এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • নিউনর্মাল করোনাকালীন পর্ব তিপ্পান্ন

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ১০ আগস্ট ২০২৩ | ৫৭৮ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • মানি এসে যাওয়ায় সুনন্দিতা হাঁপ ছেড়ে বেঁচেছেন। আমেলিয়ার প্রাতঃকালীন প্রক্ষালন ইত্যাদির দায়িত্ব পুরোটাই মানির। সুনন্দিতার নাচের ক্লাস যেহেতু একেবারে বন্ধ এবং সেকেন্ড ওয়েভ অকল্পনীয়ভাবে জাঁকিয়ে এসেছে, অক্সিজেন শর্টেজ সমেত, সুনন্দিতা নিজের নাচের চর্চাটুকু সকাল বিকেল বরাদ্দ রেখেছেন।
    সন্ধের প্র্যাক্টিসে ফিউশন অভ্যেস করেন। শমক দাভারের সঙ্গে বেশ কিছু কম্পোজিশন করেছিলেন একসময়। মুম্বাই, ব্যাঙ্গালোর, কলকাতায় শো। সেইসব দিনের কথা ভাবলে কেমন আশ্চর্য লাগে। মেকাপ রুম। পায়ে ঘুঙুরের তোড়া। পর্দার পিছনে উত্তেজনা। সামনে দর্শক। গুরুবন্দনা! সব এই একবছরে অতীত হয়ে গেল।
    এটা একজন শিল্পীর পক্ষে মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। অ্যাকাডেমির সদস্যরা বেশির ভাগ ব্যক্তিগত জীবনে প্রতিষ্ঠিত। স্বচ্ছল। কিন্ত গেটম্যান, মালি, লাইটের ছেলেমেয়েরা, গার্ড এবং অফিস ওয়ার্কাররা অ্যাকাডেমির হল ভাড়ার ওপর নির্ভরশীল। তাঁদের শীততাপনিয়ন্ত্রিত আটশো আসনের হলটিতে সারা বছর বিভিন্ন সময়ে অনুষ্ঠান হয়। ফিক্সড ডিপোজিট ধরাই থাকে। কর্মচারীদের মাইনে ঠিকমত হয়ে যায়। এই অতিমারী কালে শিল্পচর্চা একেবারে বন্ধ। প্রথম ওয়েভ কমে আসাতে একটু আধটু অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল কিন্ত দ্বিতীয় ঢেউ থাবা মেরে সব বন্ধ করে দিয়েছে। কিছু ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙিয়ে শুকদেব দহলজি ও ভার্গব শ্রীবাস্তব এঁদের বৈতনিক ব্যবস্থা বজায় রেখেছিলেন। কিন্ত তাঁর মৃত্যুর পরে একটা অব্যবস্থা দেখা দিয়েছে। অ্যাকাডেমির একটি প্রশাসনিক কমিটি আছে। যদিও সুনন্দিতা সেই কমিটিতে নেই, তবু হোয়াটস অ্যাপ গ্রুপে খবর চলে আসে। অতিসম্প্রতি গেটম্যান মোহন এবং সুইপার সুরেশ মারা গেছে। তাদের পরিবারের হাতে কিছু টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে অ্যাকাডেমির পক্ষ থেকে। মোহনের ছেলে হয়তো বাবার কাজটি পাবে। তবে আবার ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙাতে হয়েছে অন্যান্য কর্মচারীদের মাইনে দেবার জন্য। এইভাবে কতদিন চলবে কেউই বুঝে উঠতে পারছেন না। খুব তাড়াতাড়ি হল খুলে অনুষ্ঠান হওয়ার কোনও সম্ভাবনাও নেই।
    এই অবস্থার মধ্যে সুনন্দিতার নিজের নাচের কথা ভাবতেও অপরাধবোধ হয়। পরমপ্রতাপকে বলে তিনি মোহন এবং সুরেশ যাদবের বাড়িতে ব্যক্তিগতভাবে টাকাও পাঠিয়েছেন। কিন্ত একটা পরিবার তো এইভাবে দানের অর্থে চলে না! এই অতিমারীকালে চাকরির অভাব আরো প্রকট।
    রুটি বেলতে বেলতে মানি জিজ্ঞেস করলো, ওদিকে নাকী খুব ঝড় আসছে বৌদি?

    কুক আসা আবার বন্ধ। রান্নাঘরের ভার সুনন্দিতা আর মানির হাতে। সুনন্দিতা রুটি সেঁকতে সেঁকতে আবারো অন্যমনস্ক হয়ে গেলেন।
    কীরকম যেন হয়ে গেছে চতুর্দিক। মে মাসের শেষের দিকে ইয়াশ নামক সাইক্লোন আসবে শোনা যাচ্ছে। ট্রপিক্যাল ডিস্টার্ব্যান্স। কিন্ত আরো বড় ডিস্টার্ব্যান্স আছে। আড়ালে আবডালে নয়। প্রকাশ্যে। পশ্চিমবঙ্গে ভোট আসছে। ভোট এলেই সুনন্দিতার ভীষণ টেনশন হতে থাকে। ইতিমধ্যেই ইলেকশন কেন্দ্র করে শীতলকুচিতে ফায়ারিং ও হত্যাকাণ্ড ঘটে গেছে। দিনহাটা থেকে শীতলকুচি আর কতটুকু দূর।
    সুনন্দিতা প্রানপণে নিজেকে কাজে ব্যস্ত রাখেন। কাজের কোনও বিকল্প নেই। পরমের পোশাক ইস্ত্রি করেন। নিকির সমস্ত কাজ নিজে হাতে। রান্নার প্যাশন অনেকটা বাঁচিয়ে রেখেছে তাঁকে। কাজ না থাকলেই মাথায় দুশ্চিন্তা কিলবিল করে। তাঁর মা একা আছেন দিনহাটার বাড়িতে। ভাবতে লাগলেন সেখানেও যদি গন্ডগোল হয়! হয়তো মা একটু রাস্তার ওপারে বাজার থেকে কচুর লতি বা সবজি আনতে গেলেন, তখনই গোলাগুলি চলে গেল! এই বুঝি মায়ের গায়ে লেগে গেল! এই বুঝি মা লুটিয়ে পড়ল! কামতাপুর অঞ্চলে প্রবল হিন্দু সাম্প্রদায়িকতা। মুসলমান রাজবংশী সম্প্রদায় সংখ্যালঘু। এখন কে কাকে কখন মারছে বা মারবে কোনো ঠিক নেই। সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট দুহাজার উনিশেই এসেছে। দুহাজার কুড়িতে রীতিমত বাংলাভাষাতে বুকলেট ছাপা হয়েছে, ন্যাশনাল রেজিস্টার অব সিটিজেনস। অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী  মুসলমানের চিহ্নকরণ। লিখিতভাবে হিন্দু, শিখ, জৈন পার্শিরা  সুরক্ষিত থাকবেন। সুনন্দিতা ভয়ে শিঁটিয়ে থাকেন। কখন কী অবস্থান ও অবস্থা হবে, ভীষণ অনিশ্চিত। পশ্চিমবঙ্গে একটা খাপ সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে। সেটা ভায়োলেন্ট হয়ে উঠতে সময় লাগে না। দিল্লিতে বসেই টের পান তিনি। সেটা ভয়ঙ্কর। ভিক্টিমাইজেশনের টেনডেন্সি। তুমি জানতেও পারবে না। তিন দিনের জেল আর সাতদিনের ফাঁসি হয়ে যাবে।
    সুনন্দিতার ছোটবেলার দিনহাটা, শীতলকুচি আর আগের মতো নেই। যদিও ভবিষ্যতের বীজ তখনই লুকিয়ে ছিল। টের পাননি, এই যা।
    টেনশনে ঘাম হতে থাকে। প্রেশার আবার বাড়ল নাকী! সুনন্দিতার প্রেশার একটু ওপরের দিকেই। মা' কে নিয়মিত রাতে ফোন করেন। তবু চিন্তা যায় না। তাঁর মধ্যে, ঘন নীল তসরের শাড়ি, হল্টারনেক ব্লাউজ আর রূপোর আর্মেনিয়ান গহনা পরা, গ্র্যান্ড মিসেস মেহতার মধ্যে একটা রোগাসোগা মফস্বলী মেয়ে এখনো বাস করে। সে খুব কিশোরী অবস্থায় বুঝে গেছিল উত্তরবঙ্গে থাকলে তার নাচ বিকশিত হবে না। সে কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়েছে গতানুগতিকতার প্রবাহে। বিকাশের অন্য কোনো ধারণা ছিলই না তার। ক' জনের বা থাকে? দিনহাটা থেকে বিশ্বভারতী, বিশ্বভারতী থেকে কলকাতা। মুম্বাই। দিল্লি। জায়গা পাল্টেছে। সময় সুনন্দিতাকে গড়েপিটে নিয়েছে। চোস্ত হিন্দিতে কথা বলেন তিনি। সপাট পঞ্জাবি স্টাইল ইংরিজি। মানি তাঁর বাংলার সঙ্গী। ইদানীং কালে বাবু। দিল্লি প্রবাসে বাঙালি বন্ধুরাও এখন হিন্দি বা ইংরিজি বেশি বলেন। সুনন্দিতার কোনো অসুবিধে নেই। কিন্ত  সেই ডাকাবুকো মফস্বলী মেয়েটি তাঁকে এখনো পীড়িত করে। খসখস শব্দ হয় বুকের মধ্যে। লিভ লাইফ কিং সাইজ একটা আপেক্ষিক ধারণা। মেহতা হাউসে তাঁর মা কখনোই এসে থাকবেন না। আমেলিয়ার রাজত্ব পরম মাথা পেতে মেনে নিয়েছেন।

    মানি আবার জিজ্ঞেস করলো, খুব বড় ঝড় বৌদি? গেলবারের আম্ফানের মতো?
    সুনন্দিতার হাতে গোল হয়ে রুটি ফুলে  উঠছে।

    পশ্চিমবঙ্গে লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির সময়সীমা পাঁচবছর শেষ হতে চললো। তিরিশে মে শেষ তারিখ। প্রবল বিক্রমে র্যালি চলেছে যদিও এপিডেমোলজিস্টরা এই জমায়েতকে সুপারস্প্রেডার বলেছেন। তবলিঘি জমায়েতকে ম্লান করেছে কুম্ভমেলা। তারসঙ্গে এদিকে পাল্লা দিয়ে জনসমাগম। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন র্যালি করা সাংবিধানিক অধিকার। কেন্দ্র ও রাজ্য পরস্পরকে দোষারোপ করে চলেছে রোগ ছড়ানোর জন্য।
    এইসব কখনও শেষ হবে না। সবাই জানে।
    সুনন্দিতা সযত্নে রুটি তুলতে থাকেন একটি প্রাচীন অথচ ঝকঝকে তামার পাত্রে।
    নিকি তার অটোমেটিক হুইলচেয়ার ঠেলে নিয়ে এসেছে। এই সুপ্রশস্ত রান্নাঘর এতটাই আধুনিক, সুসজ্জিত যে দেখে রান্নাঘর মনে হয় না।
    নিকি যেন থটরিডার।
    মা' কে দাঁতে ঠোঁট চেপে রুটি করতে দেখে জিজ্ঞেস করলো,
    - আর ইউ থিংকিং অ্যাবাউট দিদান? ওরিড অ্যাবাউট দিনহাটা?
    মেয়ের মুখের দিকে অপলক তাকিয়ে সুনন্দিতা। এই মেয়ে কখনো তাঁদের দিনহাটার ছড়ানো রান্নাঘর দেখেনি। একদিকে মাটির নিকোনো উনুন। বিশাল। কাঠের তাকে কাঁসার বাসন উপুর করে রাখা। একদিকে ঘুঁটে। কয়লা। কেরোসিনের ডিব্বা। বড় দুটো মিটসেফ। ফ্রিজ কোথায় তখন! টুকটুক করে আমলকি পাতা ঝরে পড়ে টিনের চালে। রান্নাঘরের পাশ দিয়ে দ্রুত চলে যায় বেজি। মা বলেন, থাক। কিছু বলিস না। সাপখোপ আসবে না। বারকোশে জল ঢেলে মিটসেফে খাবার তুলে রাখতেন ঠাকুমা। পুঁই শাকের মেটুলি আর ছানার ডালনার গন্ধ ভেসে আসে। এখনো তিনি পনিরের চেয়ে ছানার ডালনা পছন্দ করেন বেশি। বাড়ির সবাইকে ধরে খাওয়ান। এরা তো ছানার তরকারি খেতে জানতো না আগে। রাত্রিবেলা বাড়িঘর ভরে যায় আতপচালের গন্ধে আর দুপদাপ শব্দে। ভাম। ভয়ের কিছু না।
    এখন সর্বত্র ভয়। গা ছমছম করে না। শুধু ভয় কাজ করে।
    উত্তরাধিকারকে নিজের অতীত দেখাতে না পারা বড় যন্ত্রণা দেয়। যাকে কেন্দ্র বলে ভেবেছিলেন তার ব্ল্যাকহোল গুলো মনের মধ্যে খাবলা দেয়।
    নিকি বললো,
    তুমি ধরেছিলে না কেন? ফোন এসেছিল তোমার। ত্রিদিব আংকলকে বাড়ি নিয়ে গেছে ওরা।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ১০ আগস্ট ২০২৩ | ৫৭৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • স্বাতী রায় | ১০ আগস্ট ২০২৩ ১২:১৫522329
  • অনবদ্য । এই যে এক একটা কথা বিকাশের আর কোন ধারনাই বা ছিল, কজনের থাকে একেবারে যেন আমাদের ছবি! 
    আজকালকার একজন সচেতন মেয়ের মাথার মধ্যে  সব রাজনৈতিক , প্রাকৃতিক, সামাজিক বিপর্যয় মিলে মিশে যে ছবিটা তৈরি হয় তার খুব ভালো ছাপ ধরা রয়েছে। ব্যক্তিগত ঘোর জীবন মরণ সংকট সে দেখেনি হয়ত, কিন্তু কোন না কোন ভাবে কানেকটেড মনে করছে, অথচ তার কন্ট্রোলে নেই কিছুই, এইটা ভাল ধরা পড়ছে। 
     
    ভাল লাগছে। 
  • | ১০ আগস্ট ২০২৩ ১৩:০৭522330
  • বড্ড ভাল। 
    "যাকে কেন্দ্র বলে ভেবেছিলেন তার ব্ল্যাকহোল গুলো মনের মধ্যে খাবলা দেয়।" - একেবারে বিঁধে গেল। 
  • Anuradha Kunda | ২৪ আগস্ট ২০২৩ ০৮:৩৪522888
  • স্বাতী এবং দময়ন্তী, যাঁরা প্রথম থেকে এই লেখার সঙ্গে আছেন, তাঁদের আমার ভালোবাসা জানাই। পাঠ প্রতিক্রিয়া না পেলে লিখন কখনো সম্পূর্ণ হয় না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন