এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • নিউনর্মাল করোনাকালীন পর্ব ষোলো

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ৩০ এপ্রিল ২০২৩ | ৩৬৭ বার পঠিত
  • ইন কেরালা ফাইটিং উইদ কোভিড ইজ নট আউট অ্যান্ড আউট আ সাকসেস স্টোরি। বাট ইট ইজ নাইদার আ ফেইলিওর।
    কোনও জাগতিক সাফল্যই সেন্ট পার্সেন্ট সাফল্য হয় না। কুরে কুরে ক্ষত করার জন্য অনেক অসফলতার অধ্যায় থাকে।
    একটা নিঃশ্বাস ফেলে অনিল টমাস কথাগুলো বললেন।

    উহান থেকে প্রথম যে মেয়েটি কোভিড পজিটিভের জীবাণু বহন করে এনেছিল, সে নেহাতই একটি কমবয়সিনী ছাত্রী। এয়ারপোর্টে অনিল দুবাই থেকে ল্যান্ড করার কিছুদিন আগেই সে আসে। তার বাবা মা পিপিই পরে দেখা করতে গিয়েছিলেন মেয়েটির সঙ্গে। তারপর পুরো পরিবার আঠাশদিনের আইসোলেশনে ছিল কোভিড কেয়ার সেন্টারে। সম্প্রতি অনিলের সঙ্গে এই পরিবারটির আলাপ হয়েছে। কী ভয়ানক এবং দুর্বিসহ হতে পারে কোভিডের আইসোলেশন সেটা অনিল হাড়ে হাড়ে জানেন। জানেন পলিও। মুম্বাই থেকে পরিবারে ফিরেও যন্ত্রণা কমেনি। হন্ট করছে সমস্ত অভিজ্ঞতার অন্ধকার। টেনশন। অদিতি। হসপিটাল। অপরাধবোধ। বিবমিষা। বাচ্চাদের কলধ্বনি কানে পৌঁছাতো না। দুজনে চুপচাপ দুরে দুরে দুইঘরে পড়ে থাকতেন। যেন বিসর্জন ঘটে গেছে কোনো প্রতিমার। বাগান আলোকিত করে ফুটে আছে ফুল। পলির মা ও এমিলি শিশু এবং বৃক্ষের যত্নে কোনো ত্রুটি রাখেননি। কৃষ্নকিরীডম হাসছে অগণিত পাপড়ির মধ্যে।তবু দুজনেই পীড়িত। দুজনেই ভারাক্রান্ত। পোস্ট কোভিড কাকে বলে অনিল জানেন। পলিও। দুজনেই অন্ধকারে মুখ গুঁজে পড়ে থেকেছেন।
    তারপর পলি উঠে দাঁড়িয়েছেন। জোর করে। বাড়ির শিশুদুটি বড় বাধ্য। অনলাইন পড়া ও গৃহবন্দি খেলাধুলা করেও তারা এতটুকু বিরক্ত করে না। তাদের বাইরে যাওয়া দরকার। পলির নিজের দরকার। অনিলের।

    মুম্বাই যাবার আগে কুরিসিমালা ঘুরে এসেছিলেন পলি। ভেবেছিলেন, অনিল সুস্থ হয়ে উঠলে আবার আসবেন। দুজনে মিলে নয়। সবাইকে নিয়ে। এখন খুব কাছাকাছি সবাইকে জড়িয়ে থাকতে ইচ্ছে করে তাঁর। অনিল এখনো ট্যুর শুরু করেননি। বাড়িতে বসে অনলাইনে চলছে কাজ। একবার কুরিসিমালা ঘুরে আসা যায় না সবাই মিলে?
    পলি বলেছিলেন। এত দমবন্ধকরা বিবমিষা। কিছু যেন বলতে চাইছেন অথচ পারছেন না।
    অনিল কাজ করছেন পরিমিত। বেশি স্ট্রেইন নেওয়া বারণ। চেক আপ করাতে মুম্বাই যাওয়াও যেন এক অভিশাপ এখন। হোয়াই ডিড আই আস্ক দেবরূপ টু জয়েন মি? হোয়াই ডিড অদিতি কাম ইনস্টিড অব দেবরূপ?
    অন্তর্গত আর্তনাদ বেশি করে মারে।ক্ষত তৈরি করে। বিষাদ বিস্তৃত হতে থাকে। তখন আর রসমের আস্বাদ পরিতৃপ্তি দেয় না।
    অনিল বললেন, চলো।
    আরো একবার হোক সেই প্রিয় যাত্রা।

    কুরিসুমালা খৃষ্টমাসের আগে সেজে উঠছে। খুব পরিশীলিত, নির্মোহ  সাজ। এখানে কোনো আড়ম্বর নেই। আশ্চর্যের কথা এই যে এখানে কোভিড থাবা বসাতে পারেনি। একটিও করোনা রোগী নেই এখানে। হয়নি। নাহ্। সাধু সন্ত জনিত কোনো অলৌকিক কারণ নেই এই অতিমারীহীনতার পিছনে। এই নির্জন আশ্রমে মানুষ কম। প্রকৃতি বেশি। জীবনযাপন সাদাসিধে। নিজেদের চাষবাসে নিজেদের উদরপূর্তি এই কুরিসুমালাতেই কেরালার প্রথম কোভিড বয়ে নিয়ে আসা মেয়েটি এবং তার পরিবারের সঙ্গে আলাপিত হলেন টমাস। কী ভয়ানক বেদনা তাদের চোখে মুখে এখনো। যেন এখনো সেই আতঙ্কের পাঁকে নিমজ্জিত গোটা পরিবারটি। আরো বেদনার কথা এই যে, এই পরিবারের বড় ছেলেটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে টেক্সটাইল এন্জিনিয়র হিসেবে বেশ ভালো একটি কাজ করতো। লকডাউনের আগেই সে দেশে ফিরে আসে এবং আটকে যায়। আর ফিরতে পারেনি চাকরিটি চলে গেছে। কর্মহীন অবস্থায় সে ছটফট করছে। ডাক্তারী পড়া অসমাপ্ত রেখেই ফিরেছে তার বোন। সেও আর চীনে ফিরতে পারছে না।

    দুহাজার কুড়ি সালের আগে বাবা মেয়েদের, বিশেষ করে তৃতীয় বিশ্বের অভিভাবকদের একটা টার্গেট থাকত। ছেলে বা মেয়ে আমেরিকা চলে গেছে। বা ইউ কে। বা চিন। বা যেখানেই হোক। দেশের বাইরে। যেন দেশের চৌহদ্দিতে থেকে যাওয়া একধরনের সীমাবদ্ধতা। বাবামায়েদের কাছে অস্বস্তিকর সীমাবদ্ধতা। দেশ পার হতে পারলেই উজ্জ্বল উদ্ধার। তারপর যাই হোক না কেন।কোভিড নাইন্টিন সেই উজ্জ্বল উদ্ধারের ধারণাকে অনেকটা তছনছ করে দিল। এই রত্না নামক মেধাবী ছাত্রীটির বাবা মা কিছুতেই তাকে আর চিনে ফেরত পাঠাতে চাইছেন না। ছেলে তো যেতেই পারছে না। ধোঁয়াশার মত বিষন্নতা ঘিরে আছে যেন। কুরিসুমালার আশ্রমে এসেছেন শান্তির খোঁজে।আশ্রয় চাইতে। সাম রেইজ অব হোপ। কেউ নিজেই পারে। কেউ বাইরের দিকে চেয়ে থাকে।
    এই আশ্রমের আনন্দ উৎসব হল ইন্ডিয়ানাইজড সেলিব্রেশন অব হোলি মাস।

    মাঝখান দিয়ে পিচের রাস্তা দুপাশে ধাপচাষ। গাছগাছালিতে ভরা। দুধ আর মধু বয়ে যায় কেবল। কুরিসু একটি মালায়লাম শব্দ। অর্থ পবিত্র ক্রশ। মালা, অর্থাৎ পর্বতমালা। পবিত্র ক্রশের পর্বতমালা। আচার্য ফ্র্যানসিস উৎসবের দিনের জন্য প্রার্থনার বই লিখেছেন সিরিয়াক থেকে ইংরেজিতে তর্জমা করে। সবাই উন্মুখ। বড়দিন আসছে। এই আশ্রমের মন্ত্রপাঠ, রিচুয়ালস, প্রতীকচিহ্ন, অনেক কিছুই হিন্দুধর্ম থেকে আহরণ করেছেন যাজকরা। পলি প্রদীপ জ্বালাচ্ছেন। ঠিক যেমন পলিজ নেস্টে তাঁর প্রিয় নালুকেতুর পাশে প্রদীপ সাজান, তেমন। রত্না এসে বসল পাশে। সেও প্রদীপ জ্বালাতে শুরু করলো। নরম উজ্জ্বল আলোতে দুটি বেদনাদগ্ধ মুখ আলোকিত।
    বাইরে অনিল একা। হাঁটছেন। হাঁটতে হাঁটতে হঠাৎই ফোন করলেন দেবরূপকে।
    হাউজ লাইফ?
    কুরিসিমালার পরিবেশ এত স্নিগ্ধ, শান্ত ও মায়াময় যে একা হাঁটলেও একাকীত্ব বোধ হয় না।

    এটা বোধহয় পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিনতম প্রশ্ন। এবং ইউজলেস।

    তবু অনিল টমাসের মত সহজ, সরল মানুষ যখন এইরকম প্রশ্ন করেন, ভারি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায় দেবরূপ। সে কেমন আছে সে নিজেও ঠিক বলতে পারবে না। ওষুধ খেয়ে ঘুমাচ্ছে। খাওয়ার রুচি মোটামুটি আছে। কোনোদিন সে ভোরাশিয়াস ইটার নয়। রিসার্চের কাজে খুব গভীর কনসেনট্রেশন এখনো আসে নি। তবে ডেটা বেসড কাজ অনেকটাই যন্ত্রচালিতের মত করতে হয়। সেটা সে আয়ত্তে এনেছে। ক্লান্তিবোধ খুব গভীর। যৌনতাবোধ শূন্য। হাসি পায় না। অভ্যেস বশে যেটুকু। বা ভদ্রতা। স্নান করে। পরিচ্ছন্ন হয়। পরিচিতদের থেকে দুরে থাকে। এখন দিল্লির অবস্থা সারা পৃথিবীর কনসার্ন। কৃষকরা অবরোধে নেমেছেন। এই বিশাল প্রতিরোধের কাছে তার সামান্য জাগতিক অসুবিধা বা সুবিধা, কিছুই না। কণামাত্রও নয়। এত কথা কী অনিলকে বলা যায়?
    তাই সে যন্ত্রচালিতের মত বলে, ফাইন। লাইফ ইজ ফাইন।
    রুবিনাজী একবার তাকিয়ে দেখলেন। দিস বয় সিমস টু বি হার্ড ওয়ার্কিং বাট হি ইজ ইন সাম ক্রাইসিস।
    মৃদুস্বরে বললেন ক্রুতিকাকে। সে ঘাড় নেড়ে সায় দিল। দেবরূপকে ক্লাস এবং সিলেবাস অ্যালট করে দিয়েছেন ওঁরা।
    অনিল হাঁটতে হাঁটতে দাঁড়িয়েছেন একটি জবা গাছের সামনে। গাঢ় লাল। কালচে। একটা গন্ধ আছে। যদিও জবা সুগন্ধী ফুল নয়।
    কুরিসুমালা থেকে এই গন্ধ দিল্লিতে পাঠানো যায় না। দেবরূপ কী কুরিসুমালাতে আসবে একবার? অনিলের মনে হয়, ওর ভালো লাগবে। বিক্ষিপ্ত মন শান্ত হবে। আসবে তুমি দেবরূপ?
    অনিল খুব গভীর আকুতি নিয়ে জানতে চাইলেন।

    নো। প্রত্যয়ী উত্তর।
    নো স্যর। আই ডু নট ওয়ান্ট স্পিরিচুয়জালিটি অ্যাট প্রেজেন্ট। আই নিড টু ওয়র্ক। অ্যাট ওয়র্ক ইজ মাই পিস।
    মাই কাইন্ড অব স্পিরিচুয়ালিটি।
    ভাইরাসের স্ট্রাকচার পাল্টাচ্ছে। তার কার্য ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটছে। ব্রিটেনে সেকেন্ড ওয়েভ। আবার লকডাউন শুরু হয়েছে। ভারতবর্ষে কী সেকেন্ড ওয়েভ আসবে? করোনার দাপটে অন্যান্য রোগ যেন চাপা পড়ে গেছে।
    অনন্য ভাসুদেবন। দেবরূপের বন্ধু। সে জানিয়েছে এই কোভিডকালে আরো দু রকমের জটিল লিমফোমা আবিষ্কৃত হয়েছে। হজকিন লিমফোমার এক বিরল রূপান্তর। প্রচন্ড অ্যাগ্রেসিভ নন হজকিন লিমফোমা। এই রোগের হদিশ ছিল না আগে। এবং রোগী মারা যাচ্ছে। ভয় পাচ্ছে কোভিড নাইন্টিনে। এই দুনিয়ায় ভালো থাকার সংজ্ঞা অতি জটিল। অগণিত তারার মত ঘাসফুল ফুটে আছে নিচের বাগানে। অপার্থিব আলো বিচ্ছ্যুরিত হচ্ছে যেন। এদের আগাছা বলে মুড়িয়ে কেটে দেওয়া হবে। অদিতি থাকলে সেটা হত না। আগাছা বলে কিছু নেই। ও বলতো। ওর চোখে আগাছা সুন্দর। স্বতঃস্ফূর্ত। এদের নাকী একটা আলাদা গন্ধ আছে। সেই গন্ধ কী টের পাওয়া যায়? চোখ বুঁজে বুক ভরে শ্বাস নিল ও।
    সিংঘু বর্ডার যাওগে?
    আচমকা পিঠে হাত। রুবিনাজী। ওঁর বর, ছেলেরা যাচ্ছে সিংঘু বর্ডারে।
    উইল ইউ গো দেবরূপ? ডু ইউ ওয়ান্ট টু গো?<

    ( চলছে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ৩০ এপ্রিল ২০২৩ | ৩৬৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন