ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • দূরে কোথায় ১৫ 

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৬৩১ বার পঠিত
  • অন্য শরণার্থী

    ক্যালে পেরিয়ে আমাদের ফ্রান্সের বাড়ি যেতে আসতে চোখে পড়ে একটি গ্রামের নাম- সঙ্গাত। পৃথিবীর প্রথম সাবমেরিন টেলিগ্রাফ লাইন পাতা শুরু হয় সেখান থেকে যা ব্রিটেন এবং ফ্রান্সকে সংযুক্ত করে দেড়শ বছর আগে।  সেটা ইতিহাস। সাম্প্রতিক কালে সঙ্গাত অর্জন করেছে অখ্যাতি। কসভো ইরাকের শরণার্থীদের আশ্রয় দেবার জন্য ফরাসি সরকার সেখানে বানিয়েছিলেন এক বিশাল শিবির।  দুর্জনে অবশ্যই প্রশ্ন করেছে ফ্রান্সের মতো এতো বড়ো দেশে সরকার  আর কোথাও জায়গা পেলেন না - একটি সাময়িক শরণার্থী শিবির স্থাপনা করলেন ক্যালেতে, চির শত্রু ইংরেজের নাকের ডগায়! যদিও কাগজে কলমে শিবির  অনেকদিন বন্ধ, শরণার্থীরা ইতি উতি তাঁবু গেড়েছেন।  মাঝে মাঝে পুলিশ আসে। দু ঘা  দিয়ে এমন দুষ্টুমি আর করো না বলে অদৃশ্য হয়। গাড়ি নিয়ে  চ্যানেল টানেলে ঢোকা বেরুনোর পথটি সুউচ্চ সাদা রঙের কাঁটা তারে  ঘেরা  যাতে শরণার্থীরা সেটি টপকে ইংল্যান্ডের ফোকস্টোনগামী ট্রেনে না উঠে পড়তে পারে। যদিও সে ট্রেনে গাড়ি বিহীন যাত্রীর প্রবেশ নিষিদ্ধ!

    সমুদ্রের দিকটা ফরাসিরা ঘিরে উঠতে পারে নি তাতে হয়তো পরিবেশ দূষিত হতে পারে।

    ফল যা হবার তাই হয়েছে  – সুযোগ এবং আবহাওয়া বুঝে নৌকো কিংবা ডিঙ্গি ধরে এই ৩৫ মাইল জলরাশি অতিক্রম করে কেউ কেউ ইংল্যান্ডে আসছেন। গৃহ মন্ত্রী শ্রীমতী প্রীতি প্যাটেল বলছেন সেটি হতে দেবো না। ইংলিশ চ্যানেলে উপকূল রক্ষীগণ সেই সব নৌকো থামিয়ে যাত্রীদের গ্রেপ্তার করছেন। যারা এসে পড়েছে তাঁদের জন্যে নতুন শিবির খোলা হচ্ছে।

    বীর বরিস জনসন আরেকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন – এই সব অবাঞ্ছিত শরণার্থীদের পুনর্বাসন হবে আফ্রিকার রুয়ান্ডাতে (এককালে পূর্ব বাংলার উদ্বাস্তুদের দণ্ডকারণ্য পাঠানোর প্রকল্পের মতো)।  ক্যানটারবেরির আর্চ বিশপ ওয়েলবি তাঁর ইস্টার শুভেচ্ছা বাণীতে এই প্রকল্পকে অমানবিক আখ্যা দিয়েছেন।

    কেবল সিরিয়া ইরাক আফঘানিস্তান নয়, আপন দেশে রাজনৈতিক  ও সামাজিক কারণে উৎপীড়িত অন্য অনেক দেশের মানুষজন  ব্রিটেনে আশ্রয়ের আবেদন জানিয়েছেন।  এঁদের মধ্যে কিছু  এসেছেন এল সালভাদোর থেকে। বিগত তিরিশ বছর যাবত সেদেশে চলেছে  গ্যাং ওয়ারফেয়ার, বিভিন্ন দলের মধ্যে সশস্ত্র লড়াই। শাসন ব্যবস্থা বিপর্যস্ত। সে দেশের সঙ্গিন আভ্যন্তরীণ পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সালভাদোরিয়ান শরণার্থীদের রাজনৈতিক আশ্রয় দেবার কথা ব্রিটিশ সরকার বিবেচনা করছেন। ইতিমধ্যে তাঁদের বসবাসের ব্যবস্থা হচ্ছে দেশের নানা জায়গায়। তাঁদের কেস খুঁটিয়ে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক আশ্রয় দানের ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো অবধি এঁদের কেউ চাকরি বা  কাজের অধিকার পাবেন না। খাবার এবং শোবার ন্যূনতম আয়োজন আছে।   দৈনিক মাথা পিছু পাঁচ পাউনড হাত খরচা  দেওয়া হয়।

    হায়, বিধাতার কি বিচিত্র পরিহাস! এল সালভাদোর কথাটার অর্থ ত্রাণকর্তা!

    দশ কিলো মিটার দূরে, সারের ফ্রিমলি গ্রামে একটি হোটেলে একশোর বেশি পরিবারকে অভিবাসিত করা হয়েছে।

    আমাদের ইউক্রেন ত্রাণ সমিতির  সিদ্ধান্তঃ ত্রাণ সব মানুষের জন্য!  এল সালভাদোরের শরণার্থীদের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাঁদের প্রয়োজন মাফিক বস্তু সামগ্রী পৌঁছানোর কাজ শুরু হয়েছে গত সপ্তাহে তাদের প্রয়োজন জুতো জামা কম্বল।


    সালভাদোরিয়ানদের সাহায্য - কার্লোস খুয়ান কেভিন মনিকা

    হোটেলটি বেড়া জালে ঘেরা। বাইরের  লোকের আসা যাওয়ার অনুমতি নেই। আগে থেকে ফোনে যোগাযোগ করলে তাঁরা  বেরিয়ে আসেন।  আমাদের জিনিসপত্র নিয়ে যান।

    সীমান্ত থেকে সীমান্তে / ছবিতে ছবিতে

    ব্রিটিশ সরকার ইউক্রেনের উদ্বাস্তুদের জন্য কাগজে কলমে ছাব্বিশ হাজার ভিসা মঞ্জুর করেছেন - এই সংখ্যাটি বাদ্য সহকারে নিয়মিত ঘোষণা করা হয়ে থাকে। তাদের মধ্যে দু হাজার আসবেন সারেতে। এ যাবত দুশ মাত্র আসবার অনুমতি পেয়েছেন। ভিসার অপেক্ষায় বসে আছেন অনেকে – কেউ আছেন বেলজিয়ান মঠে, ফ্রান্সের দাতব্য হাসপাতালে, কেউ বা মলডোভার স্টেডিয়ামে।


    মলডোভার স্টেডিয়ামে বসবাস

    কৃষ্ণ সাগরের নিকটবর্তী দক্ষিণ ইউক্রেনের  মিকোলায়েভ শহর জাহাজ তৈরির জন্য বিখ্যাত ছিল।  সেটি  এখন প্রায় সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত এবং রাশিয়ান পরিবৃত।  সেখান থেকে একজন বয়স্ক মানুষ দুটি মা ও দুটি শিশুকে মলডোভার তিরাসপোল অবধি নিয়ে এসেছেন একটি পুরনো লাদা গাড়িতে। পথে ওডেসা পড়েছে।  সেখানে যুদ্ধের কোন ছায়া নেই বাড়ি ঘরের দেওয়ালে , আছে মানুষের মুখে চোখে। তিরাসপোল পৌঁছুতে ঘণ্টা দুয়েক। সেখান থেকে সত্তর কিলো মিটার দূরত্বে রাজধানী কিশিনেভ। লাদা গাড়িটি কিশিনেভের পারকিং লটে ফেলে দিয়ে তাঁরা  ভিজ এয়ারে ডাবলিন এসেছেন। সকল ইউক্রেনীয় উদ্বাস্তু অবাধে আয়ারল্যান্ড প্রবেশ করতে পারেন, সারা ইউরোপীয় ইউনিয়নে একই আইন। আয়ারল্যান্ড থেকে ব্রিটেনে আসতে গেলে পাসপোর্ট ভিসা কোনটাই লাগে না  (আমি নিজে একবার ইন্দ্রনীলকে নিয়ে বিনা পাসপোর্টে লিমেরিক গেছি!)।  এইভাবে তাঁরা সারে পৌঁছেছেন। এ ধারা আগমন ঠিক আইনসংগত হল কিনা জানি না তবে গোটা ব্যাপারটাকে ক্ষমা সুন্দর চোখে দেখে ব্রিটিশ সরকার ভিসার ছাপ দেবেন আশা করা যায় – মানে এসেই যখন পড়েছেন!!

    এস্টোনিয়াতে ইতিমধ্যে তিরিশ হাজার ইউক্রেনের লোক  এসে পৌঁছেছেন।  সে দেশের জনসংখ্যা মাত্র পনেরো লক্ষ! বেশির ভাগ এসেছেন পোল্যান্ড থেকে বাসে, লিথুয়ানিয়া লাটভিয়া পার হয়ে টালিন।  সেখানে  কেন্দ্রীয় সরকারি আবাসনে এক মাস তারপরে নানা জায়গায় পাঠানো হচ্ছে। আমার বন্ধু ক্রিসটা জানালেন ছেলে মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছে, এস্টোনিয়ান শিখছে – দেশের তিরিশ শতাংশ অধিবাসী, রাশিয়ানরা, কখনো সেটি শেখার কোন চেষ্টা করে নি।

    আরেকটা খবর পাওয়া গেলো। মারিউপোল ও ডনবাস দখল করার পরে রাশিয়ানরা যে বাস ভর্তি ইউক্রেনিয়ানদের রাশিয়া পাঠায় তাদের মধ্যে থেকে কিছু পলাতক পুরুষ কোনোভাবে সেন্ট পিটারসবুরগ হয়ে টালিন পৌঁছেছেন। স্ত্রী পুত্র কন্যাকে রাশিয়ায় ফেলে রেখে  তাঁরা ইউক্রেনে ফিরে লড়াই করতে চান।  টালিন থেকে উলটো বাসে পোল্যান্ড, তারপরে মেদিকা হয়ে ইউক্রেন।

    সারি সারি পোলিশ বাস দাঁড়িয়ে আছে  পোলিশ / ইউক্রেন সীমান্ত মেদিকায়। সেখান দিয়ে সবচেয়ে বেশি শরণার্থী দেশত্যাগ করছেন - পোল্যান্ড এ যাবত আশ্রয় দিয়েছে  পঁচিশ লক্ষ মানুষকে। সেই সীমান্তে, বাসের সামনে বসে আলোয়  অন্ধকারে পিয়ানোতে ইম্যাজিন  বাজাচ্ছেন ডাভিড মরটেলো। ছবিটি মনে গেঁথে যায়।


    ডেভিড মরটেলো বাজাচ্ছেন ইমাজিন

    হল্যান্ড থেকে এক দম্পতি গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন মেদিকায়। গাড়ির গায়ে  লিখে রেখেছেন চার জনকে আশ্রয় দেবেন।


    জাহোনি হাংগেরিয়ান সীমান্ত

    কিইভে এক মা তাঁর ছোট্ট মেয়ে সাশার  পিঠে নাম ও টেলিফোন নম্বর লিখে দিয়ে যাত্রা শুরু করেছেন। যদি সে মেয়ে হারিয়ে যায় হয়তো কেউ খুঁজে পাবে এই নাম,  নম্বর দেখে।

    ইউক্রেন / স্লোভাক সীমান্ত নাতিদীর্ঘ। একদিকে ইউক্রেনের উঝোরোদ ( জার্মান উনগভার ) – যেখান থেকে বালটিক বা কৃষ্ণসাগরের দূরত্ব একেবারে সমান। অন্যদিকে  স্লোভাক গ্রাম ভিসনে  নেমেচকে – আক্ষরিক অর্থে উঁচু জার্মানি। জার্মানি এখানে উঁচু হল কেন তার কারণটা আমাদের  পরিচিতা স্লোভাক মহিলা হেনরিয়েটাকে জিজ্ঞেস করেও জানতে পারলাম না!


    ভিসনে নেমচকে - স্লোভাক সীমান্তে হেঁটে আসছেন ইউক্রেনের মানুষ

    নিয়মিত শয়ে শয়ে মহিলা ও শিশু হেঁটে আসছেন সেই উঁচু জার্মানির পথে।

    হাঙ্গেরির সঙ্গে ইউক্রেনের সীমান্ত মাত্র একশো তিরিশ কিলোমিটারের।  ইউক্রেনের কপ শহর থেকে দিনে কুড়িটা ট্রেন আসে হাঙ্গেরির জাহনি অবধি। তিনটে বগির ট্রেন। প্রতি ট্রেনে অন্তত পাঁচশ শরণার্থী, হাতে একটি ব্যাগ।

    রোমানিয়ান সীমান্ত সিরেতে ইউক্রেনিয়ানে লেখা পোস্টার হাতে নিয়ে একজন দাঁড়িয়ে আছেন – তাঁর ভ্যানে করে পৌঁছে দেবেন নিকটবর্তী বিমানবন্দর অবধি।

    পুরনো ওয়কিং শহরে এক ইংরেজ পরিবারে আশ্রয় পেয়েছেন এক মা ও তাঁর তিন বছরের মেয়ে। মেয়ের মা জানালেন দেড় মাস বাদে প্রথম গত রাতে সে গোলা বন্দুকের শব্দে জেগে ওঠে নি। সারা রাত ঘুমিয়েছে।



    ভগ্ন খারকিভ শহরের মেট্রো স্টেশনে ইউক্রেনে শান্তির  ছবি আঁকছে একটি মেয়ে।

    আবার গমের ক্ষেতে ঢেউ খেলে যাবে।

    একদিন।


    Harvest in Ukraine, 1886. Artist: Pimonenko, Nikolai Kornilovich (1862-1912)

    গমের ক্ষেতে ঢেউ খেলে যায় বাতাস কাহার দেশে
    এপ্রিল ২৩, ২০২২
  • | বিভাগ : আলোচনা | ২৩ এপ্রিল ২০২২ | ৬৩১ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    ভয়।  - Sobuj Chatterjee
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পলিটিশিয়ান | 2600:6c52:6000:138d:91f3:418e:29b:2cbf | ২৪ এপ্রিল ২০২২ ০০:১২506849
  • "আমাদের ইউক্রেন ত্রাণ সমিতির  সিদ্ধান্তঃ ত্রাণ সব মানুষের জন্য!  এল সালভাদোরের শরণার্থীদের সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে যোগাযোগ করে তাঁদের প্রয়োজন মাফিক বস্তু সামগ্রী পৌঁছানোর কাজ শুরু হয়েছে গত সপ্তাহে।"
     
    বড্ড ভাল লাগল। প্রণাম নেবেন। yes
  • Debanjan Banerjee | ২৫ এপ্রিল ২০২২ ০৭:৩৫506877
  • হীরেনবাবুকে সাধুবাদ জানাবার ভাষা নেই l ইউক্রেইন্ শরণার্থীদের জন্য আপনারা যা করছেন তা আরো অনেক দিন ধরে করবার সুযোগ আপনাদের সর্বশক্তিমান ঈশ্বর প্রদান করুন এই কামনা রইলো l
  • :|: | 174.251.168.152 | ২৫ এপ্রিল ২০২২ ১০:৫২506881
  • সেকি! আরও "অনেক দিন ধরে" যুদ্ধ চলুক বা শরণার্থী আসুন -- কোনওটাই কাম্য নয়। রিলিফের প্রয়োজনীয়তা এবং সে সংক্রান্ত কাজ যত তাড়াতাড়ি শেষ হয় ততই ভালো। 
  • r2h | 134.238.18.211 | ২৫ এপ্রিল ২০২২ ১১:৪৪506883
    • Debanjan Banerjee | ২৫ এপ্রিল ২০২২ ০৭:৩৫506877
    • হীরেনবাবুকে সাধুবাদ জানাবার ভাষা নেই l ইউক্রেইন্ শরণার্থীদের জন্য আপনারা যা করছেন তা আরো অনেক দিন ধরে করবার সুযোগ আপনাদের সর্বশক্তিমান ঈশ্বর প্রদান করুন এই কামনা রইলো l
    হ্যাঁ, এটা ভয়ানক কামনা।
    তবে অন্য পর্বে দীপাঞ্জনবাবুর কিছু কমেন্ট পড়লে মনে হচ্ছে একটু কন্টেক্সট পাচ্ছি। পুতিনবাবু জয়ী হোন, রাজা হোন, আপত্তি কী। কিন্তু মৃত্যু ও উদ্বাসনের মিছিল নিয়ে এমন মন্তব্য কুরুচিকর মনে হলো।
     
  • Debanjan Banerjee | ২৫ এপ্রিল ২০২২ ১৮:২১506890
  • @r2h সারা পৃথিবী এখন যুদ্ধভূমি ও মৃত্যুভূমি l আর্তের হাহাকার এখন চারদিকে l হিরেনবাবুর মতো মহৎ হৃদয়ের মানুষের সংখ্যা কিন্তু খুবই কম যারা এইভাবে আর্তের সেবাতে এগিয়ে আস্তে পারেন l তাই সেই prachestake sadhubad জানানোর মধ্যে কোনো রাজনীতি খুঁজে বেড়ানোটা ঠিক নয় বলেই আমি মনে করি l আমি শুধু ঈশ্বরের কাছে এই প্রার্থনা রাখি যাতে হিরেনবাবু এই মহৎ কাজ অনেক দিন ধরে করতে পারেন যাতে অনেক আর্ত উপকৃত হয় l এটাতে আপনার এতো সমস্যা কেন ? আপনি কি চাননা হিরেনবাবু আর্তের সেবা করুন ? 
  • Amit | 121.200.237.26 | ২৬ এপ্রিল ২০২২ ০৫:৫৭506901
  • অবশ্য কারো কারোর কাছে পুতিনই হয়তো ঈশ্বর। কাউকে উদ্দেশ্য করে বলা নয় কিন্তু। 
  • s | 100.36.157.137 | ২৬ এপ্রিল ২০২২ ০৬:৪৮506902
  • রাশিয়ার হিস্টোরিক ডেট ডিফল্টের পরে হয়ত রাশিয়া থেকেই আর্তের হাহাকার শোনা যাবে। তখন হীরনবাবুদের গ্রূপ নিশ্চিতভাবে রাশিয়ার জন্যেও ত্রাণ পাঠাবেন বাছবিচার না করে। পুতিনবাবু হীৰেনবাবুদের আর্তের সাহায্য় করার সুযোগ করে দিচ্ছেন - এর জন্যে ওনার একটা ধন্যবাদ প্রাপ্য। 
  • Amit | 121.200.237.26 | ২৬ এপ্রিল ২০২২ ০৬:৫১506903
  • রাশিয়ার আগে গুরুর পাতা তেই পুতিনের জন্যে কারো কারোর হাহাকার শোনা যাবে হয়তো। কে বলতে পারে ? 
  • Debabrata Mandal | 2405:201:8009:c07e:1574:ce30:32b9:f9fb | ২৭ এপ্রিল ২০২২ ১৮:৫৮506959
  • কি অপূর্ব জীবন্ত ছবি . মানুষের অবর্ণনীয় দূর্দশার এক অবিস্মরণীয় আলেখ্য|| 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন