• বুলবুলভাজা  কাব্য  শুক্রবার

  • ছেচল্লিশ শতাংশ

    ফরিদা
    কাব্য | ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ | ১৪০৮ বার পঠিত
  • অনন্তের সিলেবাস তলে

    মৌমাছি পালনের মতো অত্যন্ত গাণিতিক বিষয় দেখেছি
    আচমকা হুড়মুড় করে সামনে এসে পথরোধ করে পড়া ধরে
    গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়ে কবেকার ভুলে হাওয়ায় ছেড়ে দেওয়া
    ইন্টিগ্রেশনের একটি ধ্রুবক। গাড়ির কাচ ডিফারেনশিয়েট হয়ে
    আলো ভাঙে। জখম, সে কেটেকুটে রক্তাক্ত বর্ণালি দেখিয়েছে।
    হিউয়েন সাঙের মতো মাথায় ছাতা আটকে বৃষ্টিতে ঘুরলেই
    মৌসুমি বায়ু ছুটে আসে, দর বাড়ে বাজারে। ক্রয়ক্ষমতাও।
    আমার বয়স পিতার বয়সে গিয়ে পুত্রকে বলে — এবার শেখাও।

    এক একটি উক্তি ধরে ধরে বক্তার মনোভাব, চরিত্র বিশ্লেষণ
    মায় কারক বিভক্তি ব্যুৎপত্তি সমেত জমা খাতা ভোগে গেলে
    সারারাত কাবার করে আবার টুকেছি। কখনও ছাত থেকে
    নারকেল গাছ বেয়ে আসা জ্যোৎস্নার কৌণিক সরণ মেপে
    উঠি আর নামি বলে ওজন কমে বটে, তবু ভর একই থাকে।
    অনন্তের সিলেবাস তলে সর্বস্বান্ত। এ প্রবাসে ভালোবেসে তাকে।

    ~~~~


    ছবির চোখে চোখ রেখেছি

    ছবির চোখে চোখ রেখেছি এই পৃথিবী ছবির মতো
    সেই মুহূর্ত যেই ছুঁয়েছি প্রস্তরীভূত সম্ভবত —
    ওই ছবিও হাঁটছে পিছু ওই কথাটির রাস্তা যেমন
    নির্জনতায় উঁচু নিচু গাছের শাখায় দোল খেয়ে রোদ
    সামনে দাঁড়ায় বলতে কিছু।

    হাসলে তখন সে রোদ্দুরে হলদে আবীর মারল ছুড়ে
    সেই হাসিটাই আটকে থাকে তাতেই যেন বিপর্যস্ত।
    কাজ নেই আর আমার যেন ফিরে আসলেও ঠায় তাকিয়ে
    ওই পৃথিবী অপেক্ষমান কাল সীমানার কূল হারিয়ে —
    সমুদ্রজল উঠছে ফুঁসে সামান্য এক ফোঁকড় পেলেই
    নৌকা ডুবোয় এক নিমেষে।

    ছবির চোখে চোখ রেখেছি জলের কাছে খেলতে এসে
    মোচার খোলা নৌকা আমার এক ডুবে যায় সৃষ্টি ভেসে।

    ~~~~


    ধরা পড়ে গেলে

    জেলের গরাদ জানে আকুতি স্পর্শগুলি
    কতটা শুষ্ক লাগে মানুষের বিচ্ছিন্ন হয়ে
    প্রিয়জন থেকে। দেওয়ালেরা লিখে রাখে
    নখের আঁচড় লিপি, মাথা ঠোকা কথাদের।
    কুটকুটে কম্বল বিছানা জানে কীভাবে
    আঁকড়ে ধরে মানুষ, একমাত্র সম্পত্তিটুকু
    ঘুলঘুলি আলো দিতে এসে ভেঙে গেলে
    কয়েদির অবশেষ সামান্য দৃশ্যমান হয়।

    ধরা পড়ে গেলে মানুষের কিছুই থাকে না
    খবর ছড়ায় সকালের রোদ্দুরের মতো
    কড়া নাড়ে প্রতি ঘরে ঘরে। মতামত দেয়
    লোকে, অযাচিত আলোচনা চলে কিছুদিন
    বাকি জানে গরাদ-ঘুলঘুলিময় জেলখানা।
    মৃত্যুরও সামান্য পোশাক একপ্রস্থ বিছানা।

    ~~~~


    অন্তরীক্ষ উচ্চারিত হ’লে

    অন্তরীক্ষ উচ্চারিত হ’লে ডানা গজায় পিঁপড়ের
    তা নিয়ে সে কী করবে ভাবতে না ভাবতেই
    হাওয়া তাকে ঠেলে তোলে, দেখে,
    কত দ্রুত পার করা যায় অগম্য কঠিন পথ অনায়াসে।

    পথ উচ্চারিত হ’লে দেওয়ালের পলেস্তরা খসে
    হাড় বের করা ইটগুলি আস্তে আস্তে ক্ষয়ে ক্ষয়ে
    পা বানিয়ে নেয়। পুরনো ক্যালেন্ডারের মুখোশ পরে
    সেও পথচারী সাজে।

    মাঝে মাঝে সাঁকো নাড়া দেয়, ঝড় ওঠে ভিতরে ভিতরে
    গাছ পড়ে রাস্তা বন্ধ — এত বৃষ্টি অর্ধ জাগরণে —
    যেন কখনও থামবে না। দিকদিগন্ত অনির্ণেয়।
    একা হিসহিসে মৃত্যুচিন্তা আসে, তুমি উচ্চারণে।

    ~~~~


    রান্নাঘরে

    সামলান যায় না সবকিছু, কৌটোর মধ্যে ঢালতে গেলে
    পোস্তদানা, সর্ষেদানা, চিনি ডাল লবণের কণা থেকে
    কয়েকটি হারিয়েই যায় বারংবার। দু’একটা পুরনো কৌটো
    এইসব অবাধ্যদের বড় মুখ করে। অনেকে বিবাগী মতো
    দরকারে খুঁজে পাওয়া দায় – কসুরি মেথি ছাড়াই অগত্যা
    চিকেন ভর্তা নামে। কয়েকটি আদেখলে আবার অযাচিত ভাবে
    সামনে হাজিরা দেয় বারংবার – জিরের কৌটোটি,
    ধনে গুঁড়োর সঙ্গে পায়েস রান্নার সময় মুখটি বাড়িয়ে দেয়।

    বাসনেরা বরং বয়স্ক বলে স্বভাব-গম্ভীর, এদের কাণ্ড দেখে
    মুখ টিপে সামান্য হাসে। আনাড়ি রাঁধুনিকে শেখাতে গিয়ে
    তার হাত থেকে খুন্তি সাঁড়াশি পিছলিয়ে দিয়েছে প্রায়শই।
    দোষ তার একতরফা নয়, রাঁধুনিটি কড়াইতে তরকারি চাপিয়ে
    ফোনে মত্ত হয়ে তাকে পুড়িয়েছে। তদুপরি বাসন মাজার ঘা
    রান্নাঘরে যা যা ঘটে, তা অন্যত্রও খুব একটা অপরিচিত না।

    ~~~~


    তিনশো একতিরিশ দিন

    বছরে দশটি দিন উৎসব আসে
    দোল দুর্গোৎসব বর্ষপূর্তি অবকাশে।
    দিন আষ্টেক থাকে ব্যক্তিগত তারিখ পালন
    নেমন্তন্ন চিঠি বিয়েবাড়ি, নিছক উদযাপন।
    বেড়াতেও যাওয়া হয় সমুদ্র পাহাড় বা জঙ্গলে
    অন্য শহরে গোটা দশ দিন, নিজেরা অথবা সদলবলে।
    এর মধ্যে গড়ে দিন পাঁচ ছয়
    আকস্মিক ঘটনায় উত্তাল নিজস্ব গোষ্পদ সময় –
    তার ধারাবিবরণী গুলি দেওয়ালে দেওয়ালে।

    বাকি তিনশো একতিরিশ দিন নাকি বাঁচি —
    (জনৈকা বলেন) বারান্দায় বসে বসে সিগারেট খাব ব’লে।

    ~~~~


    সুলক্ষণ

    আত্নীয়-স্বজন ও আগুনের রঙ থেকে জানা যায়
    কতক্ষণ পরে ভদ্রলোকের মুখ দেখানর উপায় থাকবে না।
    কিছুক্ষণের মধ্যেই এত আলো ফুটে যাবে – তখন অদৃশ্য সে
    যেমন শুক্লা ত্রয়োদশীর চাঁদ দিগন্তের আগেই আকাশে হারায়।

    কলম ঢাকনার ডানদিকের কোণে তিল নাকি সৌভাগ্যসূচক?
    তাই চিঠির উত্তরে বিশুষ্ক হাওয়া হিমালয়ভ্রমণ ঘটিয়েছিল।
    মধ্যরাতে বুকচাপা ট্রাকের শব্দে সকলে উদগ্রীব যখন
    পশ্চিম সীমান্তে হেলে যাওয়া কালপুরুষ
    পাহারা অন্তে বাড়ি ফেরার লিফট চেয়েছিল –
    তখনি, ঘরের বেসামাল শব্দশিশু ঘুমের মধ্যে
    দুঃস্বপ্ন দেখে ডুকরে কেঁদে উঠলে ঘুম ভেঙেছিল যার –

    তার দ্বারা মহৎ কিচ্ছু হয় নি – এ জন্ম কাটল চমৎকার।

    ~~~~


    সুখ সংক্রান্ত – দু’টি


    জানি, সুখে আছো,
    সুখে সেই থাকে, যে অপেক্ষায় —
    থেকে থেকে দিন গুজরান করে
    যা খুশি লেখে, তুলে আনে ধুলো মাটি থেকে
    গোল গোল কারুকার্যময় নুড়ি।

    সর্বাঙ্গে বৃষ্টি মাখে, পুরনো নোনা ধরা দেওয়ালেও
    সে আঁচল সরিয়ে শুস্ক স্তন খুলেবাঁচিয়েছে বটচারা,
    তার সবুজ পাতাদুটি
    ইস্কুল বাস এলে সকালের দিকে তিরতির করে কাঁপে
    সে পাশ ফিরে ঘুমোয়,
    সুস্বপ্নে উড়তে থাকে ঘুড়ি।


    সুখ বলো, সুখ,
    পাড়ে বাঁধা যে নৌকা দুলছে আজকে সামান্য হাওয়ায়
    কবে তার তলা ফেঁসে যাবে ঠিক নেই,
    তারও আগে চর জেগে আটকেও যেতে পারে সে।

    ক্ষয় বলো, ক্ষয়
    উচাটনে বেলা বয়ে যায়।
    আচমকা খোলে জল দেখে ভয়
    সামান্য ঝড় জলে, উড়ে আসে খবরের কাগজে
    তোমার শহরের কথা এলে — ভয়
    উন্মুখ স্নায়ু নিয়ে টানটান ভাঙা নৌকাটি দুলছে
    দূর থেকে নক্ষত্র দেখা চোখে, তাকে সুখ মনে হয়।

    ~~~~


    চোর

    যেখানে রাস্তার ল্যাম্পপোষ্টের আলো পড়ে
    তার পাঁচিল ঘেঁসে, একতাল ছায়া আটকে রয়েছে,
    জেগে আছি জেনে স্থির আছে অনেকক্ষণ
    অন্যমনস্ক হ'লে সাবধানে নামবে মাটিতে
    তারপর মাঝের অংশটায় পা টিপে টিপে
    সোজায় গরাদবিহীন জানলা দিয়ে পৌঁছবে ঘরে।

    চেনা চোর, জানে কোনখানে রাখা
    মহামুল্যবান হীরে জহরত, টাকাকড়ি, সোনা
    নীলকান্ত পদ্মরাগমণি, কস্তুরী টুকু,
    বড় বড় নৌকাগুলি, পৃথিবীর এক কণা
    শব্দসমুদ্রের জোয়ার ভাটা, সুরে সুরে গড়ে ওঠা ঢেউ
    সব নিয়ে চলে যাবে। কাচ বিছানায় অন্য কারোর শরীর
    পড়ে পড়ে ঘুমোবে। সে আমি নই। হয়ত অন্য কেউ।

    ~~~~


    ২১শে ফেব্রুয়ারি

    কেমন শব্দহীন বেঁচে আছি
    অজস্র আলোর মধ্যে অন্ধকারটুকু হয়ে
    যাতে চক্ষুষ্মান মানুষ এড়িয়ে যেতে পারে।

    যত আলো পড়ে গায়ে শুষে খাই
    ক্ষণজন্মা আলো তরঙ্গ ফুলের কিশোরী বাস
    কাছাকাছি এসে দ্রুত ছুটে পালিয়ে যায়
    আদিঅন্ত জ্যোৎস্নার ভিতর খেলাঘরে।

    হে ভাষা, মাতৃসমা, জন্ম দিয়ে ভুলে গেছ বলে
    আপত্তি দেখিনা। শুধু মাঝে বৃষ্টিজল গায়ে পড়ে —
    জেগে উঠি তাতে, কখনও ঘুমাই,
    প্রকৃত শব্দহীন ভাষার সন্তান চিরন্তন প্রবাসে।

    ~~~~


    ছেচল্লিশ শতাংশ

    একশো শতাংশ খাঁটি মিথ্যে কখনও দেখিনি।

    পঁচিশ শতাংশের বেশি হ'লেই
    গোলাপী হাতিরা আকাশে বাস্কেটবল খেলে চাঁদ নিয়ে।
    হাত ফস্কে কাচের চাঁদ মাটিতে পড়ে চুরমার।
    চার পাঁচ’শ লোক চন্দ্রাহত – কাগজে খবর বেরোয়।

    এক দুই শতাংশেই দিন হয় রাত।
    মহামহিম সুপারস্টার বারে বসে জল খেয়ে যান।
    তাঁর গাড়ির নিচে ছুটে এসে শুয়ে পড়ে
    মৌতাতের বারোটা বাজায় ফুটপাথবাসী।

    এতদিনের চেষ্টায় ছেচল্লিশ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছলাম।
    দেখি কবিতায় লেখা — তোমায় আমিও ভালবাসি।

    ~~~~


    মাথায় যদি কিছু থাকে

    যে ছুরিটা দিয়ে মাথা কেটেছিলাম, তা দিয়েই আস্তে আস্তে
    চুল ভুরু চোখের পাতা, তারপর চামড়া মাংস সব ছাড়াতে
    বেশ খানিকটা সময় লাগল। আস্ত খুলির মধ্যে থেকে
    ল্যাৎপেতে মগজটা একটু ঠুকতেই বাইরে এসে
    একতাল জেলির মতো থেবড়ে বসল অভিমানে।

    যাক ওর দিকে মন দিয়ে লাভ নেই। এই এতদিনে স্বপ্নপূরণ
    নিজের হাতে নিজের খুলি তুলে নিয়ে আষ্টেপৃষ্ঠে দেখব

    কিন্তু কী আশ্চর্য, চোখদুটো যে কোথায় রাখলাম
    হাতে উঠে আসছে, ছুরি, চুল, আর ল্যাৎপেতে মগজ
    হাতের সামনে রাখা উচিৎ ছিল, মাথায় যদি কিছু থাকে!

  • বিভাগ : কাব্য | ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ | ১৪০৮ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তিতি রায় | 203.163.243.249 | ০৯ ডিসেম্বর ২০২০ ২১:৩২101031
  • বেশ অন্যরকম লাগল। নামটিও চমৎকার। 

  • ফরিদা | ১০ ডিসেম্বর ২০২০ ০৭:১০101036
  • থ্যাঙ্ক্যু বাবুইদি। এই সংকলনের নাম আমি দিই নি, সে কৃতিত্ব "গুরু" জনের ঃ)

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে মতামত দিন