ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  বিবিধ

  • দূরে কোথায় 

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | বিবিধ | ১৪ মার্চ ২০২২ | ১১৫৬ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৪ জন)
  • -    আমাদের বাড়িটা খুলে দিতে পারি?
    -    মানে  ঢুকতে ভিসা পাসপোর্ট লাগবে না? 
    -    স্টপ ইট। বলছি  আমি একা মানুষ। নানান বাড়িতে ঘোরাঘুরি করে দান সংগ্রহ আর প্যাক করার চেয়ে ভালো হয় যদি সেই সব দান আমাদের বাড়িতে পৌঁছে যায়।  তাহলে বাড়িতে বসে আমি আর কয়েকজন সেগুলো বেঁধে দিতে পারি।  শুক্র থেকে রবিবার মায়াও সাহায্য করবে। 
    -    তাহলে চালাঘর আর সুইমিং পুলটাও খুলে রাখো।  এখন  কেউ কি আর জলে নামবে?  জায়গা অনেক। 
    -    এটা ভাবিনি, তাই করি 
    -    রাত্তিরে দরোজা বন্ধ রেখো। 
    -    ভেবো না আমি ভুলে গেলেও আমাদের বিশ্বস্ত এবং সশব্দ  প্রহরী আছে- পমেরানিয়ান পিক্সি! 

    রোদিকার ফোন যখন পেলাম তখন শঙ্খ ঘোষ মঞ্চের মুখোমুখি দে পাবলিকেশানের সামনে ঘাসের ওপরে চেয়ার টেনে বসে আছি। হাতে নিতান্ত ছোট কাপে লেবু চা। মাইকে বাজছে, "হয়তো কিছুই নাহি পাবো"। সন্ধের  অন্ধকারে  আধ আকাশে বিশাল সাদা বেলুন। অজস্র মানুষ বই কিনছেন, দেখছেন, জানতে চাইছেন কোন বই কোথায় গেলে মেলে।  লিটল ম্যগাজিনের সারি সারি স্টল। এই ইনটারনেটের বাজারেও বাঙালি আছে তেমনি বাঙালি যেমনটি দেখে গেছি চার দশক আগে। স্টেট ব্যাঙ্ক প্যাভিলিয়নে সত্যজিৎ রায় শতবার্ষিকী সম্মানে "তোমারে সেলাম" আলোচনা। সুভাপ্রসন্ন স্টেজ আলোকিত করে অবন ঠাকুরকে স্মরণ করছেন।

    কলকাতা বই মেলা ২০২২।  দু বছরের রোগ গ্লানির শেষে আবার জেগে ওঠে এক চেতনা যা একমাত্র বাঙালির উত্তরাধিকার।

    উনিশে ফেব্রুয়ারি যখন লন্ডন ছাড়ি  দূরের কোন দেশে কিছু গণ্ডগোলের আভাস পাওয়া যাচ্ছিল কিন্তু ইউরোপের সাধারণ মানুষের জীবনে তার আভাষ দেখি নি। উত্তাপ ক্রমশ বাড়তে দেখলাম কলকাতা গিয়ে।  আমি জানতাম না বিশ হাজার ভারতীয় ছাত্র ছাত্রী ইউক্রেনে ডাক্তারি পড়েন। তাদের ফেরানোর কাজ চলছে।

    বিধান নগরের বই মেলা থেকে আকাশপথে আট হাজার  কিলোমিটার দূরে ইংল্যান্ড দ্বীপের সারে জেলায় ন্যাপহিল নামক একটি গ্রামে মানুষেরা তখন সমবেত হচ্ছেন শুধুমাত্র সামাজিক মাধ্যমে একটি ঘোষণা শুনে – ইউক্রেন থেকে আগত শরণার্থীদের  সাহায্য করুন।

    "ইউক্রেনের এই বিপর্যয়ে প্রধানমন্ত্রী ত্রাণ  তহবিলে মুক্তহস্তে দান করুন"  এমন বার্তা নিয়ে পথে কোন মাইক বাজেনি  টেলিভিশনে বার্তা দেওয়া হয় নি। জনসন সরকার কোন আবেদন জানাননি। বলেননি আপনার দান সামগ্রী যোগাড় করলে আমরা ট্রেনে ট্রাকে প্লেনে তা পৌঁছে দেবো পোল্যান্ড সীমান্তে বিনাব্যয়ে। 

    এই কর্মকাণ্ড শুরু হয়েছে কেবলমাত্র মুখের কথায়,  কোন দলিল বা চুক্তির প্রয়োজন হয় নি। বহু মানুষ এগিয়ে এসেছেন সাহায্য করতে – সে দান বা শ্রম দিয়ে হোক। অকস্মাৎ আবির্ভূত হয়েছেন ভ্যান ড্রাইভার। তাঁরা কেউ হয়তো সঠিক জানেন না ব্রেক্সিটের পরে সীমান্ত অতিক্রম করার সরকারি আইন কানুন কতটা বদলেছে।  ফ্রান্স, বেলজিয়াম,  জার্মানি ও  পোল্যান্ড এই চারটে দেশের ভেতরে গাড়ি চালাতে গেলে কে বা কারা  কোভিডের ডাবল ভ্যাক্সিনেশনের সারটিফিকেট চাইতে পারেন। কোন ভ্রুক্ষেপ না করে  স্প্রিনটার টাইপের  ভ্যান ভর্তি করে চলেছেন পোল্যান্ড পানে। দেড় হাজার কিলো বহন করবার শক্তি ধরে মারসেডিজ স্প্রিনটার। আমার ছেলে বা আমি জার্মানি থেকে আমাদের ওয়াইন এতেই বয়ে আনি। ভ্যানের গতি স্বছন্দে একশো  কিমি পৌঁছয়। আমাদের গ্রাম ন্যাপহিল  থেকে বড়জোর দেড় ঘণ্টা লাগে টানেল পৌঁছুতে, টানেল পেরুতে ৩৫ মিনিট।  ক্যালে থেকে বেলজিয়াম দিয়ে আখেনে জার্মান বর্ডার তিন ঘণ্টা। তারপরে দীর্ঘ যাত্রা প্রায় তেরশ কিলো মিটার তবে সবটাই অটোবান  বা মোটরওয়ে।  এই চারটে দেশের কোথাও টোল দিতে হয় না। ভোরবেলা বেরুলে রাত্রি নাগাদ লক্ষ্যে পৌঁছুনো  যায়। ভ্যান খালি করে তাঁরা ফিরছেন তৎক্ষণাৎ।  ন্যাপহিলের গৃহবধূরা পরবর্তী যাত্রার জন্য সামগ্রী সাজিয়ে প্রস্তুত।  ঘড়ির কাঁটার মতো চলছে  এই কর্মযজ্ঞ। 


    ন্যাপহিলের গৃহবধূরা পরবর্তী যাত্রার জন্য সামগ্রী সাজিয়ে প্রস্তুত



    ভ্যানে চাপানোর অপেক্ষায়



    সুইমিং পুল


    আমাদের পাশের গ্রাম কবহ্যামের এক ইংরেজ ভদ্রলোক অ্যালুমিনিয়াম জানলার ব্যবসা করেন। আমাদের দুটো জানলা তাঁর কাছ থেকে কেনা। রোদিকাকে এসে বলে গেলেন  তাঁর ব্যবসাকে আপাতত শিকেয় তুলে রেখে ভ্যান নিয়ে পোল্যান্ডের পথে নেমে পড়েছেন।

    প্রতি ঘণ্টায় ট্রেন এসে পৌঁছুচ্ছে পোলিশ সীমান্তে করচভায়। যদিও কিয়েভ থেকে ট্রেনে সীমান্ত ন’ ঘণ্টার পথ,  গুলি গোলা  এড়িয়ে এসে পৌঁছুতে লাগছে অনেক বেশি। সক্ষম পুরুষেরা যুদ্ধে গেছেন। নারী ও শিশুরা আসছেন, কেউ কেউ দু  তিন দিন ট্রেনে চড়ে  ইউক্রনের পূব প্রান্ত থেকে। বসার জায়গা নেই। শুচ্ছেন মেঝেতে। তাদের প্রয়োজন অন্ন বস্ত্র শিশু খাদ্য ওষুধ তুলোর পুতুল বাগি খাবার জল। এবং আশ্রয় - মাথার ওপরে ছাদ। পনেরো লক্ষ এসেছেন এক সপ্তাহে, প্রতি সেকেন্ডে পোল্যান্ড গ্রহণ করছে একজন উদ্বাস্তু। তাদেরই সবচেয়ে লম্বা  সীমান্ত, প্রায় ৩০০ কিলো মিটার।  ন্যাপহিল গ্রাম থেকে সাহায্য যাচ্ছে মূলত পোল্যান্ডের সীমান্তে যেখানে রেল ও পথ যোগাযোগ সবচেয়ে ভালো।  জারের আমল থেকে গরবাচেভ অবধি রাশিয়ানরা  চেষ্টা করেছে তাদের ভাষা এবং আপনজনদের ইউক্রেনে গুঁজে দেবার।  ইউক্রেন লেখে সিরিলিক অক্ষরে এবং তারা মূলত অর্থোডক্স। পোলিশরা ক্যাথলিক, লেখে রোমান হরফে তবে দু পক্ষেই অপরের ভাষা অনেকটা বোধগম্য।

    স্টেশনের সামনে আছে খোলা ময়দান।   এই ময়দান শব্দটা ইউক্রেনিয়ানে আছে, রোমানিয়ান ভাষাতেও। 

    বীর বরিস জনসন এ যাবত সাতশ উদ্বাস্তুকে ভিসা দিয়েছেন, আয়ারল্যান্ড তার চার গুন। অন্যদিকে রোমানিয়ান  সীমান্তে খাবার , ওষুধ নিয়ে লাইন দিয়ে অভ্যর্থনা করার জন্য দাঁড়িয়েছেন  সে দেশের মানুষ। হাঙ্গেরি  ও স্লোভাকিয়ার সীমান্ত ক্ষুদ্র কিন্তু সেখানেও হাজির হয়েছেন গ্রামবাসীরা। 

    একজন ডেনিশ ভদ্রলোক কিছু দান দিয়ে গেছেন। জানিয়েছেন নরডিকের  বিশেষ করে সুইডেন এবং ফিনল্যান্ডের মানুষ শঙ্কিত। আমার পুরনো পরিচিত ফিনিশ ব্যাঙ্কার আন্তেরোর কাছে জানলাম পূর্ব ফিনল্যান্ডের লোক রাইফেল কিনছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এ অঞ্চল দুবার লড়েছে – একবার জার্মান একবার রাশিয়ানদের বিরুদ্ধে। 

    ওষুধ - রোদিকা বললে কলকাতা ছাড়ার আগে নিয়ে এসো অনেক আমক্সিসিলিন যত পারো।  ইংল্যান্ডে একটা ট্যাবলেট পেতে গেলে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন লাগে,  পোল্যান্ডেও তাই। কি ভাগ্যে কলকাতার ফারমাসিতে ঘুরে ঘুরে তিনশ আমক্সিসিলিন যোগাড় করেছি। আগামী কাল সেটা ভ্যানে উঠবে।  রোদিকার কাছে এ যাবত যেটুকু অ্যান্টিবাইওটিক ছিল তাই নিয়ে কয়েকজন ইউক্রেনিয়ান গাড়িতে পোলিশ সীমান্ত গেলেন দু দিন আগে তাঁদের স্ত্রীরা গাড়ি চালিয়ে ইংল্যান্ড ফিরবেন, পুরুষেরা যাবেন যুদ্ধে। 

    আমাদের বাড়িকে মুক্তাঞ্চল ঘোষণা করার পর থেকে প্রতি ঘণ্টায় কেউ না কেউ আসছেন সামগ্রী নিয়ে। আজ কলকাতা থেকে বাড়ি ফিরে দেখলাম বাড়িতে পা রাখার জায়গা কমে গেছে।  সেই সাবধান বাণী রোদিকা আগেই জানিয়ে রেখেছিল। আমাদের কুকুরটি  নিতান্ত বিভ্রান্ত। সে ইউক্রেন সমস্যা বোঝে না। তবে তার ঘোরাফেরার স্বাধীনতা সঙ্কুচিত হয়েছে এতে সে খুশি নয়।

    দু দিন বাদে আইডস অফ মার্চ।  ফসল ওঠার পরে যাবতীয় বাকি বকেয়া চুকিয়ে দেবার দিন বলে মান্য করতেন রোমানরা। জুলিয়াস সিজার ঠিক এদিন ছুরিকাঘাতে মৃত্যু বরন  করেন।

    এবার কার  পালা ? 

    ১৩ মার্চ , ২০২২ 
    ন্যাপহিল
  • ধারাবাহিক | ১৪ মার্চ ২০২২ | ১১৫৬ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নাইটো - একক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | 134.238.18.211 | ১৫ মার্চ ২০২২ ১২:২৩504895
  • ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা, মানবিক দিক থেকে বর্তমান পরিস্থিতির আখ্যান শুনতে আগ্রহী। হীরেনবাবুর লেখার যা ধরন তাতে এর সঙ্গে বৃহত্তর প্রেক্ষাপটও আসবে বলে আশা করা যায়।

    সাগ্রহে পড়বো, অপেক্ষায় আছি।
  • Abhyu | 198.137.20.25 | ১৫ মার্চ ২০২২ ২১:৫২504911
  • হীরেনবাবু খুব শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি। আগে সুন্দরবন অঞ্চলে ওনার কাজের কথা পড়েছিলাম। এখন এখানে পড়ছি। নমস্কার জানবেন।
  • নাসের আলী , সুন্দরবন | 2409:4061:596:5b73:4310:d88c:c16d:facc | ১৬ মার্চ ২০২২ ০৯:০৬504919
  • "নিষাদ তোমার অস্ত্রের মুখে এসে আমাদের গ্রাম হোক ধুলো হোক ছাই স্তূপাকার ঐ ছাই এর ভেতর থেকে ওঠে নিরস্ত্র আমরা দেখতে পাই l "
    কবি জয় গোস্বামী 
    আর্ত মানুষের সেবায় হীরেন সিংহরায় আজ নয় বিগত দিনেও সুন্দরবন থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছেছেন , যেখানে মানুষ বড়ো অসহায় 
    সেলাম সিংহরায় পরিবার l 
  • Ranjan Roy | ১৬ মার্চ ২০২২ ১৫:৩৭504927
  • হীরেনবাবুরা শুনেছেন সেই আহ্বানঃ 
    Ask not for whom the bell tolls,
    It tolls for thee.
     
    আমার সশ্রদ্ধ অভিবাদন।
    এই যুদ্ধ বন্ধ হোক।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ প্রতিক্রিয়া দিন