এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • নিউনর্মাল করোনাকালীন পর্ব সাঁইত্রিশ

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ৩০ জুন ২০২৩ | ৪৮৭ বার পঠিত
  • টুপুর অনেকক্ষন ধরে নিজের হাতগুলো দেখছিল। বেশ রোগা রোগা হাত। কলকাতা বা খড়গপুরে গরমের হাওয়া উঠে গেছে। স্লিভলেস পরার দিন এসে গেল। ওর ট্যাটুগুলো অবিকল আগের মতোই আছে। ওপরে একটা বাদুড়। তারপর একটা সাপ। মুখটা নিচের দিকে। সাপের দুপাশে প্রজাপতি উড়ছে। ফড়িং। ফুলরাশি।
    এখন ইমিডিয়েট যেটা করা দরকার, সেটা হল বাড়ির সকলের একটা কোভিড টেস্ট।
    ত্রিদিবের শ্বাস প্রশ্বাসের কষ্ট বেশ বোঝা যাচ্ছে। ফোন করেই কচলে কচলে হাত ধুয়ে ফেলেছে। কাঁপছিল। একেবারে গোটা হাত। বেবুনের গায়ে এখনো লেগে আছে জলের ফোঁটা।
    মালবিকা ঘোরের মধ্যেই বসেছিলেন। হঠাৎই হোস্টেলের ফ্ল্যাটটা কেমন ফাঁকা লাগছে। অথচ তিনি বেশ ভালোই ছিলেন ফ্ল্যাটে। একা। নিজের মতো। গুছিয়ে কাজ। গুছিয়ে বাজার। গুছিয়ে শখ। যেন তরুণীবেলা খানিকটা। রাতে পাউরুটি টোস্ট কড়া করে। ওমলেট। স্যালাড। খাতা দেখছিলেন অনলাইনে। টুপুর মাঝরাতে ফোন করে খবরটা জানিয়েছিল। প্রথমে ভেবেছে, থাক।সকাল হোক। মাঝরাতে মালবিকাকে ব্যস্ত করে কী লাভ? কিছু তো করতে পারবেন না মালবিকা। ঈশানকে  প্রথম ফোন করেছিল।
    - বাবা জ্বরে বেহুঁশ হয়ে পড়ে আছে ঈশান। শ্বাস কষ্ট হচ্ছে মনে হচ্ছে।
    - আমি আসছি। আধ ঘন্টা ওয়েট করো। সুগারটা টেস্ট করে নাও পারলে।
    - মা' কে এখন আর খবর দিচ্ছি না, বলো? সকালে জানাবো।
    ঈশান ফোনের ওপারে ভীষণ জোরে মাথা নাড়ালো।
    - ডোন্ট মেক দ্যাট মিসটেক টুপুর। এখনি বলো।
    - কেন ফালতু মা' কে টেনশন দেবো?
    - ডু ইউ ওয়ান্ট টু বি ব্লেমড ফর দ্য রেস্ট অব ইওর লাইফ?
    - হোয়াট ডু ইউ মিন ঈশান?
    - শোনো। তোমার বাবা মা এখনো স্বামী স্ত্রী। ইভন দে লিভ সেপারেটলি দে আর ম্যারেড। শি হ্যাজ এভরি রাইট টু নো অ্যাবাউট হিজ ওয়েল বিংগ। গড ফরবিডস, যদি কিছু হয়ে যায়, শি উইল নেভার ফরগিভ ইউ।
    টুপুর ঠোঁট ওল্টালো। ঈশান কিছু প্রাচীনপন্থী আছে বটে। হোলি ম্যারেজে বিশ্বাস করে। কিন্ত এখন এই মাঝরাতে মালবিকাকে খবর দেবার অনেক ফ্যাচাং আছে। প্রথমত মা যদি ফোন অফফ করে ঘুমায় তাহলে চিত্তির। দ্বিতীয়ত, যদি ফোন তোলে তবে সে আসতে চাইবে। চাইবেই। আসবে কী করে? ঈশানকেই যেতে হবে আবার।
    আবার অন্য দিক ভেবে দেখলে মালবিকার আসাই ভালো। এই সুগার মাপা টাপা টুপুরের চেয়ে মালবিকা অনেক বেশি ভালো পারেন। প্রেশার চেক করাটাও। তাছাড়া আরো কিছু কাজ যদি করতে হয়। টুপুর একা একা বেশ নার্ভাস ফীল করলো।
    ত্রিদিবকে ধরে তুলতে পারলো না।
    অথবা শরীরের সমস্ত শক্তি দিতে গিয়ে থেমে গেল। যদি বাবা কোভিড পজিটিভ হয়! ইফ হি ইনফেক্টস মি! ভাবলো। এবং পিছিয়ে গেল অনেকটা।
    মানুষটি মেঝেতে পরে আছেন। মোটেই ভালো লাগছে না টুপুরের। বাট ওয়ান হ্যাজ টু বি প্র্যাকটিকাল। এইটুকু জানে ও। এখন ও বাবার কাছে যাবে না।যেতোও না বহুদিন ধরে। কবে বাবার খুব কাছে গেছে, গলা জড়িয়ে ধরেছে, মনে পড়ে না ওর।
    ঈশানকে ফোন করলো আবার।
    - কী হল? গাড়ি বের করছি।
    - বেশ করছো। আসার পথে মালবিকা মন্ডল সেনগুপ্তকে তুলে এনো দয়া করে। নাহলে আবার সেই তোমাকেই ড্যাং ড্যাং করে যেতে হবে মহিলাকে আনতে। তিনি তো শুনে আসবেন বটেই।
    - পারো তুমি!
    ঈশান ফোন রেখে পেট্রোল চেক করলো।
    টুপুর মন দিয়ে ট্যাটু দেখছে। ভাবছে কনুই থেকে আরেকপ্রস্থ আঁকাবে। কেমন হবে?
    এইমুহূর্তে তার কিছু করার নেই। মনকে অন্যদিকে নিতে হবে। ত্রিদিব চিৎ হয়ে শুয়ে। সে জানে প্রোনিং খুব কাজের। কিন্ত ধরতে ভয় লাগছে। ইজ হি পজিটিভ? আসলে তার খুব ভয় করছে। অনেকটা দূরে বসে আছে। এই লোকটা তার বাবা। নিজের বাবা। এই মানুষটা ছোটবেলাতে তাকে কোলে নিতো। মা ঘুঘুসই টুপুর কই করতো বলে, টুপুর বাবাকে বলতো, তুমিও ঘুঘুসই করে দাও আমাকে। চেষ্টা করতো। পপ আপ বই কিনে আনতো বিদেশ থেকে টুপুরের জন্য। সুড়সুড়ি দিতো কানে। টুপুর খিলখিল করে হাসতো। চিড়িয়াখানাতে এই মানুষটার কোলে টুপুর।হাতী দেখে ভীষণ কাঁদছে সে। হাতী অতো বড়ো কেন? খুব ভয় লাগছে। খুব ভয়। দেওয়াল বেয়ে ভয় নেমে আসছে। আম্ফানে যেমন জল পড়ছিল ঘরের মধ্যে ল্যান্ডিং এর কাঁচ ভেঙে সেইরকম সব নিরাপত্তার বলয় ভেঙে যাচ্ছে। সব। বাবা হাতীর কাছ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে সাদা বাঘের খাঁচাতে। টুপুর আরো কাঁদছে। সাদা বাঘের ছানাটা বাড়ি নিয়ে যাবো। ওকে এনে দাও।
    মা বকছে। টুপুর বায়না করছো কেন ? দাদা কী বায়না করছে তোমার মতো? তুমি কী বোকা টুপুর!
    দাদা কী ফাঁকিবাজ তোমার মতো? দাদা কী অবাধ্য তোমার মতো?
    টুপুর হাত পা ছুঁড়ছে। রাগে ফেটে পড়ছে। অল ইডিয়টস! ঋতজা বলছে, সিগারেটটা খা। দ্যাখ খেয়ে। কোনো রাগফাগ থাকবে না। টুপুর সিগারেটে টান দিতেই মাথা ঘুরে গেছিল। আস্তে আস্তে সব আবছা হয়ে গেল। বাবা, মা, দাদা। আবার সেই তারাই কাছে আসছে কেন ঘুরে ফিরে? টুপুর মুখ ফিরিয়ে আছে।
    কিছু করতে না পারার মারাত্মক অসহায়তা খেয়ে ফেলছে ওকে। আই ক্যাননট ডু এনি থিংগ। দাদা থাকলে কী পারতো? শিট। হি কুডন' ট সেভ অদিতি।
    চোখের সামনে শ্বাস কষ্ট দেখা খুব হিউমিলিয়েট করে। টুপুরের পেটে ব্যথা হচ্ছে।
    বাবা, বাবা, আরেকটু সারভাইভ করো। কষ্ট করে শ্বাস নাও। তবু নাও।
    ডোন্ট স্টপ ব্রিদিং। সেরে উঠলে আমরা আবার চিড়িয়াখানা যাবো বাবা। প্লিজ ব্রিদ।
    চল্লিশ মিনিট।
    ঈশান হন্তদন্ত হয়ে ঘরে ঢুকে দেখলো টুপুর অঝোরে কেঁদে যাচ্ছে এক কোণায় বসে। ত্রিদিবের থেকে অনেক দূরে।

    মালবিকা খুব সজ্জিত সলজ্জ পায়ে ঢুকছেন। তাঁর পায়ের দীঘল পাতাতে ডিপ মেরুন নখরঞ্জনী। সানাই বাজছে খুব মৃদুস্বরে। অনেক অচেনা মানুষ। ত্রিদিব কোথায়? মালবিকা এদিক ওদিক তাকিয়ে ত্রিদিবকে খুঁজছেন। সামনেই শাশুড়ি বরণডালা সাজিয়ে দাঁড়িয়ে। পাশে কে দাঁড়িয়ে? রীণা যোশি? তুমি এখানে এসেছো কেন? তোমার গায়ে আমার কান্জীভরম কেন রীণা? কে দিল শাড়িটা তোমাকে? শাশুড়ির মুখ গম্ভীর। প্রদীপের আলোতে চোখ তুলে তাকালেন মালবিকা।
    বাবু? বাবু কোথায়? বাবু আসেনি?

    - তোমার না আসাই ভালো দেবরূপ।
    - আই হ্যাভ কোভিড নাইন্টিন ডক্টর। যাস্ট লাস্ট ইয়ার। ইন ফ্যাক্ট আমি এখন প্লাজমা দিতে পারি।
    ডাক্তার নিঃশ্বাস ফেলে প্রেসক্রিপশন লিখতে লাগলেন। পেশেন্ট ক্রিটিক্যাল। করোনা ভাইরাসের একটা অদ্ভূত ফিচার আছে। আমাদের ইমিউন সিস্টেম খুব তাড়াতাড়ি এদের ভুলে যায়।মিসলস যদি একবার হয় আর জীবনেও হবে না। লাইফলং ইমিউনিটি। করোনাভাইরাস ঠিক সেরকম নয়। এস আর এস কোভ টুর জন্য মানব ইমিউনিটি শর্ট লিভড কতোটা এখনো ঠিক পরিষ্কার নয়। অ্যান্টিবডিগুলো খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়, লাইফ লং ইমিউনিটি গ্রো করার কোনো সম্ভাবনা নেই। ভাইরাস অ্যাডাপটিভ ইমিউনিটি সেলের অ্যাক্টিভিটি নষ্ট করে দেয়। ভ্যাকসিন ইজ হাইলি টেইলর্ড। স্পেসিফিক প্যাথোজেনকে কিক অন করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। তারপর অ্যান্টিবডি তৈরি হয়। আরেকটা হয়। মেমোরি সেল তৈরি। মেমোরি ইমিউন সেল। সেগুলি দীর্ঘ দিন শরীরে থাকে। চুপচাপ থাকে। মালবিকার মতো। মুখ বুঁজে। নিথর। নির্বিকার। আবার ইনফেকশন হলে মেমোরি সেল মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে।
    যাও হে জীবাণুর দল। ফিরে যাও। ইমিউন সিস্টেমের স্মৃতি জেগে উঠছে। তফাত যাও। তফাত যাও ভাইরাস।

    টুপুর মালবিকাকে জড়িয়ে ধরেছে।
    কী হল মা, তোমার কী মাথা ঘুরছে?
    মালবিকার আয়ত চোখে কাজলের রেখা। কপালে কনেচন্দন। শাশুড়ি বলছেন, আমাদের বাড়িতে বেজাতের মেয়ে এই প্রথম এলো। কী কথা!
    চোখে জল এসে গেল মালবিকার। কাজল ধুয়ে যাচ্ছে।
    মালবিকার কান্না পাচ্ছে। কিছুতেই ত্রিদিবকে খুঁজে পাচ্ছেন না।
    সকালে একটা বেড পাওয়া গেল ত্রিদিবের জন্যে। ঈশানের বন্ধুর প্রাইভেট হাসপাতাল।
    টুপুর মালবিকাকে বলল, বাড়ি স্যানিটাইজ করাতে হবে মা। তুমি এখন হোস্টেলেই থাকো। আমি মেধার কাছে থেকে যাবো।

    (চলছে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ৩০ জুন ২০২৩ | ৪৮৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন