ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • দূরে কোথায় ২৪

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৭ মে ২০২২ | ৫১১ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (৪ জন)
  • দানের ভেলায় বেলা অবেলায়

    সাড়ে তিন দশকের চেনা ইংরেজি ব্যবহারের ব্যাকরণ বদলাতে দেখলাম গত আড়াই মাসে।

    আগে থেকে ফোন করে আমাদের সুবিধে অসুবিধে জানার বিলিতি সৌজন্য বিসর্জন দিয়ে প্রত্যহ দান সামগ্রী  নিয়ে আসেন কেউ না কেউ,  তাঁদের অবসর মতন। আমাদের অবসরের খোঁজ নেন না।  সন্ধ্যে নটা নাগাদ ড্রাইভের গেট দুটো বন্ধ করার এবং সদর দরোজায় তালা দেবার দায়িত্ব আমার। সেটার সময়সূচী বাড়াতে হয়েছে। নটার পরেও মানুষ এসেছেন বস্তা বন্দি জামা কাপড় জুতো কর্ণফ্লেক্স পাস্তার প্যাকেট নিয়ে। একেকটা গাড়ির ভেতর থেকে কতগুলো যে বিন ব্যাগ  বেরোয়। মাঝে মাঝে ভয়  হয় এবার হয়তো বুটের ঢাকনা তুললে  দুটো গোরু ছাগল ঝাঁপ দিয়ে বেরুবে।

    কেউ কেউ বোঝাটি বাইরে নামিয়ে অথবা ঘরের ভেতরে পৌঁছে দিয়ে দুটো গল্প করে যান। কেউ অনেকক্ষণ ধরে রোদিকাকে বোঝান কোন বস্তার ভেতরে কি আছে।  কিছু ব্যাগের ওপরে নিখুঁত হাতে লেখা – জামার জুতোর কোটের সাইজ।  যে যে ভাবেই দিয়ে যান, তাঁদের আন্তরিকতা আমাদের অভিভূত করে।



    আমাদের  কর্ম পদ্ধতি কয়েকটি ওয়েব সাইটের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। তাই এখান সেখান থেকে খবর পেয়ে আশ্রয় দাতা (হোস্ট বা স্পন্সর) আসেন তাঁদের ইউক্রেনিয়ান অতিথিদের নিয়ে। এবার শুরু হয় সুপার মার্কেট স্টাইলে বস্তু সমীক্ষণ। রোদিকা নিপুণ যত্নে জামা পোশাক জ্যাকেট কোট পুলওভার জুতো সাইজ অনুযায়ী সাজিয়ে রেখেছে। অতিথিরা আসেন এটা দেখেন সেটা দেখেন, মায়ার ঘরে গিয়ে ট্রায়াল দ্যান। মনিষী গুগল অতি স্বচ্ছন্দে ইউক্রেনিয়ান ভাষায় কথা বলার বন্দোবস্ত করে দিয়েছেন। আই ফোনে মুখ দিয়ে ইংরেজিতে কথা বললে সেটি নিখুঁত ইউক্রেনিয়ানে আমাদের অতিথিদের কর্ণগোচর হয়।  

    কানাডা বাসিনী এক বন্ধু সেদিন বললেন যা যোগাড় করছ করো।  তারপর সে সব স্যালভেশন আর্মিকে দিয়ে দিলেই তো হয়। তারা বণ্টন করবে। রোদিকার উত্তর অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত – স্যালভেশোন আর্মিতে কি ট্রায়াল রুম আছে?

    আরেক গুণী বললেন আজকাল সব হাই স্ট্রিটে দেখি চ্যারিটির দোকান। সেখানে দিলে হয় না?  সেটাও সত্যি – আমাদের গ্রামের রাজ এবং গলিপথে দেখা যায়  টেসকো, সেইনসবেরির মুদীর দোকান, সৎকার সমিতি (পাঁচটা), তিনটে চাইনিজ দুটো ইন্ডিয়ান টেকঅ্যাওয়ে আর গোটা চারেক চ্যারিটি শপ। তাদের বিজনেস মডেলটা খুঁটিয়ে দেখলাম -   দানের আশায় এঁরা দোকান খুলে বসে আছেন। দাতা  তাঁদের সামগ্রী সেখানে জমা দিলে চ্যারিটি শপ জামা কাপড় ধোবার কাছে ধুইয়ে সযত্নে আলমারিতে টাঙ্গাবেন, ফার্নিচার হলে সেটি সারিয়ে তার ওপরে রঙের পোঁচ মেরে যাবতীয় অবহেলার দান সামগ্রীকে বাজারে চলনসই করে তুলবেন।

    এবার মার্কেটিঙের খেলা। চমৎকার সাজানো গোছানো আলোকিত সুদৃশ্য খয়রাতি কাজের জন্য নিবেদিত এইসব দোকানের সঙ্গে আর পাঁচটা দোকানের তফাৎ এই যে এঁরা মাল কেনেন না, সেটি মুফতে পান। সেগুলোকে ঘষে মেজে ধুয়ে ফার্নিচার সারিয়ে বাজারের জন্য চলনসই করা হয়। অবশ্যই সে সব বিক্রি হবে  বাজারের তুলনায় অপেক্ষাকৃত স্বল্প মূল্যে। এ সামগ্রীর সমারোহ  সরাসরি সাংহাই থেকে কনটেনারে চড়ে পশম পথে মতান্তর ওয়ান বেলট ওয়ান রোড দিয়ে  আজই  ন্যাপহিল পৌঁছোয় নি। এগুলি কারো না কারো ব্যবহৃত। ক্রেতা  সেটি জেনেই কেনেন, ক্রেডিট কার্ড ছোঁয়ান ক্যাশিয়ারের টার্মিনালে।

    এবার মাল বেচে, পাঁচজন কর্মচারী পোষণ করে,  আপন বিজনেস লাঞ্চ ডিনারের খরচা,  দোকান ভাড়া,  বিজলি বাতির বিল মিটিয়ে  যা দু পয়সা লাভ হয়  এই দাতব্য প্রতিষ্ঠান সেটি জনসেবায় নিয়োজন করেন। সেভ দি চিলড্রেন, পশু রক্ষা সমিতি, বাজ পাখি বাঁচাও এমন অনেক প্রতিষ্ঠান তাদের  সাহায্যের হাতটি সবলে ধরে ফেলার জন্য প্রস্তুত হয়ে আছেন।

    চ্যারিটি শপ কি আসলে একটি রি সাইক্লিং প্রতিষ্ঠান?  আপনার  বাড়ি থেকে দূরীকৃত রাবিশ আরেকজনের  বসার ঘরে সাদরে অধিষ্ঠিত হয়?  

    এই দানের ভেলায় আপনার ইচ্ছেমত কোন পারানি তুলে দিতে পারেন না। সে ব্যাপারে কিছু বিধি বিধান আছে।  ধরুন অনেকদিন বাদে চিলেকোঠার ঘরটা পরিষ্কার করতে গিয়ে মিনুর মা বললেন 'ও মাসিমা,  এখানে যে গুচ্ছের খেলনা পাতি আর কোট পেনটুলুন পড়ে  রয়েছে গো।  এসব কার, কি হবে'

    একথা শুনেই মাসিমা স্বামীকে বললেন 'যাও, একটা বস্তা বন্দি করে পাড়ার দাতব্য দোকানে এ সব জমা করে দিয়ে এসো।  কেন যে এসবে নজর দাও না,  এই জঞ্জাল জমিয়ে রেখেছ। আই ফোন নেটফ্লিক্সে কেবল পয়সা অপচয় করো এবার অন্তত দান ধ্যানে একটু পুণ্যি অর্জন করো'।

    এতদ্বারা উপর্যুক্ত মাসিমা দু জনের সমস্যা সৃষ্টি করলেন। শনিবারের দুপুরে আপনি সবে টেবিলে পা তুলে দিয়ে আই পি এল দেখবেন স্থির করেছেন,  সে ক্রিকেটে বৃষ্টি। দ্বিতীয়ত, আপনি যা দান করবেন সেটাই গ্রহণ করতে হবে এমন মাথার দিব্যি দিয়ে এই সব দাতব্য কর্মীরা বসে নেই।  তাঁদের নিজস্ব সংবিধান আছে। কোনটা তারা নেবেন কোনটা বর্জন করবেন সেটা তাঁদের মৌলিক অধিকারের দ্বিতীয় প্যারাগ্রাফে নথিবদ্ধ থাকে।

    ইউরোপে বসন্ত কাল শুরু হলেই গাছের পাতা আর পাখির ডাকের সঙ্গে সঙ্গে আরেকটি সামাজিক আচরণ ব্যাপকভাবে পরিদৃষ্ট  হয় : ফ্রান্সে এটি ব্রোকান্ত, জার্মানিতে  ফ্লি মার্কট এবং ইংল্যান্ডে গারাজ সেল নামে পরিচিত।  আমার মতে এটি ইউরোপের আদি রি সাইক্লিং স্টেশন - জনগণ তাঁদের আপন গৃহের আস্তাবল উজাড় করে অন্যের বসবার, শোবার ঘরে পৌঁছে দেবার প্রাণপণ প্রয়াস করে চলেছেন বছরের পর বছর। ফ্রান্সের মেঠো রাস্তায়  গ্রামের ব্রোকান্তে কেনা চেয়ারিং ক্রস লেখা সাইনবোর্ড,  ফ্রাঙ্কফুর্টের মাইন নদীর ধারের ফ্লি মার্কটে কাঁচের ওপরে লেখা জনি ওয়াকার কেন যে কিনেছিলাম তার কৈফিয়ত দিতে পারিনি গৃহিণীর কাছে।  তিনি সে দুটিকে আবর্জনার স্তূপে নিক্ষেপ করেছেন। প্রতিষ্ঠিত প্রথা অনুযায়ী  আমাদের উবি সাঁ লো গ্রামের  রাস্তায় বসে আমি সে দুটি একান্ত অপ্রয়োজনীয় সামগ্রীকে আরও দু জন মানুষের হাতে ধরিয়ে দেবার চেষ্টা না করে অন্তত  দু জন মহিলার রোষানল থেকে তাঁদের রক্ষা করেছি।

    সারের ন্যাপহিল গ্রামের চ্যারিটি শপগুলির  পারচেসিং পলিসি বুঝতে সময় লেগেছে। বাড়িতে অগুনতি ফোন চারজার, ইউ এস বি কেবল, ইউরোপ থেকে ইংল্যান্ড, ইংল্যান্ড থেকে ইউরোপের অ্যাডাপটার প্লাগ, পুরনো প্রিন্টার, আমার নত্তুন বয়েসের সুট,  শার্ট এবং বিচিত্র সব সংবাদবাহি টি শার্ট, চওড়া সরু মোটা রোগা টাই, জামাইকা অথবা দুব্রোভনিকের নাম লেখা টুপি- কত রকমের সঞ্চিত মায়ার বস্তু নিঃস্বার্থে দান করে  আমি মহারাজ হর্ষবর্ধনের মতো  দানবীর হতে চেয়েছি।  তাতে বাদ সেধেছে চ্যারিটি শপের সংবিধান। কোন বৈদ্যুতিক বস্তু তারা নিতে পারে না স্বাস্থ্য এবং সুরক্ষার কারণে (হেলথ অ্যান্ড সেফটি) – যদি সেই প্লাগ বিদ্যুতের পরিবর্তে অগ্নি সঞ্চালন করে?

    আচ্ছা ইউ এস বি কেবল  নেবেন, নতুনের দাম অন্তত ৯,৯৯ পাউনড? আবার সেই কঠিন দৃষ্টি।  গম্ভীর বিচক্ষণ উত্তর : সেই কেবলে যদি কোন ভ্রম (ফলট) থেকে থাকে তাহলে আই ফোন বিস্ফোরিত হবার সম্ভাবনা – একটা সস্তার কেবল কিনতে গিয়ে মহা মূল্যবান আই ফোনের বিনষ্টি।  স্টিভ জবসের আত্মার অশান্তি? এ কথাটা যোগ করে দেওয়ার বাসনা জাগে মনে। আচ্ছা এই শার্ট,  টি শার্ট? মহিলা একটি শার্ট হাতে তুলে নিয়ে বললেন, দুটো বোতাম ছেঁড়া।  মেরামতির খরচা আছে (ঢাকের দায়ে মনসা বিক্রি)।  টি শার্ট গুলো? একটার পর একটা তুলে ধরলেন – মন দিয়ে পড়লেন তার বক্ষ দেশে কি লেখা আছে। কবেকার ব্যাংককে কেনা শার্টে লেখা আছে ফ্রি হাগস,  সেভ ওয়াটার, শাওয়ার টুগেদার,  ওয়ান প্লাস ওয়ান ইজ থ্রি ইত্যাদি অর্বাচীন বাক্য সম্ভার।  যুবা বয়েসের দুর্মতির এইরূপ  প্রকাশ্য প্রদর্শনী থামাতে পারলে বাঁচি। মহিলার অপার ধৈর্যের জন্য শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং তাঁর মূল্যবান সময় নষ্ট করার জন্য  আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করে সদর রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছি।


    সংগ্রহ ও বন্টন


    ইউক্রেনের যুদ্ধ শুরু হবার আগেই রোদিকা গিয়েছিল কি কি দান এই সব দাতব্য প্রতিষ্ঠান গ্রহণ করতে পারে সে তথ্য সংগ্রহ করতে।  সে জেনে এলো আমাদের গ্রামের কোন চ্যারিটি শপ জামা কাপড় আর  নেয় না। বেছে কুচে তারা যা দোকানে রাখে তা যদি এক মাসের ভেতরে বিক্রি না হয়, সেগুলো পুড়িয়ে সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।  দোকানে মাল রাখার খরচা আছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নে দুধের হ্রদ,  মাখনের পর্বত জেনে এসেছি – দুধ ফেলে দেওয়া হয়েছে,  স্তূপীকৃত মাখন নষ্ট করা হয়েছে।  চাষি তার দাম পেলো  কিন্তু সেটা বাজারে গেলে দর কমে যাবে যে।  মনে হয়েছে ক্ষুধার্ত আফ্রিকায় কি পাঠানো যেতো না? এই মহান ইউরোপীয় ইউনিয়নের ধ্যান এবং দর্শন অন্য মাত্রার।

    মার্চের গোড়ায় আমরা দরোজা খুলে দিয়েছি সকল দাতা এবং গ্রহীতার জন্য।  কম্পিউটার সম্পর্কিত বা ইলেকট্রিকাল সরঞ্জাম কেউ আনেন নি। কিন্তু আবাস থেকে আহার কোন কিছুই ফেরানো হয় নি। এক দম্পতি সেদিন চল্লিশ পাউনড দিতে চাইলেন – রোদিকা তাদের বললে টাকা নিই না। টেসকোয় গিয়ে পাসতা অথবা কর্ণফ্লেক্স কিনে আনুন।  আধ ঘণ্টার ভেতরে তাঁরা ফিরে এলেন পেল্লায় দুটো ব্যাগ হাতে নিয়ে, খাদ্য বস্তুর সম্ভার সহ।

    যা কিছু মহান বরণ  করেছি বিনম্র শ্রদ্ধায়!

    ইনটারনেটের কল্যাণে সারের বাইরে থেকে অনেকে যোগাযোগ করেন :বাথ, লেসটার, টনটন (সমারসেট) নটিংহ্যাম, নিউ কাসল, ক্যানটারবেরি, লন্ডন ওয়েস্ট এন্ড, বারকিং।

    ওয়েলসের সোয়ানসির কাছের  একটি গ্রামে জেরালডিন নাম্নী তিয়াত্তর বছর বয়স্ক এক মহিলার বিশাল ফার্ম আছে। তাঁর বাড়ির অর্ধেক খুলে দিয়েছেন ইউক্রেনের মাতা পুত্র কন্যা সহ ছ জনের জন্য। তিন একর জমি এবং ট্র্যাক্টর দিয়েছেন- যা পারো চাষ করো। তিনি সম্প্রতি  যোগাযোগ করেছেন - ছেলে মেয়েদের খেলনা জুতো  এবং জামা কাপড় চান। প্রতি সপ্তাহে পোস্ট অফিসে গিয়ে প্যাকেজ পাঠাই।  পেলেই জবাব দেন। কালকের চিঠি :
    আজ সকালে  ফুটবল বুট,  জিম শু,  জামা কাপড় এবং একটি খরগোস সহ একটি কাগজের বাকসো উপস্থিত হয়েছে আমাদের খামারের দোর গোড়ায়।  গোটা ইউক্রেনিয়ান পরিবার অত্যন্ত উত্তেজিত।  মিলানা খরগোসের অধিকার নিয়েছে। ডানিস্লাভের পায়ে ফুটবল বুট একেবারে ফিট! তোমার পাঠানো রেন কোটের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ -ওয়েলশের গ্রীষ্মে খুব জরুরি!

    আমি ভারতীয়, রোদিকা রোমানিয়ান। কেউ কেউ প্রশ্ন করেছেন এই ছত্র খোলার কারণ কি? হোয়াটস দি কনেকশান?

    আমাদের যৌথ উত্তর : হিউম্যানিটি।

    মে ২৭, ২০২২
     
  • | রেটিং ৪.৫ (৪ জন) | বিভাগ : আলোচনা | ২৭ মে ২০২২ | ৫১১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • গোবু | 2402:3a80:198a:cd00:284f:6675:a154:c75a | ২৮ মে ২০২২ ১০:৩৭508151
  • ওই শেষ লাইনটা বেশিরভাগ লোক বুঝলেই সমস্যা থাকেনা। তা নইলে মুষল পর্ব অবশ্যম্ভাবী।
  • গোবু | 2402:3a80:198a:cd00:284f:6675:a154:c75a | ২৮ মে ২০২২ ১০:৩৯508152
  • সিরিজটার জন্যে অপেক্ষা করে থাকি, অনেক ভালোবাসা নেবেন।
  • guru | 103.211.20.59 | ২৮ মে ২০২২ ১০:৫২508153
  • অনেক অনেক ধন্যবাদ এইরকম একটি সুন্দর লেখা উপহার দেবার জন্য | আসলে বেশির ভাগ মানুষই এখন insecure এবং uncertain জীবনে | রাষ্ট্রনায়কদের তাই সুবিধা হয় মানুষকে নানান ছোটো ছোটো সংকীর্ণ পরিচয়ের প্রাচীরে বেঁধে ফেলতে |
  • Ranjan Roy | ২৯ মে ২০২২ ০১:৩৮508197
  • হীরেনবাবু 
       শেষ করেন নি তো? শেষ লাইনটা পড়ে কেমন মনে হল, তাই বললাম।
  • হীরেন সিংহরায় | ২৯ মে ২০২২ ০২:৪৫508198
  • রনজন বাবু 
     
    শেষ কথাটার উত্তর মেলে নি ॥ কখনো কথা ফুরিয়ে যায়। ক্রমশ লেখা ঠিক হতো ! 
     
  • guru | 103.135.229.6 | ২৯ মে ২০২২ ১১:২২508201
  • হীরেনবাবু ,
    মানুষ বড়ো বিচিত্র জীব | প্রেম ভালোবাসার কথাও বলে আবার একই সঙ্গে যুদ্ধ ছাড়া থাকতেও পারেনা | যুদ্ধ কত লক্ষ্য নিরীহ মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয় আবার একই সঙ্গে নতুন পৃথিবীর বাস্তবতাকেও গড়ে তোলে |
  • Ranjan Roy | ২৯ মে ২০২২ ২৩:২৪508218
  • গুরু
     আপনার শেষ লাইনটি পড়ে ভালো লেগেছে। জানিয়ে গেলাম।
  • Ranjan Roy | ২৯ মে ২০২২ ২৩:২৯508219
  • আরেকটি কথা। 
    হীরেন এক দূরতর নক্ষত্রের বাসিন্দে। তবু যদি আগামী বইমেলায় কোলকাতায় আসেন তো কফির কাপ হাতে অন্ততঃ এক ঘন্টা আড্ডা দেবার ইচ্ছে রইল।
    গুরু কি কোলকাতার বাসিন্দে?
    তাহলে যখন কোলকাতায় ঠেক মারতে যাব, তখন আপনার সঙ্গেও একই রকম আড্ডার ইচ্ছে জানিয়ে রাখলাম। আমার বিশ্বাস আমাদের মধ্যে মতান্তর হলেও মনান্তর হবে না। খালি দীক্ষিতদের মধ্যে আড্ডা দিতে গেলে ক্লান্তি আসে।
  • হীরেন সিংহরায় | ৩০ মে ২০২২ ০০:৪৯508220
  • মাস চারেক অন্তর নিয়মিত কলকাতা আসি . কোভিদের কারণে ফেব্রুয়ারি ২০২০র পরে নভেম্বর ২০২১ আসি। তারপর এবারের বই মেলায় গেছি।  । শ্রাবণ মাসের মাঝামাঝি আসবো ইহুদি রসিকতা বইটির  উদ্বোধনে । স্থান জানাবো সময়মত । অবশ্যই আসবেন। ই মেল [email protected] 
  • guru | 103.170.182.101 | ৩০ মে ২০২২ ২১:১৭508254
  • রঞ্জনবাবু আপনিও কি কলকাতা নিবাসী ? ১ ঘন্টা কেন অনেকক্ষন আড্ডা দিতে রাজী |hirenbabuo আসছেন খুবই জুলাই মাসেই | একসঙ্গে বসলে খুবই ভালোই লাগবে |
  • রঞ্জন | 223.190.93.99 | ০১ জুন ২০২২ ০০:৩৭508332
  • গুরু
     কোল্কাতায় আমার ভাই কাকা সবাই আছেন; রাবণের গুষ্ঠিঃ))
    কিন্তু আমি আপাততঃ গুরুগ্রামে মেয়ের কাছে। দেখা যাক।
  • guru | 103.170.182.90 | ০১ জুন ২০২২ ০৮:২৯508341
  • বরানগরে খুব ভালো একটা কাফে দেখেছি সিন্থিরমোড়ের কাছে | আমার এক বন্ধু ফীডব্যাক দিয়েছে যে খুব ভালো মোমো আর chinese কুইজিনে পাওয়া যায় | নাম হলো pleasure|  রঞ্জনবাবু হিরেনবাবু আপনাদের কি মত ? কোলকাতা তে থাকলে এখানে জুলাই তে বসা যায় কি ?
  • dc | 2401:4900:3601:be56:2ce9:70c6:6d6f:9fe6 | ০১ জুন ২০২২ ০৯:০৬508342
  • রঞ্জনদা, ব্যক্তিগত আলোচনাগুলো এই টইতে না করে ভাটে করা যায় কি? ট্রোলের কাজ ট্রোল করছে, কিন্তু আপনিও তাতে অংশ নিচ্ছেন দেখে একটু অবাক লাগলো, তাই বললাম। আশা করি কিছু মনে করবেন না :-)
  • হীরেন সিংহরায় | ০১ জুন ২০২২ ১০:৫৭508347
  • শ্রী গুরু 
     
    ২৬ জুলাই থেকে তিন সপ্তাহ মতন থাকবো। সিঁথি বরানগর আমার শেকড় । যেখানে যখন বলবেন হাজির হবো। তার আগে একবার রতন বাবু রোড হয়ে কুঠি ঘাট হেঁটে আসব। 
  • Ranjan | 223.190.93.99 | ০১ জুন ২০২২ ১১:০৭508349
  • ওকে ডিসি। No offense!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন