• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • পুরানো কথা পর্ব ২২

    Jaydip Jana লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ২৪ জুন ২০২১ | ৭৫৭ বার পঠিত
  • মনিমা-পুসুমার একটা অদ্ভুত ভাবনা ছিল। মনে করত কোথাও বেড়াতে গেলে বাড়ির একজন সঙ্গে যাওয়াটা জরুরি। বয়স জনিত কারণে যদি বিদেশবিভুঁইয়ে কিছু ঘটে তাহলে বাড়ির লোকের হাতে মুখে আগুন পাবে। আর তাই বিভিন্ন জায়গায় বেড়াতে গেলে সঙ্গী হতাম আমি। সেবার পরীক্ষা শেষে তাই ওদের সাথে কালীপুজোর সময় বেনারস বেড়াতে যাওয়া ঠিক হল। দেওয়ালি উপলক্ষে বেনারসের অন্নপূর্না মন্দিরে, সোনার অন্নপূর্ণা বিগ্রহের দর্শন সাধারণের জন্য তিনদিন খুলে দেওয়া হয়। আর এই উপলক্ষে অন্নকূট-মহোৎসবও হয়ে থাকে। আমার ভগবান বিশ্বাস, দেবদ্বিজে ভক্তি অনেকটাই সংস্কারবশত।

    টাকাপয়সার ব্যাপারে আমি চিরকালই ট্যালা। অন্নকূটের আগের দিন অন্নপূর্ণা মন্দিরে পুজো দেওয়ার কুপণ সংগ্রহ করতে গিয়ে স্বভাবতই খুচরো না থাকায় বড় নোট দিয়ে ভাংতিটা ফেরত নিতে ভুলে গেলাম। যখন বুঝলাম তখন তো মনখারাপের শেষ নেই। অতবছর আগে হাতখরচের ওই সামান্য টাকাই অনেক। বাসায় ফিরে মনখারাপ করে মুখ কালো করে বসে আছি। যে পান্ডার ধর্মশালায় উঠেছিলাম উনি আমাকে দেখে জানতে চাইলেন কি হয়েছে। আমি কিছু বলার আগেই মনিমা সবটা ওনাকে জানাল। উনি হাসতে হাসতে বললেন, "এটা কোনও কথাই না, কাল সকালে যখন প্রসাদ দেওয়া হবে তখন একটু আগে আগে মন্দিরে গিয়ে অফিসে বলবে, ওরা হিসাব মেলাতে গিয়ে টাকা বেশি হলে সে টাকা তোমায় ফেরত দিয়ে দেবে।" পরদিন ভোরবেলা মনিমাকে সঙ্গে নিয়ে মন্দির গেলাম। একদম ভিড় হালকা থাকায় আরও একবার বিগ্রহ দর্শন হল। ঠাকুর প্রণাম করে মন্দির অফিসে গিয়ে বললাম, স্বাভাবিকভাবেই কোনও সুরাহা হলনা। হতোদ্যম আমাকে মনিমা বোঝাল, "ও টাকা মা অন্নপূর্ণার কাছেই গেছে। বিশ্বাস ভরে মাকে ডাক যেন সারাজীবন অন্নের অভাব না হয়।" মনে মনে তোতাপাখির মত সে বুলি আউরে বাসায় ফেরত এলাম। ঢোকার মুখেই পান্ডা ভদ্রলোকের সাথে দেখা সবশুনে তিনিও মণিমার মতো বললেন, "মা তোমার অন্নের দায়িত্ব নিলেন। জীবনে তোমার অন্নের অভাব হবে না।" আমার পাপীমন বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলাচলে মা অন্নপূর্ণাকে আরও একবার মনোবাসনা জানিয়ে পরদিন বেনারস ত্যাগ করল।

    বাবু বিপ্রদাস বেনারস যাচ্ছি শুনে আব্দার করেছিলেন তাঁর জন্য যেন প্যাঁড়া নিয়ে ফিরি। বামুনের আব্দার রাখব না সেও কি হয়। কিন্তু ওদিকে হাতখরচের একটা অংশ তো মা অন্নপূর্ণার জিম্মায়। অগত্যা পুসুমার স্মরণ। মনিমা আর পুসুমা সর্বদাই আমার বন্ধুদের আদরের চোখে দেখে এসেছেন। তার ওপর বিপ্রদাসের কথা প্রায় প্রথম দিন থেকে এত শুনেছেন যে, "না বিইয়ে কানাইয়ের মা "-এর মত না দেখেও বিপ্রদাস তাদের ভাইপো হয়ে গেছেন। সুতরাং মুশকিল আসান হতে সময় লাগেনি।

    বেনারস থেকে ফিরে যোগাযোগ করলাম বিপ্রদাসের সঙ্গে। আর ওদিকে বিনয়ী বিপ্রদাস আমার কাছে আবারও একটা আব্দার করে বসলেন। তাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে আসন্ন জগদ্ধাত্রী পুজোর কয়েকদিন সন্ধ্যাবেলায় এইচ আইভি সচেতনতা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছে। যদি আমি সেখানে স্বেচ্ছাশ্রম দিই ওই কয়দিন তবে তিনি বাধিত হবেন। তাঁর বলার ঢঙে হেসে ফেলে রাজীও হয়ে গেলাম।

    সেই যে বিতানের সাথে জীবনের প্রথমবার চন্দননগর এসেছিলাম তার পর আবারও জগদ্ধাত্রীপুজোয় আমি চন্দননগরে। পাশাপাশি দুটি এডস সচেতনতা শিবির। একটি বিতান ও বিপ্রদাসদের সংগঠনের ও আর একটি অন্য একটি সংগঠন আয়োজিত "পুরুষ যৌন স্বাস্থ্য" প্রকল্পের। দুটি শিবিরের কাজকর্মই একই রকমের। দেখেশুনে বেশ অবাক হলাম। যদিও অবাক হওয়ার আরও বাকী ছিল।

    চন্দন নগরে ওই পুরুষ যৌনপ্রকল্পের স্টলে দেখলাম এমন মানুষজন যাদের সাজপোশাক যেন একটু বেশিই চড়া । সাজগোজ নিয়ে আমি বেশ ওয়াকিবহাল বরাবরই। আমিও সাজতে ভালবাসি, হয়তো লুকিয়ে লিপস্টিকও ব্যবহার করেছি অনেকসময়ই। কিন্তু পুরুষ মানুষের অমন মোটা করে কাজল, বড়বড় পুঁতির মালা, হাতে মোটামোটা রঙীন বালা পরণে ছোট পাঞ্জাবি আর চাদর, নয়তো ফুলছাপ লুঙ্গি এমন সাজপোশাক দেখে কেমন একটা হতভম্ব হয়ে গেছিলাম সেদিন। বড় অস্বস্তি হচ্ছিল।

    আমার ছোট বেলা থেকে বড় হওয়ার মধ্যেও বেশ কিছুটা মেয়েলিপনা ছিল। একটা বয়স পর্যন্ত সেগুলো নিয়ে বাড়ীর লোকে প্যাম্পার করলেও বড় হওয়ার সাথে সাথে নিজের সাজগোজের ইচ্ছেটা মনের মাঝেই লুকিয়ে ছিল। রণ র সঙ্গে সম্পর্কের কারণে সেটা আরও চাপা পড়ে গেছিল। আসলে বিছানায় নারীত্বকে নিয়ে আদিখ্যেতা করলেও বাইরে যে সেটা করা যায় না। তারপরেও মেয়েলি পুরুষের সঙ্গে চলাফেরায় যদি নিজের সম্পর্কে লোকে কিছু বলে! যদি গোপন কথা গোপন না থাকে। তারওপরে আমার ভাবনারও খামতি ছিল। নিজেকে তো মেয়ে মনে করে মেয়েলি হতে চাইতাম না। আমি তো ছেলে অথচ যার কয়েকটা প্রসাধনীর ওপর আর শাড়ীর ওপর আকর্ষণ। আর তাই ট্রেনে বাসে রাস্তায় মেয়েলি পুরুষদের এড়িয়ে চলার অভ্যাস আমারও ছিল। ছেলেবেলায় লেডিস বা মেয়েন্যাকড়া শব্দের সাথে পরিচিত ছিলাম যা কখনও আমাকেই শুনতে হয়েছে কিন্তু রণর কল্যাণে আর একটা শব্দের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম ' ছক্কা'। আর ওই যাতায়াতে ট্রেনের কামরায় কিছু মুখ পরিচিত হলেও রণ আগলে আগলে রাখত আমাকে ওইসব "ছক্কাকাটিং" ছেলেদের থেকে। মজার ব্যাপার কোথাও যেন ওরা আমাকে বেশি বেশি টানত। তবে তাদের সঙ্গে এদের যেন কোথাও মিল খুঁজে পেলাম না।

    আবার এলাকায় হিজড়া মহল্লার মানুষদের সাথে স্কুল যাওয়ার পথে পরিচিত ছিলাম । এরা ওনাদের মতও না। এযেন নাটকের মঞ্চের কোনও কুশীলব।

    সে বয়সে ‘জেন্ডার ননকনফরমিটি’র মত শব্দের সাথে একেবারেই পরিচিত ছিলামনা।

    খানিক বাদেই আলাপ হল প্যান্টশার্ট পড়া টমবয়িস গোলগাল একটা মেয়ে প্রচন্ড হাসিখুশি মানুষ রিকি র সাথে। সঙ্গে রিকির বান্ধবী মৌটুসী র সাথে। বিতান তো এসেই মৌটুসীর সাথে ফ্লার্ট করতে লাগল। খানিক বাদে যদিও বুঝলাম রিকি আর মৌটুসী প্রেম করে। আর এই রিকির উদ্যোগে খানিক বাদেই বেশ আলাপ হয়ে গেল পাশের শিবিরের "ওদের" সঙ্গে। আলাপ হওয়ার পর পরিচিত হলাম আর একটা নতুন শব্দ 'কতি 'র । জানলাম এরা কতি। সেদিন বাড়ী ফেরার সময় ছলবলে কয়েকটা বাচ্চার সাথেও আলাপ হল। যারা বিতানদের সংগঠনের সাথে যুক্ত। এতদিন দূর থেকে দেখলেও সামনাসামনি আড্ডা দিতে দিতে একসঙ্গে ফিরলাম সেদিন। একসাথে ফিরতে গিয়ে আরও একটু জ্ঞান অর্জন হল। বুঝলাম আসলে কতি মানে মেয়েলি পুরুষ। এটা উল্টি ভাষা সে ভাষায় আরও কিছু বিশেষ শব্দ যোগ হল আমার ঝুলিতে, সবগুলো শব্দই যৌনতায় মাখামাখি। কিন্তু সাহিত্যের ছাত্তর হয়েও এমন ভাষার কথা কোনদিনও শুনিনি। ভাবলাম হবে হয়তো কোনও আঞ্চলিক ভাষা। ওরা আমাকেও কতি বলতেই রিয়্যাক্ট করে উঠলাম, "আমি কতি নয়"। ওরা হাসতে লাগল। ভেতরে নানান প্রশ্ন নিয়ে হাজির হলাম পরের দিন বিকালে। সেদিন যেতেই আগের দিনের কতিকুল উলু দিয়ে উঠল। বেশ মজা পেলাম। ওদের সাথে ততক্ষণে বেশ বন্ধুত্ব হয়ে গেছে। কোথাও মনে হচ্ছে সাজগোজের বাড়াবাড়িটা বাদ দিলে আমরা যেন অনেক দিনের বন্ধু। কাজের ফাঁকে গল্পে গল্পে মজে গেলাম ওদের সাথে। কাজ তেমন কিছু নয়। পুজোপ্যান্ডেলের ভিড়ের মানুষদের দাঁড় করিয়ে এইচ আইভি এডসের লিফলেট দেওয়া কখনও লিফলেটে কি আছে বলা আর সঙ্গে কন্ডোম বিলি করা। আর যাদের সাথে কথা বলা হচ্ছে তাদের একটা কাগজে সই করানো আর কন্ডোম বিলির হিসাব রাখা।

    চারদিন বেশ মজায় কেটেছিল। ক'টা দিনেই এমন একটা বন্ডিং তৈরী হল শেষদিন আসার সময় ছেড়ে আসতে মন চাইছিল না। চোখের কোনটাও ভিজে উঠেছিল, আবার দেখা করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফোন নম্বর বিনিময়ে ফিরে এসেছিলাম সেদিন। তখনও জানতাম না এই মানুষ গুলোই একদিন আমার ভবিষ্যতের হাসিকান্নার সাথী হতে চলেছে।

     

  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৪ জুন ২০২১ | ৭৫৭ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন