এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • নিউনর্মাল করোনাকালীন পর্ব চোদ্দ

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ১৮ মে ২০২৩ | ৬১৮ বার পঠিত
  • এপিফ্যানি হল উপলব্ধির ক্ষণ। রিয়েলাইজেশন। সেই মুহূর্ত যখন প্রতিভাত হয় যে যিশু ঈশ্বরপুত্র। আর্মেনিয়ানদের অ্যাপস্টোলিক চার্চ সেটাই বিশ্বাস করে। গির্জায় গির্জায় স্মরণ করা হয় সেই প্রাচীন মহাজ্ঞানী পুরুষদের কথা। তাঁরা সদ্যোজাত যিশুকে দেখতে এসেছিলেন। কেউ কেউ মনে করেন এপিফ্যানি হল যিশুর ব্যাপটিজমের মুহূর্ত। নিকি হুইলচেয়ারে হেলান দিয়ে বসে বলে যাচ্ছে। নট ওনলি ইন আর্মেনিয়া, বাট ওলসো ইন রাশিয়া, গ্রীস। ইউক্রেইন। ইজিপ্ট। ইথিওপিয়া। ইভন ইন কাজাখিস্তান। মাসেডোনিয়া। সার্বিয়া।

    দেবরূপ দেখছিল বিভিন্ন দেশের নামগুলো বলার সময় মেয়েটির চোখগুলো কেমন স্বপ্নমেদুর হয়ে যাচ্ছিল। ও যেন মেঘের মধ্যে দিয়ে ভেসে যাচ্ছে। ওর রোগা বিকল পা দুটি ডানার মত উড়ছে। নিকির মাথার ঠিক পিছনে একটা উজ্জ্বল সাদা বাল্ব কলমকারি করা ল্যাম্প শেডের নিচে। ওকে খুব নরম আর স্নিগ্ধ দেখাচ্ছে। কয়েকটা শ্যামা পোকা ঢুকে পড়েছে। নিকি সেসব গ্রাহ্য না করে কথা বলছে। লকডাউন, আনলক কিছুই ওর কাছে ম্যাটার করে না। ও তো বাড়িতেই থাকে। ও এখন কোনো একটা ঘোরের মধ্যে কথা বলছে।
    তুমি কী যিশুকে বিশ্বাস করো নিকি? ডু ইউ বিলিভ ইন মিরাকলস?
    নিকির চোখদুটো শান্ত হয়ে গেল। অপার সাগরের জল যেন। তলহীন।
    - নো। আই বিলিভ ইন গুডনেস। জিসাস ইজ যাস্ট আ মেটাফর টু মি।

    খৃষ্টমাস মিনস আ লট টু মি। টু গ্র্যানি। দ্য খৃষ্টমাস ইভ মিল। খেটুম। রাইস। ফিশ। নেভিক। গ্রিন চার্ড অ্যান্ড চিক পিজ। ইয়োগার্ট। আই লাভ দ্য স্মেল। আ স্পেশাল অ্যাটমসফিয়ার। একজন আর্মেনিয়ান কুক আসেন। আগে থেকে কালেক্ট করে রাখা হয় ড্রায়েড ফ্রুট। নাটস। রেজিক। জানো তুমি রেজিক কাকে বলে? খোসাশুদ্ধ ওয়ালনাট। তারপর সেগুলো একটা সুতো দিয়ে মালার মতো গাঁথা হয়। শেষে পুরোটা গ্রেপ জেলির মধ্যে ভরে রাখা হয়। ইটস আ ডেলিকেসি। বাস্তুখ। গ্রেপ জেলি দিয়ে একটা ডেজার্ট তৈরি হয়। ডিলিশাস। সারা বাড়িতে একটা দারুণ গন্ধ ছড়াবেই তখন। আই ডোন্ট ইট মাচ। বাট আই এনজয় দ্য কোজিনেস স্প্রেড বাই দ্য ফ্লেবারস। অ্যান্ড গ্র্যানি ডিস্ট্রিবিউটস ইট অ্যামাংগ ওল পিপল। আই মিন দোজ শি হ্যাজ অ্যাডপটেড।

    অনেকটা রাত হয়েছে। সুনন্দিতা লিভিংরুমের একদিকে আইরনিং করছেন। নিকির কথা শুনছিলেন আর হাসছিলেন। বললেন, দুটো স্পেশাল ডিশ তোমাকে খাওয়াবো বাবু। ওয়ান ইজ আনুশাবুর। দি আদার ইজ খুজি বুদ।
    দেবরূপ এইসব খাবারের নাম শোনেনি কোনো জন্মে। সুনন্দিতা আবার হাসলেন। আনুশাবুরটা একদম অন্যধরনের একটা পুডিং। আর অন্যটা ব্লেজড হ্যাম। হ্যাম খাও তো তুমি?
    বলে ভীষণ হাসতে লাগলেন সুনন্দিতা। সুমন রাতে ওয়র্ক আউট করে। খুব অবাক হয়ে গেছে ফিরেই। - - হোয়াট হ্যাপেন্ড মম?
    তোরা বুঝবি না। তোরা পেট থেকে পড়েই হ্যাম, বিফ সব খেয়েছিস তো।
    - টেল আস মম। দেয়ার ইজ সামথিং ইন দি এয়ার।
    - শোন না। আমরা যখন নর্থ বেঙ্গলে ছিলাম, আমি তখন বেশ ছোট, কিছুদিনের জন্য শিলিগুড়িতে ছিলাম। বাবার ট্রিটমেন্ট চলছিল। ছমাস আমরা দিনহাটা কোচবিহারের পাট বন্ধ রেখে শিলিগুড়ির একটা বাড়িতে ভাড়া ছিলাম।
    নিকির চোখে কিউরিওসিটি। বেল বাজল। সুমন উঠে দরজা খুলে দিল। পরম ফিরলেন। মুখে একটা বিগ ব্রড স্মাইল।
    - দেন হোয়াট? নিকি বলল।
    - আমরা যে বাড়িতে ভাড়া ছিলাম একতলাতে, তার দোতলায় কে ভাড়া ছিল জানিস? অবশ্য খুব অল্প সময়ের জন্য। নিকির চোখমুখ ঝকঝক করছে। কে?

    সুনন্দিতার মুখে একটা ভীষণ আনন্দের হাসি। বাবুর মনে হল মালবিকা কেন এমন হাসেন না!
    যেন একটা খাজানা খুলছেন।
    - অপর্ণা সেন। সঞ্জয় সেন তখন শিলিগুড়িতে পোস্টেড ছিল। ওদের সদ্য বিয়ে হয়েছে তখন।
    পরম কোট খুলছেন। ও, দ্যাট বেঙ্গল বিউটি!
    সুনন্দিতা চোখ নাচালেন।
    ওরা খুব হ্যাম খেত তো। বাড়িওয়ালি আবার মাংস খান না। চিকেন ঢোকে না বাড়িতে। তখন তো অন্যরকম ছিল সব। সন্ধের পর সবাই এর বাড়ি ওর বাড়ি যেত। তো সেই বাড়িওয়ালি বউদি, আমরা সন্ধের পর অপর্ণার ফ্ল্যাটে গেছি। ওরা তখন হ্যাম আনাবে প্ল্যান করছিল। বউদি তো ইনোসেন্ট। না। ইনোসেন্ট নয় ঠিক। নাইভ। জিজ্ঞেস করে ফেলেছে, হ্যাঁ গো, হ্যাম কী?
    ওরা তো ভীষণ ফেঁসে গেছে। কী করে বলবে হ্যাম কী। বললে তো বাড়ি থেকে উঠিয়ে দেবে। অপর্ণা তখন তড়িঘড়ি বলে কী, হ্যাম জানো না? হ্যামপাখি!! হ্যামপাখি!
    সেই থেকে চালু হয়ে গেল, হ্যামপাখি!
    বউদি অবশ্য বোঝেন নি!
    সবাই হাসছে। সুনন্দিতার নাকে একটা হিরে। চকচক করছে। বাবু এই গল্পটা শুনেছে। কোনো একটা ইন্টারভিউতে অপর্ণা বলছিলেন। তবে সুনন্দিতার ছোটবেলা যে তার সাক্ষী, এটা একটা ঘটনা।
    বাবু কেমন গুটিয়ে যাচ্ছে। তাদের তো একটা এরকম পরিবার হতে পারতো। হল না কেন কে জানে! কোনভাবে সুর তাল যদি একবার কেটে যায় গোটা গানটাই নষ্ট হয়ে যায়।
    এরা রাতে একটা হেল্থ ড্রিংক খায় সবাই। সুমন বানাচ্ছে। প্রোটিন আর ক্যালশিয়াম বেসড একটা ড্রিংক। বাবুকেও দেওয়া হয়। সে খুব একটা পছন্দ করছিল না প্রথমে। এখন মন্দ লাগছে না। এদের কথাবার্তা হাসি ঠাট্টা খোলা হাওয়ার মতো ঘরের মধ্যে চলাফেরা করে। সুমন একটা স্যান্ডো গেঞ্জি মতো পরে আছে বারমুডার ওপর। সিক্স প্যাক না হলেও অসম্ভব সুগঠিত শরীর। চওড়া কাঁধ। পেশীবহুল বাহু। লম্বায় পরমপ্রতাপের মাথায় মাথায়।
    ওকে দেখে ভেতরে ভেতরে কুঁকড়ে যায় দেবরূপ। ও নিজে ছিপছিপে। একেবারেই পেশীবহুল নয়। দিল্লির এই তীব্র কুয়াশাঘন শীতে সে যখন উলিকট, সোয়েটার ও জাম্পার পরে কাঁপছে তখন তারই বয়সী একটি ছেলে স্যান্ডো গেন্জী পরে দিব্যি চলে ফিরে বেড়াচ্ছে। কোনো ভ্রূক্খেপ নেই। শরীর নিয়ে সুমনের যে খুব দেখনদারী আছে তাও নয়। সে খুব ক্যাজুয়ালি থাকে।শরীরচর্চা তার প্যাশন। দেবরূপের একটা কমপ্লেক্স হতে থাকে। সুমন এরমধ্যে দুতিনদিন তার প্রেমিকাকে নিয়ে এবাড়িতে এসেছে। রাগিণী আর্কিটেক্ট। সে স্বচ্ছন্দে এই বাড়ির সবার সঙ্গেই মেশে। প্রত্যেকের জন্মদিনে চলে আসে। সুনন্দিতার সঙ্গে শপিং এ যায় সময় পেলে।

    কী স্বাভাবিক! রাগিণী তার সঙ্গেই নিজেই আলাপ করেছে। এমনকী আমেলিয়ার সঙ্গেও তার দারুণ মেলামেশা। দেবরূপ ভেতরে ভেতরে কাঁপতে থাকে। সে তো অদিতিকে বাড়িতে এইভাবে পরিচিত করাতে পারে নি। তাদের যৌথ জীবন নিভৃত থেকেছে পুনে শহরের এককামরার ফ্ল্যাটে, রাস্তায়। আইটি পার্কে। যদি সে সুমনের মত শক্তিশালী শরীরের অধিকারী হত, তবে হয়তো কোভিড তাকে স্পর্শ করতে পারতো না। সে দুর্বল হয়ে নিজে বিশ্রাম নেবার জন্য অদিতিকে মুম্বাই পাঠাতো না। এইরকম বিভিন্ন কমপ্লেক্স তাকে ক্লিষ্ট করতে থাকে। হেল্থ ড্রিংক বিস্বাদ লাগে তার। একটু আগে নিকির বকবকানি শুনতে শুনতে বেশ হাল্কা লাগছিল। সুমনের তীব্র পুরুষালি উপস্থিতি তাকে হীনমন্যতা বোধ করায়। অথচ সুমন ছেলেটা খুব সাধাসিদে। শরীরচর্চা করে। বিজনেসে হেল্প করে। প্রেম করে। এমিকেবল এক কথায়। লকডাউনের পর সে একটু বিমর্ষ ছিল বটে কিন্ত আনলক হতেই বিভিন্ন জিমে অ্যাপ্লাই করতে শুরু করেছে কোচ হিসেবে কাজ করার জন্য। ভীষণ ফোকাসড। বাবু কী কম ফোকাসড? না। তার তো গবেষণা আছে। পড়ানো আছে।
    সুমন শরীরটাকে বিভিন্ন ভঙ্গিতে দোলাতে দোলাতে গোটা লিভিংরুমের হাওয়া পাল্টে দিচ্ছে। এখন সত্যিই ওকে কোনো দেবদূত মনে হচ্ছে। সুনন্দিতার কাছে গিয়ে হাত থেকে ইস্ত্রি নামিয়ে দিয়ে একটা পাক মায়ের সঙ্গেই নেচে নিল। নিকি স্থির। চলচ্ছক্তিহীন। কোনো ওষুধ ইঞ্জেকশন ওকে হাঁটাতে পারবে না। বাট শি ইজ স্মাইলিং ভাইভাশিয়াসলি।
    কীসের জোরে হাসে? ইজ দিস এপিফ্যানি?
    সে ভাবে। আমার কী লঙ টার্ম কোভিড হল? কাউকে বলে না। মালবিকাকে তো নয়ই।
    অনবরত কোভিড চর্চা তাকে ভীষণ ঘর্মাক্ত করে। পোস্ট কোভিড। পোস্ট অ্যাকিউট কোভিড। লং টেইল কোভিড। লং হাউল কোভিড।  লং কোভিড। এই টার্মগুলো মাথার মধ্যে অনবরত ঘুরপাক খেতে থাকলে সে টুপুরের হাতে আঁকা ট্যাটুর জঙ্গল দেখতে পায়।
    ক্লান্তি। রেসপিরেটরি সিম্পটম। নিউরোলোজিক্যাল সিম্পটম।
    এইসব কিছুই লং কোভিডের উপসর্গ। দুমাসের বেশি থাকতেই পারে। উহানের সাতাশি শতাংশ রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবার ছ মাস পরেও কোভিড উপসর্গে ভুগেছে। তারও কী তাই হল? নিজেও বুঝতে পারে না। নিউরোলজিক্যাল প্রবলেম? ঈশানকে বলতে ইচ্ছে করে না। যদি কখনো মালবিকার কানে যায়। শি উইল ক্রিয়েট আ ফাস। ও এখন কোনো ঘ্যানঘ্যানানি চায় না। বাড়াবাড়ি চায়। যাস্ট সাম রিলিজেজ আর নিডেড।
    সুমন নাচতে নাচতে ওর সামনে এসে দাঁড়াল। হাত প্রসারিত। ইউটিউবে গান বাজছে। একটা ট্র্যাডিশনাল পাঞ্জাবী ধুন।
    দেবরূপ নাচে না। কখনো সখনো অদিতি জোর করতো। তখন যা খুশি তাই।
    ওর কান ঝাঁঝাঁ করছে। সারাদিন সিংঘুতে কেটেছে আজ। একেবারে অন্য জগত। ভালো ছিল ওখানে। একটা যেন ট্র্যান্সফর্মেশন।মিলে মিশে যাচ্ছিল। একটা আন্দোলনের এটা পজিটিভ দিক। সম্মিলিত শক্তি দেয়।
    এখন ওর সব শক্তি নিঃশেষ। সুনন্দিতার ইস্ত্রি শেষ। পাট পাট করে জামাকাপড় তুলছেন। গেরস্থালীর গন্ধ ছড়াবেই এইসময় মেহতা হাউসে। পরমপ্রতাপ টোস্ট আর সবজিসেদ্ধ ডিমসেদ্ধ খেয়ে উঠে যাচ্ছেন।নিকি ডুবে যাচ্ছে ল্যাপটপে। নিজের ঘরে। সুমন ইজ ব্যাক টু প্যাভিলিয়ন।
    ও আবার একা হয়ে যাচ্ছে।
    ওর মাথার মধ্যেই কে যেন বলছে, লাইসেন্সড ভ্যাকসিনস উইল নট বি সাফিশিয়েন্ট টু স্টপ দ্য প্যান্ডেমিক।
    দেন হোয়াট?

    (চলছে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ১৮ মে ২০২৩ | ৬১৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন