এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • নিউনর্মাল করোনাকালীন পর্ব ১১

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ০৫ মে ২০২৩ | ৩৬৬ বার পঠিত
  • কোভিডে মৃত্যুর হার কমছে। ষাঠ শতাংশ থেকে ছত্রিশে এসে দাঁড়াল মৃত্যুহার। ড. মনোহর যোশির মৃত্যুর পর এই ডেটাটা পেয়েছে ওরা। ড.যোশির মৃত্যু কল্পনাতীত। এত সচেতন একজন মানুষ, পরিবেশের জন্য যিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করতেন, কোভিডের সময় সোশ্যাল মিড়িয়াতে সাধারণ মানুষকে সমানে সতর্ক করে চলছিলেন, তিনি করোনাগ্রস্ত হবেন কেউ ভাবতে পারে নি।অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ট্রাবল। ভীষণ কষ্ট পেলেন শেষ কটা দিন। তারপর ভেন্টিলেশন। অথচ, নাকী মৃত্যুহার কমছে। সরকারি পরিসংখ্যান বলছে।
    ইজ ইট ট্রু? ইজ ডেথ রেট রিয়ালি ডিক্রিজিং? আমেলিয়ার মুখে খুশির উচ্ছাস। স্পষ্টতই তিনি বেঁচে থাকতে চান।
    অ্যাস্ট্রা জেনকা সি নাইন্টিন ভ্যাকসিন। এটা একটি গ্লোবাল ইনিশিয়েটিভ ম্যাডাম। কোভ্যাক্স। ইজরায়েল ইতিমধ্যেই সাড়ে তিন মিলিয়ন মানুষকে ভ্যাকসিনেট করেছে।
    - আর দে সেফ? ইজ দ্য মিশন সাকসেসফুল?
    বাবু কতটুকু বা জানে। যেটুকু রিপোর্ট পায়। হ্যাঁ। কোভ্যাক্স ইনডিভিজুয়ালকে নিরাপদ রাখছে। শুধু তাই না। ভাইরাল শেডিং কমাচ্ছে। ফলে ট্র্যান্সমিশন কমছে। দিস হ্যাজ বিন রিপোর্টেড।
    - সো আই ক্যান গো আউট?
    আমেলিয়া শিশু যেন। উচ্ছল। বাইরে যাবেন। হুইলচেয়ারে বসে। তবু বাইরে তো! আকাশ দেখবেন।
    ওয়েইজম্যান ইনস্টিটিউটের প্রফেসর এরম সেগাল কোভ্যাক্সকে প্রচুর গুরুত্ব দিচ্ছেন। ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিন্স্ট্রেশনের কাছে জনসন অ্যান্ড জনসন এনেছে তাদের সিংগল ডৌজ ভ্যাকসিন পুশ করার আবেদন। ইমারজেন্সি বেসিসে।

    এত প্রকান্ড ঘটনাসমূহের স্রোতে  মধ্যে একজন অদিতি শিবরামণের হারিয়ে যাওয়া কেই বা মনে রাখে। স্মৃতি বড় ক্ষণস্থায়ী।
    অচ্যুত একটা ক্ষীণ যোগাযোগ রেখে চলেছেন। সুনির অপারেশন ভালো ভাবে হয়েছে। ব্যাংগালোরে। অচ্যুত এরমধ্যে কর্মসূত্রে মুম্বাই এসেছেন দু তিনবার। মুমতাজ গুটিয়ে গেছেন আশ্চর্য ভাবে। কোনও যোগাযোগ নেই বহির্জগতের সঙ্গে। অচ্যুত লিখেছেন। ছুটিতে ছিলেন প্রায় তিনমাস। একেবারে স্বেচ্ছাবন্দি। কারু সঙ্গেই কথা বলেন না প্রায়। সুনির যত্ন নেওয়ার কাজটা করেন আপ্রাণ চেষ্টায়। বাকী সব স্তব্ধ। 
    অদিতিদের বাড়ির গেট আর বে উইন্ডোটা ভেসে ভেসে যায় চোখের সামনে। কত কতদিন ঐ গেটের সামনে দাঁড়িয়ে একটা স্কুটি। একটা বাইক। দাঁড়িয়ে গল্প। তারপর হয়তো দুটো ভেহিকল হু হু করে ছুটে গেল আই টি সেক্টরের দিকে।
    না চাইতেও কিছু গন্ধ, কিছু দৃশ্য, কিছু মন্তাজ ভেসে আসে। মাথার ভেতরে একেবারে এলোমেলো হয়ে যায়। দেবরূপ আমেলিয়ার দিকে তাকিয়ে হাসল।
    - নট নাউ। নট দিস ইয়ার ম্যাম।
    - হোয়াই? ইউ যাস্ট সেইড দ্যাট ভ্যাকসিন ইজ রেডি?
    অতিমারীর ভ্যাকসিন। কতদিন কার্যকরী থাকবে এখনি বলা যাচ্ছে না। বিশেষ করে আমেলিয়ার বয়সী মানুষের ক্ষেত্রে আরো বছর দুয়েক খুব সাবধানে থাকতে হবে। এই কথাটা আমেলিয়ার পছন্দ হবে না একেবারে। ও বুঝতে পারছে। জীবনের শেষ কটা দিন হয়তো বদ্ধ ঘরে কাটাতে হবে। কিংবা এই বন্দিদশা আরো ম্রিয়মাণ করে তুলবে।
    কিন্ত আমেলিয়ার মধ্যে ততটা বিমর্ষতা নেই। শি ইজ কিউরিয়াস।
    অনেকটা আগ্রহ এখনো ওঁর মধ্যে।
    - তোমার কী মনখারাপ বাবু?
    দেবরূপ একটি ছোট্ট বিষম খেলো। তারপর তাকালো ওঁর দিকে।
    - নো। আই অ্যাম ফাইন।
    আমেলিয়ার হাসিটি মধুর। এবং বিধুর। কেমন আলো করা।
    - এভরিবডি সে দ্যাট দে আর ফাইন। বাট দে আর নট ফাইন।
    কী যেন অন্তর্দাহ বয়ে গেল।
    - সেইং আয়াম ফাইন ইজ হ্যাবিট। সিনিক্যাল হ্যাবিট। টু নড ইওর ফেস অ্যান্ড সে ইটজ ফাইন।
    আর ইউ অ্যাফ্রেইড অব ডেথ?

    প্রশ্নের অতর্কিত আক্রমণে ঘাবড়ে যাচ্ছে দেবরূপ।
    - টেল মি, আর ইউ অ্যাফ্রেইড অব ডেথ?
    এবার আমেলিয়ার গলা আরো তীক্ষ্ণ। সুতীব্র। সটান।
    ঐ চোখ অবকাশ দিচ্ছে না। ত্বক, মজ্জা ভেদ করে দেখে নিচ্ছে সব কিছু।
    - হোয়েন দ্য কান্ট্রি ইজ র্যাভৃজেড বাই প্লেগ, দ্য নাইট এনকাউন্টার্স ডেথ। দে প্লে আ চেস ম্যাচ। দ্য নাইট ক্যান সারভাইভ অ্যাজ লং অ্যাজ দ্য গেম কনটিনিউস।
    চমকে উঠছে দেবরূপ। কী বলছেন আমেলিয়া! এই মহিলা এত কিছু বোঝেন! শী ইজ অ্যামেজিং! নাইট দাবা খেলে চলেছে মৃত্যুর সঙ্গে। যতক্ষণ খেলা চলবে, বেঁচে থাকবে সে।
    সেভেন্থ সীল। অদিতি দেখিয়েছিল তাকে। বৃষ্টির বিকেল ছিল সেটা।
    আমেলিয়া ছবির দিকে তাকিয়ে কথা বলে যাচ্ছেন।
    আপনাকে কথা বলছেন।
    অ্যান্ড হোয়েন দ্য ল্যাম্ব হ্যাড ওপেন্ড দ্য সেভেন্থ সিল, দেয়ার ওয়জ সাইলেন্স ইন হেভেন অ্যাবাউট দ্য স্পেস অব হাফ অ্যান আওয়ার।
    বিস্ময়ের পর বিস্ময়।
    এই মহিলা সেভেন্থ সিল দেখেছেন! আজ কেন বলছেন সেই ছবির কথা? করোনাকাল কী তাঁকে প্লেগের  কথা মনে পড়িয়ে দিল!
    আমেলিয়ার চোখ দুটি যেন প্রার্থনার মন্ত্র হয়ে গেছে। কে দেখালো তাঁকে ঐ ছবি? পরমপ্রতাপ বা সুমন নয় নিঃসন্দেহে। সুনন্দিতা? নিকি?
    ডেসার্টেড ভিলেজ। পরিত্যক্ত গ্রাম একা হেঁটে যাচ্ছে সে।

    ফেইথ ইজ আ টরমেন্ট। ডু ইউ নো?
    বিশ্বাস একধরনের যন্ত্রণাবোধ।
    কে বলেছিল? অ্যান্টনিয়াস ব্লক কথা কয়ে উঠলেন বুঝি।
    ডেথ ইজ আ হোপলেস জোক। বলে চলেছেন।
    এই সত্য দেবরূপ জেনে ফেলেছে। তুই থেকে যা পুণেতে দেবরূপ। কয়েকটা দিনের তো ব্যাপার। আমি ঘুরে আসছি। ইন্ট্রো দিয়ে দে। তেমন কিছুই না। অদিতির ব্রাউন চোখ। লিকুইড ব্রাউন।
    - একমাত্র প্রশ্ন। খেলাটা কতক্ষণ হবে আর কে কতটা ভালো করে খেলতে পারবে।
    হাউ ওয়েল উই প্লে ইট।
    টু প্লে ইট ওয়েল। টু লিভ। টু লাভ। নট টু হেট দ্য বডি।
    নট টু হেট দ্য বডি।
    আমেলিয়া ওর হাত হাতে তুলে নিয়েছেন।  বিড়বিড় করে বলে চলেছেন,
    নট টু হেট দ্য বডি। প্লিজ।
    ওর শরীর শান্ত হয়ে যাচ্ছে। টু প্লে ইট ওয়েল। ও শুধু ভাবছে কী করে হয়।
    এই শরীর। যে শরীর একদিন আনন্দ উদ্দীপনাতে অদিতির শরীরে মিশে যেত, তাকে বাঁচানোর জন্য সে অদিতিকে কত সহজে পুণে পাঠিয়ে দিল। এই শরীর এখন জাগে না। ভয়ানক ঘৃণা হয়। গা গুলিয়ে ওঠে। শক্তিহীন। অবশ শরীর।
    আমেলিয়ার হাতে ওর দুর্বল হাত।
    নট টু হেট দ্য বডি।
    প্লে ওয়েল বাবু। টেক দ্য জোক।
    বৃষ্টির শব্দে কান ভরে যাচ্ছিল। একটু আগে ছাতে প্রাণভরে ভিজে এসেছিল। বৃষ্টিবিন্দু পান করেছে শরীরের প্রতি কোষ। প্রাণ মেলে ভালোবেসেছে। গায়ে একটা সুজনি কাঁথা। দুজনে বসেছে ছবি দেখতে।
    সাবটাইটল পড়তে ওর অসুবিধে হয়। কিন্ত সাদা কালোতে হয় না।
    স্ক্যাট। জোফ। মিয়া। ছোট্ট মাইকেল।
    ডেথ ইজ নট অন দেয়ার মাইন্ডস।
    ওর কানে ছোট একটা চুমু খেয়ে বলেছিল অদিতি, দ্যাখ। দিস ইজ লাইফ।
    মিয়া তখন অ্যান্টোনিয়াস ব্লকের হাতে তুলে দিচ্ছে দুধ আর বুনো স্ট্রবেরি।
    ভুলে যেও না। ইট ইজ নেভার টু ফরগেট। আলো আছে। এত অন্ধকারেও আলো আছে।
    ডেথ ইজ নট অন দেয়ার মাইন্ডস।
    এই যে লক্ষ লক্ষ কৃষক এসে বসে থাকছেন রাস্তার ওপর, তাঁদের মনে মৃত্যু নেই। এই নাও রুটি। এই নাও সবজি। এই নাও জল। জেগে থাকে যতক্ষণ পারো। লড়ে যাও। ডেথ ড্যান্স দেখা যায় দূরে। খেলে যাও যতটা পারো। থেমে থেকো না।

    অন্ধকার। মাতৃগর্ভের মত অন্ধকার নয়। গভীর কূপ যেন। পিচ্ছিল। উঠে আসার উপায় নেই। ও আমেলিয়ার গলা তো শুনতে পাচ্ছে।
    লাইটনেস অব লাইফ উইল সারভাইভ দ্য ব্ল্যাকেস্ট অব ডেজ।
    অন্ধকারের উৎস থেকে উৎসারিত আলো....
    কে যেন গাইছিলেন। মনে পড়েছে। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের স্মৃতিশ্রদ্ধানুষ্ঠানে ওকে নিয়ে গেছিলেন সুনন্দিতা। সাদা ফুলে সাজানো হলে আকাদেমির কিছু মানুষ।কিছু বাইরের। সুতিথি ঠাকুর চোখ বুজে গাইছিলেন... সেই তো তোমার ভালো ....
    টু প্লে ইট ওয়েল ইজ টু লাভ।
    গায়িকা তন্ময় হয়ে গাইছিলেন।
    সব ফুরালে বাকী রহে অদৃশ্য যেই দান/ সেই তো তোমার দান/ মৃত্যু আপন পাত্রে ভরি বহিছে যেই প্রাণ....
    ও ঘাড় ফিরিয়ে দেখেছিল সবাই চোখ বন্ধ করে শুনছেন। সুতিথির পরনে একটি সম্বলপুরী শাড়ি। বেগুনি পাড়। কপালে ছোট কালো টিপ।
    সুনন্দিতার চোখ দিয়ে জল পড়ছিল।
    ও অবাক হয়ে ভাবছিল। সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় একজন অভিনেতা। তাঁর মৃত্যুতে সুনন্দিতা কাঁদছেন কেন! মৃত্যু কী চেনা অচেনার গন্ডী পার করে দেয়!
    এই ভারতবর্ষের কত লোক এখন মৃত্যু ভয় ভুলে শুধু বাঁচতে চাইছে! কোভিড কী জলভাত হয়ে গেল!

    (চলছে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ০৫ মে ২০২৩ | ৩৬৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন