এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হেদুয়ার ধারে - ৫১ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১২ নভেম্বর ২০২৩ | ১৯৪ বার পঠিত
  • ভালয় ভালয় নিতাইবাবুর বাড়ির গৃহপ্রবেশের কাজ মিটে গেল। বিভূতিবাবু সস্ত্রীক এসেছিলেন।
    উৎপল আর সমীরণও এসেছিল। নিবারণ সাহা এবং শশীভূষণবাবু সারাক্ষণ ছিলেন। বিভূতিজায়া রমাদেবী বললেন, 'জায়গাটা পিকনিক করার পক্ষে খুব ভাল। কুলগাছগুলোয় কেমন কুল ধরেছে দেখ ....এখানে ওখানে কেমন গাঁদা ফুল ফুটে আছে। জায়গাটা যেন আলো করে রেখেছে ... তাই না ? '
    পিকনিকের কথা বলা মাত্র উৎপল আর অনিমেষ নেচে উঠল।
    ----- ' দারুণ বলেছিস .... করবি ... করবি ... ছাব্বিশে জানুয়ারি ? অসিতদাকেও বলব ... ', সমীরণ বলল।
    তিন বন্ধু মিলে তক্ষুণি বাজেট এবং মেনু সংক্রান্ত জরুরী আলোচনায় ব্যস্ত হয়ে পড়ল। মুগের ডালের সঙ্গে আলুভাজা হবে না বেগুন ভাজা হবে এবং ফুলকপি হবে না বাঁধাকপি হবে তা নিয়ে নিবিড় আলোচনা চলতে লাগল। তবে খাসির মাংস এবং টম্যাটোর চাটনির ব্যাপারে কাউকে দ্বিমত পোষণ করতে দেখা গেল না। এ দুটো কোন বাঙালী বনভোজনের খাদ্য তালিকার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। বিভূতি জেঠুকে এই নির্ঘন্টে জুড়ে নিতে হবে নানা প্রয়োজনে সেটাও স্থির করতে কোন সময় লাগল না।
    শীতের বেলা। পাঁচটা বাজতে না বাজতে ধূপছায়া আঁধার নেমে আসছে। মশারাও এলাকা দখল করার কাজে একনিষ্ঠভাবে তৎপর হয়েছে।
    ------ ' বাপরে বাপ .... এ কি রে ... কি সাংঘাতিক ...চামচিকে সাইজের মশা রে ... এখানে এসে থাকব কি করে ? ', অনিমেষ বলে ওঠে।
    ----- ' সে... যখন থাকবি, তখন দেখা যাবে ... এখন তো থাকছিস না .... '

    সেই সময়ে এক মাঝবয়সী ভদ্রলোক এসে হাজির হলেন। শশীভূষণবাবু তাকে দেখে বললেন, ' এই যে প্রাণকেষ্ট ... তোমার অপেক্ষাতেই ছিলাম। খরচাপাতি সব বুঝে নিয়েছ তো .... সৌরেনকে সব বলা কওয়া আছে। দুটো সতরঞ্চি আর ক'খানা চেয়ারের ভাড়া শুধু বাকি আছে। খাওয়ার খরচা আগেই দেওয়া হয়ে গেছে ... '
    প্রাণকেষ্ট সরখেল বলল, ' হ্যাঁ জ্যাঠামশাই ... ঠিক আছে ... পালবাবু বলেছে সব। আমি শুধু বাসনপত্রগুলো নিয়ে যাচ্ছি। রিক্শা নিয়ে এসেছি .... পালবাবু বলল, বাকি মাল কাল নিয়ে যেতে ... চাবি আপনার কাছে আছে তো ? '
    ----- ' হ্যাঁ হ্যাঁ ... নিয়ে নিও .... পালবাবু যাহোক একটা শুরু করছে ... ভালই হল। এদিকে তো এসব মোটেই নেই। ক্যাটারিং না কি বলে যেন ... '
    ----- ' হ্যাঁ ... ওই ... ওই ... '
    ---- ' কলকাতার ওদিকে দু একটা হয়েছে বোধহয় .... বড়লোকদের কাজকম্ম করে আর কি ... '
    প্রাণকেষ্ট বলল, ' হ্যাঁ ... ঠিক ঠিক ... '
    ----- ' তা মোটের ওপর মন্দ হয়নি রান্নাবান্না। ফুলকপির তরকারিটা তো বেড়ে লাগল। যাক ... ভাল ভাল ... ', শশীভূষণবাবু সন্তোষ প্রকাশ করেন।
    ----- ' সবই আপনাদের আশীর্বাদে ... '
    ----- ' সৌরেনকে একদিন সময় করে দেখা করতে বোল তো ... অনেক কথা আছে ... '
    ----- ' হ্যাঁ, নিশ্চয়ই ... '

    এরপর যে যার বাড়ির রাস্তা ধরল। মোটের ওপর দিনটা বেশ ভালই কাটল সকলের। কাছাকাছি কোথাও বেড়াতে যাওয়ার মতো আনন্দময় হল। ওরা হাঁটতে লাগল বি টি রোডের দিকে। খানিকটা মেঠো পরিবেশ, গাছপালা, পুকুর আকীর্ণ জায়গাটায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে গজিয়ে উঠেছে দু চারটে কোঠা। লোকজনও এসে গেছে নতুন বাসা বাঁধতে। স্নিগ্ধ সন্ধ্যাদীপের মতো আলো জ্বলে উঠেছে দু চারটে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা গেরস্থ বাড়িতে। নির্জন পারিপার্শ্ব।
    বিভূতিবাবু বললেন, ' বড় ভাল লাগল ... আজকের দিনটা একটা স্মৃতি হয়ে থেকে যাবে ... '

    সেদিন কাবেরী আর পার্থপ্রতিম হাঁটতে হাঁটতে কৈলাশ বোস স্ট্রিট পর্যন্ত আসল। কাবেরী বলল,
    ' এবার তো থামতে হবে। এই রাস্তাতে আমার বাড়ি ... আর এগোন যাবে না ... '
    ----- ' আর এগোন যাবে না বোল না ... বল, এখন আর এগোন ঠিক হবে না ... '
    ----- ' তা যা বলেন ... '
    ----- ' ঠিক আছে, আজকের মতো গুড বাই ... তবে পরবর্তী দিনটা ঠিক করে নিলে হত না ... '
    এর উত্তরে তার কি অবস্থান নেওয়া উচিত সেটা ঠিক করতে কাবেরীর বেশ বেগ পেতে এল। এ ধরণের প্রস্তাবের জবাব তার ঠোঁটের আগায় তৈরি থাকে। কিন্তু সেরকম কোন ঝাঁঝাল প্রতিক্রিয়া তার দেবার কোন ইচ্ছেই হল না। সে বেশ বিড়ম্বনায় পড়ে গেল, নিজেই নিজের ন্যাতানো হাবভাব দেখে অবাক হয়ে গেল।
    কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে সে বলল, ' একটা কথা তোমার জেনে রাখা ভাল ... আমি অমিতাভর সঙ্গে একদিন সিনেমা দেখতে গিয়েছিলাম ... '
    পার্থপ্রতিম নির্বিকারভাবে বলল, ' কোন নতুন গাড়িতে কেউ একটা ট্রিপ নিলেই কি গাড়িটা সেকেন্ড হ্যান্ড হয়ে যায় ? '
    কাবেরী অবনত মস্তকে কি যেন ভাবতে লাগল। কিন্তু অমন তুখোড় মেয়েও কথাটার একটা প্রাসঙ্গিক জবাব হাতড়াতে লাগল। শেষ পর্যন্ত কিছুই না বলতে পেরে ওদিকের একটা বাড়ির ছাদের চিলেকোঠার দিকে তাকিয়ে রইল একদৃষ্টে।
    পার্থপ্রতিম আবার বলল, ' আর হ্যাঁ ম্যাডাম ... 'তুমি' বলার জন্য ধন্যবাদ। এটা আরো আগে বলা যেতে পারত ... '
    কাবেরী বুকের কাছে বইয়ের প্যাকেটটা চেপে ধরে চিলেকোঠার দিকে তাকিয়ে চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল।
    ------ ' তাহলে পরের রঁদেভু টা কোথায় হবে এবং কবে ? '
    কাবেরী এবার বলল, ' পরশু দুপুর আড়াইটে থেকে পৌনে তিনটের মধ্যে .... হেদুয়ায় .... '
    ----- ' ডিসিশান ফাইনাল ? '
    ----- ' সেটা বলতে পারছি না ... গাড়ি না চালিয়েই বলতে পারব না কিনব কিনা ? '
    ----- ' ওকে ... ডান ... ডান ... '

    কানাই সিকদার সকালের দিকে আবার এল।
    বাসন্তীকে বলল, ' বলুন দিদি কি করব ? '
    ----- ' কি আর করবে ! সব ভগবানের হাতে ছেড়ে দিয়েছি ....তিনি যা করেন ... '
    ----- ' হ্যাঁ, তা ছাড়া আর উপায় কি। কিন্তু দিদি আমাদের কর্ম তো আমাদের করে যেতেই হবে। এর থেকে তো আমাদের ছাড় নেই .... '
    ----- ' হমম্ ... ', বলে চুপ করে থাকলেন বাসন্তীদেবী।
    ----- ' চন্দনার পরীক্ষা টরিক্ষা না মেটা পর্যন্ত তা'লে এখন চুপচাপ থাকাই ভাল ... কি বলেন ? '
    বাসন্তীদেবী বললেন, ' হমম্ ... তাছাড়া আর উপায় কি ? '
    বলে, আবার চুপ করে গেলেন উনি। কি একটা চিন্তা করতে লাগলেন। দিবাকর এসে কানাইকে এক কাপ চা আর দুটো বিস্কুট দিয়ে গেল।
    বাসন্তী মিনিট খানেক চুপ করে থাকার পর বললেন, ' নানারকম দুর্ভাবনার মধ্যে আছি .... '
    ----- ' কেন, কি হল মেজদি ? '
    ----- ' আর বোল না ... ফুচার হাবভাব আমার মোটেই ভাল ঠেকছে না ... বয়েসটা তো ভাল না ... '
    ----- ' কেন, কি হল মেজদি ? ওইটুকু মেয়ে কি আবার করবে ? '
    ----- ' ওইটুকু বলেই তো ভয় ... বুদ্ধি তো পাকেনি এখনও ... আর, তোমার জামাইবাবু তো জান, তিনি সংসারের কোন কিছুর দিকে ফিরেও তাকান না ... তাছাড়া মেয়েদের, বিশেষ করে ছোট মেয়ের সব কিছুতেই তার প্রশ্রয় ... যত ঝক্কি আমার ... তার চেয়ে বরং .... '
    ----- ' কি ? '
    ----- ' ওই ভবানীপুর থেকে এসেছিল ওরা ... শঙ্খ, না কি যেন নাম ... পরে বাড়িতেও এসেছিল... বারবার বলছিল ... ছেলেটা মনে হয় ভালই ছিল ... '
    ----- ' না না ... মেজদি, এটা বোধহয় বাড়াবাড়ি হয়ে যেত ... '
    ----- ' সেটা অবশ্য ঠিক ... না, এ..ই মনে হল তাই বললাম ... তবে এবারে ঠিক করেছি ... এরকম সুযোগ আবার এলে আর ...'
    ----- ' আর ছাড়বেন না ... তাই তো ? '
    ----- ' একেবারেই না ... ছোটটার বিয়ে আগে হলে হবে ... '
    সুমনারা তিন বোন একসঙ্গে কলেজে বেরোচ্ছিল। সিঁড়ির মুখে পৌঁছে দাঁড়াল। নামবার ঠিক আগে শেষের দিকের কথাগুলো তাদের কানে গেল।
    চন্দনা আর বন্দনা ভাবল, তাদের মা কোন যুগে পড়ে আছে ... অবাক লাগে ... ! বাড়িতে ঠাঁই নেওয়া বিড়াল পার করার মতো নিজের মেয়েদের পার করার চিন্তাই তার দিবারাত্রের একমাত্র সঙ্গী। যুগ পরিবর্তনের শঙ্খধ্বনি এদের বধির কানে কখনও পৌঁছয় না। কি করুণ অবস্থা !
    সুমনা কিন্তু অত কিছু ভাবল না। সে মনে মনে প্রমাদ গনল। ভাবল, আজই প্রতিবিম্বের সঙ্গে পরামর্শ করতে হবে এ ব্যাপারে।
    চন্দনা গলা তুলে বলল, ' আমরা আসছি মা ...'
    ভিতর থেকে আওয়াজ এল, ' হ্যাঁ মা ... সাবধানে যেও... '

    ( চলবে )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন