এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • পশ্চিমবঙ্গ দিবস, শ্যামাপ্রসাদ ও চাড্ডিদের নানা ধানাইপানাই 

    এলেবেলে লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২০ জুন ২০২৬ | ৫৩ বার পঠিত
  • আজ অর্থাৎ ২০ জুন, আনুষ্ঠানিক ভাবে বাংলাকে দু’টুকরো করা হয়েছিল। সৃষ্টি হয়েছিল পূর্ব পাকিস্তান ও পশ্চিমবঙ্গের। দেশভাগের এই অভিঘাতে সহসা বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন অগণিত মানুষ, সীমান্তের দুই পারে শরণার্থীদের আসা-যাওয়ার বেদনাবিধুর ঘটনাটি আজও পৃথিবীর বৃহত্তম অভিনিষ্ক্রমণ (largest exodus) হিসাবে অভিহিত। ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের থেকে চোদ্দ হাত দূরে থাকা রাজনৈতিক দলটি লাখো লাখো নারী-পুরুষের ছিন্নমূল হওয়ার যাবতীয় যন্ত্রণা ও মৃত্যুকে তুচ্ছ করে এই দিনটিকে আনন্দের সঙ্গে উদ্‌যাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে বেশ কয়েক বছর ধরেই। এত দিন এই নিয়ে নানাবিধ ধানাইপানাই চলছিল, কিন্তু এবারে তারাসানাইটির সুর একেবারে সপ্তকে উঠেছে। এই সুবাদে দেখে নেওয়া যাক পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির পেছনে দল হিসাবে হিন্দু মহাসভা ও নেতা হিসাবে শ্যামাপ্রসাদের ঠিক কী ভূমিকা ছিল।
     
    হুমায়ুন কবীর কৌতূহলোদ্দীপক ঘটনাটির উল্লেখ করে বলেছেন, ১৯৩৭ সালেই ফজলুল হক তাঁর প্রথম মন্ত্রিসভায় শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়কে অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন। তাঁর জন্য বরাদ্দ ছিল শিক্ষা দফতর। মনে রাখতে হবে, শ্যামাপ্রসাদ তখন কংগ্রেস থেকে আইনসভায় নির্বাচিত এবং তখনও পর্যন্ত সরকারে আসীন হওয়ার ব্যাপারে কংগ্রেস চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। শ্যামাপ্রসাদ যে মন্ত্রীত্ব নিতে গররাজি ছিলেন তেমনটা জানা যায় না, যদিও শেষ পর্যন্ত মুসলিম লিগের মন্ত্রিসভায় শ্যামাপ্রসাদের যোগ দেওয়ার ব্যাপারটি ঘটেনি। তবে ঘটলে তিনি হিন্দু মহাসভার সাম্প্রদায়িক রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়তেন কি না, সে প্রশ্নের উত্তর আজ আর মেলার সম্ভাবনা নেই।
     
    এই ঘটনার মাত্র দু’বছর পরে শ্যামাপ্রসাদ কেন হঠাৎই কংগ্রেস ছেড়ে দিয়ে হিন্দু মহাসভায় যোগ দিলেন, ‘যুক্তবঙ্গের স্মৃতি’ গ্রন্থে তার চমৎকার ব্যাখ্যা দিয়েছেন অন্নদাশঙ্কর রায়। কংগ্রেসের বদলে হিন্দু মহাসভায় যোগ দেওয়ার ব্যাপারে অন্নদাশঙ্কর তাঁকে জিজ্ঞাসা করলে শ্যামাপ্রসাদ অকপটে স্বীকার করেন, “কংগ্রেসে আগে থেকে যাঁরা রয়েছেন তাঁরা কি আমাকে এত সহজে এত উচ্চে উঠতে দিতেন?” হিন্দু মহাসভায় গিয়ে তিনি যে সঙ্গে সঙ্গে দলপতি হয়েছিলেন, সে কথা জানানোর পাশাপাশি অন্নদাশঙ্কর আরও লেখেন যে, কেবল সহজে নেতা হওয়ার জন্যই শ্যামাপ্রসাদের রাতারাতি দলবদল নয়। তিনি জানতেন “জেলে না গেলে, কেউ কংগ্রেস নেতা হয় না।” এই জেলযাত্রা এবং জেলে থেকে পচার বদলে তিনি হিন্দু মহাসভাকেই শ্রেয় বলে মনে করেন। অর্থাৎ হিন্দুদের স্বার্থরক্ষা নয়, তাঁদের জন্য আলাদা বাসস্থানের দাবি তোলাও নয় - শ্যামাপ্রসাদের হিন্দু মহাসভায় যোগদানের এক ও একমাত্র কারণ ছিল ব্যক্তিগত উচ্চাশা পূরণ।
     
    আরও একটা মজার কথা বলা যাক। ১৯৪৩ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে ৩ মে পর্যন্ত পাঞ্জাবের ক্যানেল কলোনির লায়ালপুরে অনুষ্ঠিত তিন দিনব্যাপী এক সম্মেলনে শ্যামাপ্রসাদ তাঁর ভাষণে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে বলেন: “ভারত বিভাজন সাম্প্রদায়িক সমস্যার কোনও সমাধান নয়। আর্থিক ভাবে এটি অবাস্তব। অর্থনীতির দিক থেকে এটি বিপর্যয়কর। আর সামগ্রিক ভাবে ভারতের জন্য এটি সর্বনাশা।” হ্যাঁ, বর্তমানে হিন্দু বাঙালিদের মসিহা হিসাবে হাজির করা শ্যামাপ্রসাদ যে ১৯৪৩ সালেও অখণ্ড ভারতবর্ষের পক্ষে সওয়াল করেছিলেন, এই ভাষণ তার প্রমাণ। প্রসঙ্গত মনে রাখা দরকার, তাঁর এই বক্তব্যের ৬ বছর আগে সাভারকর দ্বিজাতি তত্ত্বের অবতারণা করেন এবং ৩ বছর আগে পেশ হয় মুসলিম লিগের লাহোর প্রস্তাব।
     
    এবারে পাঞ্জাব থেকে বাংলায় আসা যাক। বাংলা যখন ভাগ হচ্ছে, তখন শ্যামাপ্রসাদ ও তাঁর দল হিন্দু মহাসভা কতটা শক্তিশালী? আমরা দেখতে পাই, ১৯৪৫-এর শেষের দিকে কেন্দ্রীয় আইনসভার নির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট ছিল ১০, ২১৬ এবং ‘অমিতবিক্রম’ শ্যামাপ্রসাদ পেয়েছিলেন মাত্র ৩৪৬টি ভোট। এমনকি ওই নির্বাচনে শ্যামাপ্রসাদ-সহ হিন্দু মহাসভার প্রতিটি প্রার্থীরই জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। শুধু তা-ই নয়, ১৯৪৬-এর প্রথম দিকে প্রাদেশিক নির্বাচনেও চিত্রটা খুব বেশি আলাদা ছিল না। অবিভক্ত বাংলায় হিন্দু মহাসভা ২৬টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে, কিন্তু একটি ছাড়া সব ক’টি আসনে তাদের সমস্ত প্রার্থীর জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। একমাত্র শ্যামাপ্রসাদ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হন। সাধারণ নির্বাচনী এলাকায় মহাসভা সাকুল্যে পায় শতকরা ২.৭ ভাগ ভোট। এই হচ্ছে নেতা হিসাবে শ্যামাপ্রসাদ ও দল হিসাবে হিন্দু মহাসভার প্রতি তদানীন্তন বাংলার মানুষের মনোভাব। বস্তুতপক্ষে ১৯৪৬-এর নির্বাচনে বাংলার হিন্দু ভোটাররা যে হিন্দু মহাসভার বদলে কংগ্রেসকে বেছে নিচ্ছেন, এ বিষয়ে আক্ষেপের বিষয়টা শ্যামাপ্রসাদের ডায়েরির পাতায় পাতায় চোখে পড়ে।

    এহেন শ্যামাপ্রসাদ বাংলা বিভাজনের জন্য নেহরু-প্যাটেলের দ্বারস্থ হন। ১৯৪৭-এর ১১ মে প্যাটেলকে তিনি লেখেন: “ঘটনার চাপে মিঃ জিন্না যদি [ক্যাবিনেট মিশন পরিকল্পনা] অবশেষে গ্রহণ করতে বাধ্য হন, তাহলে বাংলা ভাগের প্রশ্ন যেন পরিত্যক্ত না হয়, তা অনুগ্রহ করে দেখবেন। ...পাকিস্তান হোক আর না হোক, আমরা বর্তমান বাংলার সীমানার মধ্যে দুটো প্রদেশ গঠিত হোক, এই দাবি করি।” একই মর্মে তিনি নেহরুকেও একটি চিঠি পাঠান। আর এই দুই ঘটনার সামান্য আগে ১৯৪৭ সালের ২ মে, তিনি গোপনে ভাইসরয় লর্ড মাউন্টব্যাটেনের কাছে চিঠি লিখে ভারত অখণ্ড থাকলেও বাংলার বিভাজন দাবি করেন।
     
    এর উত্তরে প্রথমে নেহরু শ্যামাপ্রসাদকে লেখেন, “[ভারতীয়] ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন সার্বভৌম বাংলার ধারণা ব্যক্তিগতভাবে আমি মোটেই পছন্দ করি না। ...৩১ মে দিল্লিতে কংগ্রেস কাযনির্বাহী কমিটির বৈঠক হবে। ওই সময়ে আপনি দিল্লিতে উপস্থিত থাকলে সুবিধা হবে।” এর তিন দিন পরে অর্থাৎ ১৭ মে, শ্যামাপ্রসাদকে আশ্বস্ত করে প্যাটেল লেখেন: “কার্যকরী ও সুষ্ঠুভাবে পরিস্থিতির মোকাবিলা করার জন্য আপনি আমাদের ওপর নির্ভর করতে পারেন। বাংলার হিন্দুরা যতক্ষণ দৃঢ় থাকবেন এবং যে সাহায্য তাঁরা শুধু আমাদের দিতে পারেন সেই সাহায্য দেবেন, ততক্ষণ তাঁদের ভবিষ্যৎ সম্পূর্ণ নিরাপদ।”
     
    কিন্তু মজার কথা এই যে, প্যাটেল ও নেহরুকে শ্যামাপ্রসাদের চিঠি লেখার বহু আগে নেহরু-প্যাটেল জুটির বাংলা বিভাজনের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেওয়া সারা। ১৭ ফেব্রুয়ারি (ব্রিটিশ পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী অ্যাটলি ‘ক্ষমতা হস্তান্তর’-এর ঘোষণা করার তিন দিন আগে এবং লিয়াকত আলির বাজেট পেশ হওয়ার মাত্র ১১ দিন আগে) প্যাটেল ওয়াভেলকে জানান যে, তিনি মুসলমানদের— যদি তাঁরা যোগ দিতে ইচ্ছুক হন— পশ্চিম পাঞ্জাব, সিন্ধু, উত্তর-পশ্চিম সীমান্ত প্রদেশ এবং পূর্ব বাংলা ছেড়ে দিতে পুরোপুরি প্রস্তুত আছেন। এহ বাহ্য, ২০ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ অ্যাটলির ঘোষণার পরের দিনই নেহরুও প্যাটেলের মতোই ওয়াভেলকে বাংলা ও পাঞ্জাব বিভাজনের কথা বলেন।
     
    অর্থাৎ বাংলা বিভাজনের জন্য শ্যামাপ্রসাদ যখন নেহরু ও প্যাটেলের দ্বারস্থ হচ্ছেন কিংবা গভর্নর বারোজ বা ভাইসরয় মাউন্টব্যাটেনকে গোপনে চিঠি পাঠাচ্ছেন, তার অনেক আগে বাংলা ভাগের ব্যাপারে ভাইসরয় ও কংগ্রেস নেতৃবৃন্দের চূড়ান্ত নীতি গৃহীত হয়ে গেছে। প্রসঙ্গত, হিন্দু মহাসভা যখন ৪ থেকে ৬ এপ্রিল তারকেশ্বরে দ্বিখণ্ডিত বঙ্গের জন্য সভা করছে, তার প্রায় দেড় মাস আগে প্যাটেল ও নেহরু বাংলার ব্যাপারে মনস্থির করে ফেলেছেন, এমনকি ওই সভার এক মাস আগে এ ব্যাপারে ওয়ার্কিং কমিটির সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রক্রিয়াটি পর্যন্ত সম্পূর্ণ হয়ে গেছে। কাজেই লিয়াকত আলির বাজেট যেমন দেশভাগের সম্ভাব্য কারণ হিসাবে পরিগণিত হতে পারে না, ঠিক তেমনই শ্যামাপ্রসাদের চিঠিচাপাটি কিংবা সভা-সমিতি বাংলা বিভাজনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসাবে বিবেচিত হতে পারে না।
     
    এবারে নির্দিষ্ট ভাবে ১৯৪৭ সালের ২০ জুনের দিনটিতে আসা যাক। ওই বছরের ১০ জুন ভাইসরয় ঘোষণা করেন যে, দেশভাগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার লক্ষ্যে ২০ জুন বঙ্গীয় আইনসভার অধিবেশন বসবে এবং এই অধিবেশনে মুসলিম ও অ-মুসলিম সদস্যরা পৃথক দুটি অংশে বিভক্ত হয়ে ভোট দেবেন। সেই মোতাবেক ১২৬ জন সদস্য পাকিস্তানের নতুন গণপরিষদে যোগদানের পক্ষে এবং ৯০ জন সদস্য বিদ্যমান গণপরিষদে অংশগ্রহণের পক্ষে মত দেন। পরবর্তীতে হিন্দু-সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাগুলোর সদস্যরা ৫৮ বনাম ২১ ভোটে দেশভাগের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন। এরপর মুসলিম লীগ মন্ত্রিসভা পরিবর্তনের দাবি ওঠে এবং প্রফুল্লচন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে একটি নতুন হিন্দু মন্ত্রিসভা শপথ গ্রহণ করে। এই গোটা কার্যক্রমে হিন্দু মহাসভার সবেধন নীলমণি ভোটারটি ছিলেন শ্যামাপ্রসাদ। একটা মাত্র ভোট সম্বল করে পাকিস্তানের কবল থেকে পশ্চিমবঙ্গকে ছিনিয়ে আনা ‘চাড্ডি’খানি ব্যাপার নয়!
     
    এখানেই শেষ হলে বাঁচা যেত। কিন্তু পিকচার আভি বাকি হ্যায়। ব্রিটিশ সরকারের তরফে ভাইসরয় মাউন্টব্যাটেন ১৯৪৭ সালের ৩ জুন বাংলা ও পাঞ্জাব প্রদেশের বিভাজন সম্পর্কিত যে বিবৃতি প্রকাশ করেন, তার সংযোজনী অংশে ১৯৪১ সালের জনগণনার ভিত্তিতে এই দুটি প্রদেশের কোন জেলাগুলিকে মুসলিম-গরিষ্ঠ এলাকা হিসাবে গণ্য করা হবে, তার একটি তালিকা পেশ করা হয়। ৯ জুলাই সীমানা কমিশনের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হওয়ার আগেই সরকার কমিশনের প্রাথমিক কাজ চালানোর সুবিধার জন্য মুসলিম অধ্যুষিত ১৬টি জেলার তালিকা উল্লেখ করে ‘provisional boundary’ বা সাময়িক সীমানা নির্ধারণ করে দেয়। ওই সরকারি তালিকায় ১৬টি জেলা ছিল চট্টগ্রাম ডিভিশনের চট্টগ্রাম, নোয়াখালি ও ত্রিপুরা; ঢাকা ডিভিশনের বাখরগঞ্জ, ঢাকা, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ; প্রেসিডেন্সি ডিভিশনের যশোহর, মুর্শিদাবাদ ও নদীয়া এবং রাজশাহী ডিভিশনের বগুড়া, দিনাজপুর, মালদহ, পাবনা, রাজশাহি ও রংপুর। এখানেও যে পরে নবগঠিত দুই দেশের মধ্য নদীয়া, যশোহর, দিনাজপুর, মালদহ ও জলপাইগুড়ি জেলা ভাগ হয়; সেখানে শ্যামাপ্রসাদের বিন্দুমাত্র ভূমিকা ছিল না। আর পরবর্তীকালে সংযোজিত কুচবিহার কিংবা পুরুলিয়ার উল্লেখ না করলেও চলে।
     
    আদতে সেই সময়ে শ্যামাপ্রসাদ কিংবা তাঁর হিন্দু মহাসভার অন্তহীন ব্রিটিশ চাটুকারিতা ও সাম্প্রদায়িক বিভাজনের রাজনীতিকে বাংলার মানুষ ভালো চোখে দেখেননি। হিন্দু মহাসভা স্বাধীনতা-পূর্ববর্তী সময়ে সারা বাংলায় কতটা শক্তিশালী ছিল, তার উল্লেখ আগেই করা হয়েছে। এমনকি দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও সেই মনোভাবে বিন্দুমাত্র পরিবর্তন আসেনি, আর আসেনি বলেই ১৯৫২ সালের সাধারণ নির্বাচনে জনসংঘ পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মাত্র ৪ শতাংশেরও কম আসনে জয়লাভ করে।

    এই শ্যামাপ্রসাদই এখন বাঙালির নতুন আইকন আর হুতোমের ভাষায় পশ্চিমবঙ্গ দিবস 'এই এক নতুন'!

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ২০ জুন ২০২৬ | ৫৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | ২০ জুন ২০২৬ ২০:৫৭741321
  • এলেবেলে বোধায় বেশ কিছুদিন পর লিখলেন। চাড্ডিরা নানাভাবে চেষ্টা করছে ইতিহাস বিকৃত করে নিজেদের পছন্দের ইতিহাস চাপিয়ে দিতে, কাজেই আপনার এই লেখাগুলো এখন খুব দরকার।
     
    (একটু পরেই দীপচাড্ডি ঘোঁতঘোঁত করতে করতে এসে হাজির হবে, তার আগেই অভিনন্দন জানিয়ে রাখলাম আর কি :-))
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন