এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • কালবেলার রৌদ্রছায়া  - ২৮ 

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৯ জুলাই ২০২৬ | ১৫ বার পঠিত
  • ( ২৮ )

    মেঘলা দিন। সকাল থেকেই নিবিড় ছায়ায় ঢাকা।
    অনুমিতের মনটা যেন গাছতলায় পড়ে থাকা শুকনো পাতার মতো এলোমেলো উড়ে বেড়াচ্ছে।
    পবন, সিরাজ, শৌর্যরা নিশ্চয়ই এমন ছায়া মাখা দিনে মস্তি নিতে বসে গেছে কোন একটা ঠেকে বোতল খুলে। অনুমিত ভাবল ওদের কাউকে একটা ফোন করে। কিন্তু তেমন চাড় বোধ করল না। মনটা কেমন মেঘলা মেঘলা লাগছে। বাবাও অনেকদিন কাজ টাজের ব্যাপারে কিছু বলছে না। বোধহয় নতুন গভর্নমেন্টকে বুঝে নিতে চাইছে একটু। পলিটিক্সের ছানবিন করতে ব্যস্ত।
    বাড়িতে থাকতে ভাল লাগছে না। কারও একজনের সঙ্গে কথা বলতে ইচ্ছে করছে। না না পার্ক স্ট্রিটের কোন আলো আঁধারি বারে মদের গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে নয়। মেঘলা আকাশের নীচে কোন নির্জন একটা গাছতলায় দাঁড়িয়ে একজনের সঙ্গে কিছু কথা বলা। অনুমিত ভাবল, কি সব ক্যালাস ন্যাকা ন্যাকা চিন্তা করছে সে। কোন মানেই হয় না।
    তবে বাড়িতে থাকা গেল না। ভাবল, বেরিয়ে পড়া যাক। কাউকে না কাউকে পেয়ে যাবে। বেলা তিনটে বাজে। মেঘলা দিনে লেকের উল্টোদিকে সাদার্ন এভিনিউ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে ভাবল কার কাছে যাওয়া যায়। এই ভরা দুপুরে বন্ধুরা এখন সকলেই কোন না কোন কাজে ব্যস্ত। আর যে কোন কাজে নেই সে মস্তিতে আছে নিশ্চয়ই। ওসব ভাবতেই ভাল লাগছে না অনুমিতের। ভাবতে ভাবতে হাঁটতে লাগল রাস্তায় অন্য কারও সঙ্গে দেখা হয়ে গেলে ভাল হয়। লেকের ওদিকেই তো ওদের বাড়ি। হাঁটতে হাঁটতে ওদের বাড়ির কাছে গেলে কেমন হয়। বাবা তাকে সঙ্গে নিয়ে একদিন হাজির হয়ে গিয়েছিল ওদের বাড়ি। কী হ্যারাসমেন্ট... ওঃ। এখান থেকে বেশি দূর তো নয়। ওই তো ওই ডানদিকে টার্ন নিয়ে খানিকটা গেলে তিনতলা বাড়িটা। বাড়ির কালারটা কী যেন, ঠিক খেয়াল নেই। একদিনই তো গেছে। অত কি আর মনে রাখা যায় নাকি। ওরকম একটা সিচুয়েশান... সঙ্গে জাস্টিস অনিন্দ্য বসু। কিন্তু এখন যাওয়াটা কি ঠিক হবে বাড়িটার কাছে। কেউ যদি দেখে ফেলে কী মনে করবে। এমনিতেই তো তার অনেক বদনাম।
    অনুমিত ধীর গতিতেই হাঁটছিল। তার গতি আরও শ্লথ হয়ে এল। মেঘলা বাতাস পাক খাচ্ছে লেকের মধ্যে। তার মনে হল, এমনও তো হতে পারে তাকে হঠাৎ উল্টোদিক দিয়ে আসতে দেখা গেল।
    আসতেই পারে। এটা তো তার পাড়া বলা যায়। সাদার্ন এভিনিউ ধরে লেকের মোড়ের দিকে হেঁটে আসাটা খুব অসম্ভব কিছু না। কিন্তু এই অসময়ে সে এখান দিয়ে যাবেই বা কেন। তবু এরকম কিছু তো ঘটতেই পারে। বলা তো যায় না। কিন্তু যদি ঘটেই তাহলে সে কী করবে। অনুমিত কিছুই ভেবে রাখেনি। আগে যা বলত তা আর এখন বলা যাবে না। এত সব ভেবে লাভ কী, অনুমিত ভাবল। সে চাইলেই কি এই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে তার দেখা পেয়ে যাবে নাকি। এরকম কখনও হয় না।
    কিন্তু হল। কখন কোথায় কিভাবে যে কারও ইচ্ছা পূরণ হয়ে যায় কেউ বলতে পারে না।
    অনুমিত আচমকা দেখল প্রায় তিরিশ মিটার দূরে
    ভেসে উঠল গোলাপি শার্ট আর কালো প্যান্ট পরা একটা ফর্সা মতো মেয়ে। কাঁধে একটা ঝোলা।
    মাথা নীচু করে কী ভাবতে ভাবতে উল্টোদিক থেকে এদিকে হেঁটে আসছে। অনুমিতের বুকের রক্ত দোল খেয়ে গেল এক লহমায়। তার নিজের কাছে নিজেকে অচেনা লাগল। তার মনে হল দেখা না পেলেই ভাল হত। কী যে বলবে ওকে সেটাই তো ঠিক করতে পারেনি এখনও।
    অনুমিত দাঁড়িয়ে পড়ল। অদ্ভুত ব্যাপার। তার মনে হল পিছন ফিরে হাঁটতে থাকি। তারপর ভাবল, দূর... এরকম করতে যাবে কেন, পাগল নাকি। এইসব সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতেই মনোমিতা দশ মিটারের মধ্যে এসে পড়ল এবং সামনে অনুমিতকে দেখতে পেল। কোন অল্প পরিচিত কাউকে দেখতে পেলে কেউ যেমন ভাবে
    তাকিয়ে থাকে মনোমিতা তেমন দৃষ্টিতে তাকিয়ে অনুমিতের দিকে এগিয়ে আসতে লাগল। দুজনে
    সামনাসামনি এসে গেল।
    মনোমিতা সহজ স্বাভাবিক স্বরে বলল, ' আপনি এখানে ? '
    অনুমিত ঠিক কী বলা উচিৎ ভেবে না পেয়ে বলল, ' ওদিকে যাচ্ছি একটু ... কাজ আছে... '
    ----- ' ও। আমার বাড়ি তো ওদিকে... '
    অনুমিত বলে ফেলল, ' হ্যাঁ জানি... '
    মনোমিতা অবাক হয়ে বলল, ' তাই ? '
    অনুমিত দ্রুত সামলে নিল, ' মানে, গেস করে নিলাম। ওদিক থেকে আসছেন যখন... '
    ----- ' ও আচ্ছা ... ঠিক আছে... '
    বলে মনোমিতা এগোবার জন্য পা বাড়াল। অনুমিতের স্বভাব চরিত্র গত মাস দুয়েকে ভালোরকম জানা হয়ে গেছে তার। জায়গাটায় লোকজন নেই বললেই চলে। বেশিক্ষণ দাঁড়ানোটা নিরাপদ না। এসব লোককে কিছু বিশ্বাস নেই। নিশ্চয়ই বাবার ভয়ে এখন একটু মিইয়ে আছে। কিন্তু আবার বদমায়েসি শুরু করতে কতক্ষণ। এরা কখনও বদলায় না। এর মধ্যেও তো একদিন... যাকগে...
    সে অনুমিতের পাশ কাটিয়ে সামনে পা বাড়াতে অনুৃমিত বলল, ' দেখলাম... '
    মনোমিতা ভদ্রতাবশত দাঁড়িয়ে গেল।
    ----- ' কী ? '
    ----- ' ফেসবুকে আপনার রিলটা দেখলাম। সি জে পি -র ক্যাম্পেনিংয়ের ব্যাপারে... খুব গাটসি স্পিরিটেড প্রেজেন্টেশান হয়েছে... আই লাইকড ইট... '
    মনোমিতার একটা স্বস্তির শ্বাস পড়ল।
    বলল, ' দিল্লী গিয়েছিলাম, যন্তর মন্তরের প্রোগ্রামে। কাল ফিরেছি। আবার যাবার কথা আছে নেক্সট উইকে যদি ক্যাম্পেনটা কন্টিনিউড হয় ... ' মনোমিতার মুখে যেন একটা অদ্ভুত আলো এসে পড়ল।
    অনুমিত চুপ করে দাঁড়িয়ে রইল। মনোমিতার কেমন একটা অস্বস্তি হতে লাগল। জায়গাটায় লোকজন কম।
    সে বলল, ' আচ্ছা... আসি তা'লে। আন্টিকে বলবেন আমার কথা। আসি ... '
    কিন্তু মনোমিতা পা বাড়াবার আগেই অনুমিত বলল, ' ইফ ইউ ডোন্ট মাইন্ড, একটা কথা বলব ? '
    মনোমিতার মনে এক ফালি উদ্বেগ জমা হল।
    কিন্তু কোন উপায় নেই। বলল, ' হ্যাঁ, বলুন না... '
    ----- ' আমার একটা রিকোয়েস্ট আছে। আগে যেগুলো হয়েছে সেগুলো ভুলে যান, আর ইয়ে... '
    অন্যদিকে তাকিয়ে ঝট করে বলল, ' ফরগিভ মি। জাস্ট ফরগেট অ্যান্ড ফরগিভ... '

    মনোমিতা বেশ ফাঁপরে পড়ে গেল। ভাবল, এ তো বেশ ঝামেলায় পড়া গেল। এই ধরনের লোকজনকে একেবারেই বিশ্বাস করা যায় না। নতুন কোন মতলব আঁটছে কে জানে। অবশ্য, তেমন উদ্ভাবনী দক্ষতা এর আছে বলে মনে হয় না। ভাবল, এরা বেসিক্যালি ডাল হেডেড হয়।
    সে আর কী বলবে, মৃদুস্বরে দায়সারা ভঙ্গীতে বলল, ' ঠিক আছে ঠিক আছে। আসলাম... '
    আসলাম বলল বটে কিন্তু আসা গেল না। অনুমিত তাড়াতাড়ি বলল, ' আর একটা কথা ছিল... '
    ----- ' হুঁ... বলুন... ', মনোমিতা বেশ বিড়ম্বিত বোধ করছে।
    অনুমিত এর পর যেটা বলল সেটা মনোমিতার অনুমানের বাইরে ছিল।
    অনুমিত কিছুটা লাজুক মুখে বলল, ' কক্রোচের ব্যাপারটা ডিটেলে জানতে চাই। এখন যেটা হচ্ছে... মিস্টার ওয়াংচুকের ইস্যুটাও বুঝতে চাই ... '
    মনোমিতা অনুমিতের মুখে এসব কথা শুনলেও মোটেই আবেগে গলে গেল না। সে বলল, ' সোশ্যাল মিডিয়ায় তো প্রচুর এক্সপোজার হচ্ছে। ওখানে সব পাবেন... '
    ----- ' হ্যাঁ কিছুটা দেখেছি। আপনারা যারা ডায়রেক্টলি ইনভলভড আছেন তাদের কাছে শুনতে চাই। আমি এসব নিয়ে ভাবিনি আগে... '
    ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে। শিঞ্জিনী ম্যাডামকে বলবেন। যাব একদিন। ওখানেই ডিসকাস করব... আচ্ছা আসি এখন। লেট হয়ে যাচ্ছে... '
    ----- ' ইয়েস... অফ কোর্স। আসুন আসুন। ওহ্ ইয়েস... আর একটা লাস্ট কথা... আমি দিল্লী যেতে চাই প্রোগ্রামটা জয়েন করতে। আপনি আবার কবে যাবেন ? '
    ----- ' আমি ডেট ফিক্স করিনি এখনও। আপনি যে কোনদিন যেতে পারেন। যে কেউ যেতে পারে যন্তর মন্তরে। এখন সোনম স্যার কেমন থাকেন তার ওপর ডিপেন্ড করছে... '
    কথাটা অনুমিতের পছন্দ হল কিনা ঠিক বোঝা গেল না।
    সে বলল, ' হুঁ... তা ঠিক। দেখি কী করা যায়... ওখানে হয়ত দেখা হবে... '
    মনোমিতা আর দাঁড়াল না। হাঁটতে শুরু করল জোর পায়ে।

    ( ক্রমশ )

    ********************************************
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন