• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • পুরানো কথা পর্ব ১৮

    Jaydip Jana লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ১৪ জুন ২০২১ | ৩৩১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • পুরোনো কথা পর্ব এক | পুরানো কথা পর্ব ২ | পুরানো কথা পর্ব ৩ | পুরানো কথা পর্ব ৪ | পুরানো কথা পর্ব ৫ | পুরানো কথা পর্ব ৬ | পুরানো কথা পর্ব ৭ | পুরানো কথা পর্ব ৮ | পুরানো কথা পর্ব ৯ | পুরানো কথা পর্ব ১০ | পুরানো কথা পর্ব ১১ | পুরানো কথা পর্ব ১২ | পুরানো কথা পর্ব ১৩ | পুরানো কথা পর্ব ১৪ | পুরানো কথা পর্ব ১৫ | পুরানো কথা পর্ব ১৬ | পুরানো কথা পর্ব ১৭ | পুরানো কথা পর্ব ১৮ | পুরানো কথা পর্ব ১৯ | পুরানো কথা পর্ব ২০ | পুরানো কথা পর্ব ২১ | পুরানো কথা পর্ব ২২ | পুরানো কথা পর্ব ২৩ | পুরানো কথা পর্ব ২৪ | পুরানো কথা পর্ব ২৫ | পুরানো কথা ২৬ | পুরানো কথা পর্ব ২৭ | পুরানো কথা পর্ব ২৮ | পুরানো কথা পর্ব ২৯ | পুরানো কথা পর্ব ৩০ | পুরানো কথা পর্ব ৩১ | পুরানো কথা পর্ব ৩২ | পুরানো কথা পর্ব ৩৩ | পুরানো কথা পর্ব ৩৪ | পুরানো কথা পর্ব ৩৫ | পুরানো কথা পর্ব ৩৬ | পুরানো কথা পর্ব ৩৭

    রণর বাসি বিয়ের দিন সিঁদুর পড়ানোর সময় মনে মনে একেবারে ভেঙে পড়েছিলাম কিন্তু কাউকে বুঝতে দিইনি বিয়ের আগে  কোনও একদিন মজা করে রণ সিঁদুর পড়িয়ে দেখতে চেয়েছিল আমায় কেমন লাগে মজায় সেদিন সাধ দিইনি  ঠাসিয়ে একটা চড় মেরে বলেছিলাম," আমি তো তথাকথিত  বৌ হতে পারব না তবে কেন প্রহসন" অথচ মনে মনে কতবার নিজেকে সিঁদুর পড়ে দেখতে চেয়েছি সে তো কেবল আমিই  জানি  আজন্ম লালিত  সংস্কারের  সিঁদুর আসলে যে মর্যাদার পরিচয় বহন করে সে মর্যাদা পেতে চেয়েছিলাম মনে মনেই কিন্তু  বিতানকে কেন্দ্র  করে যে মিথ্যাচার রণ করেছিল তা আমার মনে  যে অভিমান তৈরী  করেছিল অতিক্রম  করার ক্ষমতা রণ অর্জন করতে পারেনি  চিরকালই  জেদ আর অভিমান আমার অনেক বেশি

     বৌভাতের দিন রণর বৌকে সাজানোর সময় রণর তুতো বোনেরা মজা করে বলেছিল, "দেখিস আবার হিংসে করে সতীনকে খারাপ সাজাস না যেন, কনেচন্দনটা খারাপ হলে কিন্তু বলব চোখের জল মিশিয়ে করেছিস তাই তেমন সুন্দর  হয়নি !! "  হেসে ফেলে উত্তর দিয়েছিলাম, " তোদের মত নিন্দুকরা ভাল বলবি না সে আমি জানি " ভেতরে ভেতরে তো সত্যিই কাঁদছিলাম, সেটা বোধ হয় বুঝেছিল বৌদিভাই, তাই আমার মাথায় হাত বুলিয়ে   আদর করতে করতে বলেছিল," তুমি ওদের কথায় কান দিও না, আমি বলছি খুব ভাল হবে, তোমার কনে সাজানোর সুনাম আমি কিন্তু  জানি " তারপরেই সকলকে সরিয়ে নিয়ে গেছিল সামনে থেকে

     আসলে মনে মনে আমিই তো সরতে চেয়েছিলাম কিন্তু রণ আর আমার মাখামাখি এত বেশি বিয়েতে না থাকলে আর কাজকম্মের দায়িত্ব এড়ালে লোকে কি ভাববে সেই  চক্ষুলজ্জায় নিজেকে দূরে রাখতে পারিনি

    আমি যে রণ-র প্রথমপক্ষ, আমি যে সতীন এটা নিয়ে রণর বৌ মজা করলেও আসল সত্যিটা নিয়ে খুব বেশি  মাথাব্যাথা ছিলনা ওর সে সময় বহুদিন পর্যন্ত একটা ছেলেমানুষি    মজার ভাগাভাগি  ছিল আমাদের রণ-র বৌ সেসময় নাচ নিয়ে পড়াশোনা করছিল ওর বাপের বাড়িতে ওরও একটা নাচের স্কুল ছিল শুক্রবার  বিকালে ইউনিভার্সিটি  থেকে বাড়ী চলে যেত ফিরত রবিবার রাতে আমারও কলেজের ফাঁকে সারাসপ্তাহ আমিও দুপুর বেলা অনেক সময় রণ-র বাড়ি গেলেও শুক্রবার  বা শনিবার আমি রণ-র বাড়ি থাকতাম থাকার অসুবিধা  বাড়ীতে ছিল না বরং রণদের বাড়ীর পড়ার ঘরটাই আমার ঘর হয়ে গিয়েছিল 'বছরে তাই কখনও সপ্তাহের  মাঝখানে রণ-র নাচের অনুষ্ঠান থেকে রাতে  গিয়ে পড়লে রণর বৌ মজা করত, ওর ভাগে আমি ভাগ বসাচ্ছি আবার কোনও সপ্তাহান্তে  বাপের বাড়ি না গেলে খোঁচাটা আমিও মারতাম ওকে আবার কখনও কখনও একসাথে বসে ওর নাচ বা কোরিওগ্রাফি নিয়েও কথা বলতাম কখনও কোনও প্রজেক্টে স্ক্রিপ্টও আমি লিখে দিতাম তথাকথিত সতীনের বাইরে আমাদের এই সম্পর্কটা রণ মানতে পারেনি বহুদিন তার আরও একটা কারণ ছিল, রণকে ভালবেসে ওর কাছে বারবার দৌড়ে  গেলেও ওর বিয়ের পর থেকে পারতপক্ষে  শারীরিক  সম্পর্কটা আমি এড়িয়ে চলতাম৷ খালি মনে হত আমি রণ-র কেউ না  আমি কি রণ-র রক্ষিতা না  ভালবাসা !  রণ বোঝাতে চাইত সমাজ না মানলেও আমিই আসলে রণ-র সব বিশ্বাস করতে পারতাম না কিছুতেই 

    কয়বছরে  রণ-র নাচ টা আমার না পাওয়া নাচ শেখার আনন্দ বয়ে আনলেও  রণ - বিয়ের পর মাঝে মাঝে মনে হত আমি নিজে কেন আবার নাচ শুরু করছি না কিন্তু  রণ সেভাবে উতসাহ না দেখালেও আমি ভাবতাম আস্তে  আস্তে  নিজেকে সময় দেওয়া দরকার রণর সাথে নাচের অনুষ্ঠানে  যাওয়ার ফলে নাচের জগতের বিভিন্ন  মানুষের  সাথেও আলাপ হচ্ছিল   বিভিন্ন  শাস্ত্রীয়  নৃত্যের ওপর আকর্ষনটাও বাড়ছিল আর রণ- বৌ যেহেতু নাচ নিয়ে মাস্টার্স  করছিল, বিভিন্ন  রকম নৃত্যশৈলী নিয়ে আমাদের দুজনের আলোচনা হত রণ কে ছাড়াই রণ ভীষণই রক্ষণশীল ভাবে নিজের কত্থক ছাড়া বাকী কিছু নিয়ে ভাবত না কোলকাতার একজন বিখ্যাত নৃত্যশিল্পীর কাছে রণ তালিম নিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানের দিন  রণর সঙ্গে আমাকে ছায়ার মত  থাকতে দেখে উনি   কখনও  কখনও  আমার সঙ্গে  অনুষ্ঠানের শেষে সৌজন্যমুলক কথাও বলতেন  শাস্ত্রীয় নৃত্য জগতের সাথে সাথে সৌন্দর্য্য পারিবারিক আভিজাত্যে ভরপুর এই মানুষটির ওপর একটা দুর্নিবার আকর্ষণ আমিও অনুভব করলেও, রণ বা রণর বন্ধুদের থেকে শুনেছিলাম উনি ভীষন মুডি,তাই একটা ভয়মিশ্রিত  শ্রদ্ধা নিয়ে আমি দূরত্ব বজায় রাখতাম

    রণ-র সাথে আলাপ হওয়ার আগে আগেই ছেলেবেলায় নাচের জন্য পাড়ার দিদিদের কাছে যেতাম আগেই বলেছি এরকমই একজনের কাছে শুনতে পাই গৌড়ীয় নৃত্যশৈলী সম্পর্কে  শ্রীমতী  মহুয়া মুখোপাধ্যায়  এর গবেষণালব্ধ ফসল এই নৃত্যধারা  বিভিন্ন প্রদেশের নৃত্যশৈলীর মত বাংলায় শ্রী চৈতন্যের পরবর্তী সময়ে,বিভিন্ন মন্দিরগাত্রের কারুকার্য  বিভিন্ন লোকনৃত্যের আঙ্গিককে অবলম্বন করে গড়ে তোলা এই নৃত্যধারার প্রথম প্রবর্তক উনি  রণর বৌ এর সাথে রবীন্দ্রসদনে আয়োজিত  উদয়শংকর  ড্যান্সফেস্টিভ্যালে গৌড়ীয়  নৃত্য  দেখে ভাল লাগে আমার এরপর এশিয়াটিক সোসাইটিতে আরও একটা অনুষ্ঠান দেখার পর  মনে মনে ঠিক করি আমি গৌড়ীয় নৃত্য শিখব  ভেতরে ভেতরে এই ভাবনা ছিল, একসময় যখন গৌড়ীয় নৃত্যের প্রসার বাড়বে তখন হয়তো নৃত্যশিল্পী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত  হব তৎকালীন  মুলধারার শাস্ত্রীয়  নৃত্যের জগতে গৌড়ীয়  নৃত্যকে কৌলিন্য  দিতে অনেকেই রাজী ছিলেন না  রণকেও  মাঝে মাঝে নাক সিঁটকে বলতে শুনতাম  ওটা আবার নাচ নাকি! ওটাতো মনিপুরী আর ভরতনাট্যমের মিশেল খিঁচুড়ি নিন্দুকেরা অনেক কথাই বলে কিন্তু  কোলকাতায় নাচ শিখলে যাতায়াত গুরুদক্ষিণা আনুষঙ্গিক খরচ কে দেবে  একবার ভাবলাম টিউশনি  করব কিন্তু  মনে মনে ভয় বাবা যদি জানতে পারে তখন কি হবে!  ওদিকে সামনেই গ্র্যাজুয়েশনের পরীক্ষা মাকে গিয়ে ধরলাম অনেকে কান্নাকাটির পর পরীক্ষায় ভাল রেজাল্টের  প্রতিশ্রুতি দিয়ে মায়ের মত পেলাম  অপরদিকে মায়ের থেকে বাবাকে না জানিয়ে খরচাপাতি  যোগানোর প্রতিশ্রুতিও আদায় করলাম আমার তখন ফুর্তির প্রাণ গড়ের মাঠ লাফাতে লাফাতে রণকে বললাম আমি গৌড়ীয়  শিখব যথারীতি  কোনও উৎসাহ না দিলেও ওর বৌ খুব খুশি হয়ে উৎসাহ দিল শুরু হল আমার নাচ শেখা নতুন করে নিজেকে নিয়ে ভাবা...

     


    পুরোনো কথা পর্ব এক | পুরানো কথা পর্ব ২ | পুরানো কথা পর্ব ৩ | পুরানো কথা পর্ব ৪ | পুরানো কথা পর্ব ৫ | পুরানো কথা পর্ব ৬ | পুরানো কথা পর্ব ৭ | পুরানো কথা পর্ব ৮ | পুরানো কথা পর্ব ৯ | পুরানো কথা পর্ব ১০ | পুরানো কথা পর্ব ১১ | পুরানো কথা পর্ব ১২ | পুরানো কথা পর্ব ১৩ | পুরানো কথা পর্ব ১৪ | পুরানো কথা পর্ব ১৫ | পুরানো কথা পর্ব ১৬ | পুরানো কথা পর্ব ১৭ | পুরানো কথা পর্ব ১৮ | পুরানো কথা পর্ব ১৯ | পুরানো কথা পর্ব ২০ | পুরানো কথা পর্ব ২১ | পুরানো কথা পর্ব ২২ | পুরানো কথা পর্ব ২৩ | পুরানো কথা পর্ব ২৪ | পুরানো কথা পর্ব ২৫ | পুরানো কথা ২৬ | পুরানো কথা পর্ব ২৭ | পুরানো কথা পর্ব ২৮ | পুরানো কথা পর্ব ২৯ | পুরানো কথা পর্ব ৩০ | পুরানো কথা পর্ব ৩১ | পুরানো কথা পর্ব ৩২ | পুরানো কথা পর্ব ৩৩ | পুরানো কথা পর্ব ৩৪ | পুরানো কথা পর্ব ৩৫ | পুরানো কথা পর্ব ৩৬ | পুরানো কথা পর্ব ৩৭
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ১৪ জুন ২০২১ | ৩৩১ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
আরও পড়ুন
ছাদ - Nirmalya Nag
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ranjan Roy | ১৪ জুন ২০২১ ২১:৪৭494949
  • সঙ্গে আছি।

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন