এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার  ধারে - ২১

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৪৩৬ বার পঠিত
  • প্রতিবিম্বর মামা পরমানন্দ বোস বললেন, ' একটু কথা বলতাম ওনার সঙ্গে ... একটা সমস্যা ছিল ... উনি কি আছেন ? '
    সুমনা পলকে নিজের মধ্যে ফিরে এল। লজ্জিত স্বরে বলল, ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... আসুন আসুন .... কিছু মনে করবেন না মেসোমশাই ... '
    সুমনাকে অনুসরণ করে প্রতিবিম্ব আর তার মামা দোতলায় উঠল। ডানদিকে ঘুরে দ্বিতীয় ঘরে অলোকেন্দুবাবুর চেম্বার। তার আগে একটা আয়তাকার ছোট ঘর আছে। ঘরে চার পাঁচটা কাঠের চেয়ার পাতা আছে।
    সুমনা পাখাটা চালিয়ে দিয়ে বলল, ' একটু বসুন...'।
    পরমানন্দবাবুরা বসলেন। প্রতিবিম্ব সামনের দেয়ালে ফ্রেমে বাঁধানো একটা উর্মিমুখর সমুদ্রের ছবির দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে রইল। জলরঙে আঁকা একটা অসাধারণ স্পন্দনময় ছবি। প্রতিবিম্ব ছবিটার দিকে তাকিয়ে রইল। সুমনা একবার চুপিসাড়ে চোখ বুলিয়ে নিল প্রতিবিম্বর মুখে। সুমনার চোখ কেমন যেন আবেশে নত হয়ে এল।
    সে বলল, ' একটু বসুন মেসোমশাই ... আসছি এক্ষুণি ... '
    ------ ' ঠিক আছে মা ... অনেক করলে ... '
    সুমনা চলে গেলে পরমানন্দবাবু বললেন, ' স্যারের অ্যাসিস্ট্যান্ট বোধহয় ... '
    ---- ' তা হবে হয়ত ... ' প্রতিবিম্ব বলে।
    ---- ' ভারি ভাল ব্যাভার কিন্তু ... '
    ----- ' হ্যাঁ তা ঠিক ... '

    সুমনা সে ঘর থেকে বেরিয়ে পাশের ঘরে গিয়ে ঢুকল। অলোকেন্দুবাবুর দুজন মক্কেল সেখানে এক পাঁজা কাগজ বার করে কিসব আলোচনা করছে উকিলবাবুর সঙ্গে। পড়াশুনো ছেড়ে সুমনাকে তার চেম্বারে হঠাৎ হাজির হতে দেখে অলোকেন্দুবাবু বেশ অবাক হয়ে গেলেন। এটা বেশ বিরল ঘটনা। সুমনা কখনও চেম্বারে ঢোকে না, আর কোন ক্লায়েন্ট থাকলে তো একেবারেই না।
    অলোকেন্দু বললেন, ' কিছু বলবি ? '
    ----- ' না ... মানে হ্যাঁ, আমার চেনা দুজন এসেছেন ... আর্জেন্ট ছিল .... '
    ----- ' তোর চেনা ? '
    ----- ' হ্যাঁ .... মানে ... আমার এক বন্ধুর ... ওই ইয়ে হয় ... ওই আত্মীয় ... '
    ----- ' তোর বন্ধু ? কলেজের বন্ধু ? তোর তো একটাই বন্ধু আছে বলে জানি ... কি যেন নাম .... যাকগে, আমার হয়ে গেছে প্রায়। আর দশ মিনিটের মধ্যে এদের ছেড়ে দিচ্ছি ... একটু বসতে বল ওদের ... '
    অলোকেন্দুবাবু ভাবলেন, মক্কেলদের উপস্থিতিতে সুমনাকে এত প্রশ্ন করা ঠিক হয়নি। তাতে হয়ত মেয়ের আঁতে লাগতে পারে।

    সুমনা পাশের ঘরে ঢুকে বলল, ' পাঁচ মিনিট বসুন মেসোমশাই ... দেরি হবে না ... আমি ডেকে নেব। আর ... '
    ----- ' আর কি মা ? '
    ----- ' উনি যদি জিজ্ঞেস করেন আপনারা আমাকে চেনেন কিনা কিংবা কি করে চিনলেন, বলবেন যে আপনারা আমার বন্ধু কাবেরির রিলেটিভ ... '
    পরমানন্দবাবু কিছু না বলে সুমনার মুখের দিকে তাকিয়ে রইলেন। কি বলবেন ভেবে পাচ্ছিলেন না।
    একটু চিন্তা করে বললেন, ' কিন্তু মা ... মিথ্যেটা তো ঠিক বেরিয়ে পড়বে ... সেটা খুব লজ্জার ব্যাপার হবে ... একেই আমরা এত বিড়ম্বনা মধ্যে আছি ... '
    প্রতিবিম্ব বলে উঠল, ' তাছাড়া এসব করতে হবেই বা কেন ... আপনি স্যারের অ্যাসিস্ট্যান্ট হিসেবে যেটুকু করার করেছেন ... আর তো কিছু করার দরকার নেই ... আমরা তো কিছু দিতে টিতে পারব না ... '
    সুমনার মনে হাসি এবং কান্না একসঙ্গে দোল খেতে লাগল। সে মৃদুস্বরে বলল, ' আমি স্যারকে সেই রকমই বলেছি, তাই বলছি ... তাতে আপনাদের একটু সুবিধা হত। আপনারা যখন চাইছেন না ... ঠিক আছে ... কিছু বলতে হবে না ... '
    ----- ' না না মা ... আমাদের ভুল বুঝো না। বুঝতে পারছ তো কি বলতে চাইছি ... ' পরমানন্দবাবু স্নেহার্দ স্বরে বললেন। এরপর বললেন, ' তবে কাজটা ভালয় ভালয় মিটে গেলে আমাদের সাধ্যমতো কিছু দিয়ে যাব তোমাকে .... '
    সুমনার বুকের ভিতর হাসি এবং কান্না আবার একসঙ্গে দোল খেতে লাগল।
    এই সময়ে মক্কেলদ্বয়কে উকিলবাবুর চেম্বার থেকে বেরিয়ে যেতে দেখা গেল।
    অলোকেন্দুবাবু হাঁক পাড়লেন ' ফুচা ... পাঠিয়ে দে .... '
    সুমনা বলল, ' যান ... '

    পরমানন্দবাবু এবং তার ভাগ্নে ডাকসাইটে দেওয়ানি মামলার উকিল অলোকেন্দুবাবুর অফিসঘরে ঢুকলেন।
    পরমানন্দবাবু হাতজোড় করে বললেন, ' নমস্কার স্যার ... '
    যেহেতু তার ছোট মেয়ের সুপারিশে এসেছে প্রতিবিম্বরা তাই ওকালতি আচরণ চাপা দিয়ে রাখলেন অলোকেন্দুবাবু।
    তিনিও প্রতিনমস্কার করলেন এবং বললেন, ' হ্যাঁ ... বসুন বসুন .... বলুন '
    পরমানন্দবাবু সবিস্তারে তার বাসস্থান সম্পর্কিত জটিল আইনি সমস্যার কথা বর্ণনা করতে লাগলেন। মূল সমস্যা হচ্ছে যে, কৈলাশ বোস স্ট্রিটে যে বাড়িটিতে তিনি থাকেন সেটি একটি শরিকি বাড়ি। ওই বাড়ির একটা অংশ তার বাবার দখলে ছিল। তার বাবা মানে প্রতিবিম্বর দাদু গত হবার আগে একটা দলিল পরমানন্দবাবুকে হস্তান্তর করে যান। দলিলটা পরমানন্দবাবু কখনও খুলেও দেখেননি। প্রায় ষোল বছর বিনা ঝঞ্ঝাটে কাটাবার পর সম্প্রতি তাদের পরিবারের দুই শরিক এসে দাবি করছে পুরো বাড়িটার উত্তরসূরি নাকি তারা এবং মালিকানা নাকি তাদের। তাদের কাছে এ ব্যাপারে নাকি লিগ্যাল ডকুমেন্ট আছে। তারা একমাসের ভিতরে এ বাড়ি খালি করতে বলে গেছে ... '
    ----- ' আচ্ছা ! ' উকিলবাবু মৃদুস্বরে বললেন। তিনি চোখ সরু করে পরমানন্দের কথা শুনছিলেন।
    ----- ' হ্যাঁ স্যার। বাড়ি নিজে থেকে না ছাড়লে নাকি এ বাড়ি থেকে কিভাবে উৎখাত করতে হবে তারা জানে। খুব ভয়ে ভয়ে আছি স্যার। ওরা লোক মোটেই সুবিধার নয় ... '
    ----- ' হমম্ .... আপনার বাবা যে দলিলটা আপনাকে দিয়েছিলেন সেটা এনেছেন ? '
    ----- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... এই যে ... '
    ব্যাগ থেকে পুরণো ভাজা ভাজা হলদেটে একটা দলিল বার করে পরমানন্দবাবু অলোকেন্দু মিত্রের হাতে দিলেন ... '
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে ... এটা আমার কাছে থাক।আমি একটু স্টাডি করে দেখি ভালভাবে। আপনি সামনের বেস্পতিবার আসুন সন্ধে সাতটা নাগাদ। আর হ্যাঁ ...এই নিন, এই প্যাডে আপনার নাম, আপনার বাবা, ঠাকুর্দার নাম এবং আপনার ওই শরিকদের নাম, তাদের বাবা, এবং পূর্বপুরুষের নাম যদি জানা থাকে লিখে দিয়ে যান। '
    পরমানন্দ সবকিছু লিখে দিলেন।
    তারপর বললেন, ' একটু দেখবেন স্যার .... আমার তো থাকার আর কোন জায়গা নেই ... পরিবার নিয়ে একেবারে অগাধ জলে পড়ে যাব ... অনেক ভরসা করে আপনার কাছে এসেছি ... '
    ----- ' আরে অত ভেঙে পড়বেন না ... এ পৃথিবীতে সবকিছুরই একটা সমাধান থাকে। শুধু মৃত্যুর কোন সমাধান নেই। ওটা অমোঘ, আমরা আটকাতে পারি না ... '
    ----- ' বটেই তো ... বটেই তো ... '

    আরও মিনিট পনের কথাবার্তা বলার পর অলোকেন্দুবাবু বললেন, ' ঠিক আছে ... ওই কথাই রইল। বেস্পতিবার আসুন ... '
    প্রতিবিম্বরা চেয়ার থেকে উঠে দাঁড়াল। অলোকেন্দুবাবু, তার ছোট মেয়ের সঙ্গে ওদের পরিচিতি কোথায় কিভাবে ঘটেছিল সে ব্যাপারে একটা কথাও জিজ্ঞাসা করলেন না।
    পরমানন্দবাবু সংকোচভরে জিজ্ঞেস করলেন, ' স্যার ... আপনার কলসাল্টেশান ফি টা যদি বলেন ... আমরা একেবারেই সাধারণ মানুষ... '
    ----- ' আরে ওসব থাক এখন .... হাজার হোক আপনারা হলেন ফুচার ক্যান্ডিডেট ... আপনার কেসটা জিতিয়ে আনাটা আগে ... ওসব পরে দেখা যাবে ... '
    পরমানন্দবাবু কৃতজ্ঞতায় গদগদ হয়ে বললেন, ' সেটা আপনার মহত্ত্ব .... আমি আর কি বলব ... আচ্ছা ফুচা না কি বললেন ...সেটা কে ? আপনার অ্যাসিস্ট্যান্ট ওই মেয়েটি ? বলতে বাধা নেই... আপনার যোগ্য সহকারি ... খুবই কর্ত্তব্যপরায়ণ এবং কোঅপারেটিভ। ভারি ভাল ব্যাভার। ওর ভবিষ্যত যে অত্যন্ত উজ্জ্বল সে ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নেই। '
    অলোকেন্দুবাবু নির্বিকারভাবে বললেন, ' হমম্ ... তা হবে হয়ত ... ' তার উকিল সত্ত্বা বলল, অনুসন্ধানটা এখন মুলতুবি থাক।
    তিনিও চেয়ার থেকে উঠে পড়লেন।
    প্রতিবিম্বের দিকে দেখিয়ে বললেন, ' আচ্ছা ... এই ছেলেটি কে ? '
    ----- ' ও হ্যাঁ ... সরি, আপনাকে বলা হয়নি ... এ হল আমার ভাগ্নে ... ছোটবেলা থেকেই আমার কাছে থাকে। মা বাবাকে হারিয়েছে অনেক দিন আগে। স্কটিশ চার্চ কলেজে পড়ে ... ফিজিক্সে অনার্স ... লেখাপড়ায় খুব ভাল ... '
    ------ ' ও আচ্ছা আচ্ছা ... আমিও স্কটিশের স্টুডেন্ট ছিলাম ... ওখান থেকেই গ্র্যাজুয়েশান ... বেশ বেশ ... কোন ইয়ার চলছে তোমার ? '
    ----- ' সেকেন্ড ইয়ার স্যার ... '

    কাবেরি কাল আবার কফি হাউসে গিয়েছিল। তবে শ্যামবাজারে নয়, কলেজ স্ট্রিটে। কাল অবশ্য অতটা বিরক্তিকর লাগেনি। তবে তার মনে হচ্ছিল এখানে অমিতাভকে একা পেলে ভাল লাগত।
    স্নেহাংশু বলল, ' লিটল ম্যাগের স্টলে নৈঋতের কিছু কপি দিতে হবে ... কিন্তু ডিস্ট্রিবিউশনের মূল দায়িত্ব তো নিতে হবে আমাদেরই। কাবেরি তুই কিছু কপি নিয়ে যা না। কলেজে ক্লাসমেটদের দিতে পারবি। সেল না হোক ফ্রি দিলেও তো প্রচার হবে .... '
    এইসব ঝামেলা একদম ভাল লাগে না কাবেরির। সে এসেছে অমিতাভর ওপর একটা মৃদু টান অনুভব করে। ও একা থাকলে বেশ ভাল লাগত। ত না ... এইসব ঝামেলা।
    কিন্তু সে কি আর করে। বাধ্য হয়ে বলল, ' ঠিক আছে দিস চার পাঁচটা .... দেখি ... '
    অমিতাভ বলল, ' না না ... চার পাঁচটা নিলে হবে না। অন্তত দশটা নিতে হবে .... বন্ধুদের দিয়ে দেখ না কি রিঅ্যাকশান হয় ....
    কাবেরি ঝেড়ে ফেলতে পারল না ব্যাপারটা। বলল, ' আ.. চ্ছা ঠিক আছে ... দে ... '
    ঝেড়ে ফেলতে পারল না ব্যাপারটা, কিন্তু হেদুয়ায় বসে ফিজিক্সের অঙ্ক কষা একটা ছেলের ছবি আস্তে আস্তে আবছা হয়ে এল কাবেরির মনে।

    সন্ধে সাড়ে সাতটা বাজে। জমজমাট কলেজ স্কোয়্যারের পাশে পুঁটিরাম। হরদম চলছে কচুরি আর ছোলার ডাল খাওয়া। শেষে পাতে পানতুয়া কিংবা রসগোল্লা। ভেতরের দিকে একটা টেবিলে নিতাইবাবু আর নিবারণ সাহা। নিবারণ নিতাইবাবুকে আর একটা জমি দেখিয়ে আনল। এটা অবশ্য দক্ষিণে। যাদবপুরের দিকে। অতদূরে যাওয়ার কোন ইচ্ছা নেই নিতাইবাবুর। তিনি উত্তর দিকেই থাকতে চান।
    নিবারণ বলল, ' আর বেশি দেখাদেখি করে কাজ নেই দাদা। এর মধ্যেই একটা ফাইনাল করে ফেলেন। যত দেখবেন তত গুলিয়ে যাবে। '
    নিতাইবাবু কচুরি মুখে পুরে বাকরুদ্ধ অবস্থায় হাত এবং মাথা নেড়ে বোঝালেন যে নিবারণ সাহার সিদ্ধান্তের সঙ্গে তিনি একমত।

    ওদিকে অসিত ঘোষাল সরীসৃপ নাটকের স্ক্রিপ্ট জোগাড় করে ফেলেছে। করিতকর্মা এবং একনিষ্ঠ চরিত্র কিন্তু।

    ( চলবে )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন