ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • দূরে কোথায় ২৬  

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৪ জুন ২০২২ | ৫১৬ বার পঠিত | রেটিং ৩.৭ (৩ জন)
  • ইয়েসটারডে

    বাইরে বৃষ্টি। গলওয়ের পাবে বসে আছি। বন্ধুদের সঙ্গে যাবো নিকোলাস অফ মাইরা গিরজে দেখতে।  নতুন পৃথিবীর সন্ধানে জাহাজে ওঠার আগে ক্রিস্তফো কলম্বো চেনা পৃথিবীতে শেষ বারের মতো প্রভুর কাছে শুভ যাত্রার প্রার্থনা করেছিলেন আয়ারল্যান্ডে গলওয়ের এই গিরজেয়। বৃষ্টি পড়ে এখানে বারোমাস আর পাবে গিনেস এবং মারফি বিয়ারের বিক্রি বাড়ে। এই বাদল মাথায় নিয়ে কি করে সেখানে যাব তা নিয়ে  আমাদের আলোচনা চলছে বারের লাগোয়া টেবিলে।  বার কিপার আমাদের পানে তাকিয়ে বললেন 'দুটো ছাতা দিচ্ছি, নিয়ে ঘুরে আসুন'।  আমি বললাম  'আমাদের চেনেন না জানেন না, ছাতা ফেরত না দিয়ে যদি অদৃশ্য হই' ?

    মুখ ভর্তি দাড়ির ফাঁকে হাসলেন, "ফেরত যদি না দেন, আমি দুটো ছাতা হারাবো।  আপনি হারাবেন এক বন্ধুকে।  পশ্চিম আয়ারল্যান্ডে আমরা বলি, পৃথিবীতে অচেনা অজানা কোন মানুষ নেই, আছে সেই সব বন্ধু যাঁদের সঙ্গে আপনার দেখা হয় নি এখনো (দেয়ার আর নো স্ট্রেঞ্জারস ইন দিস ওয়ার্ল্ড : দেয়ার আর ওনলি ফ্রেন্ডস ইউ আর ইয়েট টু মিট)"।  

    এই জীবনে কতবার কত অযাচিত ভাবে মানুষের কাছে সাহায্য পেয়েছি।  না পেলে কি আর আমার মতন অকর্মণ্য মানুষ  এই দুনিয়াতে টিকে থাকতে পারতো?  আমার  নির্বুদ্ধিতার নিরন্তর প্রকাশ দেখে বিরক্ত হয়ে আমার মেয়ে মায়া বলে  “বাবা তুমি কি করে  এই অবধি  এসে পৌঁছুলে ?”

    আমি বলি, “ঈশ্বরের কৃপায় আর মানুষের দয়ায় “।

    পুরনো বাড়ির শেষ পোঁটলাটি নিয়ে গোলডারস গ্রিনের ইহুদি পাড়া ত্যাগ করে সারেতে রাসটনে লজের আবাসে এসে পৌঁছেছি  তেরো বছর আগে জুলাই মাসের এক শুক্রবার বিকেলে। পাড়া পড়শি বলতে তিন ঘর। চল্লিশ বছর আগে তিন বন্ধু সারের এই সংরক্ষিত বনস্থলীতে অনেকটা জায়গা নিয়ে একই মাপের বাড়ি বানান - উচ্চতা ও বিস্তারের  অনুমোদনের শর্ত ছিল অনেক।  সকলেই হাতে কিছু না কিছু নিয়ে এসে  স্বাগত জানিয়েছেন। আমার কাজকর্ম বদলায় নি। রোজ সকাল সাড়ে ছটায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে সন্ধ্যে  সাড়ে আটটায় ফিরেছি। নিয়মিত এশিয়া আফ্রিকা ইউরোপ যাত্রা। রোদিকা গৃহকোণ,  মায়া এবং কুকুর সামলেছে। ইতিমধ্যে আমাদের  আরেকটা পরিচয় অবশ্য চাউর হয়েছে – মায়ার বাবা মা ! তার স্কুল এবং বন্ধুদের বাড়ি আনাগোনার সূত্রে চেনা শোনার  পরিধি বাড়ে। ঘোড়া চড়তে শিখে  পোলোর মতন উদ্ভট খেলায় অংশ নিতে শুরু করেছে মায়া – সেখানে সমাজের অন্য উচ্চতার মানুষ দেখা যায়,  যারা মূল্যবান গাড়ি চড়েন, মৃদু হাস্য করেন, থেকে থেকেই বলেন হাউ লাভলি। আলাপ হল  স্থানীয় পত্রিকার সম্পাদক,   পোস্ট অফিসের কর্তার সঙ্গে  যিনি আবার একজন পৌর পিতা। আমার রাজনৈতিক চিন্তাধারার সহমর্মীদের সঙ্গে ওঠা বসা,  একত্রে কাজ করা শুরু হয়েছে।  ইনউডস বাড়ির চার্লি আর আমি পাশাপাশি বসে পার্টির লিফলেট খামে পুরি,  নির্বাচনের দিন ভোট গণনার  কেন্দ্রে হলুদ রঙের পার্টি ব্যাজ লাগিয়ে সম্পূর্ণ অকারণে ঘোরাঘুরি করি। একদিন মায়াও  সে দলে নাম লিখিয়েছে। মে মাসের  পৌর নির্বাচনে লিবারাল ডেমোক্র্যাট দল তাকে টিকিট দেয় অবশ্যই আমার অনুমতির অপেক্ষা না রেখে।  মায়াকে বললাম জানি তোমার জেতার কোন আশঙ্কা নেই। তবে তুমি যদি তিনটের বেশি ভোট পাও একটা তদন্ত কমিশন বসাবো।

    মায়া বললে ফেসবুক ইনসটাগ্রামে সবাইকে জানিয়েছি। স্কুলের বন্ধুরা আমাকে ভোট দেবে।  

    উনিশ বছরের মায়া একটিও নির্বাচনী মিটিং বা লিফলেট বিলি না করে একান্তভাবে সামজিক মাধ্যমের এবং বন্ধুদের সহায়তায় প্রায় তিরিশ শতাংশ ভোট পেয়ে এবং তিনজনের মধ্যে তৃতীয় স্থান অধিকার করে আমাদের না হোক পার্টির মুখ উজ্জ্বল করেছে।

    ইউক্রেনের দান গ্রহণ এবং বণ্টন আমাদের বাস ভবনে অনুষ্ঠিত হয় এই বার্তা ক্রমে ক্রমে রটি গেছে  গ্রামে। দানবীরেরা  নিয়মিত পদধূলি দেন। প্রথম পর্বে আপাত প্রয়োজনীয় সামগ্রী সহ ভ্যান সাজানো হয়েছিলো।  লভিভ (লেমবেরগ) অবধি সে সহায়তা পৌঁছুনো  গেছে। এর পরের লক্ষ ইংল্যান্ডে আগত ইউক্রেনীয় মানুষকে সাহায্য পৌঁছে দেওয়া  যারা একবস্ত্রে দেশত্যাগ করেছেন। ব্রিটিশ সরকারের প্রতিশ্রুত শরণার্থী ভিসা ইস্যুতে বিলম্ব হয়। তবে এখন তার গতি বৃদ্ধি পেয়েছে - বারো লক্ষ মানুষের কাউনটি সারেতে আড়াই হাজার ভিসা মঞ্জুর হবে বলে জানা গেছে।  



    আয়তনে সারের এলাকা কলকাতা মেট্রোপলিটান এলাকার সমান। প্রাইমারি  সেকেন্ডারি  মিলিয়ে স্কুলের সংখ্যা দুশোর  বেশি। তবে সদ্যাগত ছাত্র ছাত্রীরা পাড়ার  স্কুলে জায়গা পাবে এমন কোন গ্যারান্টি নেই।  মায়ার সাত বছর বয়েসে আমরা যখন আসি নিকটতম স্কুলে জায়গা পাওয়া যায় নি। পাড়ার ডাক্তারের কাছে নাম নথিবদ্ধ করা আবশ্যিক কর্তব্য – সে রকম  ডাক্তার বা সার্জারির (কাটাছেঁড়া করার সার্জারি নয়, ডাক্তারখানা - কেন যে এই শব্দের ব্যবহার হয় আজ অবধি বুঝে উঠতে পারি নি) সংখ্যা প্রায় সাত হাজার। জাতীয় স্বাস্থ্য ব্যবস্থা অনুযায়ী সকল নাগরিকের জন্য মুফতে  ডাক্তার বরাদ্দ – তবে তাঁদের সাক্ষাৎ পেতে অনেক সময় লাইন লাগাতে হয়। এই ফাঁকে প্রাইভেট ইনসিউরেন্স বাজারে নেমে পড়েছে।  

    শরণার্থীদের সঙ্গে নিয়ে আমাদের বাড়িতে আসেন  আশ্রয়দাতা। অভ্যাগত মানুষ ছুটি কাটাতে আসেন নি। প্রাণের দায়ে দেশ ছেড়েছেন। এদের প্রয়োজন সব কিছুর : ছেলে মেয়ের স্কুল, টুথ পেস্ট থেকে তুলোর পুতুল। অথচ একদিন, এই সে দিন তাদের সাধারণ জীবন ছিল-  ছেলে মেয়েরা খেলেছে মাঠে, মায়েরা বিকেল বেলা স্কুলের মাঠে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করেছেন, সন্ধ্যেয় একত্র দু মুঠো মুখে দিয়েছেন। আজ অন্য মানুষের দানের ভিক্ষা নিয়ে আরেক জীবনের  সূচনা।

    দানের স্রোত থামে না। একবার গাড়ি বোঝাই জিনিস নামিয়ে দিয়ে আবার এসেছেন - আর কি দিতে পারি ? ইনটারনেটের দৌলতে সম্ভব হয়েছে অচেনা অজানা মানুষের বন্ধন, দাতা ও গ্রহীতার মেলবন্ধন।

    দাতা অনেক কিন্তু কেউ কাউকে চেনেন না। সবাইকে ডেকে ধন্যবাদ দেওয়া হোক এই সাব্যস্ত করা হল।   এই সুযোগে তাঁদের আপোষে পরিচয় হবে। তালিকা বিশাল। সবার হয়তো সময় হবে না।  তবু এক চমৎকার উজ্জ্বল শনিবারে জন চল্লিশ মানুষ এসে বাগান আলো করে গেলেন। তাঁদের সবার পরিচয় এই সামান্য প্রতিবেদনে দেওয়া সম্ভব নয়। এঁদের অনেকের সঙ্গে আমাদের এই পরিচয় ইতিমধ্যেই বন্ধুত্বে পরিণত হয়েছে।



    ইউক্রেনের যুদ্ধ একদিন শেষ হবে। তখনও আমরা এমনি  বাগানে বা গৃহকোণে  পাশাপাশি বসে গল্প করব।  যেমন আইরিশরা বলে এই দুনিয়াতে অচেনা অজানা কেউ নয়, সবাই তোমার বন্ধু, এতদিন দেখা হয় নি শুধু।   

    সত্তর বছরের ভ্যালেরি রসন  স্বামী এবং কন্যাকে কঠিন কর্কট রোগে হারিয়েছেন কয়েক বছর আগে। অজস্র জামা কাপড় সুন্দর ভাবে কেচে ইস্ত্রি করে প্যাকেটে মুড়ে আনেন  । ফ্রিমলি গ্রামের হরবির এবং পরমজিত সবে ক্যালিফোর্নিয়া থেকে বাবা মায়ের সঙ্গ দেবার মানসে ইংল্যান্ড ফিরেছেন। ছেলেরা ঘরছাড়া।  তাঁরা স্থান দিয়েছেন দারিয়া ভ্যালেরিয়া ও দাদু ভিকতরকে।  ব্রিটিশ এয়ারওয়েজে দীর্ঘদিন কর্মরতা পলিন, তাঁর বন্ধু মাইকেল যিনি সারা জীবন কাটিয়েছেন নাইরোবিতে।  মেরিল স্ট্রিপের অনবদ্য অভিনয়ে ধন্য আউট অফ আফ্রিকা ছবিটি যারা দেখেছেন বা কারেন ব্লিকসেনের বইটি পড়েছেন, তাঁরা মনে করতে পারবেন প্রথম লাইনটি – আই হ্যাড এ ফার্ম ইন আফ্রিকা, অ্যাট দি ফুট অফ দি এনগং হিলস!  কারেন ব্লিকসেনের বাড়ি যে পাড়ায় তার নামই  হয়ে গেছে কারেন (নাইরোবি গেলে অবশ্য যাবেন) ! মাইকেলের বাস সেই কারেনে – বললেন বারান্দা থেকে এনগং হিলস দেখতে পান!  আইলিন এবং তার স্বামী অ্যান্ডি সারা জীবন এককালের রোডেসিয়া পরে  জিম্বাবোয়েতে কাটিয়ে এখন সারেতে বাসা বেঁধেছেন,  সেখানে চার জন ইউক্রেনিয়ান বাস করছেন। প্লিমাথের টিম,  তিরিশ বছর ব্রিটিশ আর্মিতে কাটিয়ে গিলডফোরড বাসী,  ফার্নবরার টোনি, খাস প্যারিসের সোফি আর তাঁর ছোট্ট ছেলে ইওয়াকিম, গ্রামের  খেলার মাঠের অন্য প্রান্তের স্টিভ এবং কারেন (হাতে করে দুটো চেয়ার এনেছেন যদি আমাদের অকুলান হয়),  আমাদের প্রতিবেশী আলেক্স, সূ, ক্রিস,  অ্যান গ্রিনিং আরও কতজন।  ইউক্রেন থেকে এসেছেন ইউজেনিয়া যিনি কিইভ বোটানিক্যাল গার্ডেনে মস্ত পদে ছিলেন। কিইভ বিশ্ব বিদ্যালয়ে ইতিহাস পড়াতেন কাতিয়া।

    মনিষী গুগলের অকাতর সাহায্য সত্ত্বেও ভাষার ব্যবধান থেকে যায়। মায়া তার অল্প বিদ্যা ভয়ঙ্করী  রাশিয়ান দিয়ে দারিয়ার দাদুর সঙ্গে কথা বলছিল।  ভিকতর একটি গিটার চাইলেন।

    এক আশ্চর্য সুন্দর সোনালি বিকেলে আমাদের বাগান গানে গানে ভরে গেলো।  

    https://youtube.com/shorts/i-8PVFNbjMw

    মায়ার গিটার হাতে নিয়ে ইউক্রেনিয়ান ভাষায় ভিকতর যে গান  গাইলেন তার সুরটা খুব চেনা – বীটলসের ইয়েসটারডে -

    গতকাল
    আমার সকল সমস্যা ছিল অনেক দূরে
    আজ মনে হয় তারা যেন আমার নিত্যসঙ্গী।*



    ৩০ মে, ২০২২

    Yesterday, All my troubles seemed so far away
    Now it looks as though they are here to stay
     
  • আলোচনা | ০৪ জুন ২০২২ | ৫১৬ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নাইটো - একক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • যোষিতা | ০৪ জুন ২০২২ ১৪:০৪508483
  • টিপিক্যাল রাশিয়ান গান।
  • যোষিতা | ০৪ জুন ২০২২ ১৪:০৫508484
  • ইয়েসটারডের সুরে
  • samir majumder | ০৪ জুন ২০২২ ১৯:৫৮508488
  • খুব সুন্দর অনুভূতি, স্যার
  • Dipankar Dasgupta | ০৫ জুন ২০২২ ১১:৫৭508501
  • "পৃথিবীতে অচেনা অজানা কোন মানুষ নেই, আছে সেই সব বন্ধু যাঁদের সঙ্গে আপনার দেখা হয় নি এখনো" -- কী যে চমৎকার ভাব নিহিত রয়েছে কথাটিতে! বড় ভালো লাগল আপনার লেখা।   
  • guru | 103.211.20.192 | ০৬ জুন ২০২২ ০৮:৪০508545
  • যথারীতি আবার খুব ভালো একটা লেখা |
     
     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন