• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • পুরানো কথা পর্ব ১২

    Jaydip Jana লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ০৫ মে ২০২১ | ৩৮৭ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • পাঠ্য বইয়ের বাইরে বই পড়ার অভ্যেস শুরু হয়েছিল  একদম ছোটবেলায় চাঁদমামা, জাতকের গল্প দিয়েপাশাপাশি বিভিন্নরকম বই পড়ার নেশা বেড়েছে যত বয়স বেড়েছে  ততই  আমাদের ইস্কুল রামকৃষ্ণ  আশ্রমের  ক্যামপাসে একটা পাবলিক লাইব্রেরি আছে আমার নিত্য যাতায়াত ছিল সেখানে, যদিও আজকাল আর যাওয়া হয়না কেন  জানিনা সেসময়ের  প্রধান লাইব্রেরিয়ান অশোক বাবু আমাকে প্রশ্রয় দিতেন প্রচুর ছোট লাইব্রেরিয়ান কাকু অনেক সময় অনেক বই আমাকে পড়তে দিতে চাইতেন না ক্লাস সেভেন এইটে সে সময় অশোকবাবু হতেন ত্রাতা,  আজও মনে আছে উনি বলেছিলেন, বড়দের বই বলে কিছু হয়না যা ইচ্ছে  হবে পড়বে, পড়তে পড়তে ওকেই সিদ্ধান্ত  নিতে দাও কোনটা পড়বে আর কোনটা পড়বে না না পড়লে জানবে কি করে  সময়ে হঠাত করে পেয়েছিলাম নবনীতা দেবসেন এর লেখা ছোটগল্প সংকলনে অনেক আগে যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত গল্প, "বাপরে বাপ" প্রায় মধ্যবয়সে স্ত্রী  পুত্র নিয়ে ঘর করা পুরুষ মানুষের সেক্স  চেঞ্জ  করা নিয়ে লেখা গল্প  এই সময় দেশ বিদেশের  প্রচুর নামি লেখকের অনুবাদ পড়ার সুযোগ হয়েছিল  এর পরে এই নেশা আরও বাড়িয়েছিলেন আমার  মাষ্টার মশাই মাসতুতো দিদির অবিবাহিত ভাসুর  এই ভদ্রলোক  ছিলেন আমার জামাইবাবুর পিসতুতো  দাদা  দিদিদের ছিল যৌথ পরিবার এই বাড়িটা  ওদের এলাকায় ওনার শিক্ষকতার জন্য পরিচিত ছিল  দিদির বিয়ের পর থেকেই বাড়িটার মূল আকর্ষন ছিল বাড়ির বইয়ের ভান্ডার মাষ্টার মশাই মানুষটার ওনার হাত  ধরেই  আমার রবিঠাকুরের প্রেমে পড়া  উনি খুব ভাল বেহালা বাজাতেন আমাকে খুব টানত ওনার  বিভিন্ন গানের রেকর্ড আর ক্যাসেটের সংগ্রহ আত্মীয়দের মধ্যে ওই বয়সে উনি ছিলেন আমার প্রাণের মানুষযখন উচ্চ মাধ্যমিকে ওনার স্কুলে ভর্তি হলাম, তখন স্কুলের বন্ধুদের কাছে জানতে পারি দিদির অবিবাহিত  বড় ননদ  নাকি ওনার ভালবাসা তথ্যের কাঁটাছেড়া  কোনওদিন করিনি  এই দুজন মানুষের থেকেই অপরিসীম  ভালবাসা শাসন প্রশ্রয় পেয়েছি  ছাত্রজীবনে এত বেশি তা ভোলার না তবে কথা শোনার পর শ্রদ্ধা  বেড়েছিল অনেক বেশি মাধ্যমিক উচ্চ মাধ্যমিকের অনেকটা সময় আমি ওই বাড়িতে এই দুজনের সান্নিধ্যে কাটিয়েছি যে পারস্পরিক  সম্মান আর দূরত্বের মধ্যে  দিয়ে তাদের চলতে দেখেছি তা আজ মনে পড়লে  ভালবাসা যে কত সম্মানজনক সহাবস্থান  করতে পারে তা বুঝতে পারি  হয়তো বিয়ের পর এই খোলা আকাশ পেয়েছিল বলেই আমার অন্যরকম যৌনতা, আমার বিভিন্ন সম্পর্কের কথা পরবর্তী কালে আমার এই দিদি খোলা মনে মেনে নিতে পেরেছে 

    কোলকাতার কলেজে পড়তে যাওয়া  আমার মত মফস্বলি ছেলেকে  প্রতিদিন অনেক নতুন নতুন দিগন্তের সন্ধান দিতলোকাল ট্রেনের ভিড় কামরায় পুরুষের গা ঘষাঘষি, সাময়িক যৌন ভাললাগা, পাবলিক টয়লেটে পুরুষের যৌনতার হাতছানি থেকে শুরু করে আরও আরও নতুন নতুন মুখের পরিচয় ক্রমশ  বুঝতে পারছিলাম আমি একা নই সবকিছু জানছি বুঝছি কিন্তু  দূর থেকে,কেন না মনে মনে জানি আমার তো রণ আছে   রণ নাচ শিখতে কোলকাতায় যেত আমিও পড়াশোনার জন্য কোলকাতায় যাতায়াতের পথের নতুন বন্ধুদের মাধ্যমে পাশাপাশি  এটাও বুঝতে পারছি রণর জীবনে শুধু  আমিই নেই  বহুগামী  রণ আমাকে যদিও এসব থেকে প্রাণপনে দূরে রাখার চেষ্টা করত রণর বহুগামীতা নিয়ে  অল্পবিস্তর ঠোঁট  ফোলালে রণ বোঝাতে চাইত রণ তো আসলে আমাকেই ভালবাসে এগুলো একটু আধটু  এই ভালবাসার মিষ্টি  কথায় আর  আদরে সবকিছু   মেনে নেওয়াটাও অভ্যেস হয়ে গিয়েছিল  আমার সাজগোজ তথাকথিত  মেয়েলিপনা রণ কখনও প্রশ্রয় দেয়নিসকলের কাছে এই সম্পর্কটাকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা  চালাত আর বোধহয় সেটাই স্বাভাবিক ছিল অতবছর আগে আর আমারও কেন জানিনা সবসময় মনে হত,  মনে মনে আমি রণর বৌ হলেও আমি  তো মেয়ে নই মনে করতাম  যদি রণ বা অন্য পুরুষ মানুষরা আমাকে মেয়েই ভাববে তাহলে তো তারা মেয়েদের  কাছেই  যাবে যত বড় হয়েছি তত বুঝেছি সবকিছুই এরকম দু আর দু চার হয়না

    উত্তর  কলকাতার কলেজ থেকে অবসর পেলেই আমি হাঁটতে  ভালবাসতাম রাস্তার ফুটপাত  দিয়ে এভাবেই উত্তর কলকাতা গলির গলি তস্য গলির সঙ্গে পরিচিত  হওয়ার একটা অদ্ভুত  নেশা ছিল আবার কখনও কখনও  হাঁটতে হাঁটতে চলে আসতাম বই পাড়ায়  বই আর বই মাঝে ফুটপাতের ওপর বসা পুরানো বই এর দোকানে হুমড়ি খেতাম নতুন বই কেনার মত টাকা হাতখরচ থেকে কুলোতে পারতাম না  শিয়ালদহ থেকে এরকম একদিন হাঁটতে হাঁটতে হাতে পেলাম সানন্দা পত্রিকার পুরানো সংখ্যারূপান্তর এই সংখ্যাটা আমাকে পরিচিত  করেছিল আর এক দুনিয়ার  আমার মনে হয় সেক্স-রিঅ্যাসাইনমেন্ট সার্জারি নিয়ে উনিশশো আটানব্বই নিরানব্বই সালে সেই প্রথম কলকাতার বাংলা ম্যাগাজিনের আলোচনা যে ম্যাগাজিন ততদিনে গুটি গুটি ঢুকে পড়েছে মধ্যবিত্তের অন্দরমহলে মনে আছে এরকম সময় একদিন  ডিসকভারি  চ্যানেলে প্রথমপ্রেগন্যান্ট ফাদারনিয়ে তথ্যচিত্র চোখে পড়েছিল  সব মিলিয়ে বিভিন্ন তথ্য পেতে পেতে ধোঁয়াশা কাটছিল না বাড়ছিল তা বলা মুশকিল তখন টিভিতে  ‘তারাবাংলাবলে একটা চ্যানেল ছিল  একদিন রণজয়ের মা  আর আমি বসে বসে দেখলাম সমকামিতা  নিয়ে রঞ্জনের ( রফিকুল হকঅনুষ্ঠান পশ্চিমবঙ্গের সমকামী আন্দোলনের ইতিহাস যে দু একজনের হাত ধরে শুরু হয়েছিল রঞ্জন তাদের মধ্যে একজন ওর কথা পরে কখনো বলবো 

    রণ মাঝখান থেকে উঠে চলে গিয়েছিল পরে এটা নিয়ে ওর সঙ্গে  কথা বলতে গেলে, বলেছিল এসব দেখে কি হবে আমরা তো আমাদের মতই থাকব সব কথা সবাই কে বলার দরকার কি এসময়ে আমার জানার খিদে আরও বেড়ে গেলেও সঠিক তথ্য কে দেবে বুঝতে পারতাম না তবে নিজের ওপর এটুকু  বিশ্বাস ছিল আমি কোনও অন্যায় করছি না তবে ন্যায় অন্যায় নিয়ে সঠিক ভাবে জানতে ইচ্ছে  করত এসময়ে আজকের মত ইন্টারনেট  অ্যাকসেস করা সহজ ছিল না অলিতে গলিতে তখন ইন্টারনেট ক্যাফেও ছিল না

     


  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ০৫ মে ২০২১ | ৩৮৭ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | 49.206.10.89 | ০৮ মে ২০২১ ১১:৫১105700
  • এটা কী ভাবে লিখবো সেটা নিয়ে খুব ভাবতে হলো, কারন জেনারালাইজিং, প্রোফাইলিং ইত্যাদি দিকে চলে যাওয়ার খুবই সম্ভাবনা। তারপর মনে হলে লিখেই ফেলি।

    "...লোকাল ট্রেনের ভিড় কামরায় পুরুষের গা ঘষাঘষি, সাময়িক যৌন ভাললাগা, পাবলিক টয়লেটে পুরুষের যৌনতার হাতছানি..." এইটা পড়ে যেমন, ভারতীয় এলজিবিটিকিউ, বা আরো নির্দিষ্ট করে, হয়তো গে মানুষদের মধ্যে কখনো মনে হয় ফ্রিভোলাস যৌন এক্সপ্রেশন বা আকাঙ্খা কি অন্য রকম? মানে কোন স্ট্রেট পুরুষ মেয়েদের সম্পর্কে এরকম বললে, যে পাবলিক ট্রামে বাসে মহিলাদের সঙ্গে গা ঘষাঘষিতে যৌন ভালোলাগা, তাকে একটা পার্ভার্ট বদ ছাড়া কিছুই ভাববো না।
    হোমোসেক্সুয়ালদের কাছে অন্তত আমাদের মত রিগ্রেসিভ মানসিকতার দেশে বাস্তবতা, অপ্রেশনের ছবি অন্যরকম, সেটা বুঝতেই পারি। সেসবের কারনে?

    বা বহু যৌন সঙ্গী, এইটা কি স্ট্রেটদের থেকে বেশি? ভালো মন্দের কোন ব্যাপার নেই এতে, নীতিবিচারও না। কিন্তু আনপ্রটেক্টেড সেক্সজনিত রোগের বিচারে, এর কোন পরিসংখ্যান আছে? অন্তত স্ট্রেট ভারতীয় সমাজে সিরিয়াল মনোগ্যামি তাও একরকম, কিন্তু পলিগ্যামি, সাধারন, ধরা যাক মোটামুটি ছাপোষা মধ্যবিত্তদের মধ্যে খুব কমন তো না বোধয়। হোমোসেক্সুয়াল সম্পর্কে কি বহুগামিতা বা সম্পর্কহীন যৌনতা বেশি কমন? এর পুরোটাই একেবারে ভুল ধারনা হতে পারে, আবার এর পেছনে সামাজিক অবদমন ও নিরাপত্তাহীনতার একটা খুব বড় ভূমিকা থাকতে পারে। স্ট্রেট সম্পর্কে, সম্পর্কগুলির একটা পরিনতি বা ক্লোজার কল্পনা করা কঠিন না, এবং তার থেকে একগামিতা ইত্যাদি। কিন্তু অন্য ক্ষেত্রে হয়তো একেবারে উল্টো, তার জন্যে কিছু?

  • Jaydip Jana | ০৮ মে ২০২১ ১৩:৫১105706
  • @r2h 


    প্রথমেই  ধন্যবাদ এই কমেন্ট টার জন্য।আমার এতবছরের  অভিজ্ঞতায় কিছুটা  সহমত পোষণ  নিশ্চয়ই  করি । তবে এ গল্প আজ থেকে ২০/২২ বছর আগের। আসলে সমকামী মানুষদের যৌনতা সাধন মুলসমাজের লোকজনের মত  চারদেয়ালের নিরাপদ গন্ডীর মধ্যে বিভিন্ন কারণে সম্ভব ছিলনা , এবং আজকের মত ইন্টারনেটের কল্যানে ডেটিং  সাইটের রমরমাও তখন ছিলনা, তখন বিশেষ বিশেষ অঞ্চল  ও রেলের কামরা ছিল নিজের মত মানুষদের খুঁজে পাওয়ার জায়গা।  আর এটা হেটারোনর্মাটিভ ভাবনায় পারভারশান বলে পুরোপুরি দাবি করা যাবে না কেননা এই গা ঘষাঘষি  পারস্পরিক সস্মতিতে হত বেশির ভাগ সময়। এব্যাপারে আরও ডিটেইল  পরের কোনও পর্বে লিখব। 


    বহুযৌনসঙ্গী তথাকথিত স্ট্রেটদের থেকে বেশি বা কম টাও তথাকথিত  সমাজের ভাবনা। সম্পর্কহীন যৌনতা কমন সে ভাবনা থেকেই ভাবা। কেননা ৩৭৭ পরবর্তী সময়ে আজও সমলৈঙ্গিক সম্পর্কটাকেই তো তথাকথিত  মূলসমাজ বিকৃতি ভাবে। কতজন এই অন্য(?) যৌনতাকে অন্তর থেকে মেনে নিতে পারেন!


    আনপ্রটেক্টেড সেক্সজনিত রোগের  পরিসংখ্যান  অবশ্যই আছে। তা যদিও তথাকথিত  স্ট্রেটদের মধ্যেও আছে।  তবে  অদ্ভুত  ভাবে সত্য, এই রোগবালাই-ই এর আড়ালে এতবছর এলজিবিটি আন্দোলন  আটকে গেছে অনেকসময়। ইচ্ছে আছে পরের কোনও পর্বে ডিটেইল  লেখার। 

  • র২হ | 49.206.10.89 | ০৮ মে ২০২১ ১৫:৪৩105710
  • থ্যাঙ্কিউ জয়দীপ।


    হ্যাঁ, বাস্তবতা, পরিস্থিতি, এবং সবচে' বেশি বোধয় অননুমোদন, অবদমন, অস্বীকৃতি, অনিশ্চয়তা এসবের চাপ... অবদমন ও অস্বীকারকে কাউন্টার করার জন্যে যৌন আইডেন্টিটিকে ফ্লন্ট করা যেটা স্ট্রেট অবস্থানে বেশি বেশি মনে হয়, বা যেগুলোকে বেশি ফ্রিভোলাস মনে হয় - সেসব ডিসকানেক্ট... এগুলি হয়তো বাইরে থেকে বোঝা সম্ভবই নয়, যতই এমপ্যাথি প্র্যাক্টিস করা হোক।


    সে যাক, পড়ছি। এই কথোপকথনগুলিই বোধয় জরুরী।

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন