এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  পড়াবই  বই পছন্দসই

  • কাদামাটির হাফলাইফ - পাঠ প্রতিক্রিয়া

    সুপান্থ বসু
    পড়াবই | বই পছন্দসই | ১৪ জানুয়ারি ২০২৪ | ৩৭৫ বার পঠিত

  • গাছের যে অংশ থাকে মাটির ওপরে তাই আমরা দেখি। অর্থাৎ কাণ্ড , শাখা, ডালপালা আর পাতা - ফুল - ফল। আর যা থাকে মাটির নীচে, সেটা অদৃশ্যগোচরই রয়ে যায়। যেমন, শিকড়। শিকড় সন্ধান করতে লাগে.... খুঁজলে পাওয়া যায়। আর না খুঁজলে, বিস্মৃতির অতলে। আমাদের আদত যাপন চিত্রের এক অনুপুঙ্খ ধারা - বিবরণ হিসেবে নয়, ধারণ করে রাখে যে সব পাতা, সে সব পাতাগুলো এক জায়গায় জড়ো করলে হয় ইতিহাস। ইমানুল হকের লেখা 'কাদামাটির হাফলাইফ' সে অর্থে ইতিহাস।

    মানুষ যেটা জানে, সেটাই সে মানে না। মানা অর্থে মেনে চলা। আমরা জানি, সমবায়িক জীবনের উত্তরাধিকারই আমাদের যথার্থ উত্তরাধিকার কিন্তু জেনেও সে যে সবসময় আমরা মানি, তা কিন্তু নয়।

    কিছু বই থাকে যা অনেকটা আকরগ্রন্থের মত। যা নিয়ে ঠিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ চলে না। 'কাদামাটির হাফলাইফ' এই নামকরণটিই তার সপক্ষে।

    লেখক নিজেই যখন মুখবন্ধে বলে উঠলেন, 'চিন্তন। মন, মনন। মনোদর্শন, জীবনবোধ, জীবনচর্চা ও যাপনের সমন্বয় লেখা'। তখনই এই বইয়ের গোত্র নির্ধারিত হয়ে যায়।

    পর্ব বিভাজনে মোট ১ থেকে ১১৬, যার মধ্যে অনেকটাই উপন্যাসের ধর্মে পর্বগুলো সাজানো। আর লেখক হিসেবে ইমানুল হক বই মুদ্রণ জনিত যে কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন, ভাবতে অবাক লাগে - সেটাও ফর্মুলা ব্যতিরেকে। একে ঠিক কৈফিয়ত বলা চলে না। একটা অনুজ্ঞা। এই বাচনেও তাঁর শিক্ষকমনস্কতা প্রবল কিন্তু তা অনেকটাই পাঠকের সঙ্গে একই সমতলে দাঁড়িয়ে।

    কী নেই এই বই তে? শুনতে অতিশয়োক্তি লাগবে কিন্তু সত্যি, যে, কি আমাদের সম্পদ ছিল যা আমরা হারিয়েছি আর তার পুনঃনির্মাণ সম্ভব কি না... নিখিল বিশ্বের নিরিখে বাঙালি কোথায় নিজেই তার নিজস্বতা হারাচ্ছে প্রতি মুহূর্তে তার নিজেরই বিস্মৃতি থেকে আর মননে - সংস্কৃতিতে ও রাজনৈতিক চেতনায় কোথায় এই জাতি "জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন " নিতে পারে - এর উজ্জ্বল আলোকপাত এই বইয়ের বৈশিষ্ট্য। পুঁজিবাদী সংস্কৃতি কে চিনতে না পেরে, তার আগ্রাসন মেনে নিলাম, তরপর সেটাকেই আমাদের নিজের বলে জানলাম - শ্লীলতা অশ্লীলতার মান গুলিয়ে ফেললাম, স্বনির্ভর গ্রামীণ অর্থনীতির বিলোপ সাধন, নিজের খাদ্যাভ্যাস চিনতে না পারা, প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে স্নাতকোত্তর পর্যায়ের সিলেবাসযুক্ত শিক্ষা ব্যবস্থার অনুপুঙ্খ বিশ্লেষণ, এবং মানুষের জীবন শেষ পর্যন্ত যে সমবায়িক এমন কি রাজনৈতিক দিশা সঠিক না হলে একটা জাতির মেরুদন্ডও যে ক্রমান্বয়ে অবনমিত হয়ে পড়ে - তার জীবন্ত দলিল এই 'কাদামাটির হাফলাইফ '।

    এবার কথনের ভঙ্গির কথায় আসি। বড় অন্তর ছোঁয়া - ঠিক বাঙালির মন্ময় রূপটি যেন, নিবিড় - এতটাই স্নিগ্ধ এই বলার ভঙ্গিটি, যেন শৈশব জড়ানো মায়ের কোল, বন্ধুর কাঁধে হাত রাখার বিশ্বাস। সেই অর্থে - গদ্য হলেও, এর বুনন কাব্যধর্মী আর সেই দোষ (পড়ুন গুণ) লেখকের নিজস্ব। ইমানুল হক স্বভাবধর্মেই কবি।

    তাই তাঁর গদ্যও চিরটাকাল কাব্যময়। বইয়ের যে কোনো পাতা থেকে, যে কোনো পংক্তি তুলেই তার উদাহরণ দেয়া যাবে, তাই এই উদ্ধৃতি প্রমাণ নিষ্প্রয়োজন।

    সাহিত্যের মজা হলো এই, যে, লেখন কোনোদিন, কোনোকালেই নিরপেক্ষ থাকতে পারেন না । কারণ: স-হিত সাধন হলেই সাহিত্য। লেখক যা জানাতে চান, সেটা সার্বিক হিতসাধনের লক্ষ্যে। তাই তাঁর বাচন অনুজ্ঞাসূচক হতে বাধ্য। কাব্যময়তার প্রসঙ্গ তোলার জন্য একটা ছবির উল্লেখ করতে মন চাইছে :
    "বুকের মধ্যে লুকিয়ে রাখি কল্পনার শিল্পী কে। যেমন লুকিয়ে রাখি , গরুর গাড়ি করে আলু বইতে যায় কালো টগর ভাইরা", বা "দেখো দিকিনি কী লিখতে গিয়ে কী সব লিখে ফেললাম, সেই জন্যই বোধহয় বলে আশি তে আসিও না", বা "আলু পোড়া ও আলুর ভবিষ্যত পোড়া", বা "দলে মিশলে মেঘ কথা বলে না", বা "বাথরুমে গিয়ে দেখি কলের চেয়ে আমার চোখে বেশি জল ঝরে" - এমন অজস্র উপমেয়র মনিমুক্তো সাজানো আছে এই বইতে।

    আর আছে হাস্যরস, স্যাটায়ার নয় - হিউমার। একজন পূর্ণ কথাশিল্পী যে যে বৈশিষ্ট্যের জন্য সম্পূর্ণ হয়ে ওঠেন, তার অন্যতম বৈশিষ্ট্য এই হাস্যরস। "এক মাস্টার মশাইয়ের অভিভাবক মহলে খুব নাম। খুব পেটাতেন। ইংরেজির মাস্টার। কিচ্ছু শিখিনি 'টি'-'টা'-'খানা'-'খানি' ছাড়া। আর শাস্তি ছিলো - মেয়েদের দিয়ে মুখে বাঁ হাত বোলানো। আমি এই শেষ শাস্তি একবার পেয়েছিলাম । তাতেই আমার পড়াশোনায় মন এলো।
    - মহাত্মা গান্ধীর মায়ের নাম কী?
    পুতলি বাই না কস্তুরী বাই ভাবতে না ভাবতেই পুতলী বাই পছন্দ হল। অমনি উচালনের মাস্টারমশাই সুনীল ববু ক্লাসে দ্বিতীয় হওয়া কুলসুমাকে আদেশ দিলেন, "দে তো কুলু ওর মুখে বাঁ হাত বুলিয়ে "। আর তারপরের মজাটা আরো বেশি। লেখক তার সহপাঠিনী কে বলে উঠলেন "স্যার চলে গেলে দেখবি তোর কী হয়" - এ সব চিত্র আমাদের বড়ো চেনা স্মৃতি ও সত্তায়, তবু যে হাসিটুকু মুখে অনিবার্য ফুটে ওঠে, সেটা হিউমার।

    পর্ব ৯৪তে বহু হারিয়ে যাওয়া শব্দের একটা তালিকা ও তার অর্থ সাজানো হয়েছে। এই অর্থসমূহ কেবলমাত্র আক্ষরিক নয়, ব্যঞ্জনাধর্মীও বটে। বাঙালি যদি একটা জাতির নাম হয়, তো এই হারিয়ে ফেলা শব্দার্থগুলোর তালিকা বাঙালির কাছে আর্কাইভ। ইমানুল হক এগুলো কাল্টিভেট করে রাখলেন। বইটি পড়ার সময় এই বিষয়টি যেন না ভুলি আমরা।

    পৃথিবীর ইতিহাসে যে সকল মহৎ লেখা উত্তীর্ণ হয়ে গেছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সেই সব লেখকদের রাজনৈতিক চেতনা ও মনন - তাদের সৃষ্টির উদ্ভাস হিসেবে রয়ে গেছে। এই 'কাদামাটির হাফলাইফ'ও তার ব্যাতিক্রম নয় কিন্তু। পর্ব ২২-এ এসেছে ছাত্র রাজনীতির প্রসঙ্গ আর সে প্রসঙ্গ ধরেই এসেছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, খড়্গপুর আইআইটি ক্যাম্পাস, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়, সেন্ট জেভিয়ার্স কলেজ জুড়ে ১৯৭৭ সাল থেকে প্রায় ১৯৮৪ র যাবতীয় সালতামামি। শুধু ছাত্র রাজনীতি নয়, রাজনীতির যে আদর্শ বুকে পুষে নতুনতর ইস্তেহার রচনার নির্মাণ আয়ত্ত করা, ছাত্র রাজনীতির যা অনিবার্য।

    গুণ - গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব থাকে না, যা কি না অন্য অঙ্গনে ভাবাই যায় না, তার অনুভূতি এবং সেই প্রসঙ্গে বহু স্কলারদের সন্নিবেশ, যা তারকাখচিত বললেও বেশি বলা হয় না - তাদের স্বপ্নসন্ধানের অনুষঙ্গ - সে সবই লেখক বড়ো মমতা দিয়ে প্রত্যয়িত করেছেন। বাম রাজনীতির নীতিগত প্রশ্নে, কোথায় আদর্শ আর তার বিপরীতে সংশয়আকুল অমীমাংসিত প্রশ্নে নিজেদের অবশ্যম্ভাবী ক্ষয়, সেই অমোঘ যন্ত্রণার কিছু মৃদু আভাস, লেখকের কলম জানিয়েছে আমাদের। স্মৃতিকথা নয়, এক বড় স্বপ্নের অপচয়ের ইতিবৃত্ত - পাঠক ভাববেন, অবশ্যই ভাববেন। যেহেতু লেখক নিজেই সেই পর্বে হেঁটেছেন, তাই চিরকালীন এক শাশ্বত প্রশ্ন, প্রশ্ন আকারেই রেখে শেষ করেছেন এই পর্ব ২২ - "বিপ্লব হবে, অভীক দা? এই বাংলায়?" সমাজবাদের সপক্ষে বিপ্লবটাই তো কাঙ্ক্ষিত ছিলো... ভোট সর্বস্ব রাজনীতি নয় যে!

    এবার বইয়ের প্রচ্ছদ ভাবনা, মুদ্রণের গুণগতমান - যা সবটাই যথাযথ, তা নিয়ে অধিকন্তু বলার নেই। উৎসর্গপত্র জুড়ে যে সব ব্যক্তিত্ববর্গের পরিচয় পাই, তাতে কোথাও বুঝতে অসুবিধা হয় না, যে সলতে পাকানোর উৎসার কি ভাবে নিহিত ছিলো এই আকর গ্রন্থের। যেখানে শুরুতেই লেখক নিজে কৈফিয়ৎ দিয়ে দিলেন "এই বই না লিখে মরে যাওয়া অন্যায় অপরাধ হতো"। তখন পাঠকের দায়িত্ব থাকে সেই বই নিজের করে নেওয়ার। সংগ্রহ করে নেওয়ার।।




    কাদামাটির হাফলাইফ
    ইমানুল হক
    গুরুচণ্ডা৯ প্রকাশনা
    ৩৯০ টাকা

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • পড়াবই | ১৪ জানুয়ারি ২০২৪ | ৩৭৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তৌহিদ হোসেন | 42.110.148.218 | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২৩:৩৬528689
  • অনবদ্য আলোচনা। আমার পড়া সেরা বইগুলোর একটা ❤
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন