এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  স্মৃতিকথা  শনিবারবেলা

  • কাদামাটির হাফলাইফ - ইট পাথরের জীবন

    ইমানুল হক
    ধারাবাহিক | স্মৃতিকথা | ০৯ মার্চ ২০২৪ | ২৪৪ বার পঠিত
  • নামাঙ্কনঃ ইমানুল হক। ছবিঃ র২হ

    কথা - ২০


    নজরুলের খাওয়ার গল্পটা বলেই নিই । নাহলে ভুলে যাব। খাওয়ার গল্প সবসময় মূল্যবান।
    আমি তখন কলকাতায় চলে এসেছি পাকাপাকিভাবে। ফরডাইস লেনের মেসে থাকি। ১৩ নম্বর ফরডাইস লেন।
    ঐতিহাসিক এই মেস। অনুশীলন সমিতির লোকেরা থাকতেন। তারপর এটা সিপিএম সমর্থকদের দখলে যায়। আমার মতো বিক্ষুব্ধ দু একজন ছিলেন। মেসের নিয়ম ছিল, একজন যাওয়ার সময় আরেকজনকে দিয়ে যেতে পারতো। অতীশ চট্টোপাধ্যায় ছিলেন সাংবাদিক। পরে কৃতী অধ্যাপক। তিনি সুপারিশ করেন পুরুলিয়ার অরিন্দম চক্রবর্তীর নাম। অরিন্দমদা আমার পূর্ব পরিচিত। অরিন্দমদা আসতেন পুরুলিয়া থেকে রাজ্যস্তরের প্রতিযোগিতায়। আমি কুইজ বিতর্ক তাৎক্ষণিক বক্তৃতা বা প্রবন্ধ কিংবা পোস্টার বা শ্লোগান লেখায়।
    আমরা জেলার লোক। জিতলে দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরতাম। হাততালি দিতাম।‌কলকাতার প্রতিযোগীরা অনেকেই ছিলেন উন্নাসিক । জেলার ছেলে সেরা হয়ে যাচ্ছে, এটা ছিল নাপসন্দ। অরিন্দমদার গলার আওয়াজ ছিল বেতারের কন্ঠস্বরের মতো। আমরা পাঁচটাকা দিয়ে মৌলালি যুবকেন্দ্রে থাকতাম। আর রাজ্য যুব সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা, হেলথ হোমের প্রতিযোগিতা, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় -- এইসব প্রতিযোগিতায় লড়ে যেতাম। অরিন্দম চক্রবর্তীদা দিল্লি বেতারে চাকরি নিয়ে চলে যাওয়ায় আসন ফাঁকা হল। অতীশদা আমাকে নিয়ে গেলেন ফরডাইস লেনে। ভবানীপুরে একটা মেসে কিছুদিন ছিলাম।‌ সেখানকার অভিজ্ঞতা অন্যরকম। মেসবাসীরা খুব ভালো।
    খাবার চমৎকার।
    কিন্তু একজন 'মুসলিম' মেসে থাকবে এটা কেউ কেউ আপত্তি তোলেন! ফলে ভোটাভুটি হয়। ১৮-৪ এ হেরে যান, আমাকে রাখতে চাওয়া মানুষরা। মেসের সর্বময় কর্তা ছিলেন খুব ভালো মানুষ। আমাকে খুবই ভালো মানুষ।‌ কিন্তু তিনিও এই বিষয়ে ভোটে হারলেন। কারা বিপক্ষে ভোট দিয়েছিল, তিনি বলেন নি। আমিও জানতে চাইনি। কারণ, সবাই আমার সঙ্গে ভালো ব্যবহার করতেন।
    আমার ঠাঁই ফরডাইস লেনে।
    প্রথম ঘরেই। মজার বিষয়, তিনজন বাসিন্দা। একজন প্রায়ই থাকেন না। খুব ভালো মানুষ।‌ কাটোয়া থেকে যাতায়াত করেন।‌তাঁর জায়গা ফাঁকা থাকায় আমার বইপত্র রাখার সুবিধা হল।
    আমার সহবাসী মেধাবী ছাত্র। পরে বড় সরকারি অফিসার হন।‌ ওই

    মেসে কম পয়সায় খুব ভালো খাওয়া যেত। আমি জীবনের দৈনিক হিসেবে ভালো খাবার একটানা যদি কোথাও খেয়ে থাকি, তবে এই মেস।
    নিয়ম অনুযায়ী ষাট জন বাসিন্দার একজন মেস ম্যানেজার হবেন। ষাটজন বাসিন্দার একজনকে দু মাসে একবার বাজার করতে হবে। দুবেলার বাজার।‌ বাজারকারীকে মাছ/মাংস/ ডিম বা সব্জি, তেল নুন, হলুদ মশলা ইত্যাদি কেনার জন্য একটা নির্দিষ্ট টাকা দেওয়া হতো। যতদূর মনে আছে ১৩০ টাকার মতো। চাল খালি নির্দিষ্ট। ওই টাকায় পছন্দ মতো বাজার করে পছন্দ মতো মেনু খাওয়ানো।

    অসাধারণ সব খাবার খেয়েছি।
    মিল চার্জ সব মিলিয়ে চার থেকে সাড়ে চার টাকা পড়তো। এর মধ্যে কর্মীদের বেতন কাঠকয়লা ঘুঁটে কেরোসিন জ্বালানি সব হিসেব থাকতো
    মাসে ২৩০-২৫০ টাকার বেশি কোনওদিন লাগেনি।
    ওখানে মেদিনীপুরের দুজন ছেলে কাজ করতেন।
    ত্রিপুরা, উত্তরবঙ্গের বেশ কয়েকজন থাকতেন।
    রসিক আমুদে সব ছেলে। ভাস্কর , গৌরব, সৌরভ। ভাস্কর তো জমিয়ে রাখতেন। ওঁরা একজনের নাম দেন, ডাঙ্কেল।
    তখন ১৯৯৪। ডাঙ্কেল, গ্যাট চুক্তি নিয়ে দেশ তোলপাড়।
    ডাঙ্কেল আমাকে খুব ভালো বাসতেন। বছর ১৮-১৯ বয়স। ওড়িশা থেকে মেদিনীপুর। সেখান থেকে ফরডাইস লেন।
    রান্না করতেন একজন। ডাঙ্কেল তাঁর সহকারী।
    আজকের প্রজন্ম গ্যাট ডাঙ্কেল না জানলেও তখন কম বেশি সবাই জানতেন।
    বিদেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক চুক্তি, বিশ্বব্যাঙ্কের শর্ত, বিদেশে মস্তিষ্ক পাচার তথা ব্রেন ড্রেন, এক চব্বিশ হাজার রকম ব্রান্ডের ওষুধের বদলে শুধু একশো চব্বিশ রকমের জেনেরিক নামের ওষুধ চাই, শিক্ষা স্বাস্থ্য কৃষি বীমা ব্যাঙ্কে বেসরকারিকরণ চাই না--এইসব ধ্বনিতে তখন আকাশ বাতাস মুখর।
    দেওয়ালে দেওয়ালে লেখা লেখা থাকতো পেট্রল ডিজেল কেরোসিন কয়লা গ্যাসের এক টাকা দুই টাকা দাম বৃদ্ধির খবর।
    খবরের কাগজ তোলপাড় করে ফেলতো দুধ পাঁউরুটির দাম ১০-২০ পয়সা ( টাকা নয় পয়সা) বাড়লে।

    এখন ১৪ টাকার দুধ ৩৪ টাকা হলেও হেলদোল নেই।
    ৪৮ টাকার সর্ষে তেল ২২৫ হলেও মিছিল বের হয় না।
    ১৯৯৪ এ ভালো চালের দাম ছিল ১৪-১৫ টাকা।
    গোবিন্দভোগ ১৮ টাকা।
    বাসমতি সহজে পাওয়া যেত না।
    ২২-২৫ টাকা কেজি।
    এখন ১২২-১২৫ টাকা কেজি।
    মাছ ছিল চারাপোনা ২৫ টাকা কিলো।
    রুই মাছ ৩২ টাকা।
    ভালো কাতলা ৩৮-৪০ টাকা।
    মুরগির মাংস ২৫-৩০ টাকার মধ্যে। খাসি ৬০ টাকা।
    মেসে দু বছরের বেশি থেকেছি খাসির মাংস কোনওদিন হয়নি।
    ভাবতেই পারতো না লোকে, ৬০ টাকা কেজি খাসির মাংস খাওয়া যায়!
    এখন ৮৬০ টাকা থেকে ৯০০ টাকা।
    মাংসের দোকানে লাইন।
    দুটাকায় চারটে রুটি। আলু ভাজা ফ্রি।
    চা আট আনা।
    চপ আট আনা।
    বেগুনি আট আনা।
    এগুলো ১৯৯৪-এর দাম।

    যাক, নজরুলের খাওয়ার গল্পে ফিরি। নজরুলের ভাইয়েরা কলকাতায় থাকতো। সে এল আমার সঙ্গে মেসে দেখা করতে খেতে বললাম।
    ডাঙ্কেল তাঁর কাছে আমার নামে নালিশ করল, বড্ড কম খায়। ছাত্রদের খাইয়ে দেয়। খায় না। রোগা প্যাঁকাটি চেহারা। একটু বলো ভালো করে খেতে।
    ডাঙ্কেলের আমার প্রতি কেমন একটা মমতা ছিল।
    রাত দুটোয় ফিরবো। ভাত চাপা দিয়ে রাখতো। ঠান্ডা জলে স্নান করতে পারি না বলে গরম জল দিত।
    আমার গায়ে যাতে একটু গত্তি লাগে, তার জন্য ডাঙ্কেলের চেষ্টার সীমা ছিল না।
    নজরুলও কম খেল।
    ডাঙ্কেল বলল, তুমি না গাঁয়ের ছেলে এত কম খাও কেনে। ভাত এমন খাবে, বিড়াল ডিঙোতে পারবেনি।
    নজরুল রাতের বেলায় খেয়ে দেখাল। সাত আটজনের ভাত খেলে একাই।

    ডাঙ্কেলকে আবার ভাত বসাতে হল।
    তাতে ডাঙ্কেলের দু:খ নাই।
    এতদিনে একটা খাইয়ে লোক পেয়েছে। খাইয়ে সুখ। এখানে বেশিরভাগ তরকারি বেশি চায়, ভাত কম। ভাত বেশি না খেলে, সেটা আবার খাওয়া!
    এর মধ্যে আমিও একদিন বেশি খেলাম। ত্রিপুরা থেকে ভাস্কর ভট্টাচার্য শুঁটকির আচার এনেছে। একটু গুঁড়ো গুঁড়ো।‌ শিলে বাটা। কী অপূর্ব তার স্বাদ!

    দক্ষিণ দিনাজপুরের সিপিএম জেলা সম্পাদকের দুই ছেলে আমাদের মেসে থাকতো। গৌরব আর সৌরভ। সুদর্শন। সৌরভ ছিল আমার অতি প্রিয়। যত রাতেই ফিরি খবরের কাগজের দপ্তর থেকে দেখা করতেই হবে। সৌরভ তার ভাগেরটাও আমাকে দিলে। অত পছন্দ নয় তার শুঁটকি।
    ডাঙ্কেল আমার খাওয়া দেখে বলল, এইরকম খাবে, তবে গালে মাংস লাগবে।

    ত্রিপুরার আগরতলায় তেসরা মার্চ বই উদ্বোধন ছিল। অক্ষর পাবলিকেশানস থেকে। 'বাঙালির চিন্তানায়ক: চৈতন্য থেকে অশোক-শঙ্খ'। আগরতলা বিমানবন্দরে গাড়ি পাঠিয়েছিলেন শুভব্রত দেব, রতুদা। বিকেলে ওড়িশা হাইকোর্টের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি শুভাশিস তলাপাত্রর উদ্বোধন করার কথা। কথায় জানলাম, গাড়ি চালক নিজেই গাড়ির মালিক এবং তিনি যন্ত্রশিল্পী। অক্টোপ্যাড বাজান।‌ সকালে বের হয়েছি। সকাল নয়টার সময় ভাত খাওয়ার অভ্যাস। খিদে পেয়েছে। চালক শেখরদাকে বললাম, আগরতলার ভালো খাবার কী? একটু খেতাম। কোন হোটেলে সেটা পাওয়া যায়?
    উনি বললেন, সবই তো কলকাতার মতন। শুধু সিঁদল শুঁটকি আলাদা।
    কোন হোটেলে পাবো?
    সব হোটেলেই পাবেন বললে।
    আচ্ছা।
    এরপর আমাকে অবাক করে শেখরদা জিজ্ঞেস করলেন, আপনি দুপুরে কখন খাবেন? আমি বললাম, দুটো, আড়াইটা।
    আমি খাওয়ার নিয়ে আসবো।
    না না সেকী!
    আমি আনবো, কী পছন্দ বলেন।
    পছন্দ তো সবচেয়ে আলুভাতে আর ডাল।

    দুপুরে দেখি, শেখরদা ধনে পাতা দিয়ে পাতলা মুসুর ডাল, আর আলু ভর্তা শুকনো লঙ্কা পোড়া দিয়ে। আশ্চর্য ঠিক যেন আমার মায়ের হাতের রান্না।
    সঙ্গে সিঁদল শুঁটকি আর লটে মাছের চাটনি।

    আমি আজকাল 'বাঙাল' ধরনে খাই। একটা পদ দিয়ে ভাত।‌সেটা শেষ হলে আরেক পদ।
    সিঁদল থাকলে খাসি বা বড় খাসির মাংসও ছুঁই না।

    কিন্তু এদিন ব্যতিক্রম হল, ডাল আর আলুভাতে এত ভালো লেগে গেল, আমি শুঁটকিতে পৌঁছাতেই পারলাম না।
    রাতের জন্য তা তুলে রাখা গেল। রাতেও আরেক অভিজ্ঞতা।


    (ক্রমশঃ)
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • ধারাবাহিক | ০৯ মার্চ ২০২৪ | ২৪৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন