• সাম্প্রতিকতম গুরুচন্ডালি
  • ইরানে - নীলাঞ্জন হাজরা - Bishan Basu
    ২৩ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ০

    "যে দেশে এক্কেবারে চলতি ভাষাতেই টুরিস্টকে বলা হয় ‘মুসাফির’ তার রোদ্দুর তো আলাদা হবেই।" - আর যে বইয়ের শুরু এমন আশ্চর্য বাক্য দিয়ে, তার কাছে পাঠকের প্রত্যাশা ভিন্ন হতে বাধ্য। এই বাক্য অতিক্রম করে, ফয়েজ-এর অসামান্য কটি পংক্তি পার হয়ে আমরা পৌঁছোই এক তরুণী কবির মৃত্যুতে - দুর্ঘটনায় মৃত্যু - যে কবির কবিতা লেখক আবিষ্কার করেন খাস ওয়াশিংটন ডিসি-তে বসে - মার্কিন দেশ ও ইরান!!!

  • জনি ওয়াকারের দেশ: ২৬ জানুয়ারি প্রসঙ্গে - Simool Sen
    ২২ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ২, শেষ লিখেছেন (কী নাম যেন ভুলে গেছি তারই মামার শালা, tester)

    এ বছরের প্রজাতন্ত্র দিবসটা আমাদের সামনে একটু অন্য রকম। এই যে উত্তমপুরুষ বহুবচনটা দিব্যি ব্যবহার করে ফেললাম, স্পষ্টই বুঝতে পারবেন, এ আমরা-র আবরণ ঢাকা আজকের জাতীয়তাবাদের জমিতে। বেশ কিছু বছর পর এমন এক ২৬ জানুয়ারির সামনে আমরা উপনীত, যা ক্যালেন্ডারের স্থাণুবৎ লাল দাগের দিনের থেকে অনেক বেশি গুরুত্ববহ।

  • উত্তর-উপনিবেশিক প্রথম সর্বভারতীয় ঐক্যবদ্ধ গণ নাগরিক অভ্যুত্থান
    ক্যা-এনপিআর-এনআরআইসি কুচক্র ধ্বংস হোক - Ashoke Mukhopadhyay
    ২২ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ৫, শেষ লিখেছেন (সিদ্ধার্থ বসু, অশোক মুখোপাধ্যায় , tester)

    সেই জানার ভিত্তিতে আজ বোধ হয় বলতে পারি, স্বাধীনতা উত্তরকালে সমস্ত দেশ জুড়ে এত বৃহদাকার ঐক্যবদ্ধ গণ আন্দোলন আর হয়নি। ১৯৭৪ সালের ২২ দিনের রেল ধর্মঘট মাথায় রেখেও বলছি। দেশ ব্যাপী রেল সংযোগের কারণেই সেই সংযোগ হারিয়ে সারা দেশ উত্তাল হয়েছিল। রেল কলোনিগুলিতে এক দিকে চলেছিল জিআরপি সিআরপিএফ প্যারামিলিটারি পুলিশের দাপাদাপি, রেলের কর্মচারীদের ঘর থেকে টেনে তুলে নিয়ে গাড়ি চালানোর চেষ্টা। অপরদিকে ঘর ছাড়া পলাতক রেল কর্মীদের সঙ্গে আমাদের রাতের অন্ধকারে সাইকেলে বা পায়ে হেঁটে গোপন ডেরায় গিয়ে গিয়ে যোগাযোগ স্থাপন, খবরের লেনদেন, অভুক্তদের খাদ্য পানীয় বিতরণ। সেই সব দিনের সেই গরম রক্তের চাষ উঠতি যৌবনে আমাদের অনেককেই স-মগজ মেরুদণ্ডী করে তুলেছিল।

  • রাজনীতির জয়- পরাজয় আপাতত এক বিরাট মানবিক উদযাপনের মুখোমুখি
    - Bodhisattva Dasgupta
    ২০ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ৮, শেষ লিখেছেন ( অপু, g, Sarbani)

    উদ্দেশ্য আমার কাছে অন্তত খুবই স্পষ্ট ছিল। এন আর সি, সি এ এ এবং ছাত্র ছাত্রীদের উপরে পুলিশ তথা সরকার সমর্থক গুন্ডা দের হামলা ইত্যাদি নিয়ে সারা দেশে যে নানা প্রতিবাদ হচ্ছে, কলকাতায় থেকে তার যতটুকু আঁচ পাওয়া যায়, সেটা অনুভব করার , চাক্ষুষ করার চেষ্টা করা। এবং গুরুচন্ডালি তে লিখে ফেলা, যতটা পারা যায়।।

  • রাওলাট সাহেবের ভূত! - Anamitra Roy
    ২০ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ১, শেষ লিখেছেন (সপ্তর্ষি মুখার্জী)

    রাজনীতি আসলে ঢপের কেত্তন! সেখানে সবাই সবার চেয়ে বেশিমাত্রায় মানুষের পক্ষে বলে প্রমান করতে চায় নিজেদের। আসলে যে যার নিজের পক্ষে; কয়েকটা বেশি ভোট টানার মাধ্যমে ক্ষমতাদখল করে সদলবলে পাঁচ বছর ক্ষীর চাটার পক্ষে। ফলত এর টিকি তার হাতে, তার টিকি আবার অন্য একজনের হাতে অবস্থা হয়ে বসে থাকে প্রায়শই। আপাতত যা বোঝা যাচ্ছে, সকল টিকিই দিল্লি গিয়াছে, ফলে পুতুল নাচের আসর জমেছে ভালো। এবং টিকি বেয়ে বেয়ে যেহেতু যাতায়াত করা যায় তাই দিল্লিকে রোম বললেও ভুল বলা হয় না। এরই মধ্যে সবে মিলে আবার কে কখন কার পাতলুনের দড়ি ধরে টেনে দেওয়া যায় সেই ফন্দি ফাঁদছে। প্রতিপক্ষের বিশ্বাসযোগ্যতা খানিক কমিয়ে দেওয়া গেলে খানকয়েক বেশি ভোট জুটতে পারে, এই আর কি! এর মধ্যে অন্য কোনো অভিসন্ধি, ওই জনগণ-টনগণ, ওইসব নেই।

  • মাই নেম ইজ অ্যান্থনি গঞ্জালভেজ - ন্যাড়া
    ১৮ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ৪, শেষ লিখেছেন (b, :-(?), ন্যাড়া)

    "অমর-আকবর-অ্যান্থনি" ছবিতে অমিতাভ বচ্চনের চরিত্রের নাম ছিল অ্যান্থনি গঞ্জালভেজ, শুধু তাই নয় অমিতাভের লিপে গানও ছিল 'মাই নেম ইজ অ্যান্থনি গঞ্জালভেজ'। এই অ্যান্থনি কোন কবির কল্পনা নয়। হিন্দি ছবির এক বিখ্যাত বেহালাবাদক-তথা-অ্যারেঞ্জারের নাম ছিল অ্যান্থনি গঞ্জালভেজ। সুরকার-জুটি লক্ষ্মীকান্ত-পেয়ারেলালের পেয়ারেলাল বেহালা শিখেছিলেন এই অ্যান্থনির কাছে। শোনা যায় রাহুল দেব বর্মনও কিছুদিন অ্যান্থনির ছাত্র ছিলেন। "মাই নেম ইজ অ্যান্থনি গঞ্জালভেজ" গানটি পেয়ারেলালের গুরুদক্ষিণা বলা যেতে পারে।

  • মস্তি সেন্টার - সায়ন্তন চৌধুরী
    ১৮ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ২, শেষ লিখেছেন (দ, g)

    হিলবার্টের হোটেল ব্যাপারটা কী জানো? - এলিভেটর থেকে বেরিয়ে লোকটা আমায় জিগ্যেস করল - যেসমস্ত জিনিস মানুষ কেবল তার স্বপ্নে কল্পনা করতে পারে, তার প্রত্যেকটা এই মস্তি সেন্টারে পাওয়া যায়। প্রতিটা ফ্লোর ভর্তি হয়ে আছে হরেকরকম জিনিসে।

  • যাত্রাপথের আনন্দগান - Prativa Sarker
    ১৭ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ৭, শেষ লিখেছেন (শক্তি , গ, Shibanshu De)

    পার্ক সার্কাসে গিয়ে কিছুক্ষণ দাঁড়ালেই আমার মনে পড়ে রক্তবীজের কাহিনী। আকাশ-চাটা আগুন-চিতায় সহমরণে মরতে যাওয়া মায়ের অসহ্য যন্ত্রণার চিৎকারের সঙ্গে সঙ্গে জরায়ু উন্মোচনে তার জন্ম। একফোঁটা রক্ত যেখানে পড়ে সেখানেই জন্ম হয় রক্তবীজের। এক থেকে একশ, হাজার, লক্ষ -- লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়তে থাকে তরুণাসুর রক্তবীজের সংখ্যা।    

  • প্লাবন - Swapan Majhi
    ১৭ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ১, শেষ লিখেছেন (Loton)

    আমার চরে;
    তোমার চরণ পড়েছিল একদিন।
    আকাশে ছিল না মেঘ,
    না বৃষ্টি, ।
    তবুও আম

  • দক্ষিণের কড়চা - Parthasarathi Giri
    ১৬ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ৪, শেষ লিখেছেন (গুরুচণ্ডা৯, গুরুচণ্ডা৯, $#)

    কাকভোরে এক ঝটকায় বলাইয়ের ঘুম ভেঙে গেল। কী যেন একটা স্বপ্ন দেখছিল সে। প্রতি রাতে নিয়মত বলাই স্বপ্ন দেখে। কোনোদিন শিশুর। কোনোদিন মরা মায়ের সঙ্গে ছোটোবেলার স্মৃতির স্বপ্নিল ভার্সান। কখনও সখনও প্রথম প্রেমিকা রুগ্ন কিশোরী লক্ষ্মীর। আজ সে কী দেখছিল মনে করার জন্য প্রথাগতভাবে ফের চোখ বুজে রইল কিছুক্ষণ। বিলীয়মান স্বপ্নের রেশ জোনাকির মতো দপ দপ জ্বলে জ্বলে ধরা দিল ধীরে ধীরে।

  • এট্টু সাইড করে দাঁড়ান - Simool Sen
    ১৫ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ৪, শেষ লিখেছেন (test, palaash, বিপ্লব রহমান )

    কার্যত সিংহের সাহস সঞ্চয় করে লিখছি, মানে অনেক জড়তা কাটিয়ে ঠিক করলাম শেষমেশ, কথাগুলো লেখাই যায়। বিরোধে, চ্যুতিতে, এবং বিসংবাদে রাজনীতির তো বস্তুত কোনও ক্ষতি হয় না, উত্তরপক্ষের অবস্থিতি পূর্বপক্ষকেই আরও জোরালো করে তোলে। বিষয়: হালফিল, ভারত, আন্দোলন।

  • এই দুনিয়ার সকল ভাল,
    আসল ভাল, নকল ভাল
    ডিটেনশন সেন্টারও ভাল।
    - জয়ন্ত ভট্টাচার্য
    ১২ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ২, শেষ লিখেছেন (জয়ন্ত ভট্টাচার্য , গুরুচণ্ডা৯ )

    এ এক অদ্ভুত শিউড়ে ওঠা সময়ের কাহিনী। আমরা সেই সময় অতিবাহিত করছি যখন আমাদের মনে পড়ে যায় “পিচ্ছিল নেপথ্যে আজও রয়েছে মানুষ – একা – নরক দর্শন করে, তবু অন্ধ নয়, খোঁড়া নয়;

  • চন্দ্রশেখর আজাদ - প্রতিভা সরকার
    ১২ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ৪, শেষ লিখেছেন (Shibanshu De, বিপ্লব ব্যানার্জী, দ)

    তেত্রিশ বছরের একটা জোয়ান কিন্তু রুগ্ন ছেলে শুয়ে আছে জেলখানার ঠান্ডা মেঝেতে, গায়ে হয়ত শুধু একটা কম্বল। গরাদের ফাঁকে তাকে কড়া নজরে রেখেছে এদেশের কুখ্যাত ট্রিগারহ্যাপি পুলিশ বাহিনী, যারা গণতান্ত্রিক আন্দোলন দমাতে নিজেরাই সরকারি বাস পোড়ায়, গুজরাত মডেলে সংখ্যালঘুর দোকান ভেঙে দামী মাল লুঠ করে। আর দমাদম গুলি ছুঁড়ে শুইয়ে দেয় শিশুদেরও। আটক নাবালকদের সোডোমাইজ করার অভিযোগও ওঠে এদের বিরুদ্ধে।

  • স্মারক ও স্মৃতিচিহ্ন সংক্রান্ত গল্পসমূহ - সুকান্ত ঘোষ
    ১২ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ৩, শেষ লিখেছেন (সুকি , খ, de)

    বালি (হাওড়া জেলার বালি নয় তাবলে) আমার খুব প্রিয় জায়গা, অনেকবার গেছি। আর এখন তো ভারত থেকেও বালি যাওয়া খুব সহজ হয়ে গ্যাছে এবং অনেকেই যাচ্ছেন এই অপূর্ব জয়গায়।যাঁরা বালি গ্যাছেন বা এর সম্পর্কে খোঁজ খবর রাখেন তাঁরা নিশ্চয়ই জানেন যে হাতের কাজের, তা সে কাঠের, আঁকা, পটের, কাঁচের, গহনা (বিশেষ করে রূপো) যাই হোক না কেন, বালি দ্বীপ সে সবের জন্য খুবই বিখ্যাত। বালি দ্বীপের উবুদ নামক জায়গাটা আবার এমন সব শিল্পীদের গ্রাম।

  • এক অন্য অযোদ্ধার গল্প - Arijit Guha
    ১১ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ০

    রাম মন্দির আর বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত মামলায় অযোধ্যার নাম সারা ভারতবর্ষ জানে। এমনকি ভারত ছাড়িয়ে পৃথিবীতেও খ্যাতি হোক বা কুখ্যাতি হোক ছড়িয়ে পড়েছে। এখন যে অযোধ্যার কথা বলব সে এক অন্য অযোধ্যার কথা। সেই অযোধ্যার নাম ছিল তখন আওধ। হ্যাঁ এই সেই ওয়াজেদ আলি শাহ'র আওধ। যে ওয়াজেদ আলি শাহ্ কে মেটিয়াবুরুজে নির্বাসন দিয়েছিল ব্রিটিশরা। আওধের রাজ্য জোর করে কেড়ে নিয়ে ওয়াজেদ আলি শাহ্ কে বার্ষিক পেনশনের বিনিময়ে মেটিয়াবুরুজে নির্বাসিত থাকতে বাধ্য করেছিল। কোম্পানির রাজ্য দখলের খাই তখন এমন বেড়ে গেছিল, চোখের সামনে যে দে

  • মিছিলের পতাকা, পতাকার মিছিল - স্বাতী রায়
    ১১ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ০

    জাতীয় পতাকার সঙ্গে প্রথম পরিচয় হয়েছিল স্কুলের গন্ডীতে। খুব ছোটবেলায়। তখনো ইতিহাস বা সিভিকসের বইএর পাতায় জাতীয় পতাকার ইতিহাস পড়া হয়ে ওঠে নি। অথচ পনেরই আগস্ট এসে গেছে মহা সমারোহে। চার্ট তৈরির পরব। স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস। আবার করে ঝালিয়ে নেওয়া, " মুক্তির মন্দির সোপানতলে যত প্রাণ হল বলিদান লেখা আছে অশ্রুজলে"। তারপর পনেরই আগস্ট ভোর ভোর স্কুলে যাওয়া, আলপিন পড়লে শোনা যায় এমন শান্ত পরিবেশে তেরঙ্গার মাথা ঝাঁকানি দিয়ে ওঠা, ফুল ছড়াতে ছড়াতে আকাশে পৌঁছে যাওয়া , তারপর গঙ্গার হাওয়া গায়ে মেখে পতপতিয়ে ওড়া। ন

  • প্রযুক্তি, পরিবেশ ও মানবকল্যাণ -- নারায়ণ চৌবে স্মারক বক্তৃতা, ২০১৯ - Somnath Roy
    ১০ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ০

    আমাকে যখন উদ্যোক্তারা নারায়ণ চৌবে স্মারক বক্তৃতা দিতে আমন্ত্রণ করলেন, আমি খুবই অবাক হয়েছিলাম। আমি কীভাবে এই বক্তৃতা দেওয়ার যোগ্য বিবেচিত হলাম, তা আমি বুঝতে পারছিলাম না। বক্তৃতাটি যাঁর স্মৃতিতে তিনি শ্রমিক-উৎপাদক মানুষের মঙ্গলকামনায়, তাঁদের পাশে থেকে জীবন উৎসর্গ করেছেন। নারায়ণ চৌবে এরকম অসংখ্য মানুষকে শিক্ষা দিয়েছেন, যাঁরা আজীবন অশেষ আত্মত্য্যগ স্বীকার করছেন, যাতে আমাদের চারপাশ সুরক্ষিত থাকে, আমাদের সন্তান দুধেভাতে থাকে। আজকের মঞ্চে নারায়ণ চৌবে স্মারক পুরষ্কার পাচ্ছেন, পশ্চিমবঙ্গ খেড়িয়া শবর কল্য

  • আমরা দেখে নেবোই : রোহিত ও নাজীবের জন্য - সায়ন্তন মিত্র
    ০৮ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ২, শেষ লিখেছেন (quark, লোহিয়া থেকে)

    এই লেখা লিখতে লিখতেই শোনা যাচ্ছে বিশ্বভারতীতে সঙ্ঘের পেটোয়া লোকজন নিয়ে ব্যবস্থা করা হয়েছিল এক সেমিনার যাতে সিএএ ও এনআরসির সুফল ব্যখ্যা করার কথা ছিল। সেখানকার ছাত্রছাত্রীরা তার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করায় রড লাঠি নিয়ে প্রস্তুত হচ্ছে আরেক গুন্ডাবাহিনী। বিশ্বভারতী থেকে আসা এই খবর কোনদিকে গড়াবে আমরা জানি না, কিন্তু গোটা দেশজুড়ে যে সমস্ত ক্যাম্পাসগুলিতে আরেসেস এবিভিপির যাতায়াত ছিল সীমিত সেগুলিতেই নানা ফিকিরে ঝামেলার পরিবেশ তৈরী করে এক একটা ফেনোমেনন বানাতে চাইছে তারা। কিন্তু তাদের এই বর্বরতা কোনোভাবেই শেষ কথা হয়ে যে উঠবে না তার প্রমান প্রায় প্রতি মুহুর্তে দিয়ে চলেছেন এই দেশের ছাত্রছাত্রীসমাজ ও তাদের পাশে দাঁড়ানো সাধারণ মানুষ। আরেসেস বিজেপি যত হিন্দুরাষ্ট্র বা অন্যকে টুকরে গ্যাঙের নাম করে আসলে নানাভাবে ভারতের বিভাজনে ব্রতী হবে ততোই তাদের স্বরূপ উন্মোচিত হবে এবং অতীত থেকে ফ্যাসিবাদকে মোকাবিলা করার শিক্ষা তাদেরও দেওয়ার জন্য একত্রিত হবেন এদেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ। যে আজাদীর স্লোগান উঠে এসেছিল বিক্ষুদ্ধ কাশ্মীর থেকে আজ তা শোনা যাচ্ছে কলকাতায় মুম্বইতে সব জায়গায় এবং তা দিচ্ছেন সাধারণ মধ্যবিত্ত মানুষ গৃহবধু বাচ্চা বুড়ো সবাই। ফয়েজের কবিতার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি বসাতে বাধ্য হচ্ছে ভীতু কর্তৃপক্ষ।

  • প্রতিবাদের মিছিল মিটিং- কবে কোথায় কী হচ্ছে - admin
    ০৭ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ২১, শেষ লিখেছেন (;), রায়গঞ্জ থেকে, এখন ধর্মতলা)

    এখানে আসতে থাকুক সব আপডেট। কোথায় কী হবে, কী হল।

  • দৃপ্তা ষড়ঙ্গীর জন্য - বন্ধুরা - উপমা নির্ঝরিণী, নির্নিমেষ ভট্টাচার্য,তনুজ সরকার
    ০৫ জানুয়ারি ২০২০ | মন্তব্য: ৯, শেষ লিখেছেন (বিপ্লব রহমান , পারমিতা, de)

    দৃপ্তার কাছে অরাজনীতির বিলাসিতার সুযোগ ছিল। কিন্তু, ও শপিং মল, নেটফ্লিক্সের জীবনকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে সরাসরি ময়দানে নেমেছে। যখন ওর কাছে রাস্তায় নামার সুযোগ ছিল না, তখন ও ক্রমাগত উচ্চমানের রাজনৈতিক মীম বানিয়েছে। আর আজ এই সঙ্কটকালে ও কম্পিউটারের পর্দার আড়ালে লুকিয়ে পড়েনি। জামিয়ায় আক্রমণের খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে গেছে সেখানে।

    আজ সকালে এবিভিপির গুণ্ডাবাহিনি জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ঢুকে হামলা করেছে। র আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যখন তারা আক্রমণ করেছিল, তখন চোখের সামনে দেখেছি সাংবাদিকের মাথা থেকে টুপ টুপ করে পড়া রক্তবিন্দু ভাঙা কাচের গুঁড়োয় মিশে যাচ্ছে, চারদিকে আগুন জ্বলছে এবং এ টি এমের ভিতরে একলা মেয়েকে ঘিরে ধরে সঙ্ঘীগণ অত্যাচার চালাচ্ছে। তারপর ঘটে গেছে জামিয়া, আলিগড়ের ঘটনা। রাষ্ট্রের নৃশংসতার মাত্রা প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পেয়েছে। উত্তর প্রদেশ ভয়াবহ অত্যাচার চলছে। আর কাশ্মীরের কথা তো আমরা জানতেই পারছি না। দেশজুড়ে আন্দোলনরত ছাত্রদের ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছে। দৃপ্তা নিজেও হুমকি শুনেছে। এই হুমকিগুলো আমাদের ভয় কাটিয়ে দিতে সাহায্য করে। আজ বিকেল বেলা দৃপ্তা যখন বলল ওকে ঘিরে ধরে লাঠিপেটা করা হয়েছে, তখন আমার হাড় হিম হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু, বুঝতে পেরেছিলাম যে,

ঘোষণাঃ : গুরুচন্ডা৯ সাইটের পুনর্নির্মাণ এর কাজ চলছে, কিছু জিনিস ঠিকঠাক কাজ করছে না, সেগুলিই মেরামতির কাজ চলছে | আশা করা যায় কয়েকদিনের মধ্যে সেগুলি ঠিক হয়ে যাবে | এই অসুবিধের জন্য আমরা দুঃখিত. এবং ভুলত্রুটি গুলো একটু মানিয়ে নেওয়ার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ |
সাইটে কিছুদিন আগেই একটি আক্রমণ করার চেষ্টা হয়েছিল। প্রযুক্তিগত ভাবে সেটিকে প্রতিহত করা গেছে, এবং সাইটটিকে অধিকতর নিরাপদও করা হয়েছে। কিন্তু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে কয়েকটি সমস্যা দেখা দিয়েছে। লেখার পঠিত-সংখ্যা এবং শেয়ার-সংখ্যা এখন সম্পূর্ণ ভুল আসছে। আমরা বিষয়টি ঠিক করার চেষ্টা করছি। এর জন্য কোনোরকম বিভ্রান্তি তৈরি হয়ে থাকলে একান্ত ভাবে দুঃখিত।
  • হরিদাসের বুলবুলভাজা : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • রাজনীতির জয়- পরাজয় আপাতত এক বিরাট মানবিক উদযাপনের মুখোমুখি
    (লিখছেন... অপু, g, Sarbani)
    আফজল গুরু – বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে?
    (লিখছেন... Du, Du, দোবরু পান্না)
    মিষ্টিমহলের আনাচেকানাচে
    (লিখছেন... দীপক, tester, দীপক)
    যাত্রাপথের আনন্দগান
    (লিখছেন... শক্তি , গ, Shibanshu De)
    চন্দ্রশেখর আজাদ
    (লিখছেন... Shibanshu De, বিপ্লব ব্যানার্জী, দ)
  • টইপত্তর : সর্বশেষ লেখাগুলি
  • নতুন তই ফোন থেকে
    (লিখছেন... )
    NRC-NPR-CAA : প্রতিবাদের ছবি
    (লিখছেন... pi)
    ঐতিহ্যমন্ডিত বাংলা চটি সিরিজ
    (লিখছেন... )
    গুরুচণ্ডা৯র প্রকাশিতব্য বইএর জন্য দত্তকের আহ্বান
    (লিখছেন... গুরুচণ্ডা৯, গুরুচণ্ডা৯, Guruchandali)
    গুরুর নতুন লেআউট
    (লিখছেন... দ, দ, দ)
  • হরিদাস পালেরা : যাঁরা সম্প্রতি লিখেছেন
  • ইরানে - নীলাঞ্জন হাজরা
    (লিখছেন... )
    উত্তর-উপনিবেশিক প্রথম সর্বভারতীয় ঐক্যবদ্ধ গণ নাগরিক অভ্যুত্থানক্যা-এনপিআর-এনআরআইসি কুচক্র ধ্বংস হোক
    (লিখছেন... সিদ্ধার্থ বসু, অশোক মুখোপাধ্যায় , tester)
    জনি ওয়াকারের দেশ: ২৬ জানুয়ারি প্রসঙ্গে
    (লিখছেন... কী নাম যেন ভুলে গেছি তারই মামার শালা, tester)
    মস্তি সেন্টার
    (লিখছেন... দ, g)
    সার্ধশতবর্ষে গান্ধী : একটি পুনর্মূল্যায়নের (অপ?) প্রয়াস
    (লিখছেন... এবড়োখেবড়ো, এস চক্র, এবড়োখেবড়ো)
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তত্ক্ষণাত্ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ যে কেউ যেকোনো বিষয়ে লিখতে পারেন, মতামত দিতে পারেন৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...

  • যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত