এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ৯৮

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ | ১৮২ বার পঠিত
  • কাবেরী আগে থেকে এসে বসে আছে কলেজের ক্লাস ফাঁকি দিয়ে। আজ নিখিল স্যারের কাছে পড়া আছে সন্ধেবেলায়। এভাবে অনার্সের ক্লাস বাঙ্ক করা নিয়ে তার মনটা খচখচ করছে। সে ঠিক করেছে এই সময়ে পার্থপ্রতিমকে আর সময় দেবে না। তাতে যা হয় হোক। অবশ্য সে নিজেই জানে না পার্থর ওপর তার এই ঝোঁক কতদিন বজায় থাকবে। মাঝে মাঝে অমিতাভর মুখটা ঝিলিক দেয় তার মনে। সে বড় অস্থির বোধ করছে ক'দিন ধরে। এই টানাপোড়েন থেকে সে মুক্তি পেতে চায়। প্রতিবিম্বর ব্যাপারটা মুছে যাওয়ার পর তার ভালই কাটছিল। সেদিন ট্রামে হঠাৎ পার্থপ্রতিমের সঙ্গে দেখা হয়ে আবার নতুন করে একটা জট তৈরি হল। কি দরকার ছিল ?

    কলেজ স্কোয়্যারের চারপাশে ইউনিভার্সিটি আর প্রেসিডেন্সির ছেলেমেয়েরা গল্প করতে করতে পাক মারছে। কাবেরীর একা একা এভাবে বসে থাকতে অসহ্য লাগছিল। প্রায় আধঘন্টা কাটল এদিক ওদিক তাকাতে তাকাতে। কাবেরী উঠে দাঁড়াল। আর অপেক্ষা করা যাচ্ছে না। সে হিন্দু স্কুলের দিকের গেটের দিকে পা বাড়াতে যাচ্ছে, এমন সময় দেখল, ডানদিকের মেন গেটের দিক থেকে ধীরে সুস্থে হেঁটে আসছে পার্থপ্রতিম।
    অতি ধীর গতিতে হেঁটে সে কাবেরীর সামনে এসে পৌঁছল।
    কাবেরী বলল, ' কি ব্যাপার ... এত দেরি হল ? কখন থেকে এখানে .... কি বোরিং ... '
    ------ ' হুঁ ...সরি ... অডিটোরিয়ামে একটা প্রোগ্রাম হচ্ছিল আই পি টি এ -র ... দারুণ ... দেরি হয়ে গেল ... ' পার্থপ্রতিম ছোট্ট জবাব দিল।
    ---- ' বাঃ ... চমৎকার ! আমাকে এখানে দাঁড় করিয়ে তুমি প্রোগ্রাম দেখছ ? আমাকে তো ডেকে নিয়ে যেতে পারতে। আমি এদিকে ক্লাস বাঙ্ক করে এখানে বোকার মতো ... কোন মানে হয় ...'
    ----- ' তাই যদি মনে ক'র তা'লে দাঁড়িয়ে থাকলে কেন ? চলে গেলেই পারতে ... আর ক্লাস বাঙ্ক করাটা যদি প্রবলেম হয়, না আসলেই পারতে ... আমার কিছু যায় আসে না ... আমি কোন অবলিগেশানে যেতে পারব না ... '
    পার্থর এরকম পায়ে পা বাঁধিয়ে ঝগড়া করার ঝোঁক দেখে কাবেরী খুব অবাক হয়ে গেল।
    ----- ' এসব কি বলছ তুমি ... মাথার ঠিক আছে তো ... '
    ---- ' সব ঠিক আছে ... সব ঠিক আছে ... নিজের মাথাটার ট্রিটমেন্ট করাও আগে ... '
    ----- ' পার্থ তুমি লিমিট ক্রস করে যাচ্ছ কিন্তু ... '
    ---- ' আরে দূর ... থাম তো ... সেকেন্ড হ্যান্ড, থার্ড হ্যান্ড গাড়ি ... তার আবার বড় বড় কথা ... ' পার্থ কথাগুলো বলছে অন্যদিকে তাকিয়ে এবং কাবেরীর মনে হল পার্থপ্রতিম স্ক্রিপ্ট তৈরি করে এসেছে। উদ্দেশ্যটা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না।
    সে যাই হোক, কথাগুলো শুনে বিস্ময়ে, রাগে, ক্ষোভে বাকরুদ্ধ হয়ে গেল ... '
    ------ ' কি ... কি বললে ? আর একবার বল ... '
    ----- ' আরে ... যা শুনেছ তাই বলেছি ... রিপিট করলে কি তোমার সম্মান বাড়বে ? '
    কাবেরী বিস্ফারিত চোখে পার্থপ্রতিমের মুখের দিকে তাকিয়ে রইল। সে যেন বিশ্বাসই করতে পারছে না যে সত্যিই ব্যাপারটা ঘটছে। জীবনের এ বাগানে আনাগোনায় সে অভ্যস্ত। তবু বেশ খানিকক্ষণ লাগল সম্বিত ফিরে পেতে। ফিরে পাবার পর আর কোন কথা না বলে উল্টোদিকে ঘুরে হিন্দু স্কুলের দিকের গেটের দিকে দ্রুত পায়ে হাঁটতে লাগল। পার্থপ্রতিম তাকিয়ে আছে নির্লিপ্ত ভঙ্গীতে। সে কি কোন অপমানের প্রতিশোধ নিল ?

    কোথাও কোন সমুদ্রের ওপর জলীয় বাষ্পের স্তম্ভ জমেছে। তৈরি হয়েছে নিম্নচাপ। সকাল থেকে আকাশ মেঘে আচ্ছন্ন। সকাল বেলায় মনে হচ্ছে যেন সন্ধে নেমে এসেছে। রাস্তায় অনেক গাড়ির সামনের আলো জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। একটু পরে দু চারবার বিদ্যুচ্চমকের পর প্রবল পরাক্রমী মেঘের হাঁক ডাক শোনা গেল দিগন্তবিস্তারি শব্দ কম্পনে। কিছুক্ষণের মধ্যে আকাশ থেকে বাঁধনহারা বৃষ্টিধারা নেমে এসে কলকাতা ভাসিয়ে দিতে লাগল। এক নাগাড়ে প্রায় দেড় ঘন্টা বিপুল বর্ষণের পর বৃষ্টির বেগ একটু কমে আসল। ততক্ষণে কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় জল থৈ থৈ করছে। আমহার্স্ট স্ট্রিটে নৌকো ভাসানোর মতো অবস্থা হল। ঠনঠনে একেবারে নদী হয়ে গেল। ঘোর লাগা মেঘমেদুর আকাশের নীচে কোমর জল ঠেলে লোকজন যাতায়াত করছে। ঝিরঝির করে বৃষ্টি হয়ে চলেছে এখনও। এক হাতে ছাতা ধরে, আর এক হাতে গোটানো কাপড় চোপড় সামলে রেখে মানুষজন জল ঠেলে ঠেলে এগিয়ে চলেছে। এ এক জলময় জলছবি। রোদভরা রাস্তাঘাট এখন যেন কাল্পনিক ছবি।

    কাল রাতে দুটো ছিঁচকে চোরকে ধরে এনে লক আপে ভরা হয়েছে। কালীবাবুর মোটেই ইচ্ছে নেই দুটো গরীব নীরিহ লোককে কোন কেস খাওয়ানোর। তিনি এস আই প্রকাশ ঘড়াইকে ডেকে বললেন, ' প্রকাশবাবু, একটু শুনেন ... '
    ---- ' হ্যাঁ, বলুন স্যার ... ' প্রকাশবাবু সঙ্গে সঙ্গে প্রকাশিত হলেন।
    ----- ' বলছি যে ... একটা কাগজে টিপছাপ মারাইয়া ছাইড়া দিলে হয় না ? '
    ----- ' কাকে ? '
    ----- ' লকআপের ওই লোকদুটারে ... একেবারেই হতদরিদ্র বলে মনে হয় ... এমনিতেই তো মইরা আসে ... আর মাইরা কাজ কি ? আসল চোরেদের তো আমরা কিসুই করতে পারি না ... '
    প্রকাশবাবু কালীবাবুকে আপাদমস্তক চেনেন এবং প্রকাশ না করলেও তার ধরণ ধারণকে তার পেশায় অনেকে পছন্দ না করলেও তিনি নিজে যথেষ্ট সমীহ এবং সমর্থন করেন।
    তিনি এবারেও কালীবাবুকে সমর্থন করলেন।
    স্মিত হেসে কালীবাবুর মুখের দিকে তাকিয়ে খানিকক্ষণ সময় নিয়ে বললেন, ' হ্যাঁ ...কথাটা তো ঠিকই ...অস্বীকার করার কোন উপায় নেই ... এখন আপনি যদি বলেন ... '
    ----- ' হ্যাঁ ... ঠিক আসে ... তাইলে ওইটাই করেন ... একটা টিপছাপ নিয়া ... '
    ----- ' আচ্ছা স্যার ... আপনি বলছেন যখন ... করে দিচ্ছি ... '
    ----- ' আচ্ছা ... দ্যাখেন তাইলে ... বড় দুর্যোগ চলতাসে ... এখনই যেন বাহির না হয় ... '
    ----- ' কে ? '
    ----- ' ওই হতভাগা দুটা ... '
    প্রকাশবাবু কোন কথা বলতে পারলেন না। মনে মনে ভাবলেন, ' আপনি ভুল পেশায় এসে গেছেন কালীবাবু ... কি আর বলব ... '
    প্রকাশবাবু চলে যাচ্ছিলেন। কালীকিঙ্করবাবু আবার বললেন, ' ও হ্যাঁ ... কাজটা সাইরা একবার আসেন তো .... একটা ব্যাপারে একটু পরামর্শ করার আসে ... '
    ----- ' হ্যাঁ আসছি .... ওই হরি ঘোষ স্ট্রিটের দুই ভাইয়ের ঝামেলার ব্যাপারটা কি ? '
    ----- ' আরে না না ... ওসব না ... আপনি আসেন না ... '

    প্রকাশবাবু কাজ সেরে মিনিট পনের পরে এলেন।
    ------ ' হ্যাঁ ... ছেড়ে দিয়েছি। এখনই বেরোতে বারণ করেছিলাম কিন্তু ওরা শুনল না। তাড়াতাড়ি বেরিয়ে গেল। আসলে ওদের ছেড়ে দেওয়া হবে এটা ওরা চিন্তাই করতে পারেনি। যাক, কি বলবেন বলছিলেন ... '
    ------ ' বলছি যে, প্রেম ভালবাসার ব্যাপারে আপনার জ্ঞান কেমন ? '
    ----- ' হ্যাঁ বেশ কয়েকটা কেস হ্যান্ডল করেছি, যখন  খড়দা থানায় ছিলাম। সেকশন ফোর  নাইনটি এইট, ফোর নাইটি এইট এ -ও হ্যান্ডল করেছি ... যত্ত পাজির পা ঝাড়া সব ... '
    কালীবাবু থামালেন প্রকাশকে।
    ----- আরে না না ... ওগুলি আমার ভালই জানা আছে। আমি বলছি যে একজন উচ্চশিক্ষিত মেয়ের সঙ্গে একজন তেমন শিক্ষিত নয় কোন ছেলের কি কোন সম্বন্ধ হতে পারে ? '
    ------ ' দু'জনই অ্যাডাল্ট তো ? '
    ------ ' হ্যাঁ,অ্যাডাল্ট ... '
    ----- ' তাহলে সেকশান ওয়ান টোয়েন্টি সিক্স ... '
    ------ ' আরে না না ... আপনে বুঝতে পারতাসেন না... আমি ওসব কই নাই ... '
    ----- ' তা'লে ? '
    কালীবাবু বুঝতে পারলেন প্রকাশ ঘড়াই এ মাঠে তার চেয়েও আনাড়ি খেলোয়াড় ... '
    তিনি বললেন, ' ধরুন একজন ভালমানুষ কিন্তু সমাজ তাকে অন্য চোখে দেখে এমন একজন মানুষ, হ্যাঁ ... এমন একজন মানুষ ... তার সঙ্গে ভদ্র ফ্যামিলির একজন উচ্চশিক্ষিত মেয়ে ... ইউনিভার্সিটিতে পড়ে ... তাদের মধ্যে কোন ম্যারিটাল রিলেশানশিপ কি সম্ভব ? '
    ------ ' কোন অসুবিধে নেই। দুজনই হিন্দু কি ? '
    ----- ' হ্যাঁ ... '
    প্রকাশবাবু বোধহয় খুব সহজ প্রশ্নপত্র হাতে পেলেন।
    ----- ' তা'লে আর কি ... হিন্দু ম্যারেজ ল মোতাবেক অ্যাক্ট নম্বর থ্রি হান্ড্রেড অ্যান্ড ফিফটিন .... লিগ্যালি কমপ্লিটলি ভায়াবল অ্যান্ড অ্যাডমিসিবল ... '
    কালীবাবু আবার তাকে থামালেন।
    ------ ' আরে আমি বোঝাতে পারছি না ঠিক ... ওসব নয় .... যাকগে ছাড়ান দেন ওসব ... ' কালীবাবু হাল ছেড়ে দেন।
    প্রকাশ ঘড়াই কিন্তু রণে ভঙ্গ দিলেন না।
    বললেন, ' কিছু ভুল বললাম স্যার ? আমি তো এগুলোই জেনে এসেছি ... '
    কালীবাবু অত্যন্ত বিপন্নভাবে বললেন, ' সোজা কথায় জিগাস করতাসি ... এই দুইটা সম্পূর্ণ আলাদা দুই মেরুর দুই মানুষের মধ্যে মিলন কিভাবে সম্ভব ... কিছু যদি জানা থাকে বলেন... শুধু ভালবাসা দিয়া তো সারা জীবন কাজ চলে না ... কি ... ঠিক কিনা ? '
    ------ ' না না ... তা অবশ্যই চলে না ... অর্থনীতিই সব সম্পর্কের আসল বুনিয়াদ এটা অস্বীকার করা যায় না ... '
    কালীবাবু এ কথাটা মোটেই মানেন না। তবে এখন তিনি প্রকাশের কথার বিরোধিতায় গেলেন না।
    প্রকাশ ঘড়াই বলতে লাগল, ' ছেলেটি যে কাজই করুক সেটাকে আরও ডেভেলপ করতে হবে ... যাতে তার আর্থিক বুনিয়াদ পোক্ত হয় এবং তার কনভেনশানাল এডুকেশনের অভাব তাদের কনজুগাল লাইফে কোন অন্তরায় সৃষ্টি না করে ... তবে একটা কথা জানেন তো, মিয়া বিবি রাজি তো কেয়া করেগা কাজি... অবশ্য মিয়া বিবির কিস্যা তো বিয়ের আগ পর্যন্ত ... তারপরে তো অন্য গল্প ... আমি তাহলে এখন উঠি স্যার ... অনেক কাজ পড়ে আছে ... '
    ------ ' আচ্ছা আচ্ছা ... '
    প্রকাশ ঘড়াই চলে গেলেন কোন গ্রহণযোগ্য সমাধান না রেখেই।
    তবে কালীবাবু অন্ধকার সুড়ঙ্গের শেষে একটা আলোকবিন্দু দেখতে পেলেন যেন। প্রকাশ ঘড়াইয়ের 'যে কাজই করুক ডেভেলপ করতে হবে ... ' কথাটায়। সাগরের দুটো কাজ আছে। এক, তার নিজের ধরণের সমাজসেবা, আর দুই, সিদ্ধেশ্বর হার্ডওয়্যারের মতো একটা ছোট দোকান যেটা চলে না বললেই হয় ---- ওটাই তার প্রধান ঠেক বলা যায়।
    এখন কথা হল, ডেভেলপ কোনটা করবে। প্রথমটা বাদ দিলে সাগর তো আর সাগর থাকে না, সে পুকুর বা ডোবা হয়ে যায়। সেটা শুধু তার অস্তিত্বের সংকট না, বহু মানুষের ভরসাস্থলের পাতালপ্রবেশ। সেটা কি তিনি নিজেও মেনে নিতে পারবেন ?
    কালীবাবু শূন্য দৃষ্টিতে বাইরের দিকে তাকিয়ে রইলেন। আঁধারে ছাওয়া রাজকৃষ্ণ স্ট্রিটে আবার বৃষ্টি নেমেছে।

    ( চলবে )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Amit Chatterjee | ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০৮:০৩528738
  • ধারা গুলো সম্ভবত ফোর নাইনটি এইট এবং ফোর নাইনটি এইট এ হবে
  • Anjan Banerjee | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০০:০৫528769
  • হ্যাঁ ঠিক বলেছেন। ঠিক করে নিচ্ছি । 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন