ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • পুরানো কথা পর্ব  ২৪

    Jaydip Jana লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ২৮ জুন ২০২১ | ১১৪৬ বার পঠিত
  • কোলকাতার অফিস থেকে ফিরে আসার পরের দিনেই বিতান জানিয়েছিল আমি সিলেক্টেড।অদ্ভুত লেগেছিল, জানতে চাইলাম ইন্টারভিউ? বিতান জানাল আগের দিন অফিসে বসে ওই যে আড্ডা হল,ওর মাঝেই ওনারা আমাকে সিলেক্ট করেছেন। ঠিক বিশ্বাস হল না, "রেকমেন্ডেশন না যোগ্যতা" কোনটা ঠিক? আবার প্রশ্ন বিপ্রদাসের কাছে। বিপ্রদাস উত্তর দিলেন দুটোই। যাই হোক জীবনের প্রথম কর্মজগতে প্রবেশ করলাম।

    এধরনের কাজ আগে কখনও ভাবিনি। সে এক অন্য জগত। হাওড়া থেকে শুরু করে ব্যান্ডেল পর্যন্ত বিভিন্ন রেলস্টেশন, বড় বাস টার্মিনাল, গঙগার ঘাট, পরিত্যক্ত কারখানা, হাইওয়ের ট্রাক টার্মিনাল বিভিন্ন অন্ধকার অংশে সন্ধ্যে হলেই পুরুষ সমকামী রূপান্তরকামী মানুষরা যেতেন সে সময়। কোথাও একসাথে বসে আড্ডা, কোথাও বা অন্ধকারে শরীর ছোঁয়া কোথাও আরও একটু বেশি কিছু। এর আগে অল্প বিস্তর কয়েকটা জায়গায় যাওয়ার অভিজ্ঞতা থাকলেও এসমস্ত জায়গায় যাওয়া বিতানের হাত ধরে সেই প্রথম । সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে তাদের যৌনস্বাস্থ্য নিয়ে আলোচনা, এইচ আইভি বা অন্য যৌনরোগের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করে তোলা পাশাপাশি কন্ডোম বিতরণ, কারও কোনও যৌনরোগের লক্ষণ থাকলে তাকে সঙ্গে করে ড্রপ-ইন সেন্টারের ডাক্তারবাবু পর্যন্ত পৌঁছে দেওয়া। তার সঙ্গে সরকারী হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে কম করে বছরে দুবার এইচ আইভি ও প্রয়োজনে যৌনরোগের পরীক্ষা করানো ও প্রয়োজন মত ওষুধ দেওয়া। যতটা সহজ ভাবে লিখছি ততটা সহজ কাজ না। যে মানুষগুলো ছোট থেকে বড় হতে হতে শুধুই ব্যুলিড হয়েছে, যারা বারংবার সম্পর্কে বিশ্বাস করেছে আর ঠকেছে তাদের নিজেদের প্রতি ভালবাসা অনেক কম। হঠাত করে আমাকেই বা তারা বিশ্বাস করবে কেন। যেখানে সাধারণ মানুুষকে মোটিভেট করা আর সঙ্গে হেলথ-সিকিং বিহেভিয়ার তৈরী করা বেশ কষ্ট সাপেক্ষ সেখানে এই মানুষগুলোকে মোটিভেট করা শ্রমসাপেক্ষ তা ততদিনে নিজের জীবন দিয়েই জানি। বারবার যেতে যেতে পরিচিত হতে পারলে সুখদুখের অংশীদার না হলে বিশ্বাস যোগ্যতা অর্জন করা সম্ভব না। তার ওপরে আমার আজন্মলালিত সংস্কারের ব্যাগেজ তো রয়েইছে। আমার নাক উঁচু কৌলিন্য সচেতনতায় আমার তুলনায় বিতান বা বাকী সহকর্মীদের গ্রহণ যোগ্যতা তখন সেখানে অনেক বেশি।

    বিতান কিছুটা হলেও আমার সমস্যা বুঝত। আর তাই কখনও তেমন তেমন জায়গায় আমাকে একা যেতে দিত না। হয় নিজে সঙ্গে করে নিয়ে যেত নয় তো অন্য কারও সঙ্গে যেতে বলত। আমিও চেষ্টা করতাম নিজের মত করে। প্রথম প্রথম অসুবিধা হলেও আস্তে আস্তে সান্ধ্য জমায়েতে গল্পগাছা আড্ডার মধ্য দিয়ে আমিও সকলের কাছের লোক হয়ে উঠছিলাম। শুধু মাত্র অসুবিধে হচ্ছিল বড় রেল স্টেশনের বা বাসটার্মিনাল এর টয়লেট এ আসাযাওয়া লোকজনকে রিচ আউট করতে। কেননা এইসব জায়গায় নতুন নতুন লোকজনের সাথে অনেকটাই শরীরি ভাষা ও শরীরি-আবেদনের মাধ্যমে আলাপ করে কথা শুরু করতে হত। আমার এত দিনের ব্যাগেজ অনেক সময়ই বাধা হয়ে দাঁড়াত সে সময়।

    বিতান যেদিন সঙ্গী হত সেদিন অনেক কিছু জানতে পারতাম। জেনেছিলাম এই "পুরুষ -যৌনস্বাস্থ্য প্রকল্পটি" ছিল ভারতবর্ষের প্রথম "নেটওয়ার্ক মডেল"। পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার সাতটি সংগঠনের প্রতিনিধিরা মিলে এই সংগঠন তৈরী করেছিল। একটা সময় ছিল যখন একদিকে জাতীয় স্তরের কোনও কোনও সংগঠনের সহায়তায় পশ্চিমবঙ্গের সমকামী ও রুপান্তরকামী মানুষদের যৌন ও মানসিকস্বাস্থ্য নিয়ে ছোট ছোট প্রকল্পভিত্তিক কাজ শুরুর জন্য নতুন নতুন সংগঠন তৈরী হচ্ছিল। অপরদিকে জাতীয় এডস নিয়ন্ত্রণ সংস্থার কর্মসূচী অনুসারে পশ্চিমবঙ্গে পুরুষ সমকামী ও রুপান্তরকামীদের জন্য এইচ আইভি ইনটারভেনশনের কাজের জন্য প্রকল্পভিত্তিক আবেদন চাওয়া হয় তখন একাধিক সংগঠন রাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চলে কাজ করতে আগ্রহী ছিল। ভবিষ্যতে অস্বচ্ছতা এড়ানো এবং কোনও একটি নির্দিষ্ট সংগঠনের আধিপত্য এড়ানো ও প্রকল্প ভিত্তিক আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুবিধার কথা মাথা রেখেই এই নেটওয়ার্ক মডেলের সংগঠনের ভাবনা। যদিও অঞ্চল ভিত্তিক সংগঠনগুলির মধ্যের প্রতিদ্বন্দ্বিতার মনোভাব ছিল শেষদিন পর্যন্ত । এর অনেক কারণ ও ছিল। সময় মত সেসব কথা বলা যাবে। আসলে এই নেটওয়ার্ক তৈরির পিছনের রাজনীতিটা অতটাও স্বচ্ছ ছিলোনা ,সে গপ্প জেনেছি অনেক পরে। তার খেসারত অনেক সময় দিতে হত এক অঞ্চলের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের সহকর্মীদের মধ্যে বেশি মাখামাখি হলে দুজনকেই।

    নিজেদের যৌন আচরণের নিরিখে এইচ আইভি ও অন্যান্য যৌনরোগ সংক্রমনের ঝুঁকির আচরণ আমাদের মত মানুষদের অনেক বেশি। যেহেতু পুরুষে পুরুষে যৌন সংসর্গের সামাজিক ও আইনি স্বীকৃতি তখনও ছিলনা তাই আমাদের কামেচ্ছা জাগলে ক'জনই বা চারদেওয়ালের আওতায় নিরাপদ যৌনক্রিয়ায় মেতে উঠতে পারতাম। মাঠে ঘাটে, ঝোপঝাড়ে, টয়লেট, হাইওয়ে-তে পুলিশি হেনস্থা পেরিয়ে নিজের ভাললাগার পূরণে কতটা অসুবিধা তা তো নিজেরা নিজেদের জীবন দিয়ে জানি। তাই আমাদের মত মানুষদের খুঁজে বের করাই ছিল প্রাথমিক কাজ। তারপর তাদের বিশ্বাস অর্জন করে বন্ধুত্ব তৈরী হলে ঝুঁকি নিয়ে আলোচনা। কন্ডোমের সঠিক ব্যবহার শেখানো। বিতান শিখিয়েছিল সৎভাবে মানুষের সাথে মিশতে। এও বলেছিল কাজ এবং মানুষকে সৎ ভাবে ভালবাসতে না পারলে কারও আস্হা ভাজন হওয়া যায়না।

    পারিবারিক,পরিমন্ডল, সংস্কার, মুল্যবোধ সবকিছুই একজন মানুষের বড় হয়ে ওঠাতে অনেক বেশি প্রভাব ফেলে, সেই সঙ্গে যুক্ত হতে থাকে চারপাশ থেকে আহরিত বিভিন্ন ঘটনাবলী থেকে পাওয়া শিক্ষা। কর্মজগত, বেতন এসমস্ত কিছু নিয়ে আমারও তেমন কিছু কল্পনা ছিল। ছোট থেকে অত কিছুর মধ্যেও আমার গৃহশিক্ষকদের সাম্মানিক টুকুও কাগজের খামে দেওয়ার রেওয়াজ ছিল। কিন্তু প্রথম বেতন হিসাবে বিতানের হাত থেকে যেভাবে টাকাটা পেয়েছিলাম তাতে তার লেশ মাত্র ছিলনা। এ যেন সিনেমায় দেখা কোন কলকারখানায় শ্রমিকদের বেতন দেওয়ার মত। কাজশুরু করলেও হাতে আসেনি কোনও এপয়েন্টমেন্ট লেটার। তাই মাসান্তে কত পেতে পারি তাও জানা নেই। প্রত্যাশিত ভাবে বিপ্রদাসের থেকে শোনা টাকার অঙ্কের প্রায় অর্ধেক পেলাম হাতে। এন জি ও সম্পর্কে ধারণা তখনও পর্যন্ত এমনিতেই সুখকর না। জীবনের প্রথম চাকরি, তাই বিতানের মুখের ওপর কিছু না বললেও রাতের বেলা সবটুকু জানালাম বিপ্রদাসকে। বিপ্রদাস উত্তর দিলেন, তিনি প্রজেক্টের কাজকর্ম সম্পর্কে সঠিক জানেন না, জেনে বলবেন। তারপর জানলাম ঠিক যে পদের জন্য বিপ্রদাস আমায় বলেছিলেন, সে পদ তখনও পর্যন্ত আর্থিক সহায়তাকারী সংগঠনের অনুমোদন পায়নি। এদিকে ওই ক'দিনেই কাজটার প্রতি, মানুষজনের প্রতি ভাললাগা তৈরী হয়ে গিয়েছিল। পরের দিন ড্রপ ইন সেন্টারের যাওয়ার পর বিতান আমাকে ডেকে বলল, আমি তো এখনও কাজ শিখছি, আর সব ব্যাপারে বিপ্রদাসের কাছে নালিশের কি আছে! আমি আত্মপ্রত্যয়ের সঙগে জানিয়েছিলাম, "কাজ এবং কাজের বেতন সবকিছুই বিপ্রদাসের থেকে শুনেই আগ্রহী হয়েছিলাম তাই এব্যাপারে তাকে জানানোর অধিকার আমার অবশ্যই আছে। এটাকে নালিশ ভাবা হল কেন সেটাই বুঝলাম না।" এরপর বিতান স্বর নরম করে জানাল, আমায় তো কোনও এপয়েন্টমেন্ট লেটারই দেওয়া হয়নি। এবং আরও জানাল, আমি যেটা পাচ্ছি সেটা বেতন না। সেটা সাম্মানিক। আমাকে বর্তমানে পিয়ার এডুকেটর হিসাবে নেওয়া হয়েছে। যারা পিয়ার এডুকেটর হিসাবে কাজ করে তাদের সংগঠনের তরফে কোনও এপয়েন্টমেন্ট লেটার দেওয়ার প্রচলন নেই । সদ্য শুরু হওয়া প্রজেক্টে আস্তে আস্তে এই সমস্ত বিষয়গুলো ইনক্লুশন হওয়ার কাজ হচ্ছে । পরবর্তী তে প্রজেক্ট রিনিউয়াল হলে তখন এগুলোর সমাধান হবে। চাপান উতোরে গেলাম না, একটা খচখচানি রয়েই গেল।

    প্রথম দিন থেকেই দেখে এসেছি এই আপিসের কাজের সময়সূচী দুপুর বারটা থেকে রাত আটটা, আর ফিল্ড-ওয়ার্কারদের বা পিয়ার-এডুকেটর দের ফিল্ড এর সময় সূচী সন্ধ্যা ছটা থেকে রাত দশটা। কোনও ফিল্ড বা এলাকায় মানুষজনের সমাগম যেহেতু দেরীতে ঘটত তাই সেখানে এ সময়সূচী কখনও কখনও প্রয়োজনের তাগিদে পিছিয়েও যেত। যদিও নীতিগত ভাবে এই কাজের সময় ফিল্ডে গেলে শত হাতছানি থাকলেও শরীর ছোঁয়া,বা তারও বেশি কিছু করা যেতনা। সেটা সময়সূচীর পরে বা ছুটির দিন। এতে করে পিয়ার এডুকেটরের ভাবমূর্তি নষ্ট হওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। যদিও এ ব্যাপারটা আমার কিছুতেই মাথায় ঢুকত না। বুঝতে পারতাম না কিছুতেই এ সময়সূচীর আগে বা পরে কোন মাপকাঠিতে কাজের আমি আর ব্যাক্তি আমি বদলে যেতে পারি। তাও যদি নির্দিষ্ট কোনও ইউনিফর্ম থাকত তবুও সেটা সম্ভব। যদিও কর্তৃপক্ষের তরফে তেমন বন্দোবস্ত ছিলনা। বিতানকে এ নিয়ে বলাতে ও আমাকে সমর্থন করলেও এটা বুঝিয়ে ছিল নিজের কাছে সৎ থাকাটা সবচেয়ে জরুরি। ছোট এলাকা অল্প কয়েকটা মুখ এমন ঘটনা ঘটলে চাপা না থাকলে সেটা যে করছে সে নিজেই লজ্জা পাবে। তবে আমি যেহেতু তখনও রোজ ফিল্ডে যেতাম না সেজন্য বিতানের নির্দেশ ছিল বারটা তেই আপিস পৌঁছানোর। রিকিও তাই ই করত। অনেক সময়ই ড্রপ ইন খোলা থাকায় মানুষজন দুপুরবেলাও গল্প করতে আসতেন। বাকীরাও অনেক সময়ই ফিল্ডে যাওয়ার আগেই ড্রপ ইন করতেন।

    এই সময়টা বিতান অনেক সময়ই আমাদের সকলকে নিয়ে গ্রুপ ডিসকাশন করত। ওর যা কিছু জানা সব ও শেখাতে চাইত আমাদের সকলকে। কমিউনিকেশন, জেন্ডার, সেক্স সেক্সুয়ালিটি, যৌনরোগ- প্রথমিক লক্ষণ, এইচ আইভি / এডস, কন্ডোমের সঠিক ব্যাবহার, পিয়ার কাউন্সেলিং, ন্যাশনাল এডস কন্ট্রোল প্রোগ্রাম বিভিন্ন বিষয়ে। সব প্রশ্নের উত্তর মিলত না, আরও প্রশ্ন জাগত মনে। শুনতে শুনতে মনে হত আমাদের মত আমাদের মত মানুষরা বেশীরভাগ সময়েই পায়ুমৈথুনে অভ্যস্ত তাহলে পায়ুক্ষত বা অ্যানাল রেপচার বা পায়ুপথের কোন যৌনরোগের লক্ষনের উল্লেখ কোথাও উল্লেখ নেই কেন!

    এসময়ে আরও কিছু শব্দ আমার শব্দভান্ডারে যোগ হয়েছিল। এডস কন্ট্রোল পোগ্রামে না এলে যা হয়ত জানতাম না। মানুষের যৌন অবস্থানের ভিত্তিতে মানুষের ঝুঁকি বোঝা। প্রকল্পের নির্দেশিকা মতে, যে মানুষ বিছানায় শুধুই যৌনতা সম্পাদনে গ্রহীতার পোজিশনে থাকেন তিনি কতি।মনে করা হত এদের ঝুঁকি বেশি। যিনি ইনসার্টার বা দাতা হিসাবে যৌনতা সম্পাদনে অংশগ্রহণ করে থাকেন তিনি পারিক। তুলনামুলক ভাবে এদের নাকি ঝুঁকি কম। যিনি দুটোই করেন ডুপ্লি। এদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি!যদিও আমাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় জানি ঝুঁকি সকলেরই থাকে। আর তাই এই ভাগ আমার মাথায় কিছুতেই ঢুকত না।

    চন্দননগর থেকে ফেরার সময় ছেলেরা বুঝেয়েছিল মেয়েলি হাবভাব যারা করে তারা কতি।বিতান বুঝিয়েছিল কতি যাকে পারিক মনে করে সে পারিক।ব্যাপারগুলো নিয়ে আমি তখন পুরো 'ঘেঁটে ঘ'। ঝুঁকির গল্পে একমত হতে না পেরে খুব মনে হত এই সব নির্দেশিকা বা গাইডলাইন যারা বানিয়েছেন তাদের মাথা ধরে ঝাঁকিয়ে দিই। কিন্তু বাস্তবে তা সম্ভব ছিল না।
  • | বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৮ জুন ২০২১ | ১১৪৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • প্রত্যয় ভুক্ত | ৩০ জুন ২০২১ ১২:৫০495471
  • আপনি একটা কাজ করতে পারেন ,স্বপ্নময় চক্রবর্তীর "হলদে গোলাপ" ব‌ইটা পড়তে পারেন ;ওখানে উনি উপন্যাস লেখার পাশাপাশি এইসব জারগনগুলো খুব প্রাঞ্জল ভাবে প্রাথমিক ব্যাখ্যা করেছেন,তবে যদি ইতিমধ্যেই পড়ে থাকেন বা জেনে থাকেন,তাহলে নিজগুণে এ বাচালের ধৃষ্টতা‌ মার্জনা করবেন।

  • Jaydip Jana | ৩০ জুন ২০২১ ১৫:০৯495479
  • প্রত্যয়বাবু, পাশে থাকার জন্য ধন্যবাদ।  যদি কিছু মনে না করেন, ছোটোমুখে বড়ো কথা হলেও এটা সত্যি  "হলদে গোলাপ" আমার কাছে অনেকটা "মায়ের কাছে মাসির গল্প" শোনানোর মত । আমি কাউকেই ছোট না করে শুধু এটুকু জানাই , ওটা অনেকটাই গবেষণাধর্মী লেখা , আর এটা  আমার জীবনের লেখা। ওই জার্গন গুলো নিয়ে আমি অবহিত, এবং ওগুলো নিয়ে সম্যক ধারণা আছে।  কিন্তু আমার লেখায় সেগুলো নিয়ে আসার খুব ইচ্ছে নেই।  আশাকরি পশে থাকবেন।  হয়তো আর একটা অন্য অভিজ্ঞতা হতে পারে ..

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন