। প্রিমিয়াম নেবার জন্য সঠিক সময়ে হাজির হয়ে যেত। পলিসি দুটো ম্যাচিওর করে গেছে। সঠিক সময়ে সঠিক পরিমাণ টাকা ফেরত পেয়েছেন। বিনোদ প্রথম দিকে ভাল কামাতো। পরে রোজগার কমে যেতে জ্যোতিষীর লাইন ধরল। নাম নিল শ্রীভার্গব। তার আগে বসালজ্যোতিষার্ণব।ওই নামে প্যাডও ছাপানো হল। কারবার মোটামুটি খারাপচলছে না।
    তবে, বিনোদ কিন্তু লোক খারাপ না। অভাবে স্বভাব নষ্ট হয় .... সে আর কি করা যাবে। এমনিতে তার ব্যবহার খুব আন্তরিক। অন্তত বিভূতিবাবুর সঙ্গে তো বটেই।

    আজ শনিবার। সন্ধে সাড়ে সাতটা বাজে।কাঁসরঘন্টা বাজিয়ে মা কালির পুজো শুরু হল। অনেক ভক্ত হাতজোড় করে ভাবালু কাতর দৃষ্টিমেলে দাঁড়িয়ে আছে। ঠনঠনের কালিবাড়িতে গেলেও এইসময়ে একই দৃশ্য দেখা যাবে। পাশের মিষ্টির দোকানে প্যাড়া গুজিয়া সন্দেশের ব্যস্ত বিকিকিনি। বিভূতিবাবু চৌকির ওপর গিয়ে বসলেন জ্যোতিষার্ণব শ্রীভার্গবের কাছাকাছি। বিনোদ গম্ভীর মুখে একজনের কুষ্ঠি দেখছিল কোলের ওপর লম্বা গোটানো হলুদ কাগজের লাটাই খুলে খুলে। সামনে বসা ভদ্রলোকের ছকে বর্তমানে শুক্র এবং রবির অন্তর্দশায় শনির সাড়ে সাতি পড়ার ফলে নানাবিধ সমস্যার সম্ভাবনার কথা বলছিলেন বিনোদবিহারি। ভদ্রলোক কোন সমাধানের প্রত্যাশায় উৎসুক চোখে তাকিয়ে আছেন বিনোদের দিকে।
    বিভূতিবাবুর দিকে হাত নেড়ে ইশারা করে এক গাল হেসে বিনোদ তাকে বসতে বলল।
    বিভূতিবাবু এক হাত তুলে বললেন, ' ঠিক আছে ... অসুবিধে নেই ... '

    ( চলবে )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 174.251.162.88 | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৫:০৬523233
  • উপন্যাসগুলি বোধহয় "ইছামতী" এবং "হাঁসুলী বাঁকের উপকথা"। বানানের ​​​​​​​অবস্থা ​​​​​​​বড্ড ​​​​​​​করুণ। বিনোদবিহারী পর্যন্ত। ​​​​​​​শেষটা দীর্ঘ ঈ। 
    এছাড়া "শুক্র এবং রবির অন্তর্দশায়" কথাটারও কোনও মানে হয়না। একটা দশায় একটিই অন্তর্দশা হয়। কোনও "এবং" হতে পারে না। 
  • Anjan Banerjee | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১২:২৮523246
  • আসলে বলতে চাওয়া হয়েছে শুক্রের মহাদশা । তার সঙ্গে রবির অন্তর্দশা । 
    আর বানানগুলো অবশ্যই ঠিক করে নেব । ধন্যবাদ । 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন