এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  পরিবেশ

  • এক বিপন্ন প্রজন্ম ও আমাদের ভবিষ্যৎ।

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | পরিবেশ | ২৩ জুন ২০২৬ | ২০ বার পঠিত
  • এক বিপন্ন প্রজন্ম ও আমাদের ভবিষ্যৎ।
     
    আমার বাড়ির সামনের রাস্তা বেয়ে প্রতিদিন নানান বয়সের শিশু থেকে কিশোর কিশোরী ছাত্রছাত্রীরা স্কুলে যায়। সবার সঙ্গে না হলেও এদের জনাকয়েকের সঙ্গে টুকটাক কথার সূত্রে একটা সম্পর্ক তৈরি হয়েছে। অবশ্য সে সম্পর্ক খুব যে গভীর,সে কথা বলবোনা। পথ চলতি সম্পর্কের সেতু কবে আর দীর্ঘস্থায়ী হয়? টানা গরমের পর্ব মিটিয়ে স্কুলগুলোতে আবার ছেলেপিলেরা যাতায়াত শুরু করেছে দেখে মনটা বেশ চাঙ্গা হয়ে ওঠে।সুতো ছেঁড়া ফেলে আসা দিনের কথা মনে পড়ে যায়। বছরের নানা সময়ে ওদের আসা যাওয়া দেখতে দেখতে কখন যেন পথচলতি ওদের রোদ জল শীতের আমেজ মাখা আনন্দ আর কষ্টের শরিক হয়ে যাই।
     
    গরমের কারণে বেলার স্কুল সকালে উঠে আসে, বর্ষার ভেজা দিনগুলো জল থৈ থৈ হয়ে উঠতেই অনেকের বাড়ি থেকে বেরনো হয়না, বন্যার আঁচ পেতেই স্কুলবাড়ি ভরে ওঠে জলভাসি মানুষজনের ভিড়ে, শীতের দাপট খুব বেশি হলে প্রয়োজনীয় শীত পোশাকের অভাবে কুঁকড়ে থাকে নবীন শরীরগুলো। এভাবেই এক আশ্চর্য লড়াই করে বেড়ে ওঠে আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের চারাগাছেরা।
     
    খুব সম্প্রতি ইউনিসেফের এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে পরিবর্তিত জলবায়ু নিয়ে এই দেশের শিশুদের কিছু বাস্তব সমস্যার কথা। তারা সবাই যে পাঠশালায় যায় হয়তো এমন নয়, ( গেলে তার থেকে আনন্দের কিছু হতোইনা ) – এদের মধ্যে কেউ কেউ মাঠে ঘাটে খেলে বেড়ায়,মা বাবার সঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করে, গজিয়ে ওঠা দোকানে সামান্য কিছু টাকার বিনিময়ে উদয়াস্ত ঘাম ঝরিয়ে কাজ করে। এরা সবাই পরিবর্তিত বাতাবরণের শিকার – স্বেচ্ছায় নয়, বাধ্য হয়েই। এদের নিরাপত্তার ঝুঁকি ক্রমশই বাড়ছে।
     
    সমীক্ষার ফলাফল থেকে জানা গেছে –
     
    ১. এই মুহূর্তে আমাদের দেশের ৯৭% শিশু অন্যূন দুটি আবহাওয়া সংক্রান্ত বিপর্যয় বা সংশ্লিষ্ট প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের শিকার।
     
    ২. দেশের ১৫৮ মিলিয়ন সংখ্যক শিশু তাপদাহ ও খরা পরিস্থিতির ফলে চরম ভুক্তভোগী।
     
    ৩. ভারতের ২৩৪ মিলিয়নেরও বেশি সংখ্যক শিশু কমপক্ষে তিনটি চরম জলবায়ু পরিবর্তনজনিত আবহিক বিপর্যয়ের সামনে পড়তে বাধ্য হচ্ছে যার ফলে বাড়ছে তাদের শারীরিক সুস্থতার সমস্যা, দেখা দিচ্ছে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি, পঠনপাঠন ও নিরাপত্তার সংকট।
     
    ৪. ইউনিসেফের পক্ষ থেকে অতি সত্বর শিশুদের সুরক্ষার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তাদের সম্ভাব্য বিপর্যয় সম্পর্কে সচেতন করার সাথে সাথে তাদের সামাজিক প্রয়োজন ও সামাজিক সুরক্ষার বিষয়টিকে সুনিশ্চিত করার ওপর জোর দিতে বলা হয়েছে।
    সমীক্ষার বিস্তারিত আলোচনায় বলা হয়েছে যে ভারতের প্রায় প্রতিটি শিশুই কমপক্ষে একটি আবহিক বিপর্যয়ের দ্বারা পীড়িত, অন্যদিকে ৯৭% শিশুকে একাধিক বিপর্যয়ের সম্মুখীন হতে হয়।
     
    গত ১৬ জুন ২০২৬ প্রকাশিত এই রিপোর্টৈ পরিসংখ্যান তুলে বলা হয়েছে যে দেশের ৪১১.৬২ মিলিয়ন শিশু কমপক্ষে দুটি আবহাওয়া সংক্রান্ত অথবা বিপর্যয় সংশ্লিষ্ট বিপন্নতার শিকার হয়। এরমধ্যে রয়েছে প্রবল দাবদাহ, তীব্র খরা পরিস্থিতি, নদী ও সামুদ্রিক বন্যা, ক্রান্তীয় ঝড়, তাপপ্রবাহ, দাবানল, ধুলিঝড় ও বালি ঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রকোপ।
    তালিকা যেন শেষ হতে চায় না। ভারতের মতো একটি সুবিশাল দেশের প্রাকৃতিক পরিবেশের বিভিন্নতার কারণে এক একটি অঞ্চল এক এক বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বছরের নানা সময়ে। সেই অনুযায়ী বাড়তে থাকে বিপন্নতার বহর।
    দেশের ২৩৪ মিলিয়ন শিশু বা দেশের মোট শিশু জনসংখ্যার ৫৫% ন্যূনতম তিনটি বিপর্যয়ের মুখে পড়তে বাধ্য হয়। এরফলে তাদের সর্বতোমুখী বিকাশের প্রক্রিয়া বারবার ব্যাহত হয়ে থাকে যা পরিপূর্ণ বিকাশকে বিলম্বিত তথা বিঘ্নিত করে।
     
    ইউনিসেফের মতে তথাকথিত বিপর্যয়ের মধ্যে সবথেকে জোরালো ভূমিকা নেয় বৃষ্টিহীন শুখা পরিস্থিতি এবং প্রবল তাপদাহ। পরিসংখ্যান বলছে যে এই দুয়ের প্রভাবে ১৫৮. ৮ মিলিয়ন শিশু বর্ণনাতীত কষ্টের মুখে পড়েছে। এদের মধ্যে
    ৮৪.১ মিলিয়ন শিশু খরা, তাপপ্রবাহের সঙ্গে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে বিপর্যস্ত হতে বাধ্য হয়। এছাড়া ৩৮. ৫ মিলিয়ন শিশুকে রীতিমতো খরা, তাপপ্রবাহ ও প্রবল বন্যার সঙ্গে যুঝতে হয়েছে কেবলমাত্র প্রাণ টুকুকে টিকিয়ে রাখতে। লড়াই এখানেই শেষ হয়ে যায়না। ওলটপালট হয়ে যাওয়া সবকিছুকে একটু স্বাভাবিক করে তুলতে না তুলতেই নতুন বিপর্যয়ের মুখে পড়ার প্রস্তুতি শুরু হয়ে যায়। কি করুণ অথচ অনিবার্য পরিণতি!
     
    মৌসুমী বায়ুর খামখেয়ালিপনার কারণে গোটা ভারতীয় উপমহাদেশের জলবায়ুর চরিত্রে বদল এসেছে বিগত কয়েক বছরে। খরার দাপট প্রথাগত এলাকার পরিধিকে অতিক্রম করে হাত বাড়িয়েই চলেছে অন্যতর পরিসরে। বৃষ্টিপাতের স্বল্পতার ফলে দাবদাহের দাপট বাড়লে তা শিশুদের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। ভারতের ৪১০.২ মিলিয়ন শিশু,যা মোট শিশু জনসংখ্যার ৯৬%, আজ ভয়ঙ্কর খরা আর গরমের দাপট সহ্য করতে বাধ্য হচ্ছে। এই দাপটের শিকার দেশের গ্রামীণ এলাকায় বসবাসরত শিশুরা। এর ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যাহত হ‌ওয়ায় খাদ্যের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে তারা, পর্যাপ্ত পরিমাণে পুষ্টির অভাব কমিয়ে দিচ্ছে তাদের পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হবার সম্ভাবনাকে। জীবনের চেনা ছন্দটাকেই পাল্টে দিতে চলেছে এই অকল্পনীয় তাপীয় পরিবেশ।
     
    সমীক্ষা সূত্রে জানা গিয়েছে প্রায় ১৫৫.৭ মিলিয়ন শিশু প্রবল ঘূর্ণিঝড় প্রবণ অঞ্চলে বসবাস করে। উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে সারা পৃথিবীতেই ঝড়ের তীব্রতা বেড়ে চলেছে। বৃষ্টিপাতের সঙ্গে ধেয়ে আসা ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে জীবনের মূল ভিত্তিই নড়বড়ে হয়ে যাওয়ার ফলে বিঘ্নিত হচ্ছে স্কুলের পঠনপাঠন, স্বাস্থ্য পরিষেবা। বলা হয়ে থাকে যে বিপদ নাকি কখনো একা আসেনা। একের পর এক বিপর্যয়ের অভিঘাতে জীবনে সুস্থিত হবার সম্ভাবনা অঙ্কুরিত হবার আগেই নষ্ট হয়ে যায়।
    ভারতের প্রতি ৫ জন পিছু ১জন তাপপ্রবাহের দ্বারা প্রভাবিত হয় অর্থাৎ ৮৯. ৩ মিলিয়ন শিশু তাপ দগ্ধ হচ্ছে যা তাদের শরীরের উপর গভীর প্রভাব ফেলে। অন্যদিকে প্রায় নিয়মিতভাবে বর্ষার জলে উপচে পড়া নদীর বন্যায় বানভাসি হতে হয় ৬৬.৯ মিলিয়ন শিশুকে যা মোট শিশু জনসংখ্যার ১৬%। একের পর এক প্রাকৃতিক ঘটনায় বিঘ্নিত হয় শিশুদের সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়টি। প্রকৃতির রাজ্যের যা স্বাভাবিক বিশৃঙ্খলা তা অনেক ক্ষেত্রেই উপযুক্ত পরিকাঠামোর অভাবে বিপর্যয়ের চেহারা নেয়, আর তখনই, বিপন্নতার হাহাকার ধ্বনিত হয় চারিদিকে। ইউনিসেফের মতে এই ক্রমিক প্রাকৃতিক ঘটনায় শিশুরা ৬ ধরনের পরিষেবা ব্যবস্থা থেকে আংশিক বা সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত হয় – স্বাস্থ্যসেবা
    বিকাশের জন্য অপরিহার্য পুষ্টি, পরিশুদ্ধ পানীয় জল ও স্যানিটেশন ব্যবস্থা, শিক্ষা, শিশু সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং সামাজিক সুরক্ষা। মাথায় রাখতে হবে যে শৈশবকাল হলো দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের সুবিকাশের পক্ষে সবথেকে উপযুক্ত সময়। এই সময় শিশুর বিকাশ ব্যাহত হলে মানুষ হিসেবে গড়ে ওঠার প্রক্রিয়াই পথভ্রষ্টতার শিকার হয়। এমনটা কখনোই কাম্য হতে পারে না।
     
    এখানেই বিপর্যয়ের খতিয়ান শেষ হয়ে গেল এমন নয়। আমাদের কৃতকর্মের ফলে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল আজ বিষিয়ে গিয়ে প্রাণহর হয়ে উঠেছে। পরিশুদ্ধ জলের জোগান আজ আর সুনিশ্চিত নয়। উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণে বিভিন্ন ধরনের vector borne disease এর প্রকোপ বাড়ছে, বাড়ছে ভাইরাস
    ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস ঘটিত শারীরিক সমস্যার দাপট। এই সব অচেনা অজানা শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সামর্থ্য শিশুদের মধ্যে কম, সুতরাং আক্রান্ত হবার সম্ভাবনা শিশুদের মধ্যে অনেক বেশি। বলাবাহুল্য এসব‌ই সমস্যা বাড়িয়েছে। এই সময়ের ভারতবর্ষের মহানগরগুলোতে বায়ুদূষণের মাত্রা সহনীয়তার সীমার অনেক ওপরে অবস্থান করছে। এমন পরিবেশে থাকতে বাধ্য হচ্ছে আমাদের আগামী প্রজন্ম। দেশের ৯৯% শিশু অস্বাস্থ্যকর বাতাসে শ্বাস নিতে বাধ্য হচ্ছে। এর ফলে শ্বাসকষ্টসহ নানান রকম জটিলতায় ভুগতে হচ্ছে তাদের। এই মুহূর্তে ভারতের ভারতের air pollution risk score এর মান ১০ এর মধ্যে ৯.৯৪। বলতে দ্বিধা নেই যে আমাদের দেশের শিশুরা বিশেষ করে বৃহত্তর গ্রাম সমাজের শিশুরা এক চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে প্রতিপালিত হচ্ছে। শৈশব অনিশ্চিত হলে ভাবী জীবনের অনেকটাই ধোঁয়াশায় ঢাকা পড়ে যায়। প্রহেলিকাময় হয়ে ওঠে দেশের ভবিষ্যৎ।
    ইউনিসেফের তরফে বাস্তব পরিস্থিতির সাপেক্ষে ভারতের বর্তমান স্থিতির বিষয়ে যে সূচক মানের কথা বলা হয়েছে তাতে করে বলা যায় যে আমাদের দেশের ভাবী প্রজন্ম খুব ভালো অবস্থানে নেই। ভারতের শিশুদের ফুড পভার্টি স্কোর ৬.৩১, নিউট্রিশন রিস্ক স্কোর ৬.৪১ এবং স্টার্টিং স্কোর ৬.৫১।
    পরিস্থিতি মোটেই নিরাপদ নয়। জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে আমাদের দেশের খাদ্য উৎপাদন ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।আর এরফলে আমাদের শিশুরা প্রয়োজনীয় পরিমাণে খাবার খেতে পায়না যাতে করে বাড়ন্ত বয়সের খাদ্যের চাহিদা মেটে।
    খাদ্য নিরাপত্তার অভাবে পুষ্টিকর খাবার মেলেনা, আর পুষ্টির অভাবে শরীরের বৃদ্ধি যথাযথ না হ‌ওয়ায় তারা বয়সের তুলনায় অনেক বেঁটে খাটো হয়ে থাকে। এও এক দুষ্ট চক্র যা একের অভাবে অন্যতর অভাব বা অপূর্ণতার হেতু হয়ে দাঁড়ায়। অথচ এসবের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়িয়ে আছে আমাদের দেশের ভাবী নাগরিকদের ভবিষ্যৎ। দেশের শ্রীবৃদ্ধি।
     
    আলোচনার এমন অংশে পৌঁছে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন জাগে যে কীভাবে আমরা আমাদের দেশের শিশুদের এক নিরাপদ, সুস্থিত পরিবেশ পরিকাঠামোর মধ্যে বিকশিত হবার সুযোগ করে দিতে পারবো? পরিস্থিতি এতোটাই সংকটময় যে চটজলদি কোনো সমাধান সূত্র বের করে ফেলা হয়তো সম্ভব নয়। তবে হাল ছাড়লে চলবে না। আমাদের সকলকে এই বৈশ্বিক সমস্যার বাস্তবতার বিষয়গুলো নিয়ে গভীরভাবে ভাবতে হবে, খুঁজতে হবে এর থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাব্যতা বিষয়ে। মাত্র কয়েক বছর আগে আমরা এক মহামারীর বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে এলাম। ওই বিচ্ছিন্ন সময়ে আমাদের শিশুদের শিক্ষা দারুণভাবে ব্যাহত হয়েছে। এই কয়েক বছরে শিক্ষা অবকাঠামোর সামান্য কিছু পরিবর্তন হলেও তার সিন্ধুতে বিন্দুসম। বলতে দ্বিধা নেই যে আমরা এক বৈষম্যমূলক সমাজে বাস করি। দুর্ভাগ্যবশত আমাদের শিশুরাও জীবনের একেবারে সূচনা পর্ব থেকেই এই বৈষম্যের বাতাবরণের মধ্যে প্রতিপালিত হচ্ছে। যতদিন না এই অবস্থাকে আমরা বদলাতে পারবো ততদিন পর্যন্ত আমাদের শিশুরা এটাকে বিধিলিপি বলে মনে করেই অসম্ভব কিছু হয়ে ওঠার কষ্টকর প্রয়াস করে যাবে। আরও ক্ষতি হয়ে যাবার আগে এই অবস্থা থেকে আমাদের শিশুদের উদ্ধার করতে উদ্যোগী হতে হবে। মনে রাখতে হবে – এই প্রজন্মের শিশুরাই আমাদের নিরাপত্তা, আমাদের সোনালী ভবিষ্যৎ।

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ২৩ জুন ২০২৬ | ২০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন