এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  বই

  • হাঁটতে হাঁটতে

    লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বই | ০৬ জুন ২০২৪ | ২৮৬ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • দীর্ঘ পদযাত্রা বলতে আমার প্রথমেই মনে আসে গান্ধিজীর ডান্ডি অভিযান। ইংরেজের লবণ আইনের প্রতিবাদে ২৪ দিন ধরে পায়ে হেঁটে ৩৮৫ কিলোমিটার অতিক্রম করার গল্প। স্কুলের ইতিহাস বইয়ে পড়া  লম্বা রাস্তা হেঁটে পেরোনর ঐ গল্পের পর আবার লকডাউনের সময় অভিবাসী শ্রমিকদের হেঁটে হেঁটে বাড়ি ফেরার গল্প চমকে দিল মধ্যবিত্ত ও উচ্চমধ্যবিত্ত ভারতকে। ডান্ডি অভিযান আর লক ডাউনের মাঝেও রয়েছে অজস্র হাঁটার গল্প আমার আপনার চোখের আড়ালে। জলের জন্য হাঁটা, স্কুলে যাওয়ার জন্য হাঁটা। কাজ খোঁজার জন্য হাঁটা, কাজ হারিয়ে হাঁটা। কখনও ভালবাসার গল্প কখনও বা মৃত্যুর ঘ্রাণমাখা অন্তহীন হাঁটার গল্প মিশে রয়েছে এই দেশের এক বড় সংখ্যক মানুষের যাপনে। 

    বুন্দেলখন্ডের সাতনা জেলার রাজোলা গ্রামের মেয়েদের পড়াশোনা শেষ হয় ক্লাস ফাইভে উঠলেই। কারণ মনে করা হয় ঐ বয়সে মাথায় দুটো মাটির  কলসি পরপর বসিয়ে হাঁটার ক্ষমতা হয়ে যায় মেয়ের। আর এই ক্ষমতার সদ্ব্যবহার ভিন গাঁ থেকে জল আনার কাজেই হওয়া উপযুক্ত বলে মনে করেন সেখানকার বাসিন্দারা। এই গ্রামের মেয়েদের বিয়েও হয় হাঁটতে পারা এবং জল আনতে পারার ক্ষমতার উপরে ভিত্তি করেই। মেয়েদের রূপ এখানে তেমন কোনও গুরুত্ব পায় না। উত্তরপ্রদেশ ও মধ্যপ্রেদেশের সীমান্ত অঞ্চল ঝাঁসি, চম্বল ইত্যাদি এলাকায় ১২ টা গ্রামে প্রচলিত নিয়ম হল যে সব গ্রামে  জলের কোন উৎস আছে অর্থাৎ মেয়েদের অন্যত্র যেতে হয় না জল আনতে সেই গ্রামের প্রাপ্তব্য বরপণের পরিমাণ সবচেয়ে বেশী।

    ‘গাঁও কানেকশান’  নামক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সমীক্ষায় জানা যাচ্ছে ১৯টা রাজ্যের ৩৯ শতাংশ গ্রামীণ মহিলা প্রতিদিন গড়ে ৭ কিলোমিটার করে হাঁটেন জল আনার জন্য। ১৮ হাজার মানুষের মধ্যে সমীক্ষা করে দেখা গিয়েছে ৩ হাজার জন দিনে দুবার  ৫ কিলোমিটার করে হাঁটেন জল বহনের জন্য। মোটামুটি দেখা গেছে ভারতের একজন গ্রামীণ মহিলা দিনে গড়ে ৫ থেকে ২০ কিলোমিটার হাঁটে শুধু জল আনার জন্য।  ভূগর্ভস্থ জলতল ক্রমশ নেমে যাওয়ায় আরো বেশী করে মানুষ দূরবর্তী স্থান থেকে জলবহনে বাধ্য হচ্ছেন আর এঁরা বেশিরভাগই মহিলা। এ তো গেল শুধু জলের জন্য হাঁটা। এবার  আমরা একটু পিছিয়ে যাই চলুন। ১৯৪৭ এর জুনে ভারত ভাগ হবে এবং পরে সীমান্ত  ঘোষণার  সঙ্গে সঙ্গেই সীমান্তের দুই পার জুড়ে শুরু হয় অভূতপূর্ব মাইগ্রেশান যার অনেকটাই হেঁটে হেঁটে।   

    ১৯৪১ এ জাপান বোমা ফেলে বার্মায় আর সেখানে বসবাসকারী সাধারণ ভারতবাসী প্রথমে রেঙ্গুন থেকে জাহাজে করে ভারতে ফেরার চেষ্টা করে। মাস দুই পরে জাহাজঘাটা বন্ধ হয়ে গেলে বার্মায় আটকে পড়া ভারতবাসী হাঁটতে শুরু করে। তিনটি রুট ধরে হেঁটে ফেরে মানুষে, একটি আরাকান কয়ে চট্টগ্রাম আরেকটি চিন্দউইন উপত্যকা ধরে মণিপুর সীমান্ত আর তৃতীয় রুট লেদোপাস হয়ে অসম। তা সেই বোধহয় প্রথম রুজিরুটির সন্ধানে বাইরে যাওয়া ভারতবাসী আচমকা বিপর্যয়ে একসাথে হেঁটে ১০০০ কিলোমিটারের মত রাস্তা পাড়ি দিয়ে স্বস্থানে ফেরার চেষ্টা করে। এবার এই যে রুজিরুটির সন্ধানে বাইরে যাওয়া এর কারণ মূলত নিজ বাসস্থান বা আশেপাশে জীবিকার যোগাড় না হওয়া।

    ১৯৪৭-৪৮ এ দেশভাগ পরবর্তী মাইগ্রেশান ও অসংখ্য লোকের হাঁটার ছবির পরে ভারত আবার দেশবাসীকে হাজারে পনেরোশ মাইল হাঁটতে দেখল লক ডাউনের সময়। মাত্র তিন ঘন্টার নোটিশে গোটা দেশ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিভিন্ন পেশার শ্রমজীবি মানুষ পথে নেমে আসতে বাধ্য হন। তাঁদের কাজ এবং বাসস্থানও চলে যায়, অথচ যানবাহন সব বন্ধ,থাকার উপায় নেই  ঘরে ফেরার উপায়ও নেই।  প্রধানমন্ত্রী বা নীতি নির্ধারক মন্ত্রীরা কেউই এঁদের কথা ধর্তব্যের মধ্যে আনেন নি। ২০২০র ৮ইমে  সারা ভারত আঁতকে উঠেছিল মহারাষ্ট্রে আওরঙ্গাবাদের কাছে রেললাইনে ছিটিয়ে থাকা রক্তমাখা আধপোড়া রুটি আর মানুষের দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গর ছবি দেখে। ৮৫০ কিলোমিটার হেঁটে বাড়ি পৌঁছোবার কথা ছিল মানুষগুলোর।  

    এই দলটির অধিকাংশ লোক ছিলেন গোন্দ সম্প্রদায়ের, আওরঙ্গাবাদ থেকে ছত্তিশগড়ে ফেরার ট্রেন  চালু হতে পারে এই সম্ভাবনার কথা শুনে এঁরা লাইন ধরে হাঁটতে শুরু করেন। এঁরা জানতেন কোথাও কোন ট্রেন চলছে না, তাই ৩৬ কিলোমিটার অর্ধাহার, অনাহারে একটানা হেঁটে   অবসন্ন হয়ে লাইনে ঘুমিয়ে পড়ার সময় এঁদের মনে রেললাইনে ঘুমানোয় কোনও বিপদাশঙ্কা কাজ করে নি। ছিন্নভিন্ন মৃতদেহের ছবি দেখে অবশ্য ভারতবাসীর একাংশ প্রশ্ন তুলেছে ‘রেললাইনটা কি ঘুমানোর জায়গা?’ সেই ভারতবাসী যারা প্রধানমন্ত্রীর উপদেশ  মেনে ব্যালকনিতে থালা বাটি পিটিয়ে, রাত ন’টায় বাড়ির সব আলো নিভিয়ে ব্যালকনিতে প্রদীপ জ্বালিয়ে করোনার সাথে লড়েছে।

    রেললাইনকে বালিশ আর কংক্রীটের স্লিপারকে বিছানা বানিয়ে যারা ঘুমিয়ে পড়েছিল তাদের কারো বাড়িতেই ‘ব্যালকনি’ নেই, ছিলও না কস্মিনকালে। বিদ্যুৎ সংযোগও কজনের বাড়িতে ছিল বা আদৌ একজনের বাড়িতেও ছিল কিনা সন্দেহ। একটা ব্যপার এখানে খেয়াল করার মত সেটা হল যে কোনো রেল দুর্ঘটনায় আমরা দেখি রেলের তরফে এবং সরকারের তরফে হেল্পলাইন তৈরী হয়, আহত নিহত ব্যক্তিদের নাম আছড়ে পড়ে  দূরদর্শনের পর্দায়, সংবাদপত্রের পাতায়। এই ঘটনার পরে আমরা কোনও মাধ্যমেই মৃতদের নাম ধাম তেমন দেখতে পাই নি। তবে জামলো মাকদম বা রণবীর সিঙের নাম আমরা অবশ্য জানতে পেরেছি। জামলো সেই ১২ বছরের মেয়েটি ১৫০ কিলোমিটার হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে বাড়ির ৫০ কিলোমিটার আগে মরে যায়।

    রণবীর সিং, দিল্লি থেকে হেঁটে মধ্যপ্রেদেশ যেতে গিয়ে ২০০ কিলোমিটার চলার পরে পথে শুয়ে মরে যায়।  ফোনে বাড়ির সাথে শেষবার কথা হবার সময় ফিসফিস করে বলেছিলেন  সম্ভব হলে এসে আমাকে নিয়ে যাও। সরকারি নীতির প্রত্যক্ষ প্রভাবে মৃত এই শ্রমজীবিদের অন্তত দেহটুকুও কোনও সরকারই  বাড়ি পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা করে নি। আসুন  এবার একটা অন্যরকম হাঁটার গল্পে চোখ রাখি। উত্তরাখন্ডে এখনো পর্যন্ত ৭৩৪টি গ্রামকে বলা হয় ভুতিয়া গাঁও, মানে ভুতুড়ে গ্রাম। না না ভুতের ভয় টয় নয় জীবনধারণের  প্রাথমিক জিনিষগুলো যথা খাদ্য,বস্ত্র, বাসস্থান,জল, বিদ্যুৎ, সড়ক, শিক্ষা, স্বাস্থ্যকেন্দ্র না পেয়ে  দলে দলে মানুষ গ্রাম ছেড়ে চলে গেছে অন্য কোথাও। গ্রাম শুন্য হওয়া ঠ্যাকাতে সরকার একটি দপ্তর তৈরী করেছে ‘উত্তরাখন্ড পলায়ন আয়োগ’।

    উত্তরাখন্ডের পাউড়ি গাড়োয়াল জেলায় এরকম অসংখ্য গ্রাম আছে যার লোকসংখ্যা মাত্র দুই কিংবা এক। থেকে যাওয়া শেষ বাসিন্দার মৃত্যু হলে গ্রামটি সম্পূর্ণ শুন্য হয়ে যাবে। এরকমই একটা গ্রাম সাইনা। একটামাত্র পরিবার অবশিষ্ট রয়েছে, দুজন মানুষ, ভরত সিং ও তাঁর স্ত্রী সুশীলা। দুটো  গরু আছে তাঁদের, সামনের জমিতে কুমড়ো, শশা আর কিছুটা বাজরা চাষ করেন। একদিকে মস্ত উঁচু পর্বতশ্রেণী আর একদিকে সরু ঝর্ণা থেকে তৈরী হওয়া নদীর মাঝে সাইনা। মাসে একবার গ্যাস সিলিন্ডার আসে, সেই ভ্যান ওঁদের বাড়ি পর্যন্ত আসতে পারে না। কারণ রাস্তা নেই। ভরত সিং পাহাড়ি চড়াই উৎরাই বেয়ে সিলিন্ডার ঘাড়ে পিঠে করে নিয়ে আসেন কয়েক কিলোমিটার। পথের মাঝামাঝি এক জায়গায় সুশীলা এসে দাঁড়িয়ে থাকেন। বাকী পথটুকু দুজনে ধরাধরি করে নিয়ে আসেন সিলিন্ডার।

    সারা ভারত জুড়ে বছভর  যে মাইলের পর মাইল পদযাত্রা চলে এগুলো তারই সামান্য  কয়েকটা টুকরো দেখলাম আমরা। এরকম আরো অজস্র  হেঁটেচলার, হাঁটতে হাঁটতে বসে পড়ার, পড়ে মরে যাবার নির্মম কাহিনী রয়েছে সমৃদ্ধ দত্তর  লেখা ‘হাঁটার গল্প’ বইয়ে। এই লকডাউনে যারা হেঁটে গেল দেশজুড়ে তারা কজন পৌঁছাল গন্তব্যে? কেমন ছিল সেই পরিযায়ী শ্রমিকদের নিরন্তর হাঁটার অপমানগুলোর কাহিনী? কত রকমের মাইগ্রেশান হয় দেশে? শিক্ষার নিরিখে একেবারে নীচের দিকে থাকা বিহার আর একদম উপরে থাকা কেরলে মাইগ্রেশানের হার এত বেশী কেন? কী সেই অন্তর্নিহিত সমীকরণ যার ফলে দলে দলে মানুষ বাইরে যায়? এইরকম নানা প্রশ্নের উত্তর এই বইতে  খোঁজার চেষ্টা করেছেন লেখক।

    ঝলমলে সোশ্যাল মিডিয়া আর স্মার্টসিটির বাইরে কবে থেকে যেন হেঁটেই চলেছে আরেকটা ভারত। এতদিনে তাদের অন্তত নামটুকু নথিবদ্ধ থাকার কথা ছিল সরকারের কাছে। কথা ছিল, কিন্তু নেই আসলে, আর সেজন্য আমরা ন্যুনতম লজ্জিতও নই, প্রশ্নও করি না কেন অভিবাসী শ্রমিকদের তালিকা নেই সরকারের কাছে? কেন স্বাধীনতার ৭৫ বছর পরেও গ্রামীণ মেয়েদের এত হাঁটতে হবে শুধুমাত্র জলের জন্য? বইটা আমাদের জ্বলন্ত এই প্রশ্নগুলোর মুখোমুখী দাঁড় করিয়ে দেয়। মনে করিয়ে দেয় ‘সুনাগরিক’এর দায়িত্ব পালন করি নি আমরাও। অত্যন্ত জরুরী বইটায়   সামান্য দু’একটা ত্রুটি যা নজরে এল ‘জামলো মাকদম’এর নাম ‘জামালো’ লিখেছেন একাধিকবার। মৃত বালিকার নামটুকু অন্তত ঠিক করে বলা দরকার আমাদের সকলেরই। ১০৪ নম্বর  পৃষ্ঠায় রাজেন্দ্রর বাবার মৃত্যু  প্রথমে লেখা হয়েছে জমিবিক্রির শোকে হার্ট অ্যাটাক, কিছু পরে আবার করোনায় মৃত বলে লেখা। এই খুচরো ভুলগুলো আঁটসাঁট সম্পাদনায় এড়ানো সম্ভব ছিল।  

    বই – হাঁটার গল্প
    লেখক – সমৃদ্ধ দত্ত
    প্রকাশক – দে’জ পাবলিশিং
    দাম – ৩০০/-    
     

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০৬ জুন ২০২৪ | ২৮৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাপাঙ্গুল | ০৬ জুন ২০২৪ ২২:৩৩532816
  • এই লেখাটা আগে একবার বুবুভায় পড়েছিলাম মনে হচ্ছে। yes
  • সুদীপ্ত | ০৭ জুন ২০২৪ ২২:৪২532866
  • বইটা সত্যি ভালো, পরিযায়ী শ্রমিকদের কোভিড-কালীন ঘরে-বাইরে নির্মম ভোগান্তির একটা প্রায় দলিল বলা যায়। অন্যান্য ভাষাতেও অনুবাদ হওয়া উচিৎ। 
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ০৭ জুন ২০২৪ ২৩:০৩532867
  • অসম্ভব ভালো রিভিউ। বইটার কথা জানতাম না, জেনে সমৃদ্ধ হলাম।
  • Nirmalya Nag | ০৮ জুন ২০২৪ ১০:২৪532886
  • খুব  ভাল রিভিউ। আচ্ছা, গাঁও কানেকশন এর ওই সার্ভেটা কোন সময়ে করা হয়েছিল?
  • | ০৮ জুন ২০২৪ ১০:৫৮532891
  • পাপাঙগুল, হুঁ আমারো মনে হচ্ছিল কিন্তু তারপর খুঁজে পেলাম না তাই তুলেই রাখলাম। 
     
    বি, আমি হিন্দি পড়তে পারি না। আপনি কষ্ট করে নামগুলো তুলে দেবেন প্লীজ। 
     
    সুদীপ্ত, হ্যাঁ রে। 
     
    রমিত, নির্মাল্য, থ্যাঙ্কু।
     
    নির্মাল্য, বইতে ছিল কিনা মনে পড়ছে না। আরেকবার নামিয়ে দেখে জানাবো। 
     
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:39c2:dc23:2db8:d3d7 | ০৮ জুন ২০২৪ ১১:০৫532893
  • এই বইটাও পড়বো। 
     
    লকডাউনের সময়ে জব ডেস্ট্রাকশান নিয়ে সেই সময়ে একটা অ্যানালিসিস হয়েছিল, বুকমার্ক করে রেখেছিঃ 
     
     
    এটা ২০২১ এর রিসার্চ, এর পর হয়তো আরও আপডেট হয়েছে। এই ডেটাটা মনে হয় লকডাউনের সময়ে মাইগ্রেশানের সংখ্যা বুঝতে কিছুটা সাহায্য করবে। 
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:39c2:dc23:2db8:d3d7 | ০৮ জুন ২০২৪ ১১:১২532894
  • তবে হাজার হাজার মাইল হাঁটা অনিশ্চিত গন্তব্যের উদ্দেশ্যে, রাস্তাতেই বহু লোকের মারা যাওয়া, বাকিদের গন্তব্যে পৌঁছেও নতুন অনিশ্চয়তা, শুধু আমাদের দেশেই হয় না। ল্যাটিন অ্যামেরিকাতেও হচ্ছে, ভেনিজুয়েলা, পেরু ইত্যাদি দেশে থেকে হাজার হাজার লোকের মিছিল পায়ে হেঁটে মেক্সিকো ক্রস করে ইউএস এর বর্ডারে পৌঁছে যাচ্ছে। সেই এলিসিয়াম সিনেমার মতো। 
     
    আর আরেকটা হাঁটার রুটের গল্প জানি - নেপাল থেকে বহু মানুষ ভারতে আসেন পায়ে হেঁটে, বর্ডারে সব কিছু খুইয়ে, তারপর ভারতের নানা জায়গায় ছড়িয়ে পড়েন। অনেকে সাউথে চলে আসেন কারন এখানে কাজ পাওয়ার কিছুটা সুবিধা। কৃশ আর শালুর গল্প দুয়েকবার লিখেছি ভাটে, ওরাও ওভাবেই চেন্নাইতে এসে পৌঁছেছিল মা বাবার সাথে। 
  • b | 14.139.196.230 | ০৮ জুন ২০২৪ ১১:১৭532896
  • মাছিমারা  :)ঃ 
     
    ১। ধর্মেন্দ্র সিং গোন্ড ।
    ২। নির্বেশ সিং গোন্ড । 
    ৩। বুদ্ধরাজ  সিং গোন্ড । 
    ৪। অচ্ছেলাল সিং ।
    ৫ । সুরেশ সিং কৌল । 
    ৬ । রাজবোহরম  পারস সিং ।
    ৭ । ধন সিং গোন্ড । 
    ৮। বিগেন্দ্র সিং চৈনসিং । 
    ৯ । প্রদীপ সিং গোন্ড ।
    ১০। সন্তোষ নাপিত। 
    ১১। বৃজেশ  ভৈয়াদীন ।
    ১২ । মুনীম সিং শিবরতন সিং  (এটা টাইপো না দুজনের নাম বোঝা যাচ্ছে না )
    ১৩। শ্রীদয়াল সিং 
    ১৪। নেমশাহ সিং । 
    ১৫। দীপক সিং গৌড় ।
    ১৬। রবীন্দ্র সিং গোন্ড ।
    (সবাই প্রায় উমেরিয়া বা শাহডোলের বাসিন্দা ) । 
     
     কোভিডের সময়ে দৈনিক ভাস্করের ভূমিকা অসামান্য ছিলো। তার জন্যে  আই টি রেড ও হয়েছিলো। 
     
     
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন