• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • পুরানো কথা পর্ব ২৫

    Jaydip Jana লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ২৯ জুন ২০২১ | ৪৬৮ বার পঠিত
  • আস্তে আস্তে বিতানের সঙ্গে আমার সম্পর্ক অনেকটাই সহজ হয়ে গেছে। কাজের বাইরেও ছুটির দিনের বিকেল গুলো অনেক সময় কাটে ওর সাথে চন্দননগরের গঙ্গার ধারে। ওর বাড়ীতেও যাওয়া শুরু হয়। অনেক সময় কোনও কোনও বন্ধুদের সাথেও দেখা হয়ে যায়। একদিন বিকালে ওর বাড়ী গিয়েছিলাম। ওর ঘরে মাটিতে বসে সোফায় হেলান দিয়ে রবীন্দ্রনাথের গান শুনছিলাম আর পুরানো কথা নিয়ে আলোচনা করছিলাম । এই সেই বিতান যাকে নাকি আমি পছন্দ করতাম না হয়তো একটু বেশি আবেগপ্রবণ হয়েছিলাম কফির কাপে চুমুক দিতে দিতে। পিছনে সোফায় বসা বিতান মাথার চুলে হাত দিয়ে বিলি কাটছিল। হাতের আঙুল যখন ঘাড় কান পেরিয়ে গালে এসে পৌঁছাল একটা আবেশে ভরে গেছিলাম সেদিন। সম্মতি বুঝে বিতান ঠোঁট নামিয়ে আলতো চুমু খায় কপালে। আর তারপর প্রস্তাব দেয় জীবনসঙ্গী হওয়ার। চূড়ান্ত বহুগামী বিতানের এ প্রস্তাবে হতবাক আমি। আমার নীতিবাগীশ মন শর্ত চাপায় অফিসে তখুনি কোন কথা যেন প্রকাশ না পায়, তাতে দুজনের কাজেই অসুবিধা হতে পারে। আর তারপর ভেসে গিয়েছিলাম শরীরের মুর্ছনায়। সেদিন অদ্ভুত এক ভাললাগা নিয়ে বাড়ী ফিরেছিলাম । প্রতিদিনের মত খুশির খবরটা বিপ্রদাস কে না জানানো পর্যন্ত শান্তি হচ্ছিল না যে। ফোন করতেই জানতে পারি বিতানের থেকে আগেই জেনে গেছে ও।

    বিপ্রদাসকে বিতান দাদার মত ভালবাসত। যদিও ওদের মধ্যেকার অন্য ইকিউয়েশনে বিতান ছিল রানী আর বিপ্রদাস ওর মন্ত্রী । তবে বিপ্রদাস আমার ভাসুর হলেন সম্পর্কে ।

    পরের দিনই রিকিকে বিতান জানায় এখবর। প্রচন্ড খুশি হয় রিকি। প্রেম আর পারা গোপন থাকেনা। কয়েকদিনেই বাকীরাও জানতে পেরে খুশিই হয়। অফিসের সবথেকে বয়সে ছোট বাচ্চা শিবনাথ যাকে আমরা শিবু বলে ডাকতাম আর যে সবচেয়ে বেশি দাবি আব্দার আর চোটপাট করত সে হল আমাদের মেয়ে। শিবু প্রথম থেকে, যখন এই প্রজেক্টের ম্যাপিং, নিড অ্যাসেসমেন্ট এর কাজ শুরু হয় তখন থেকেই কাজ করে আসছে।

    সবমিলিয়ে হেটারোনর্মাটিভ আঙ্গিকে আমার সংসার জীবন নতুন করে শুরু হল।

    আর আমার তখন কুল রাখি না শ্যামরাখি অবস্থা। মনের মধ্যে ঝড় পারসোনাল আর প্রফেশনাল সম্পর্কের গন্ডীটা বজায় রাখার। যদিও বিতান কথা রেখেছিল, কাজের জায়গায় কোনওরকম ব্যক্তিগত অনুভুতি প্রকাশ করত না ও। কিন্তু ছুটির দিনগুলো ওর সাথে কাটানোর অভ্যেস শুরু হল আমার।

    এর কদিন বাদেই কোলকাতার উপকন্ঠে এই প্রজেক্টের সকলকে নিয়ে এক আবাসিক কর্মশালার আয়োজন হয়েছিল। আমার মত এতগুলো মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে কয়েকটা দিন কাটানো আমার সেই প্রথম। আমরা বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক ও ভৌগোলিক অবস্থানে বসবাসকরা বিভিন্ন মানুষ। এই চারদিনব্যাপী কর্মশালার মাঝে এই যে মনের আদান প্রদান, গ্রাম, শহর, মফস্বল,আধা মফস্বল বিভিন্ন রকম জীবনযাপনে অভ্যস্ত বিভিন্ন বয়সের মানুষ আমাদের এক এক জনের অভিজ্ঞতাও এক এক রকমের। সবকিছু ছাপিয়ে একটাই যোগসূত্র সকলেই জন্মসূত্রে সমজন্মলিঙ্গগত পরিচয়ের মানুষের ওপরেই শারিরীক ও মানসিক আকর্ষন বোধ করি। আবার কেউ কেউ নিজের জন্মগত লিঙ্গ পরিচয়ে স্বস্তিবোধ করি না। সকলেই আসলে নিজের মত মানুষদের ভাল রাখতে চাই। নিজেকেও ভাল রাখার রাস্তা খুঁজে পেতে চাই । এইচ আইভি এডসের এই কাজের পাশাপাশি কেউ গাজনের গান গায়, কেউ শীতলা মনসার পালা গায়, কেউ ছবি আঁকে, কেউ নাচ, কেউ অভিনয়, কেউ হাতের কাজ, সেলাইফোঁড়াই, কেউ রান্না ভালবাসে। এত শুধু রামধনুর সাতরঙ নয়, সপ্তসুরের সমাহার।

    এত নতুন মানুষের মধ্যে একমাত্র পরিচিত পুরোনো মুখ পবণ ঢাল। সেই কাউন্সেল ক্লাব পর্বের পর বেশ কয়েকবছর হল তখন পবন SAATHII নামক সংস্থার কোলকাতা অংশের কর্ণধার। SAATHII কোলকাতা তবে শুধু পশ্চিমবঙ্গই না, পুর্বভারতের বেশ কিছু রাজ্যে কাজ করে। আমাদের এই প্রকল্পের টেকনিক্যাল অ্যডভাইসার হিসাবে তাঁর এখানে উপস্থিতি। বহুদিন বাদে নতুন করে দেখে ভাল লেগেছিল।

    এছাড়াও কয়েকটা দিন বিভিন্ন ব্যক্তিত্ব, বিভিন্ন অভিজ্ঞ মানুষদের সহায়তায় বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ছিল এ কয়েকদিনের রুটিনে।

    সামাজিক লিঙ্গ পরিচয়, জন্মগত লিঙ্গ পরিচয়, যৌনতা, মানুষের সাথে সহজে যোগাযোগস্হাপণ, সঙ্গে প্রথাগত মডিউলের বাইরে গিয়ে বিহেভিয়ার চেঞ্জ কমিউনিকেশনের সম্ভাব্য হাতিয়ার আর কি কি হতে পারে, কেমনকরে আউট রিচের মধ্যে দিয়ে একে অন্যের আস্থাভাজন হয়ে ওঠা যায় বিভিন্ন বিষয়।


  • এইচ আইভি এডসের পাশাপাশি বৃহত্তর কমিউনিটির উন্নতি সাধন ও ভবিষ্যতে সংগঠনের কর্মযজ্ঞ এগিয়ে নিয়ে চলার পরিকল্পনার পাশাপাশি হয়তো কর্মশালার উদ্দেশ্য এটাও ছিল, মানুষের আচরণ পরিবর্তন সম্পর্কে সকলকে সচেতন করে এইচআই ভি এডসের ঝুঁকি কমানো সম্পর্কে সকল কর্মীবৃন্দের সম্যক ধারণা তৈরী করা। মজার কথা এ ঝুঁকি তো শুধু শারিরীক বা যৌন স্বাস্থ্যের না। মানসিক স্বাস্থ্য নিয়েও ভাবা প্রয়োজন তা বোধ হয় বোঝা গেছিল দ্বিতীয় দিনের রাতে।

    শুধু ড্রপ ইন সেন্টার না এই সমস্ত কর্মশালা আমাদের মত মানুষদের কাছে অক্সিজেন। সারাদিনের পড়াশোনার পর সন্ধ্যেবেলা হয় কালচারাল অনুষ্ঠান নয়তো ভালো কোনও মুভি দেখা যার মধ্যে দিয়ে কমিউনিটি মবিলাইজেশন কমিউনিটি মোটিভেশনের গল্প পাওয়া যায়। আর এই সময়টা খোলসের বাইরে বেরিয়ে এসে সাজগোজের সময়। যারা সারাবছর পুরুষ শরীরের খাঁচায় নারী মন নিয়ে ছটপট করেন তারা তথাকথিত মেয়েদের সাজপোশাকে নিজেদের মধ্যে কার নিজেকে একটু খুঁজে দেখার চেষ্টা করেন। কর্মশালায় আাসার আগেই যখন শিবু এসব পুরানো অভিজ্ঞতার গল্প শোনাচ্ছিল বিতান সকলকেই এসব না করার অনুরোধ করেছিল। শিবু আমায় বুদ্ধি দিয়েছিল, চুপিচুপি ব্যাগে করে শাড়ী গয়না নিয়ে রাখার। বলেছিল, "সবাইকে পড়তে দেখে তোর যদি ইচ্ছে করে তখন কোথায় পাবি, নিজের জিনিস নিজের থাকা ভাল। " আমি যে তখনও নাকউঁচু অন্যের পরা জামাকাপড় পড়তে বাধোবাধো ঠেকে মুখে কখনও না বললেও আমার মেয়েটা ঠিকই বুঝেছিল।

    ওয়ার্কশপের প্রথম দিন সকালে জেন্ডার -সেক্স- সেক্সুয়ালিটি ও সাজগোজ নিয়ে আলোচনায় একটা বিতর্ক তৈরী হয়েছিল। আসলে অনেকেই তথাকথিত মেয়েলি সাজগোজের পক্ষে। অনেকেই মনে করত সেটা তার অধিকার। আমিও বিপক্ষে ছিলাম না । তবে আমি মনে করতাম অধিকার পেতে গেলে অনেক বেশি দায়িত্বও নিতে হয়। তবে আমার বেড়ে ওঠা দিয়ে আমি বিশ্বাস করতাম বিয়েবাড়ি বা পার্টি অনুষ্ঠানের সাজগোজ এর সঙ্গে শ্রাদ্ধ বাড়ীর সাজপোশাক কখনই এক হতে পারেনা। আমার আজও মনে হয় সাজটা নিজের জন্য, অন্যকে প্রভাবিত করার জন্য না। সেটাতে সেদিন অনেকেই একমত হতে পারেনি। অতবছর আগেও বিশ্বাস করতাম নারীত্ব একটা অনুভুতি। আজও সেটাই বিশ্বাস করি। সেদিনও ভাবতাম যদি তথাকথিত মেয়ে হতেই হয় তো কোন মেয়েটা আমি হব। শরৎচন্দ্রের নায়িকা হয়ে চোখের জলে অদৃষ্টকে মেনে নেব নাকি আজকের যুগের আধুনিক নারী হয়ে বিমান চালিকা হব। আসলে সকলের ভাবনা এক না। চিরাচরিত স্বামী শাঁখা সিঁদুরের সংসারে ভারতীয় সতী নারীর আদর্শ তো আজও অনেক বেশি জ্বাজ্জল্যমান। আর তাই পুরুষ শরীরে মেয়েদেরকে নিজেদের আরও বেশি বেশি মেয়ে প্রমান করতে হয় সমাজের কাছে। যে কতির এমনি সময়ে কোমর বাঁকেনা তারও মোড়ের মাথায় চারটে ছেলে দেখলে নিজের অজান্তেই কোমর বেঁকে যায়। আমার এসব ভাবনা রূপান্তরকামী বন্ধুরা অনেকেই মেনে নিতে পারেনি সেদিন। সবচেয়ে মজার কথা রূপান্তরকামী শব্দটাও অনেকের অভিধানে ছিল না সেদিন।

    দ্বিতীয় দিনের সন্ধ্যের পর কয়েকজন বন্ধু গাজনের গান শোনাবে বলে সাজগোজ শুরু করে, শাড়ী গয়না পরচুল মিলিয়ে সুন্দর সাজ । তারপর প্রায় আস্তে আস্তে প্রতিটা ঘর হয়ে গিয়েছিল গ্রীনরুম। ক্রমশঃ বেশিরভাগ মানুষের ভেতরের মেয়ে হয়ে ওঠার বাসনা সাজপোষাকে প্রকাশ পেতে শুরু করেছিল সে পরিসরে। সবদেখে শুনে সত্যিই নিজেকে ধরে রাখতে পারিনি সেদিন। শিবুকে সেদিন জড়িয়ে ধরে আদর করেছিলাম। মেয়েটা আমায় সত্যি বুঝেছিল। সবশেষে আমার ব্যাগ থেকে আস্তে আস্তে বেড়িয়ে এসেছিল মায়ের নীল কালো গাদোয়াল, সঙ্গে ম্যচিং নীল মিনাকরা কুন্দনের হার দুল। মেকআপ বক্স।পাশের ঘরের অভীক দিয়েছিল কাল হাইনেক হাতা কাটা ব্লাউস। দাড়ি আর শাড়ির সংঘাত না মানলেও সাজতে সাজতে মেরুন লিপস্টিক ঠোঁটে দেওয়ার পর জীবনে প্রথমবার গোঁফ গিয়েছিল চুরি।আয়নায় নিজেকে দেখে নিজেই চিনতে পারিনি। আর সবশেষে যখন নিচের ডাইনিং হলে ঢুকলাম চোখ ফেরাতে পারেনি বিতানও। অনেকের কাছেই সকালের আমি হয়ে গেছিলাম অচেনা।

    রাতের বেলা মেকাপ তোলার সময়ে কেউ কেউ সিঁদুর খেলায় মেতে উঠেছিল কেউ কেউ। আর তাতেই আবেগ প্রবণ হয়ে গিয়েছিল অনেকে। সিঁদুরের স্বীকৃতি জীবনে জুটবে না এ সত্যটা অনুধাবন করে কেঁদে ফেলেছিল কেউ বা। মনে হয়েছিল সিঁদুর তো অনেক দূর সম্পর্কের স্বীকৃতি কজন পায়।

    আসলে সামাজিক ফ্রেম অফ রেফারেন্সটা এত বেশি করে মাথায় গেঁথে বসে যায় যে সমলিঙ্গের সম্পর্কেও সেই নারী-পুরুষের তথাকথিত সম্পর্ক,বিয়ে ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলোকেই সম্পর্কের স্বীকৃতি বলে মনে হয়। নিজেদের অজান্তেই আমাদের সঙ্গীরা মনের ভেতর সঙ্গী/ বন্ধু / পার্টনার না হয়ে শুধুই বর-বৌ/ স্বামী স্ত্রীর খাঁচায় ঘুরতে থাকে। অভিধানটাও এত সেকেলে যে সেখানেও অন্য শব্দের কোনও অপশান নেই। তথাকথিত সিসজেন্ডার হয়েও কেউ কেউ মনে মনে শাঁখা-সিঁদুরের ফ্যান্টাসির লালনও করতে থাকি। আর তাই তো দশমীর সিঁদুর খেলায় অংশ নেওয়া বা দোলের লাল আবিরের আধিপত্য ও আমাদের জীবনে কয়েকগুন বেশি।

    আসলে মনে মনে তো সমাজ নিয়মে সিঁদুরের স্বীকৃতিটাই লালিত হয়। আর হাইলি পলিগ্যামাস সম্পর্কের মাঝখানেও প্রেমিকপুরুষের হাতের সিঁদুর,সম্পর্কের অধিকার নিয়ে কখনও কখনও আরও বেশি নেশা ধরাতে সক্ষম। নেশায় বুঁদ হতে মনে মনে অনেকের মত আমি তো আজও চাই। আসলে ওই নেশায় মাতাল হয়ে বোকা বনতে চাওয়াটাই যে আসল ফ্যান্টাসি, স্বপ্নে পোলাও রাঁধলে যতখুশি ঘি ঢালোনা কেন কে আটকাবে...

    সে রাতে সকলেই বুঝেছিল একচুটকি সিঁদুরের কিমত কতটা। অনেক রাত পর্যন্ত চলেছিল কান্নার রোল। সকলের জীবনেই কোনও কোনও সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার চেপে স্মৃতি বেড়িয়ে এসেছিল কান্না হয়ে। সারারাত মানুষগুলোকে সামলে ছিল যে দুজন মানুষ তাদের অবদান ভোলার নয়। একজন শ্রীপর্ণা, একজন ঝিলম (নাম পরিবর্তিত )। দুই মানসিকস্বাস্থ্য সহায়িকা, দুই কাউন্সেলর।

    শ্রীপর্ণা বহুছর এই প্রজেক্টে আমাদের সঙ্গে কাজ করলেও ঝিলমকে আমরা বেশিদিন পাইনি। অনেক পরে শুনেছিলাম এই সংগঠনের আর্থিক সহায়তা অনুমোদনের জন্য কোনও এক পদস্থ আমলার অঙকশায়িনী হওয়ার প্রস্তাব না মেনে নিতে পেরে চলে যেতে হয়েছিল তাকে। প্রান্তিক মানুষদের পাশে থাকতে এগিয়ে আসা একজন মুলস্রোতের মানুষকে হয়তো সংকীর্ণ প্রান্তিকতার দায়ে হারিয়ে ছিলাম আমরা। যদিও কোনও প্রামান্য নথি এব্যাপারে নেই তাও "যা রটে তার কিছুটাও বটে"।
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৯ জুন ২০২১ | ৪৬৮ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন