এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  উপন্যাস

  • নিউনর্মাল রোনাকারীন 

    Anuradha Kunda লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | উপন্যাস | ২২ মে ২০২৩ | ৫৩৭ বার পঠিত
  • পিছনদিকের পুকুরের ঘাট বেশ বড়। এবং লাল সানে বাঁধানো। কিন্ত এইপর্যন্ত ঘাটে গরু এবং ছাগল ছাড়া কাউকে দেখেনি ও। গরুগুলো নেমে স্নানও করছে।
    - এখানে করোনা হয়েছিল কারু? মানে আশেপাশে গ্রামে?
    - নাহ্। করোনা হয় নাই তো। জ্বরজারি আছিল। সারি গ্যাছে। এমনি সারি গ্যাছে।
    এখানে জ্বর হয়। কাশি হয়। এমনি এমনি হয়। এমনি সেরে যায়। ভাইরাস শব্দটা ওরা জানে না। কেউ মরে গেলে কাজ থেমে থাকে না এখানে। ঘাস কাটতেই হবে।
    - আমারো জ্বর হইছিল।
    ছাগল চরাতে চরাতে ছেলেটি অক্লেশে উত্তর দিল। তার থুৎনিতে একটি কাটা দাগ। বাপে ঘাস কাটে। মা মেঝেনের কাজ করে হোমস্টে তে । গরম জল এনে দেয় অতিথিদের। চাইলে ঘরে খাবার দিয়ে যায়। ওরা অবশ্য ডাইনিং হলে খেয়েছিল। কাঁসার বাসনে খেতে দেওয়া এখন স্টাইল। বা ফ্যাশন। ছোট ছোট কাঁসার বাটিতে ডাল। সোনামুগ। কুরকুরে আলুভাজা। ধোকার ডালনা। মাছ মাংস নেয় নি ওরা দুপুরে। কম খেয়েছে। যাতে ঘুম না পায়। তারপর এলোমেলো হাঁটা। শীত পড়ছে নরম করে। তাই ক্লান্তি আসে না। পায়ে ধুলো ঢুকে যাচ্ছে মোটা কেডস ভেদ করে।কিচকিচ করছে ধুলোতে। এখন রোদটা মিঠে।
    ওরা খৃষ্টোৎসবে যেতে পারেনি। অনুমতি ছিল না। এই প্রথম এমন নিয়ম।
    বাইরে অনেকটা দুরে বসেছিল ও আর ঈশান। ঘন্টাঘর ভেঙে গেছে আমফানে। এখনো পুনর্নিমাণ হয়নি। মাঝে খুব রটেছিল কোনো বিশেষ রাজনৈতিক দলের মাননীয় নেতা আসছেন, তাই ব্যারিকেড তৈরির জন্য ঘন্টার ঘর ভাঙা হয়েছে। ব্যাপারটা বোধহয় সেরকম নয়। ঈশান বলছিল। সন্ধের সময় একেক করে মোমবাতি জ্বলে উঠছে। ছেলেমেয়েরা মোমবাতি দিয়ে সাজাচ্ছে উপাসনাগৃহকে। মন্ত্রোচ্চারণ শুরু হল ভেতরে। সাদা পোশাকে ছাত্রছাত্রীদের আসা যাওয়া দেখা যায়। মালবিকা আগে খুব আসতেন। টুপুর তখন ছোট। এখনো স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় শুরু করেন গান। টুকটাক ভীড় জমছে এদিক ওদিক। অন্যান্য বছরের মত নয়।
    - তুমি প্রথম এলে, না?
    ঈশানের খিদে পেয়েছে। লাঞ্চের পর সারাদুপুর বনের পুকুরে ঘুরেছে ওরা। যেন কতদিন বাদে প্রাণভরে নিঃশ্বাস নিচ্ছে। মাস্ক পরতে হচ্ছে না এখানে। খুব কম লোকজন। মাটির দোতলা বাড়ি দেখিয়েছিল ওকে টুপুর। ঈশান খুব উদ্দীপ্ত। 
    - এখানে জমির দাম কত?
    কুটকুট করে হাসল টুপুর। বাঙালিদের এই এক বাতিক। পাহাড়ে গেলে, ডুয়ার্সে গেলে, শান্তিনিকেতনে এলেই জমির দাম করে। ভাবে এখানে একটা বাড়ি হলে বেশ হত। মাঝেমধ্যেই এসে থাকতাম। সন্ধের পর চাঁদের আলোতে জ্যোৎস্না জ্যোৎস্না ফিলিং। গান টান। পান।
    - তুমি কী সেইরকম ভাবছো ঈশান? বাগানবাড়ি বানাবে?
    ঈশান ম্লান হাসলো।
    - না না। ওরকম না। মাঝেমাঝে মনে হয় চাষাআবাদ নিয়ে থাকি। ভিড়ভাট্টা ভালো লাগে না আর। ব্যাক টু দ্য বেসিকস।
    - আর মনের ডাক্তারি কী হবে স্যর?
    টুপুরের চোখে হাসি চিকচিক করছে। ও জানে এই সবকিছুই ভাব বিলাস। কলকাতা যেতে যেতে রাস্তাতেই ফুরিয়ে যাবে। একের পর এক রোগীদের কল ঢুকতে থাকবে। ঈশান হারিয়ে যাবে তার নিজের বৃত্তে। সেও। এইসব কথা কিছু না। কিচ্ছু না। তবু এইসব কথা, খামখেয়ালি দিয়েই একটা গল্প তৈরি হয়।
    - তুমি চাষবাসের কী জানো ঈশান?
    - এখনো পর্যন্ত কিছুই জানি না। শিখে নেবো। মনের ডাক্তারি বা কত আর জানি! শুনেছি তো ছোটবেলা থেকে, মন রে কৃষি কাজ জানো না!
    আবার হাসল টুপুর। খুকখুক করে। বাদুড়ের জঙ্গলের ঝুলের মত অন্ধকার সরে গেছে। এই ছুটিটা একদম রক্তিমের সঙ্গে কাটানো ছুটির মত নয়। বাধ্যতামূলক, হিংস্র আগ্রাসী যৌনতা নেই। ঘরের মধ্যে মদ নিয়ে বসে থাকা নেই। গালিগালাজ নেই। তবে তাদের বয়সী দুটি ছেলেমেয়ে কামগন্ধহীন সাহচর্যে থাকবে এটা বোধহয় কেয়ারটেকারটি ভাবতে পারছে না। সে নানা অছিলায় ওদের ঘরের কাছ দিয়ে ঘুরে যায়। একেবারে টিভি সিরিয়ালের মাসি পিসির মত। প্রচন্ড কিউরিয়াস। কিন্ত তাকে দিয়ে মদের বোতল বা কন্ডোম কিছুই আনানো হয়নি। এতে সে বেশ মর্মাহত। বিস্মিত। 
    এখনো রক্তিম পুরোটা মুছে যায় নি মন থেকে। এত সহজ নয়। কে জানে। হয়তো ঈশানের প্রাক্তন স্ত্রীও সবটা হারিয়ে যায়নি ঈশানের মন থেকে। তার পার্ফ্যুমের গন্ধ বা শাড়ির রঙ, চুলের ছাঁট বা কড়ে আঙুলের নখের গঠন এখনো ঈশানকে বিভ্রান্ত করে, যেমন টুপুরের মনে পড়ে যায় রক্তিমের হাসি, স্বেদগন্ধ বা চোখের তারার রঙ। এইসব কাটিয়ে ওঠা যাবে কিনা কোনোদিন , ওরা জানে না। তার আগে কী পরস্পরকে গ্রহণ করা যায়! টুপুর এগোতে পারছে না। যদিও কেউ কারু সামনে নিজেদের অতীত সঙ্গীর কথা উল্লেখ করে না ওরা, তবু, তবু ছায়ার মত তারা ভেসে থাকে মনের আনাচে কাণাচে। উঁকি দেয়। লাল চোখ দেখায়। সে বড় ভয়ানক।
    - কাসাহারা যাবে ঈশান?
    - কাসাহারা কী?
    - তোমার খিদে পেয়েছে বললে। কাসাহারা একটা ক্যাফে।
    - ওয়জ হি সামবডি?
    টুপুর চোখ গোলগোল করে তাকালো।
    ও নিজেও খুব একটা জানে না।
    প্রব্যাবলি হি ওয়জ আ মাস্টার জ্যাপনিজ আর্টিসান হু কনট্রিবিউটেড আ লট টু শান্তিনিকেতন। রথী ঠাকুরকে কাঠের কাজ শিখিয়েছিলেন বোধহয়। আমি অত জানি না ঈশান। তুমি মা কে জিজ্ঞেস কোরো। দ্য ক্যাফে ইজ আ ট্রিবিউট টু হিম। খাবারটা বেশ ভালো। যাবে?

    এই মুহূর্তে গান শোনা যাচ্ছে উপাসনাগৃহ থেকে। বাইবেল পাঠ। ওরা ভেতরের দিকে হাঁটতে শুরু করল। কাসাহারা বিশ্বভারতীর মধ্যে। একটু ভেতরের দিকে। রাস্তায় আলো নেই তেমন। টুপুর একটা ঘন্টা বাঁধা জ্যাকেট পরেছে কলমকারির। টুংটুং শব্দ হচ্ছে। একটা লং স্কার্ট। কালো। কাঁচ বসানো। রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে প্রথম হাত বাড়িয়ে দিল ঈশান। টুপুর আপত্তি করলো না। হাত ধরলো ।
    কাসাহারাতে দড়ির খাটিয়াগুলো বড়। ফাঁকাই ছিল। একটা খাটিয়াতে গোল হয়ে বসলো ওরা। বেবি কর্ণ ফ্রাই আর কফি সামনে রেখে। কাসাহারা বেশ খোলামেলা ক্যাফে।
    পাশের টেবল থেকে একজন হৈহৈ করে উঠল।
    - নৈঋতা না? কবে এলি?
    টুপুর তাকিয়ে দেখল দীপ্তেশ। স্কুলের বন্ধু। অনেকদিন বাদে দেখা।
    দীপ্তেশ শখের সিনেমাওয়ালা। মানে ছবি বানায়। ডকু ছবি। শর্ট ফিকশন। নদীভাঙন নিয়ে কী একটা কাজ করছিল যেন। সেটা বেশ কিছু  অ্যওয়ার্ড পেয়েছে। 
    - তুই কী ফিল্মের কাজ নিয়ে এসেছিস নাকী দীপু?
    দীপু হো হো করে হাসল। সে দেদার বড়লোকের ছেলে। তবে ফিল্মের সেন্সটা ভালো। নিরেট নয়।
    - এই লকডাউনের পর আনলকের বাজারে কে আমার ছবি প্রডিউস করবে সোনা? বাপ ক্যামেরা কেনার পয়সা দিয়ে দিয়েছিল এককালে। ঐ ঢের। এখন আমি ক্যামেরা ভাড়া দিই।
    টুপুর তাজ্জব হয়ে গেল।
    - সেকীরে।
    - ইয়েস বস। বাপ রেড ড্র্যাগন কেনার পয়সা দিয়েছিল। ওটা ডেইলি বারোহাজারে ভাড়া দিই। নিজের প্রাইজ মানিতে একটা সোনি এ সেভেন থ্রি কিনেছি। সিপিটু লেন্স দিয়ে ডেইলি সাড়ে ছহাজারে ভাড়া দিই। শালারা মান্ধাতার আমলের সিনেমা বানায় এখনো। ধ্যাবড়া প্লট। ততোধিক ধ্যাবড়া অ্যাক্টিং। ক্যামেরার কেয়ারটেকার হয়ে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখি আর মনে মনে হাসি।
    শালা গাধায় রেসে দৌড়ায় আর এরা ফিলিম বানায়।
    তুই কী করছিস? রক্তিম কোথায়?
    ঈশান কেমন যেন অপ্রতিভ হয়ে গেল। একটু আগেই অন্ধকার রাস্তার মধ্যে দিয়ে পরস্পরের আঙুল জড়িয়ে আসার সময়, অনেকদিন বাদে সে প্যাশন অনুভব করে। নিজের মন থেকে শরীরে প্রবাহিত এক উষ্ণতা। ঈশান তার হারিয়ে যাওয়া পৌরুষ ফিরে পাচ্ছিল যেন। শুধু শরীরে নয়। মনে। একটা নিরাপত্তার বোধ তৈরি হচ্ছিল টুপুরকে ঘিরে।
    সেটা হোঁচট খেল।
    টুপুর আলাপ করিয়ে দিচ্ছে।
    ঈশান, এ হল দীপ্তেশ। রাইজিং ফিল্ম মেকার।
    অ্যান্ড ঈশান ইজ আ সাইকিয়াট্রিস্ট দীপু। মাই পার্টনার।
    রক্তিমের কথাটা হাওয়ায় উড়িয়ে দিল টুপুর। দীপ্তেশের প্রশ্নটা খাটিয়ার কোণাতে লেগে ঠক করে পড়ে গেল মেঝেতে। তারপর গড়াতে গড়াতে চলে গেল বাগানের প্রান্তে।দোলনার নিচ দিয়ে। অন্ধকারে।
    দীপ্তেশ বোকা না। প্রশ্নটাকে গড়িয়ে যেতে দিল।
    তারপর চোখ নাচালো।
    হোয়াই শান্তিনিকেতন? এই ভিড়ভাট্টাতে এসেছিস কেন?
    - ভীড় কোথায় এবার অত? তাছাড়া আমরা এদিকে উঠিনি। দ্বরোন্দার দিকে আছি। একদম নির্জন।
    দীপ্তেশ মাথা ঝাঁকালো। ভালো।
    ঈশান ফোনে ব্যস্ত হয়ে গেছে। মোবাইল ফোন যে মানুষকে কত বিড়ম্বনার হাত থেকে রক্ষা করছে তার ঠিক নেই।
    - খৃষ্টোৎসবে এসেছিস? দীপ্তেশের চোখ হাসছে।
    - হ্যাঁ। বলতে পারিস। আবার তাও ঠিক না। এমনিতেই এসেছি বলতে পারিস। যাস্ট আনলকিং।
    দীপ্তেশ মুখটা প্যাঁচার মত বানালো।
    - কেন যে মাইরি এই বালের উৎসব করে! আর তোরা প্যাঁচপেঁচিয়ে দেখতেও আসিস। ভারভারা রাওকে যে এই কোভিডের মধ্যে জেলে ভরে রেখেছে, আশি বছরের লোকটা, তা নিয়ে তো কিছু করিস না?
    টুপুর রেগে গেল। যা বাবা! কী থেকে কী?
    - এর মধ্যে ভারভারা রাও আসে কেন রে?
    - আসে। আসে। রবিঠাকুরও এই সময় অচলায়তন লিখলে জেলে যেত।
    - তুই বাজে বকছিস। হাতে কাজ টাজ নেই নাকী?
    দীপ্তেশের মুখে দুটো চিকেন পকোড়া পুরলো। ছোট ছোট বানায় এখানে।
    - গেছিলাম ডকুমেন্টারি বানাতে। রাওয়ের ওপর। রাণাদা'র অ্যাসিস্ট্যান্ট হয়ে। শালা কেউ মুখ খুলল না।
    জুনের মাঝামাঝি ভারভারা রাও বেইলের জন্য আবেদন করেছিলেন। হাইলি ভালনারেবল টু কোভিড নাইন্টিন। সরকারী আদেশনামা আছে। বয়স্ক জেলবন্দি, যাঁদের কোমর্বিডিটি আছে, তাঁদের রিলিজ করা হোক। চোদ্দজন এমপি সমর্থন করেছন। চিঠি লিখেছেন উদ্ধব ঠেকরেকে। প্রাক্তন চিফ ইলেকশন কমিশনাররা সমর্থন জানিয়েছেন। ষোলোই জুলাই থেকে কবি মাথায় আঘাত নিয়ে হাসপাতালে। কোভিড পজিটিভ।
    দীপ্তেশের পেটে জলীয় পদার্থ ঢুকে গেছে অনেকটা। তবে তাতে সে ভাঁট বকে না। আরো বেশি সত্যনিষ্ঠ হয়ে যায়। চোখ বেশ লাল।
    ঈশান বোধহয় বাড়িতে বাবা মায়ের সঙ্গে ফোনে কথা সেরে নিচ্ছে একটু পাশ ফিরে।
    - তুই ওঁর ক্যাপটিভ ইমাজিনেশন পড়েছিস বন্ধু? বা অনুবাদটা? প্রিজন ডায়েরি?
    টুপুর পড়েনি। এখন ওর এইসব বলতে ভালো
    ও লাগছে না। ও চেয়েছিল ঈশানের সঙ্গে কিছু নিভৃত মুহূর্ত কাটাতে। ভেবেছিল কাসাহারা সেফ হবে। এ ব্যাটা এখানে ঝুলে আছে। আবার এড়ানোও যায় না। ছোটবেলার বন্ধু।
    - তুই বল, বিদ্রোহী কবিদের চ্যাম্পিয়ন করে গেছে রবিবাবু? গেছে কিনা!
    দীপ্তেশ খুব হাই হয়ে আছে। মুডে আছে।
    - তারপর কেন যে লোকটা অ্যাসোসিয়েশন অব রিবেল পোয়েটস করে, ভিরাসন করে তাকে জেলে কোভিডের ইনফেকশন পেতে হবে? তারপর শালা তোরা খৃষ্টোৎসব করবি? চার্জ অব ইনসাইটিং ভায়োলেন্স মানে কী? বাঁধ ভেঙে দাও মানে কী? তুই বোঝা আমাকে?
    দীপ্তেশ কথা বলতে বলতে বেশি চার্জড হয়ে যাচ্ছে।
    টুপুর এবার উঠে পড়ে ইশারা করে ঈশানকে ডাকল। অনেকটা দুরে ফিরতে হবে। রাত হয়ে যাচ্ছে। কাউন্টারে বললো খাবারটা প্যাকেট করে দিতে।
    একবুক দুঃখ, প্রিজন ডায়েরি আর দীপ্তেশকে খাটিয়ার ওপর ফেলে আসতে কষ্ট হচ্ছিল। কিন্ত কিছু করার নেই আপাতত। টুপুর এখন অন্ধকারে যেতে চায় না। অন্তত আপাতত। এগিয়ে ঈশানের হাত ধরলো।

    (চলছে)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ২২ মে ২০২৩ | ৫৩৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত প্রতিক্রিয়া দিন