এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • নিউনর্মাল করোনাকালীন পর্ব চব্বিশ

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ০৬ জুন ২০২৩ | ২৮৬ বার পঠিত
  • খুব ঠান্ডায় হাত পা শিঁটিয়ে যায়। শুকনো হয়ে যায়। কারুর একটু মোটা গরমজামা। কারু গায়ে চাদর। সব ছেলেপুলে কুয়াশার আস্তরণ ভেদ করে লোহরি তুলতে বেরিয়েছে। শীত শেষ কামড় বসাচ্ছে। লোহরি মানে শীত চলে যাবার পালা। এবার শুরু হবে বড়ো দিন। আমেলিয়ার ভীষণ মজা লাগছে। লোধি গ্রামে হিন্দু, মুসলমান, খৃষ্টান সবাই লোহরি পালন করে। এই সাতসকালে কাচ্চা বাচ্চার দল বেরিয়েছে বাড়ি বাড়ি লোহরি তুলতে। এটাই দস্তুর। নতুন বউ আমেলিয়ার খুব ইচ্ছে ওদের দলে যাবার। বাড়ি বাড়ি ঘুরে তিল, গুড়, চিনাবাদাম যোগাড় করতে হবে।
    গানের কলি ভেসে আসছে। শীতের সকাল ভরে যাচ্ছে গানে গানে।

    সুন্দর মুন্দ্রিয়ে হো
    তেরা কৌন ভিচারা হো।
    দুল্লাহ্ ভাট্টিওয়ালা হো।
    দুল্লেহ্ দি ধী ভায়ায়ে হো।
    শের শক্কর পাই হো।
    কুডি লাল পটাকা হো।
    কুডি দা সালু পাত্তা হো।
    সালু কৌন সামনে হো।।

    সদ্য বিয়ে, কচি ছানা কোলে। ফ্রান্স থেকে পাঞ্জাবের গ্রামে এসেছেন আমেলিয়া। সবকিছু নতুন, সবকিছুই ভালো লাগছে। গেহু ক্ষেত দেখে মুগ্ধ। ভানুপ্রতাপ মেহতার নীলি আঁখোওয়ালি আংরেজি দুলহন। সবাই মাথায় করে রেখেছে।

    গান গাইতে পারছেন না। কিন্ত লোহরির গানের হো টা বলতে পারছেন। খুব মজা পেয়েছেন তাতে। হো শব্দটা শেষে একটা জোরালো সুরে বলা হয়। গ্রামে শীত অনেক বেশি। কুয়াশা বেশি।আমেলিয়া একটা লাল বাঁধনি চাদরে নিজেকে জড়িয়েছেন।
    জানালার ধারে  বসে "হো" করে উঠছেন।

    দুল্লা ভাট্টি। সম্রাট আকবরের আমল। মধ্যপ্রাচ্যে হিন্দুদের মেয়েরা পাচার হয়ে যেত। আকবর বন্ধ করেছিলেন এই পাচারের সুন্দ্রি আর মুন্দ্রি দুটি বোন। পাচার হয়ে যাচ্ছিল তারা। আকবর উদ্ধার করেছিলেন তাদের। সেই বোনদের নিয়ে গান। সুর টুপ টুপ করে ঝরে পড়ছে শীতশস্যে। আমেলিয়া একটি শিশুর জননী হয়েছেন বটে, কিন্ত তাঁর মধ্যে থেকে এখনো মুছে যায়নি প্রায় কিশোরী চাঞ্চল্য, বিস্ময়বোধ। তদুপরি আদিগন্ত প্রেম। আর্মেনিয়ান সংস্কৃতিধারা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়েও তিনি ধর্মবোধে প্রোথিত, আবার বিবাহসম্পর্কে একটি অন্য ধর্ম, অন্য সংস্কৃতি! এত ব্যাপ্তি তাঁর মধ্যে দোলা দিয়ে যাচ্ছে! গ্রামের মেয়েরা মেম দেখে মুগ্ধ। তারপর আবার সে যখন সালোয়ার কুর্তা পরে তখন তারা আরো মজা পায়। চাজ্জা আর হিরণ নাচ শিখবে নতুন বউ? মেয়েরা ময়ূর আর হরিণ সেজে নাচবে লোহরিতে। ছেলেরা নিজেদের দলের মধ্যেই একটা ছেলেকে যোগাড় করেছে ছাই মাখানোর জন্য। ঐ কড়া শীতে তার গায়ে ছাই মেখে একটা দড়ি দিয়ে বেঁধে লোকের বাড়িতে বাড়িতে যাওয়া। লোহরি মানেই তো সংগ্রহ। আমার ভান্ডার আছে ভরে, তোমা সবাকার ঘরে ঘরে। যদি কেউ কম যোগাড় দেয় বা দিতে না চায়, তবে তার বাড়িতে ঐ ছাই মাখা ছেলের দড়ি খুলে দিলেই হল, সে বাড়িতে ঢুকে মাটির কলসী, হাঁড়িকুড়ি ভেঙে শেষ করবে। দাও, দাও। তিল, বাদাম, ভুট্টার খই ছড়াতে হবে আগুনে। মটমট করে ফুটবে। আগুনের চারপাশে ঢালা হবে দুধ আর জল। ভাঙরা আর গিদ্দা নাচে মুখর উৎসব। সর্সো দা সাগ আর মাক্কি কে রোটি। প্রথমে আমেলিয়ার কী মুখে রুচতো নাকী? খেতে পারতেন না।খেতেন রুটি আর গুড়  প্রথম ফসলের ভুট্টার খোসা পোড়া। আখ। গুড় আর গজক। চিঁড়ে। তিলচোলি। এইসব জমিয়ে খেত সবাই। আমেলিয়া অবাক হয়ে দেখতেন। মস্ত আগুন জ্বলছে শীতের অন্ধকারে। বনফায়ার। মহারাজা রণজিৎ সিংজির সভাতে গরীব দুঃখীকে বস্ত্রদান হত আঠেরোশো চুরানব্বুই সাল থেকে। সূর্যের উত্তরায়ণ শুরু হবে যে! পরদিন মাঘী সংক্রান্তির পালা। আমেলিয়ার পা দুটি নড়ছে। বসে বসেই। হুইলচেয়ারের ওপর বসে কেবল পায়ের পাতাদুটি নাড়াচ্ছেন। যেন এই নেচে উঠবেন একুশের তরুণী।

    লোকজন কী দেখছে তাঁকে? আমেলিয়ার লেস বসানো গাউন মাটিতে লুটোপুটি খাচ্ছে। তারওপর টুকটুকে লাল শাল। মাথার টুপিটি বেতের। মেয়েরা টেনে নিয়ে এসেছে তাঁকে বনফায়ারে। এইটি তাঁর পরিচিত। প্রিয়। বাদাম ফোটার শব্দে আর গানে কেমন উৎসব ছড়িয়ে যাচ্ছে। ভিড়ের মধ্যে প্রতাপভানুকে খুঁজছেন আমেলিয়া।
    হোয়ের আর ইউ? পরম! হোয়েরজ ইওর ফাদার? বনফায়ার হোগা না ইসাবার?

    ত্রিদিব অবাক হয়ে তাকালেন। কী বলছেন মহিলা? পরম চোখের ইশারা করছেন আমেলিয়াকে সরিয়ে নিয়ে যেতে। কিন্ত আপাতত সুনন্দিতার হাত আটকা। পরমের ব্রেকফাস্ট তৈরি হচ্ছে।আমেলিয়ার যাওয়ার কোনো ইচ্ছে নেই।
    - মানি? ডু ইউ নো মানি? হোয়েন উইল শি গেট ব্যাক?
    আমেলিয়ার ইচ্ছে লোহরির আগে মানি ফিরে আসে।
    - ডিড ইউ কল মানি? সানি, ডিড ইউ কল হার?
    পরমের ব্রেকফাস্ট সাজিয়ে দিলেন সুনন্দিতা। বাবু কী উঠেছে? সুমন ছাতে এক্সারসাইজ করছে। পরে খাবে। এখনো খৃষ্টমাসের প্রচুর ড্রাই ফ্রুট, কেক ইত্যাদি জমে আছে। জানুয়ারির ছয় তারিখে আমেলিয়ার খৃষ্টমাস। অ্যাডপটেড পরিবারকে কিছু দেবেন আমেলিয়া। সেসব ব্যাবস্থা করা বাকি।
    ত্রিদিবকে কী বাড়িতে থাকতে বলা উচিত? আসলে সুনন্দিতা এখনো বুঝে উঠতে পারছেন না ত্রিদিবের দিল্লিতে আসা মালবিকার জানা তথ্য কীনা। মালবিকা জানলে একরকম। না জানলে আরেকরকম। এখন তাঁরা আর কেউ কমবয়সী নন। কিছুটা ক্যালকুলেট করতেই হবে। তাছাড়া ত্রিদিব ফ্লাইটে এসেছেন। আমেলিয়ার বেশিক্ষণ এখানে থাকা ঠিক নয়। অথচ তিনি এখন বেশ জেদি মুডে আছেন! মানি থাকলে সত্যিই সুবিধা হত।ভুলিয়ে ভালিয়ে ঠিক আমেলিয়াকে ভেতরে নিয়ে যেত।সুনন্দিতার ডান হাত। খুব দরকার ওকে। আজকেই দুটো ফোন করতে হবে। একটা মানিকে। একটা মালবিকাকে। তার আগে আবার পরম না ত্রিদিবকে বাড়িতে ইনভাইট করে বসেন!
    - পরম, আস্ক হিম টু স্টে ফর লোহরি।
    আমেলিয়ার বায়না থামছে না।
    সুনন্দিতার ভালো লাগছে না। সকালটা শুকদেবের সঙ্গে নানা স্মৃতি মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছিল। কখনো কখনো মানুষের ব্রুড করার দরকার হয়। বিশেষ করে এই শীতসকালে। করোনা আবহাওয়ার মধ্যে মৃত্যু যখন সহজ হয়ে গেছে। এখন আর নিজের ভাবনা নিয়ে বসে থাকার সময় নেই। ফরগিভ মি শুকদেবজি। প্লিজ। একশো গন্ডা কাজের মধ্যে আপনার জন্য একটু নিভৃতি খুঁজে নিতে হবে। এটুকু আপনার প্রাপ্য।

    বাবু উঠেছে। ঘুম লেগে আছে চোখে এখনো। একটা হাল্কা গুড মর্ণিং বলে চা ঢালতে ঢালতে ত্রিদিবের দিকে চোখ পড়লো।
    - তুমি এখানে?
    ত্রিদিবের একটু অস্থির লাগছে। এসে কী ভুল করলেন?
    - বাড়িতে সব কিছু ঠিক আছে তো?
    বাবু চায়ের কাপ নিয়ে বাবার মুখোমুখি।
    ত্রিদিব খুব কনফিউজড। বাড়িতে কেউ বা আছে! একগাদা ফার্ণিচার। গাছপালা। ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি।
    ঠিকই আছে সব! বাবু বিরক্ত হয়নিতো ?
    আমেলিয়ার হাই চেয়ারে বসতে হবে এখন।
    - বাবু, উইল ইউ টেক মি টু মাই চেয়ার?
    বাবু উঠে গেল।
    চেয়ার, টেবল, আরামকেদারা নিয়ে মানুষ কত পজেসিভ হয়! শুকদেব একটা নির্দিষ্ট বেতের সোফাতে বসতেন। ঐ চেয়ারে আর কেউ বসতো না।
    আর বসবেও না।
    পজেসিভনেস।  সে কী আদৌ ভালোবাসা? সুনন্দিতার হাতে গরম লিকার পড়ে গেল। ভীষণ জ্বালা।
    একদিন ওরা সবাই মিলে আগ্রা গেছিলেন। সুনন্দিতা, শুকদেব, মিসেস দহলজি, সায়রা, মেহর, দিলীপ।
    তাজমহল দেখতে দেখতে শুকদেব স্বগতোক্তি করছিলেন, ক্যা ইয়ে প্যায়ার কা নিশান হ্যায় ইয়া সেল্ফ গ্লোরিফিকেশন হ্যায়? যো ভি হ্যায়, পর আর্ট হ্যায়।
    সুনন্দিতার মনে হল, অনেকদিন আগ্রা যাওয়া হয়নি।
    কবে শেষ হবে এই কোভিডের ওয়েভগুলি!

    (চলছে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ০৬ জুন ২০২৩ | ২৮৬ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    আকুতি - Rashmita Das
    আরও পড়ুন
    আকুতি  - Rashmita Das
    আরও পড়ুন
    আকুতি - Rashmita Das
    আরও পড়ুন
    ইঁদুর  - Anirban M
    আরও পড়ুন
    ** - sumana sengupta
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন