• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা

  • পুরানো কথা পর্ব ২১

    Jaydip Jana লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ২২ জুন ২০২১ | ৬২৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • আগের পর্বে লিখেছিলাম ট্রেনে ফেরার সময় বাবু-বিপ্রদাসকে দেখে মনের মধ্যে কেমন একটা কুড়কুড় করে উঠেছিল। তা সেদিন ফিরেই বিতানের সঙ্গে কথা বলে ফোন নম্বর নিয়ে যোগাযোগ করেছিলাম বিপ্রদাসের সাথে।সঠিক মনে নেই, বোধহয় প্রথম দিনেই আবদার করে বসেছিলাম গ্র্যাজুয়েশনের পরীক্ষার আগের কয়েকমাস রোজ একবার করে ফোনে কথা বলার ।সম্মতিও পেয়েছিলাম। আসলে পরীক্ষার আগের ক'মাস সারাদিন বাড়ীতে ভীষণ একা লাগত। বেশ কিছুদিন হয়ে গেলেও রণ-র সাথে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার ক্ষতটা তখনও পুরোপুরি শুকোয়নি। রোজ রাতে নিয়ম করে কথা বলতে বলতে হারিয়ে যেতে চাইলেও বিপ্রদাস তার চারপাশে একটা লক্ষণের-গন্ডী টেনে রেখেছিলেন। বিপ্রদাসের ছেলেবেলা,নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ-আশ্রমের ছাত্রবেলা, বিভিন্ন রামকৃষ্ণ মিশন-স্কুলে পড়ানোর অভিজ্ঞতা, আমার স্কুলজীবন সব নিয়ে কথা বলতাম দুজনেই অনর্গল।আর ছিল রবীন্দ্রনাথ। আর ছিল স্বামী বিবেকানন্দের "সখার প্রতি" কবিতা। এই কবিতার লাইন গুলো এক একটা করে বিপ্রদাস বলতেন,আর আস্তে আস্তে আমার মনের উত্তরণ ঘটত। রবিঠাকুর ছাড়া একমাত্র এই একটি কবিতা আজও খুব মনখারাপে আমাকে শক্তি দেয়।

    অনন্তের তুমি অধিকারী, প্রেমসিন্ধু হৃদে বিদ্যমান,

    'দাও,দাও' _ যেবা ফিরে চায়,তার সিন্দু বিন্দু হয়ে যান।

    এ'দুটো লাইন সব মান অভিমান ভুলে আবারও নতুন করে বিশ্বাস জাগাত। মানুষকে ভালবাসার, মানুষের জন্য বাঁচার কথা ভাবতাম। এ কবিতা দিয়ে বিপ্রদাস আরও একটা কথা বোঝাতে চাইতেন, কোনও বাঁধনে যেন তাকে না আটকাই। বন্ধু হয়ে পাশে থাকি। বিপ্রদাসের মধ্যে খুঁজে পেয়েছিলাম সত্যিকার মানুষের জন্য কিছু করার ভাবনা। আর তাই আমিও থাকতে চেয়েছিলাম 'পথের দাবী'-র 'সুমিত্রা'-র মত। সংকল্প করেছিলাম বিপ্রদাসের পথে কখনও বাধা না দেওয়ার। তাও মানুষের দেহে শুধু মন না শরীরভাবনাও থাকে, তখন আমার জীবনে সেটাও পুরোপুরি বর্তমান। বিপ্রদাসের কথায়, বেড়ে ওঠার সংস্কারের মধ্যে দিয়ে ওর নিজের ওপর কেমন একটা হীনম্মন্যতা দেখতে পেতাম। ওই বয়সে মনে হত, তা যদি আমি কাটিয়ে দিতে পারতাম কোনও মন্ত্রবলে, 'তাই দিতাম। আস্তে আস্তে ভালবেসে ফেলেছিলাম বিপ্রদাসকে।

    মনে মনে ভালবাসলেও বিপ্রদাসকে বলে উঠিনি তখনও। আসলে ভয় পেতাম। ভাবতাম এই যে পরীক্ষার আগে রোজের কথা বলার অভ্যেস, রাত সাড়ে নটা বাজলেই ফোন করি বা ফোন আসে ,এ যদি একদিন না থাকে তখন...! পরীক্ষা মিটলে একদিন বলেই বসলাম এ ভাবনার কথা। বিপ্রদাস আত্মবিশ্বাস নিয়ে বললেন আমি তাকে ফোন না করে বা একদিনও তার সঙ্গে কথা না বলে থাকতে পারব না। লাগল ইগোতে। আর সেটা পরখ করে দেখারও ইচ্ছেও ছিল মনে মনে। এক অদ্ভুত বাজী লড়লাম দুজনে। এ বাজীর শর্তটা বেশ মজার ছিল যে জিতবে সে অপরজনের কথা মত কাজ করবে। আসলে তো এখানে ঠিক কোনও হারজিত ছিল না।

    ঠিক হল পরপর তিনদিন আমরা কেউ কোনও ফোন করব না। জেদ আমার বরাবরই বেশি। আজও যদি কোনও কিছুকে ভয় পাই তা হল আমার নিজের জেদ। এই জেদের কারণে ভাল-মন্দ অনেক কিছুই হয়েছে আমার জীবনে।

    যাই হোক প্রথম দিনটা কেটে গেল। দ্বিতীয় দিন সন্ধ্যের পর থেকেই বারবার ফোনের ঘরের আসে পাশে ঘুর ঘুর করতে শুরু করলাম। কিন্তু ফোন নৈব নৈব চ। তৃতীয় দিন বিকাল, মনিমা বলল বিপ্রদাস বলে কেউ একজন ফোন করেছিল আমি যেন ফোন করি। তারপরেও কয়েক ঘন্টা কেটে গেলেও আমি ফোন করলাম না। প্রতিদিনের নির্দিষ্ট সময়ের আগেই একবার ফোনটা বেজে কেটে গেল। খানিকটা বাদে শ্যামের বাঁশি আবার বাজল। ফোনটা তুলতেই হাসতে হাসতে বাবু বিপ্রদাস হার স্বীকার করলেন, এবং ছল করে আমাকে হারানোর প্ল্যান করেছিলেন সেটাও জানালেন। এবং শর্ত হিসাবে তার প্রস্তাব জানালেন যদিও এ বাজীতে তিনি জিতলেও এই প্রস্তাব রাখবেন অন্য ভাবে এটা ভেবে রেখেছিলেন, তা জানাতেও ভুললেন না।


  • বিপ্রদাসের মাতামহের সৌজন্যে বকখালির কাছে বিস্তৃত এলাকায় ফ্রেজারগঞ্জে একটি অনাথ শিশুদের নিয়ে বিদ্যালয় ও অনাথ আশ্রম আছে। সেই অনাথ আশ্রমের অছি পরিষদে তার মাতুল ও পিতৃদেব পরিচালনার কিছু দায়িত্ব পালন করে থাকেন । বংশানুক্রমে সেই জমিদারির পরিচালন কার্য সামলানো পরামর্শ তথা পরিদর্শন হেতু মাঝে মাঝে ই বাবু বিপ্রদাস মিশ্র সেখানে গমন করে থাকেন। এখন বাজীতে হেরে গিয়ে আমার পরীক্ষার শেষে যেহেতু হাতে সময় অনেক বেশি তাই সপ্তাহান্তের ছুটিতে তার সঙ্গে নিয়ে যাওয়ার বাসনা প্রকাশ করলেন। খুশিতে ডগমগ হয়ে বাড়ীর লোকের সম্মতি নিয়ে যাওয়া স্হির হলো। সেই আমার বাড়ী থেকে অতটা দূরে প্রায় অচেনা লোকের সাথে বেড়াতে যাওয়া তথা "রাত্রিযাপন"।

    এতো শুধু বেড়াতে যাওয়া নয়, মনের মধ্যে কুড়কুড়িও। অনেকটা সময় বিপ্রদাসকে নিজের মত করে পাওয়া, অনেকরকম ভাবনা, উত্তেজনাও। আমার কাছে ডায়মন্ড হারবার বা বকখালি মানেই তখন বইয়ে পড়া জগত, "সপ্তপদী" সিনেমার এই পথ যদি না শেষ হয়। রাস্তায় যেতে যেতে অনর্গল বকবক। কথায় কথায় বেড়িয়ে গেল আমি সাঁতার জানিনা। শুরু হল স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতে বিপ্রদাসের ভয় দেখানো। বকখালি যেতে হলে পার হতে হয় হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদী, আর সেটা নাকি পার হতে হয় ডিঙি নৌকাতে। এ নদীতে কামঠের প্রকোপ অনেক বেশি। যদিও কার্যক্ষেত্রে দেখলাম নদীটা অত চওড়া না তবে গভীরতা বেশি। আর ডিঙি নৌকা না সাধারণ দাঁড় টানা নৌকায় পারাপার। যদিও ভেসেলে করে বাস বা গাড়ী সমেত পার হওয়া যায়। তবে তার নির্ধারিত সময় আমরা অনেক আগেই পেরিয়ে গেছি। এরপর আঁধার নামতেই শুরু হল লোডশেডিং, গ্রাম্য রাস্তায় সাপখোপ আর তেনাদের গল্প। এ যেন নতুন করে ইন্দ্রনাথের সাথে শ্রীকান্তর অ্যডভেঞ্চারে যাওয়া।

    রাস্তাতেই জানতে পেরেছিলাম আশ্রমের কাজকর্মের কারণে কোলকাতা থেকে তাঁর আরও দুজন বন্ধু যাবেন। পৌঁছে দেখলাম আমাদের অনেক আগেই তাঁরা পৌঁছে গেছেন। আলাপ হল তাঁদের সঙ্গে একজন তার মধ্যে বেশ সুদর্শন ও সুপুরুষ।

    বিপ্রদাসকে নিয়ে সমস্ত ফ্যান্টাসির বাড়া ভাতে ছাই পড়ল যখন দেখলাম অতিথিশালার একটি ঘরে আলাদা আলাদা চারটি বিছানায় রাত্রিবাসের ব্যবস্থা হয়েছে । যাই হোক মনের বাসনা মনেই রয়ে গেল।

    এই আশ্রমটা বেশ সুন্দর। ঢুকেই ডানহাতে উপাসনাগৃহ। তারপাশেই ছাত্রাবাস। ছাত্রাবাসের সংলগ্ন খাওয়ার ঘর। বাঁদিকে খানিকটা পেরিয়ে অতিথিশালা। পুরো প্রাঙ্গনটা ফলফলাদির গাছগাছালিতে ভরা। শেষপ্রান্তে সীমানা সংলগ্ন একটা বিশাল পুকুর, পুকুরের ঘাট শানবাঁধানো। ঠিক যেন ছেলে বেলায় পড়া "স্বপনবুড়ো"-র লেখা "বাবুই বাসা বোর্ডিং"। আশ্রম পেরিয়েই ঝাউবন, আর ঝাউবন পেরোলেই সমুদ্র।

    বিপ্রদাস খুব ভাল গল্প বলেন। রাতের বেলা পুকুরের ঘাটে বসে চারজনে শুরু হল নানান গল্প। ওদিকে কাকচক্ষুর মত জলে সেই সুদর্শন পুরুষটি সাঁতারের ইচ্ছা প্রকাশ করলেন। খানিকটা বাদে বুঝলাম আমার কান যতনা গল্প শুনছে চোখ তার থেকেও বেশী যাচ্ছে জলের মাঝে সন্তরণরত পুরুষটির অনাবৃত ভিজে দেহে। আস্তে আস্তে শুরু হল ভুতের গল্প। হাড় হিম করা ভুতের গল্প শুনছিলাম মন দিয়ে। হঠাতই বাকীরা কাজের প্রয়োজনে উঠে চলে গেলে আমি উঠতে গিয়ে দেখলাম অন্ধকারে ভয়ে আমার পা সরছে না। আর সেই ভয় ভাঙাতে ফিরে এলেন সুইমিং কস্টিউম পরা যুবাপুরুষটি । ভয় ভাঙাতে ভিজে গায়ে বুকে টেনে নিতে কখন যেন দুটো ঠোঁটই একসাথে মিশে গেছিল।

    পরের দিন খুব ভোরে দুজনে সমুদ্রের ধারে সুর্যোদয় দেখতে গিয়ে সুর্যদেবের সাথে সাথে অনঙ্গদেবের আশিষ লাভ করেছিলাম দুজনেই। আর সেই আশির্বাদের ফলে যা কিছু হয়েছিল তার সাক্ষী থেকে গিয়েছিল সমুদ্রের নোনা বালি আর ঝাউবন। তারপরেও বেশ কিছুকাল আমাদের মধ্যে অন্যরকম যোগাযোগ থাকলেও কালের নিয়মে টানটা হারিয়ে গেছে। তিনি আজ বিবাহিত এক সন্তানের পিতা। যদিও আজ শুধু যোগাযোগটা রয়ে গেছে অন্যরকম টা বাদ পড়েছে।
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২২ জুন ২০২১ | ৬২৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ২৪ জুন ২০২১ ০৮:১০495254
  • অকপট প্রেম। আর প্রথম প্রেমের মাধুর্যই আলাদা! আরও লিখুন

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন