এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ৬ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৯ আগস্ট ২০২৩ | ৩০৮ বার পঠিত
  • বুধবার বিকেলে তিনজনে আবার জড়ো হল শ্যামবাজারের কফিহাউসে। অমিতাভ স্নেহাংশুকে বলল, ' সেদিন ওরা কি বলছিল রে? '
    ----- ' কারা? '
    ----- ' ওই শতদল আর কমল দাস '
    ------ ' ও ... কিছু না। বলছিল কলেজ স্ট্রিটের হাউসে যেতে ... যোগাযোগ রাখতে .... এইসব। আমি আমাদের ব্যাপারটা ডিসক্লোজ করিনি ... '
    ----- ' ভাল করেছিস। ফাইনালি পত্রিকা বেরোলে তো দেখতেই পাবে। আর ওদের কাছ থেকে কোন হেল্পের আশা না করাই ভাল .... '
    সুনির্মল বলল, 'ওরা নিজের ধান্দা ছাড়া আর কিছু বোঝে না। আসলে ওরা চাইছে আমরা ওদের গ্রুপে মিশে যাই। '
    ----- ' আমার কিন্তু তা মনে হয় না। কেউ নিজের গ্রুপে ভিড় বাড়াতে চায় না। নিজেদের তৈরি করা জায়গায় কেউ অন্য কাউকে ভাগ বসাতে দিতে চাইবে কেন ? ওরা যেটা বলেছে নেহাতই কথার কথা। স্রেফ সৌজন্য আর কি .... ' স্নেহাংশু জানাল।
    ----- ' যা বলেছিস ... যাক, ওসব কথা থাক ... কাজের কথায় আসা যাক। আমি চারটে কবিতা কালেক্ট করে ফেলেছি। তার মধ্যে সিদ্ধেশ্বরের, মানে সিদ্ধেশ্বর বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা কবিতাও আছে ... ' অমিতাভ বলল।
    ----- ' হ্যাঁ ... সিদ্ধেশ্বর খুব ভাল লিখছে এখন। ও চিঠি ছাড়া লেখা দিতে রাজি হল ? ' সুনির্মল জিজ্ঞাসা করে।
    ------ ' না ... চিঠি দিতে হবে। আমার সঙ্গে রিলেশান ভাল, তাই দিয়েছে আপাতত .... এই দেখ... পড়ব একটু ? '
    ------ ' পড় না .... '
    অমিতাভ ঝোলা থেকে কাগজটা পরম যত্নে বার করল। তারপর পড়তে থাকল ------
    কবিতার নাম ---- আত্মমগ্ন ....

    ফুটো পকেট থেকে চাবি পড়ল ঠং
    চমকালো বুক — আরে এই !
    শাস্ত্র মেনে পেরিয়ে গেছি বিশ গজ
    জানি জোব্বাখানার নীচে তুমি
    যে কে সেই।

    জানলার মুখ তারজালিতে সাঁটা
    একটুকরো উদয়পুর
    তোমার বুকে হলুদ ওম জ্বর ....
    সিরসিরিয়ে গায়ে দিচ্ছে কাঁটা।

    চোখের ওপর আকাশ, আকাশি নীল
    মন্দ্র হাওয়ায় চিলেরা টহলরত
    এখানে ঝরে রম্যতাভরা রোদ
    এখানে ঘাস আলস্য অবনত।

    দেবদারু বনে তোমার আশায় থাকি
    পুরনো কলজে সামলে নিয়ে বসি
    সনাতন ঘুম চোখের পাতায় ঘোরে
    দু চারটে মাত্র কথাই শুধু বাকি।

    তোমার জন্য আছে অনুক্ত বক্ষ
    কথামালা ঘিরে দন্ডায়মান যক্ষ
    সময় হলে আসবে ঠিকই তুমি
    শান্ত হাওয়ায় কাঁপে জল ও ভূমি।

    পাঁচিল ঘেঁসে পড়েছে সান্ধ্য ছায়া
    পেয়ারা পাতায় কাঠপিঁপড়ের গতি
    জান কি কিভাবে কখন কোথায় কবে
    এ ভ্রমণে পড়বে স্পষ্ট যতি ?

    আছে অনেকের মনোরম কথকতা
    মাটির মতোই সরল সরস ব্যথা
    ভেবেছিলে বুঝি ভাবনা আমারই দায়
    দেবে কবে ছুটি দ্রুতপায়ে এসে বকুলগন্ধী বায়ে।

    এসব কথা অনুপম সব সত্যি
    মোহন সুরের অনাহত এক সুর
    যতই ভাব গোধূলি হয়েই
    রবে
    আমার থেকে দূরে ছিলে আর
    কবে !

    স্নেহাংশু বলল, ' হমম্ ... দারুণ ... কিন্তু বড্ড রোমান্টিক হয়ে গেল না ? আর একটু বড় হলে ভাল হত। তাছাড়া, কথামালা ঘিরে দন্ডায়মান যক্ষ ... এর মানেটা ঠিক ক্লিয়ার হল না ... যাকগে ওর সঙ্গে দেখা হলে জিজ্ঞেস করে নেব ... আর ওই বকুলগন্ধী শব্দটা বেশ ক্লিশে মার্কা হয়ে গেছে '। সুনির্মল বলল, ' ওসব বাদ দে .... পরে কথা বলা যাবে ... লেখাটার ওভারঅল ইমপ্যাক্ট তো ভালই ... সেরকম বুঝলে আর একটা চাইতে হবে ... '
    অমিতাভ যেহেতু কবিতাটা সংগ্রহ করেছে স্বাভাবিকভাবেই তার ইগোতে লাগল। সে উষ্মাজড়িত স্বরে বলল, ' আমি কিন্তু সিদ্ধেশ্বরকে আর অ্যাপ্রোচ করতে পারব না, বলে রাখলাম ... '
    সুনির্মল ঝামেলায় জল ঢালার উদ্দেশ্যে তড়িঘড়ি বলল, ' যাকগে ওসব কাটাছেঁড়া পরে করা যাবে ...এখন বাদ দে ... আমি কাল পরশুর মধ্যে ক'টা কালেক্ট করে ফেলতে পারব আশা করি '।
    ------ ' আমিও সেরকমই এক্সপেক্ট করছি। আচ্ছা, আমি একটা নতুন কবিতা লিখেছি কাল। তোদের শোনাচ্ছি ... ' স্নেহাংশু বলল।
    ------ ' হ্যাঁ পড় ... ' সুনির্মল বলে।
    স্নেহাংশু পড়ল ------
    আসছি এক্ষুনি

    শুনেছি তোমরা নাকি কাঠকুটো জ্বালিয়ে বসে আছ উচ্ছ্বল আশানদীর পাড়ে।
    চাল ডাল জোগাড় করে এনেছ দুপুরবেলার
    রান্না চড়াবে বলে।
    সবজে কলাপাতায় ঢালা উষ্ণ খিচুড়ির মন মাতানো আবেশের আমন্ত্রণ হাতছানি দিচ্ছে
    আমায়।
    আশানদীর কোল ঘেঁষে সোনাঝুরি বালির ওপর
    আটপৌরে সতরঞ্চি পেতেছ বুঝি,
    শুনেছি তোমরা অনেকে নাকি কান্নার জলে ধোয়া বুক নিয়ে
    উন্মুখ আবেগে একমনা হয়ে বসে আছ পাঁচজনায়, বনবাসী পাখির মতো মিলেজুলে ব্যথা ভাগাভাগি করে নিতে।
    রক্ত দৌড়তে থাকে সাগরের নোনা জলের মতো
    আলো কিংবা অন্ধকারে।
    শুনেছি তোমরা নাকি অ্যাঁকাব্যাঁকা ছেঁড়াখোঁড়া
    স্বপ্নের ছবি জোড়া লাগাচ্ছ উবু হয়ে বসে
    নিখুঁত যত্নে।
    গাছপালা ছাওয়া মেঠো পথ আঁকছ,ঘাসে ভরা সবজে মাঠ আঁকছ, একটা দীঘি,
    সরল কিছু গাভী আর
    কটা গেরস্থ বাড়ি আঁকছ। আঁকছ গেঁয়ো আকন্দে ভরে থাকা ঝোপঝাড়।
    তোমরা আমার জন্য একটু জায়গা রেখ ঐ আশানদীর সোনাঝুরি পাড়ে।
    আমিও কান্না ধোয়া বুক নিয়ে এই কতদূর থেকে
    হেঁটে হেঁটে আসছি ....
    আসছি তোমাদের শরীরের ঘামে ঘাম মিলিয়ে
    উবু হয়ে বসে ছেঁড়াখোঁড়া অ্যাঁকাব্যাঁকা স্বপ্নের ছবি পরম যত্নে জোড়া লাগাব বলে।
    দুপুরের গাঢ় রোদ ভেঙে ভেঙে হেঁটে আসছি আমি
    তোমাদের ব্যথায় সামিল হব বলে,
    কোন নিবিড় তেরপলের নীচে।
    চলে যেও না, একটু দাঁড়াও আমার জন্য ওই
    আকাশের এক টুকরো জলদ মেঘের তলায়।
    আসছি আমি এক্ষুনি।

    ----- ' বাহ্ ... ফাইন। কিন্তু দু একটা জায়গা একটু স্টেল লাগল। একটু দেখে নিতে পারিস .... '
    ----- ' যেমন ... '
    ----- ' যেমন ওই .... আশানদী বা শরীরের ঘামে ঘাম মিলিয়ে ... এইরকম টুকটাক ... '
    ----- 'ওখানে আর কি লেখা যেত ? '
    ----- ' সেটা তো আমি বলতে পারব না ... তোর কবিতা তোকেই মেরামত করতে হবে ... লেখাটাকে আমি খারাপ বলছি না কিন্তু ... ব্যাপারটা অন্যভাবে নিস না ... '
    স্নেহাংশু মনে মনে ভাবল, ওরে আমার বোদ্ধা সমালোচক রে ...।
    অমিতাভর গুসসা বোধহয় এখনও নেভেনি। সে কোন মন্তব্য না করে চুপ করে রইল।

    সুনির্মল বলল, ' সামনের মাসে মাঝামাঝি ফার্স্ট ইস্যুটা নামিয়ে দিতে পারলে ভাল হয়। আমরা লেখা কালেক্ট করতে থাকি। অমিতাভ তুই তা'লে সঙ্কর্ষণ রায়কে দিয়ে প্রচ্ছদের ব্যাপারটা .... '
    ------ ' আমি কাল শোভাবাজার যাব .... ওর বাড়ি। সুভাষবাবুর কবিতার ব্যাপারটাও আর একবার বলে নেব .... '
    ------ ' ঠিক আছে। চল দেশবন্ধু পার্কে গিয়ে একটু বসি। মাথাটা কেমন জ্যাম হয়ে আছে ... ' স্নেহাংশু বলল।
    ------ ' হ্যাঁ চল ... চৈতালি আসবে বোধহয় ... ' অমিতাভ মিটিমিটি হাসে।
    ----- ' আরে দূ..র ছাড় তো। ওদের বাড়িতে এই নিয়ে খুব ঝামেলা চলছে। দেখা টেখা আর হবে কিনা সন্দেহ .... '
    ----- ' ও .... তাই নাকি ? তুই কি করবি ভাবছিস ?'
    ----- ' আমি ওসব নিয়ে ভাবছিই না এখন। মাথায় এখন শুধু পত্রিকার চিন্তা ... আর একটা বড় চিন্তা বাবাকে নিয়ে ... কি করে যে সামলাব ... ' স্নেহাংশুর মুখে দুশ্চিন্তার ছায়া পড়ে। অমিতাভ আর সুনির্মল চুপ করে বসে থাকে কোন কথা না বলে। তারা জানে স্নেহাংশুর বাবা ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত হবার পর প্রায় দুবছর ধরে বিছানায় একদম শোয়া পক্ষাঘাতে পঙ্গু হয়ে। তার দাদার রোজগারে সংসার চলে। একটা চাকরি খুব তাড়াতাড়ি জোগাড় করার দরকার স্নেহাংশুর।

    তেলিপাড়া লেন থেকে সাইকেল চালিয়ে বেরোলেন ফাদার দ্যতিয়েন। এ পাড়ায় কোন সাহেব থাকেনি কোনদিন। ফাদার দ্যতিয়েন একজন খ্রীষ্টান পাদ্রী। সবাই বলে উনি নাকি ফরাসী দেশ থেকে এসেছেন। বড় ভাল লোক। এত জায়গা থাকতে তেলিপাড়া লেনে বাসা বাঁধলেন কেন, তা পাড়ার লোকেরা কেউই ভালভাবে জানে না। পাশেই শৈলেন্দ্র সরকার স্কুল। সেখানে স্কুলের সামনের দিকে একটা ঘরে থাকেন জ্যোতির্বিকাশ মিত্র। স্কুলের রেকটর। কোন ছাত্র ধর্মঘট হলে তিনি স্কুল বন্ধ রাখেন না। গেট বন্ধ করে দেন। বাইরে আন্দোলনকারীরা জড়ো হয়ে খুব হৈ চৈ করতে থাকে। ইঁটপাটকেলও ছোঁড়ে। কিন্তু বৃদ্ধ জ্যোতির্বিকাশ কখনও নতি স্বীকার করতেন না। স্কুল ছুটি দিতেন না। বাইরে জড়ো হওয়া ছেলেগুলো কিছুক্ষণ পরে চলে যেত। এইভাবে বছরের পর বছর চিরকুমার রেকটর স্যার নিজের সন্তানের মতো ওই স্কুল আঁকড়ে পড়ে আছেন স্কুলেরই একটা ঘরে সন্ন্যাসীর মতো জীবন যাপন করে। তিনি নাকি ন্যাশনাল টিচার-এর পুরষ্কার পাবার জন্য বিবেচিত হয়েছেন। ছেলেরা তাকে যমের মতো ভয় পেলেও, তবে রেকটর স্যারকে অন্তর থেকে শ্রদ্ধা করে সবাই। শৈলেন্দ্র সরকারের শিক্ষকরাও তাই। সকলেই তার প্রতি খুব শ্রদ্ধাশীল। অনেকটা বিধান রায়ের মতো। বিধানবাবুর ব্যক্তিত্বের সামনে তার মন্ত্রিসভার সকলে তটস্থ থাকেন। কিন্তু তাতে তাদের কোন মানসিক গ্লানিবোধ নেই। তার মন্ত্রিসভার জনৈক সদস্য বরং একদিন সগর্বে বললেন, ' বিধানবাবু সকালবেলায় রাইটার্সে ঢুকে আমাদের সকলকে কচ্ছপের মতো উল্টে দেন, আবার বিকেলবেলায় বেরোবার আগে সোজা করে দিয়ে যান .... '

    এদিকে অনিমেষ সেদিন স্কুল থেকে বাড়ি ফিরে শুনল সমীরণের বাবার পিসীমা গুরুতর অসুস্থ হয়ে আর জি কর হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। ডাক্তার ডাকা হয়েছিল। তিনি নাকি বলেছেন স্ট্রোক হয়েছে। সমীরণদের বাড়ির পাঁচ ছজন মিলে তাকে নিয়ে গেছে হাসপাতালে। এছাড়া পাড়ারও কয়েকজন গেছে হাসপাতালে। বিভূতিবাবুর ছেলেও সঙ্গে গেল। আশ্চর্যের ব্যাপার অসিত ঘোষাল নামের শ্রীলেখা আসক্ত ওই ছেলেটাকেও দেখা গেল দলের মধ্যে। সব মিলিয়ে বেশ বড়সড় দল। বুড়ি যে তলে তলে কত লোকের মনে ঠাঁই করে নিয়েছে তা এখন বোঝা গেল। তাদের মধ্যে বিভূতিবাবুর ছেলে সহ আরও দুজন রাত দশটা নাগাদ ফিরে এসে জানাল, অবস্থা ভাল না।
    বাকিরা সারারাত হাসপাতালেই থাকবে।
    কিন্তু এত লোকের অন্তরের টানও লীলাবতীকে টেনে ধরে রাখতে পারল না।
    ভোরবেলা একজন ফিরে এসে খবর দিল যে, লীলাবতী এপার ওপার দুপারেরই মায়া কাটিয়ে অন্যপারে চলে গেছেন। এই শীতে আর তাকে চোখের ওপর হাত দিয়ে সূর্য আড়াল করে বেথুন কলেজের গীর্জার দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখা যাবে না।

    ( চলবে )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ১১ আগস্ট ২০২৩ ২২:৪২522347
  • এই কিস্তি পড়ে ফিদা; আপনার ফ্যান হলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন