• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • পুরানো কথা পর্ব ১৪

    Jaydip Jana লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ০৭ মে ২০২১ | ১০৭৫ বার পঠিত
  • রণজয়ের বাবা মারা যাওয়ার আগেই ওর দাদার বিয়ে ঠিক হয়েছিল। মনে আছে এই বিয়ের অনুষ্ঠানটায় ভীষণ মাতামাতি করেছিলাম। প্রথম রণর সঙ্গে মিলে পুরো তত্ত্ব সাজিয়েছিলাম, যা দেখে পরবর্তী কালে রণর অনেক আত্মীয় বন্ধুদের বিয়েতেই তত্ত্ব সাজানোর ডাক পড়ত আমার। রণ-র মা, যাঁকে আমি জ্যেঠিমা বলতাম, উনি ই প্রথম বলেছিলেন বিনা পারিশ্রমিকে এত ভাল কাজ যেন আমি কোথাও না করি। একটু আধটু হাত খরচের টাকা নিজে রোজগারের আনন্দ পেয়েছিলাম ওনার জন্যই। রণজয়ের বৌদি -ই প্রথম যে আমার আর রণর সম্পর্কটা আন্দাজ করেছিল, কিন্তু মুখে কিছু বলেনি কোনও দিন। রণর তুতো বোনেরাও রণর সাথে সাথে আমাকে ভাইফোঁটা দিত।সবাই মিলে মাঝে মাঝে কখনওসখনও সকলের আড়ালে আমাকে রণর বৌ বলে মজা করতে ছাড়ত না, যা হয়তো আমাকে মনে মনে অন্যরকম সুখ দিত।

    পুসুমাকে চিরকাল দেখেছি জন্মদিন, বিবাহবার্ষিকী এসব পালন করতে। প্রতিবছর বাবা পাপা ছোটকাকুর বিবাহবার্ষিকিতে একটু অন্যরকম খাওয়াদাওয়ার চল ছিল। ছেলে বেলা থেকেই দেখেছি আমার জন্মদিনটা দুবার করে হয়। শুনতে মজা লাগলেও এটাই সত্যি। আমাদের বাড়িতে জন্মতিথির গুরুত্ব বেশি। আমার বাবার জন্ম তিথি রামনবমী হয়তো জন্ম তারিখ মনে রাখতে পারেনি তাই প্রতিবছর রামনবমীর দিনে বাবাকে পায়েশ পাঁচরকম ভাজা আর নতুন কাপড় দিত পুসুমা, পাপা,ছোটকাকু দের জন্ম মাসে শুক্লপক্ষ দেখে এভাবে জন্মদিন পালন করত পুসুমা। ভায়ের জন্মতিথি দূর্গাপুজোর নবমী ওর জন্যেও ওই দিন টাই পালন হত একই ভাবে। খালি আমার ক্ষেত্রে গুরুপূর্ণিমা যেহেতু প্রতি বছর আমার জন্মমাস শ্রাবণ মাসে পড়ত না তাই ওই দিন আমাকে মিষ্টি কিনে খাওয়াত। আর তারপর বাকিদের মত জন্মমাসে শুক্লপক্ষের জন্মবারে বাকীটা। অনেক বন্ধুদের জন্মদিনে কেক কাটা বা নেমন্তন্ন থাকলেও আমার বন্ধুদের নিয়ে জন্মদিন পালন প্রথম করে রণ। রণর বাড়ির কাছেই থাকত আমার স্কুলের বন্ধু টুবাই। টুবাইয়ের বাবা আর রণর বাবা চাকরিসুত্রে বন্ধু থাকায় টুবাইদের সাথে রণদের ছিল পারিবারিক বন্ধুত্ব। প্রথমবার আমার জন্মদিনের ইংরেজি তারিখে দুপুরে রণ আমায় ডেকে ছিল। গিয়ে দেখি রণ সারাদিন ধরে রান্না করেছিল। আর ওর মা নিজের হাতে পায়েস বানিয়েছিল আমার জন্য। সন্ধ্যেবেলা টুবাই ওর দিদি এসেছিল। জীবনে প্রথম কেক কেটেছিলাম। বৌদিভাই, রণজয়ের মা, রণজয় সবাই আমাকে আলাদা আলাদা উপহার দিয়েছিল। বাড়ির বাইরে বুড়োবয়সে অমন জন্মদিন পালনে গদগদ হয়ে বাড়ী ফিরেছিলাম আমি।

    আমাদের বাড়ীর সকলেই রাধাকৃষ্ণ মন্ত্রে দীক্ষিত। এই ঘরানার নিয়ম অনুসারে নাম বা মন্ত্র সকলের হলেও দীক্ষা সকলের হয়না। দীক্ষা হলে কন্ঠি ও তিলক ধারণ করতে হয়। ত্রিসন্ধ্যা আহ্নিকের সাথে সাথে নিরামিষ ভোজন ও আরও কিছু কিছু পালনীয় থাকে। পুসুমা ও বড়মার দীক্ষা হওয়ায় বাড়িতে পুজো আচ্চা আচার নিয়ম ভালই মানা হত। তবে তা অনেক বেশি পুসুমাই করত। বাকীদের ছাড় ছিল।আমার গর্ভধারিণীকে কখনও পুজোর ঘরে তেমন ঢুকতে দেখেছি বলে মনে পড়েনা। জেঠিমা -পুসুমা -মনিমার মধ্যেই নিত্যপুজোর চল ছিল। যদিও বারমেসে মনসা পুজো, জন্মাষ্টমী, রাধাষ্টমী, ইত্যাদি হতই। আর হেনও কোনও ব্রত ছিলনা যা জেঠিমা পালন করত না। যদিও এসবের মধ্যে সবথেকে আকর্ষন ছিল ব্রতকথার গল্প শোনা আর প্রসাদ খাওয়া। বিভিন্ন ব্রতের বিভিন্ন রকম নিয়ম, পুজো আর প্রসাদের উপকরণ।

    আমার ঠাকুমা মারা গিয়েছিল কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন। ছোট থেকে তাই আমাদের বাড়ীতে কোনও দিন লক্ষ্মীপুজো হতে দেখিনি। তবে বৃহস্পতিবার লক্ষ্মীর পাঁচালী পড়তে শুনতাম মা মানে জেঠিমাকে। লক্ষ্মী পুজো বলতে শুধু পৌষ সংক্রান্তির পুজোটাই বেশ বড় করে হলেও মুল প্রসাদ ছিল নবান্ন মাখা।যাকে আমরা মকর বলি। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর মত অতরকম উপাচারে প্রসাদের ওপর নজর ছিল ছোটবেলা থেকেই, পাশের বাড়ীর লক্ষ্মীপুজোর প্রসাদ আসলে তা ভাগে কম পেতাম বলে হয়তোবা।

    যখন জানলাম রনদের বাড়ী লক্ষ্মীপুজো হয় তখন আমার আহ্লাদ দেখে কে। রণর মা হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। পরপর দুবার অ্যাটাক হওয়ায় স্কুল থেকে স্বেচ্ছাবসর নিয়েছিলেন বলে জানতাম। ডাক্তারের নির্দেশে ভারী কাজ করা ওনার বারণ থাকলেও কথা শুনতে খুব একটা চাইতেন না, আর তাই অসুস্থ হয়েও পড়তেন অল্পেই। সেবার লক্ষ্মী পুজোর আগে তিনি অসুস্থ হলেন। বৌদিভাই ই আমার মত ঘটি বাড়ির মানুষ হওয়ায়, এবং ওদের বাড়ীতে পুজো আচ্চার চল না থাকায় বাঙাল বাড়ির নিয়ম কানুন জানত না। রণর মা যত না এসব মানতেন রণর আবার আচার আচরণে বড্ড বেশি কড়াকড়ি। ওর মা বলত, ওর মত লোকদের দেখেই রবিঠাকুর লিখেছিলেন, "তোমার পুজার ছলে তোমায় ভুলে থাকি"

    মনে মনে আমিও যেহেতু রণর বৌ,তাই সংসারের মঙ্গলের দায় তো আমার ওপরেও কিছুটা বর্তায়।সম্পর্কটা শুধু আমরা দুজনের যাপনেই সীমাবদ্ধ থাকলেও অতগুলো বছর আগে তো ওটাই ছিল আসলে আমার সংসার। তথাকথিত ভাবে নিজেকে মেয়ে না ভাবলেও মনে মনে নিজেকে রণজয়ের বৌ ভাবতে কোথাও কোনো অসুবিধা ছিলোনা আমার। আসলে আজও তো অভিধানে অন্য কোনো শব্দ খুঁজে পাইনা। মনে আছে বৌদি ভাইকে বলেছিলাম, "এত ভেবো না, দুজনে মিলে পুজো উৎরে দেব।" আর জেঠিমাকে বলেছিলাম, "তুমি শুধু গাইড করবে, দেখো তোমার পুজো ঠিক হয়ে যাবে।"

    যাই হোক বাঙাল বাড়ির লক্ষ্মীপুজোর হ্যাপা সামলানো আমার মতো ঘটি বাড়ির ছেলের পক্ষে সোজা কথা ছিলোনা সেদিন।তিনতলা বাড়ি পুরোটা জুড়ে আল্পনা দেওয়া যতনা পরিশ্রমের তার থেকে পরিশ্রমের কাজ ভোগ বানানো। তার আগে পর্যন্ত চিরকাল তো প্রসাদ খাবার সাথেই পুজোর সাথে সম্পর্ক ছিল আমার। তবে কিনা আমি তো তখন সংসার ভাবনায় বুঁদ। আর তাই তথাকথিত শাশুড়ির তত্ত্বাবধানে রান্নাঘরের দায়িত্ব নিতে খারাপ লাগেনি এতটুকু। সেই প্রথম আমার নারকেল ছাড়ানো, তাও একসাথে দশ বারটা। বাড়ীতে কোনও দিন নারকেল ছাড়াই নি। নারকেল নাড়ু বা মোয়া আগে বানালেও তিলের নাড়ু বানানো সেই প্রথম। সাদা তিল শুকনো খোলায় ভালো করে ভেজে তুলে রেখে, তার চেয়ে কম পরিমানে আখের গুড় নিয়ে জ্বাল দিয়ে চিটচিটে হলে তিলটুকু মিশিয়ে পাক হলে, গরমাগরম হাতে সরষের তেল বা ঘি মাখিয়ে নাড়ু পাকানো কতটা ঝক্কির তা বুঝেছিলাম সেদিন। দুটো হাতের তালু লাল হতে সময় লাগেনি কেননা একটু ঠান্ডা হয়ে গেলেই আর নাড়ু পাক হবে না পুরোটাই শক্ত মণ্ড হয়ে যাবে যেটা খেতে গেলে দাঁত ভেঙে যেতেও পারে কিংবা কারো মাথায় ছুড়ে মারলে আলু হতে সময় লাগবে না। সেদিন বুঝেছিলাম খাবার খেতে যত আনন্দ খাবার বানাতে তার চেয়ে অনেক ঝক্কি।

    তিনতলা বাড়ীটা পুরোটা আলপনা দিতে দিতে মনে মনে হাসছিলাম আর ভাবছিলাম এই এত কাজ আমি করছি এ যদি আমার মনিমা পুসুমা জানত তো রণ-র রক্ষে রাখত না ।

    তবে সময়ের সাথে সাথে রণজয়ের তথাকথিত সামাজিক বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর আর সম্পর্কটা টেঁকেনি স্বাভাবিক ভাবেই। সে সব কথায় পরে আসবো। ৩৭৭ পরবর্তী সমযে আজও তো সমকামী বিবাহের নেই কোনো আইনি স্বীকৃতি। আর অতগুলো বছর আগে সেসব তো কষ্টকল্পনা। তবুও আজ মাঝে মাঝে আমি তিলের নাড়ু বানাই। আর নস্টালজিকহয়ে ফিরে যাই সে সব দিনে ভাবি আবারো কোনো একদিন সংসার হবে, আর সংসারের মঙ্গলকামনায় লক্ষ্মী ছেলে হয়েই না লক্ষ্মী পুজো করব।

     

  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ০৭ মে ২০২১ | ১০৭৫ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 97.91.195.43 | ০৮ মে ২০২১ ০৫:৩৯105693
  • এই সিরিজটা চোখে পড়েনি আগে। আজ খুঁজে পেলাম। ভালো লাগছে পড়তে। লেখা চলুক। পড়তে থাকবো।

  • Jaydip Jana | ০৮ মে ২০২১ ১৩:১২105702
  • ধন্যবাদ@kk

  • সে | 2001:171b:c9a7:d3d1:3988:8cc0:fdcc:18fd | ১১ জুন ২০২১ ১৮:৪২494848
  • অসম্ভব রকমের তীব্রতা এই লেখায়।

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন