এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  বাকিসব

  • ডায়াপার (ছোটগল্প) 

    Rohan
    বাকিসব | ১৮ জুলাই ২০২৬ | ১৮ বার পঠিত
  • ডায়াপার (ছোটগল্প)

    বউয়ের ফোনটা পেয়ে সমীরণ বাবু ভীষণ চিন্তায় পড়ে গেলেন। অফিসে কাজের মাঝে কাকে কী বলবেন বুঝতে না পেরে নিজেই আকাশ-পাতাল জল্পনা কল্পনা শুরু করলেন। কাল সকাল হলে কী করবেন উনি? এই বিশাল সমস্যার সমাধান কোথায়? সমস্যাটা কিসের? তাহলে আরেকটু আগে থেকে শুরু করতে হয়।

    রাজ্যে পালাবদলের পর অগ্নিকন্যা দেবী মন্ত্রী হয়েই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন, আবর্জনা নিজ নিজ জায়গায় ফেলুন, নিজ নিজ দায়িত্বে ফেলুন, না হলে বিপদ আসন্ন! প্রজেক্ট অমৃতকুম্ভের সন্ধানে শহর থেকে সমস্ত গরল দূর করে ফেলা হবে। আর এই জঞ্জাল অপসারণে নাগরিকদেরও প্রচুর দায়িত্ব নিতে হবে।

    আগে অন্য সবার মতো সমীরণ বাবুর বাড়ি থেকে সকালে আবর্জনা সংগ্রহ করতে আসত পুরসভার লোক। যা কিনা একটা বালতিতে সারা দিনের জমিয়ে রাখা যত আবর্জনা, বেল বাজলে সেই বালতি ধরে নাসিরের আনা ড্রামে উপুড় করে ঢেলে দেওয়া হতো। এভাবে সারা সকাল ধরে নাসির পাড়ার প্রতিটা বাড়ি থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করে তারপর তার প্যাডেল করা সাইকেল ভ্যানে করে সেসব নিয়ে পাড়া ছেড়ে চলে যেত। সেগুলো কর্পোরেশনের ভ্যাটে, মিউনিসিপালিটির ডাস্টবিনে, ধাপায় নাকি বেলগাছিয়া কি প্রমোদনগরের ভাগাড়ে- কোথায় জমা হতো সে খবর সমীরণ বাবু কোনদিনও রাখেননি। রাখার দরকারই পড়েনি। এই কাজের জন্য নাসির কে মাসে 50 টাকা দিতে হতো, তাতেই সে খুশি হয়ে যেত। বাড়িতে অনুষ্ঠান থাকলে একটু বেশি জঞ্জাল জমলে নাসির হাসিমুখে সেসব পরিষ্কার করে দিত। দশ বিশ টাকা হাতে ধরিয়ে দিলেই কাজ হয়ে যেত। নাসির বাংলাদেশে চলে যাওয়ার পর তার সেই দায়িত্বটা নিয়েছিল জ্যাকি। ৫০ টাকা থেকে বাড়তে বাড়তে শেষে ৭৫ টাকায় রফা হয়েছিল। কিন্ত জঞ্জাল ফেলা নিয়ে এমন চিন্তায় পড়তে হবে সমীরণ বাবু কোনদিনও ভাবেননি।

    একদিন জ্যাকি আসা বন্ধ করে দিল। স্ত্রীর থেকে সমীরণ বাবু জানলেন এবার থেকে আমদানি কর্পোরেশনের লোক এসে বাড়ি বাড়ি জঞ্জাল সংগ্রহ করবে, প্রথম তিন মাস ফ্রি। তারপর তাদের ন্যূনতম কিছু টাকা দিতে হবে। আমদানি কর্পোরেশনের লোক ঝকঝকে ড্রেস পড়ে এসে দুটো বালতি দিয়ে বলে গেল শুকনো আর ভেজা আবর্জনা আলাদা করে রাখতে। তারাই এসে সংগ্রহ করবে। সমীরণ বাবু জানতেন নেশা শুকনো আর ভেজা হয়, আবর্জনাও যে হয় সেই প্রথম শুনলেন। তাদের টিমে একাধিক লোক আছে। প্রত্যেকটি বাড়ির মানুষের সুবিধাজনক সময়ে এসে তারা ময়লা সংগ্রহ করবে এবং সত্যিই দেখা গেল যে একাধিক বাড়ির ক্ষেত্রে একাধিকবার তারা আসছে গ্লাভস পরে এসে বালতি থেকে ময়লা সংগ্রহ করে নিয়ে চলে যাচ্ছে। এর আগে জ্যাকি কিংবা নাসির যখন আসতো অনেক বাড়িতেই তখনও হয়তো সব ময়লা জমা হয়ে উঠত না কিংবা তারা আরো সকালে বাড়ি থেকে অফিসে বেরিয়ে যাওয়ার ফলে বাড়ির দরজার সামনে যখন আবর্জনা ফেলে রাখত। পাড়ার কুকুরে বেড়ালে সেগুলো ছড়িয়ে পুরো রাস্তায় নোংরা করতো!

    দ্বিতীয় মাসে আমদানি কর্পোরেশনের লোক এসে কয়েকটা গিফট ভাউচার দিয়ে গেল। সামনের স্মার্ট শপিংমলে সেগুলো দেখালে কিছু গিফট পাওয়া যাবে। সমীরণ বাবুর স্ত্রী খুব খুশি। নিজেই সেই সমস্ত গিফট কুপন দিয়ে হলুদের গুঁড়ো, লঙ্কার গুঁড়ো, জিরের গুঁড়ো এমনকি সর্ষে পোস্ত বাটাও কিনে আনলেন। সমস্যা শুরু হলো তৃতীয় বাসে, যখন আমদানি কর্পোরেশনের লোক জানালো, পরের মাস থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করতে তাদের প্রতি মাসে ৫০০ টাকা করে দিতে হবে। পাড়ায় কিছুটা শোরগোল পড়ে গেলেও দেখা গেল বেশিরভাগ মানুষ আমদানি কর্পোরেশনের কাজে এতটাই খুশি যে তারা সানন্দে ৫০০ টাকা খরচ করতে রাজি হয়ে গেল।

    সমস্যায় পড়লেন সমীরণ বাবুর মত আরো কিছু মানুষ যাদের কাছে এই টাকাটা অনেকখানি। আমদানি কর্পোরেশনকে ময়লা ফেলা বন্ধ করে সমীরণবাবু কিছুদিন নিজেই অফিস যাওয়ার পথে আবর্জনার থলে হাতে বেরোতে শুরু করলেন। কিন্তু কয়েক দিনের মধ্যেই বুঝতে পারলেন যে অবস্থা পাল্টেছে। প্রজেক্ট অমৃতকুম্ভের সন্ধানে চালু হওয়ার পর এদিক সেদিক রাস্তার ধারে, ড্রেনে কিংবা রেললাইনের ধারে আবর্জনা ফেলার সমস্ত পথে প্রায় বন্ধ। প্রথম কয়েকদিন এদিক ওদিক রেল লাইনের ধারে, মেট্রো রেলের টিকিট ফেলার বাক্সে এমনকি রিকশা সিটের তলায় ময়লার প্যাকেট ফেলে আবর্জনা গুলো ঘর থেকে দূর করেছিলেন। তারপর এদিক-ওদিক খবরে শুনতে পেলেন যারা আমদানি কর্পোরেশনকে টাকা না দিয়ে চারপাশে ময়লা ফেলে যাচ্ছে তাদের মধ্যে দু চারজন ধরাও পড়েছে এবং তাদের বেশ ভালোই জরিমানা দিতে হয়েছে।

    অগত্যা সমীরণবাবু আর কি করবেন, আমদানি কর্পোরেশনকেই আবার ডাকতে বাধ্য হলেন। আর এই অতিরিক্ত পাঁচশ টাকার বোঝা কমানোর জন্য সকাল সন্ধ্যা অফিস যাওয়ার পথে এবং অফিস থেকে ফেরার সময় মেট্রো স্টেশন পর্যন্ত অটো করে যাওয়ার পরিবর্তে হেঁটে যাওয়া-আসা করা শুরু করলেন। এর ফলে তার অতিরিক্ত খরচ কিছুটা আয়ত্তে এলো বটে কিন্তু অতিরিক্ত পরিশ্রমে অল্পদিনেই কাহিল হয়ে পড়লেন। যে নেয়াপাতি ভুঁড়ির জন্য অফিসে এতদিন বিখ্যাত ছিলেন তিনি, সেই ভুঁড়ি কমে গেল। এমন অবস্থা যে আবার পয়সা খরচ করে প্যান্টের কোমর ছোট করতে হলো। নতুন জয়েন করা দু চারজন বললেন কি সমীরণদা? আপনি হঠাৎ এত স্লিম হয়ে গেলেন কী করে? ডায়েট করছেন নাকি? আর ডায়েট! যা খাচ্ছি সবটাই শরীরে থেকে যাচ্ছে কিছুটি ফেলার জো নেই! জানা গেল অফিসের বাকিদেরও একই অবস্থা। সবারই বর্জ্য পদার্থের টিকি বাঁধা রয়েছে আমদানি কর্পোরেশনের হাতে। মরার উপর খাঁড়ার ঘা পড়লো যেদিন আমদানি কর্পোরেশনের লোক জানিয়ে গেল বাচ্চার ডায়াপার আর তারা সংগ্রহ করবে না। যদি বাচ্চার ডায়াপার ফেলতে হয় তাহলে তাদের আরো বেশি টাকা দিতে হবে। সেই টাকার পরিমাণ একটা গোটা ডায়াপারের প্যাকেটের দামের থেকেও বেশি।

    এই ক'মাসে অটো ছেড়ে বিভিন্ন রাস্তা দিয়ে হেঁটে বাড়ি ফিরতে সমীরণ বাবু বেশ কিছু অলিগলি আবিষ্কার করে ফেলেছিলেন। যেখান দিয়ে হেঁটে গেলে অটোর রাস্তা থেকে কিছুটা হলেও তাড়াতাড়ি পৌঁছানো যায়। যখন আমদানি কর্পোরেশন জানালো তারা আর ডায়াপার নেবে না বা নিলেও বেশি টাকা দিতে হবে তখন সমীরনবাবুর মাথায় একটা নতুন আইডিয়া এসে গেল। এই গলির রাস্তা দিয়ে গেলে একটা পুকুর পড়তো, এক সময়ের পচা ডোবা নতুন করে কাটিয়ে তাতে ঘাট বানিয়ে সেখানে সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে “সোজন বাদিয়ার ঘাট!” এই পচাপুকুরের ঘাটের সঙ্গে সোজন বাদিয়ার ঘাটের কি সম্পর্ক তা সমীরণবাবুর মাথায় ঢোকেনি। অনেকদিন আগে এই নামের একটা নাটক চলত বলে পোস্টারে দেখেছিলেন।

    কিন্তু সেটা বিষয় নয়। এই ঘাটের পাশে একটা চৌবাচ্চা মত জায়গা করা যেখানে প্রচুর ফুল ফেলা থাকে। দু-চারদিন যাতায়াত করতে করতে বুঝেছেন যে পুজোর ফুল বা ঠাকুরের মূর্তি আমদানি কর্পোরেশন নেয় না। তাদেরও পাপের ভয় আছে হয়তো। সেই ফুল ফেলার জন্যই এই ব্যবস্থা। হয়তো ভর্তি হয়ে গেলে সেই ফুলের জঞ্জাল সকলের অগোচরে ধাপার মাঠে চলে যায়। পরের দিন সকালে বাচ্চার ডায়াপার নিয়ে বেরোলেন সমীরণবাবু। অফিস যাওয়ার পথে বাজার থেকে কুড়ি টাকার ফুল কিনলেন তারপর ডায়পারের প্যাকেটের উপরে সেই ফুলগুলো ভালো করে সাজিয়ে এমন একটা ব্যবস্থা তৈরি করলেন যে কেউ বাইরে থেকে দেখে ভাববে সমীরনবাবু পূজোর ফুল নিয়ে যাচ্ছেন। এরপর আর কি! সেই সোজন বাদিয়ার ঘাটের কাছে এসে ফুলের চৌবাচ্চায় ফুল সমেত ডায়াপার উপুড় করে নিশ্চিন্তে অফিস চলে গেলেন সমীরণ বাবু।

    দ্বিতীয় দিন থেকে তার সাহস আরো বেড়ে গেল। ফুলের পেছনে খরচ না করে তিনি ডায়পারের ওপর এই বিভিন্ন দেবদেবীর নাম জয় শ্রীরাম, জয় শ্রীকৃষ্ণ, জয় হনুমান ইত্যাদি প্রভৃতি লিখে সেই ডায়াপারই ফুলের চৌবাচ্চায় ফেলতে শুরু করলেন। পাপের ভয় সমীরণ বাবুর কোনদিনই ছিল না। আর ফুলের চৌবাচ্চায় কেউ বাচ্চার ডায়াপার ফেলতে পারে এরকম অশৈলী কথা কেউ স্বপ্নেও ভাবেনি। কয়েকদিন যেতে না যেতেই সমীরণবাবু বুঝে গেলেন ব্যবহার করার পরে এসব নাম না লিখে বাচ্চাকে ডায়াপার পরানোর আগেই সেই ফ্রেশ ডায়াপারে নাম গুলো লিখে দেওয়া আরো ভালো। অনেক সুবিধাজনক। ফেলার সময় দূর থেকে কেউ দেখতে পেলেও ওই নাম গুলো দেখে পুজোর জিনিসই মনে করবে। আর চৌবাচ্চায় ডায়াপার বিসর্জন দেয়ার পর সমীরণবাবু খুব ভক্তি ভরে একটা প্রণাম ঠুকে তারপরেই অফিসের রাস্তা ধরতেন। ফলে কেউ দেখতে পেলেও কোন সন্দেহ করার জায়গা নেই। শুধুমাত্র বউকে ছাড়া আর কাউকে ঘুণাক্ষরেও জানতে দেননি তার এই ডায়াপার বিসর্জনের কাহিনী।

    বউ একটু খুঁতখুঁত করলেও এটা ভেবেই মুখ বন্ধ রেখেছিল যে অত টাকা দিয়ে আমদানি কর্পোরেশনকে দিয়ে ডায়াপার ফেলার সামর্থ তাদের নেই।

    কিন্তু সেদিন ফোনটা আসার পরে সমীরণবাবু আর শান্তিতে থাকতে পারলেন না। ফোন ধরেই সমীরণবাবুর স্ত্রী হাউমাউ শুরু করে দিল – “ওগো তুমি যেখানে ডায়াপার ফেলতে যাও সেখানে ধুন্ধুমার কান্ড শুরু হয়ে গেছে। টিভিতে দেখাচ্ছে ফুল ফেলার চৌবাচ্চায় বাচ্চার ডায়াপার ফেলা হয়েছে তাতে আবার জয় শ্রীরাম, জয় শ্রীকৃষ্ণ, জয় হনুমান এসব লেখা পেয়েছে। রীতিমতো দাঙ্গা হাঙ্গামা লেগে যাওয়ার উপক্রম। ওরা খোঁজ করতে করতে আবার আমাদের বাড়ি চলে আসবে না তো?”

    সমীরণবাবু স্ত্রীকে আশ্বস্ত করলেন ডায়াপার থেকে তাদের খোঁজ পেতে গেলে বাচ্চার পটির ডিএনএ টেস্ট করতে হবে। কাজেই খোঁজ পাওয়ার কোন সুযোগ নেই।

    বউকে মুখে যতই আশ্বস্ত করুন না কেন সমীরণবাবু ভেতরে ভেতরে বড়ই চিন্তায় পড়লেন। তবে কি ডায়াপার ফেলার জন্য আবার সেই আমদানি কর্পোরেশনের দ্বারস্থ হতে হবে? আবার একগাদা খরচ! মেয়েটা যে কবে বড় হবে আর ডায়াপার ছাড়া হাগতে শিখবে সেই নিয়েও ভীষণ দুশ্চিন্তা শুরু হলো সমীরণবাবুর। দুপুরে ফোনটা আসার পর থেকে কাজে আর মন বসলো না তার। সারা দুপুর বিকেল চিন্তা করতে করতে সন্ধের মুখে অফিস থেকে বেরোলেন আর মেট্রো থেকে নেমে সেই সোজন বাদিয়ার ঘাটের রাস্তার বদলে অন্য রাস্তা দিয়ে ঘুরে বাড়ি ফিরলেন সমীরণ বাবু।

    কাল সকালে কী হবে সেই দুশ্চিন্তা নিয়ে বাড়ি ঢুকতে সমীরণবাবু দেখলেন মা আর মেয়ে অর্থাৎ তার স্ত্রী এবং কন্যা দুজনেই খুব হাসাহাসি করছে। এই দুশ্চিন্তার সময়ে হাসি দেখে বিরক্তি আরও কয়েকশো গুন বেড়ে গেল সমীরণ বাবুর। ঘরে ঢুকে বসতে বসতেই মেয়ে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ল - "বাবা বাবা আমি আজকে নিজে নিজে পটি করেছি করেছি।" কৌতুহলী দৃষ্টিতে স্ত্রীর দিকে তাকালে তিনি বললেন - "হ্যাঁ গো, আজ ও নিজে থেকেই বলতে পারছে হিসু আর পটি পেয়েছে। তাই আজ ওকে আর ডায়াপার পরাতে হয়নি। কাল থেকে ওর জন্য আর ডায়াপার লাগবে না। তাই তোমাকেও আর ডায়াপার ফেলা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়তে হবে না। সমীরণবাবুর গলার কাছে গুটলি পাকিয়ে থাকা একটা কষ্ট, একটা বেদনা যেন নিচের দিকে নেমে গেল। ঢোঁক গিলে মেয়েকে কোলে তুলে নিতে নিতে সমীরণবাবু ভাবলেন অমৃত কুম্ভের সন্ধানে তার আর নীলকন্ঠ হওয়ার দরকার পড়বে না!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন