ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • দূরে কোথায় ২২ 

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ১৮ মে ২০২২ | ৬৫২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • খেলা ভাঙ্গার খেলা

    ভিয়েনা থেকে বেরিয়ে এম ওয়ান মোটরওয়ে ধরলে বুদাপেশট যেতে বড়জোর আড়াই ঘণ্টা (রাডারে আকীর্ণ পথ- নইলে এত সময় লাগার কথা নয়!)।  এই যাত্রায় বুদাপেশটের একটু আগেই ডান হাতে পড়ে টাটা এবং টাটা বানিয়া শহর দুটি। প্রথম বার সেই সাইনবোর্ড দেখেই মন উচ্চকিত হয়েছিল। যদিও এই টাটার সঙ্গে জামশেতজি টাটার কোন সম্পর্ক নেই, টাটা বানিয়ার সঙ্গে আমাদের একটা হৃদ্যতা আছে – এই জনস্থান মধ্যবর্তী ফুটবল দল মোহন বাগানের প্লাটিনাম জুবিলি (১৯৬৪) অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে আমাদেরই মাঠে ভীষণ ভাবে আমাদের অপদস্থ করে।

    এই বয়েসে স্মৃতি দুর্বল। তাই আগাম ক্ষমা চেয়ে নিয়ে বলি আমার কালে (১৯৬০-১৯৭৭) কলকাতায় আন্তর্জাতিক দলের ফুটবল দেখা একান্ত বিরল ঘটনা। টাটা বানিয়ার প্রীতি ম্যাচ, শিল্ডে  ইরানের পাস ক্লাব, নিউ ইয়র্ক কসমস (এবং পেলের)  এবং আমাদের মাঠে ফ্লাড লাইটের উদ্বোধন উপলক্ষে একটি রাশিয়ান দলের  সৌজন্য মূলক খেলা – এই যা মনে পড়ে।

    প্রবাসে  এসে দেখলাম রাজনীতি,  ভাষা, ধর্ম, খাবার, ডাইনে বা বাঁয়ে গাড়ি চালানো ইত্যাদি পার্থক্যকে পিছনে ফেলে দিয়ে  গিয়ে যে সূত্র গোটা ইউরোপকে বেঁধে রেখেছে  তার নাম ফুটবল। তিনটি বাৎসরিক প্রতিযোগিতা – সব দেশের লিগ চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে ইউরোপিয়ান কাপ (১৯৯০ থেকে টপ  চারটি দলকে নিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ), লিগের পরের চারটি দলকে নিয়ে ইউ ই  এফ এ কাপ (২০০৯ থেকে পরের দুটি টিমকে নিয়ে ইউরোপা লিগ) এবং দেশ গুলির নিজেদের কাপ বিজেতাদের নিয়ে কাপ উইনারস কাপ (১৯৯৯ সালে শেষ)। ফুটবলের  উন্মাদনা  ইউরোপকে ছেয়ে ফেলে কয়েক মাস – মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবারের সন্ধ্যে বেলা। টেলিভিশনে দেখি নরওয়ের মলডের দল  হয়তো খেলছে তিন হাজার কিলো মিটার দূরে ট্রান্সনিস্ত্রিয়ার তিরাসপোলে, জর্জিয়া তিবলিসির চ্যাম্পিয়ন খেলছে ফরাসি চ্যাম্পিয়নের বিরুদ্ধে চার হাজার কিলো মিটার দূরের শহর লিলে।  নানান ঠিকানা থেকে খেলার সরাসরি সম্প্রচারের  কারণে টিভির সামনে বসে মনে হয় গোটা ইউরোপ একটাই দেশ।

    চার বছর অন্তর ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপে একমাস ধরে দেশে দেশে চলে আরেক উৎসব, পতাকা ও বিয়ারের গ্লাস হাতে জনতা রাজপথ জনপথ ভরিয়ে ফেলে।  আমাদের ব্যাঙ্কের চেলসি সমর্থক এক অস্ট্রেলিয়ান অডিটর বলেছিলেন তাঁর  তিন বছরের প্রবাসকালে তিনি ইউরোপ দেখেছেন চেলসির ম্যাচ  ক্যালেন্ডার  অনুযায়ী বিভিন্ন দেশে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ  ও ইউরোপা লিগের খেলা দেখে।

    যুদ্ধের পরে পূবের  ঘাটে  আনা গোনা বাতিল হলো কিন্তু  ইউরোপিয়ান ফুটবল কখনো বন্ধ করে নি পাখা (১৯৮৫তে বেলজিয়ামের হাইসেল স্টেডিয়ামে বহু দর্শকের মর্মান্তিক মৃত্যুর কারণে  দোষী সাব্যস্ত ব্রিটিশ দলগুলিকে পাঁচ বছরের জন্য ব্যান করা ছাড়া)। মোহনবাগান এবং আর্সেনালের মাঝখানে কয়েক বছর আরেক দলকে নিরপেক্ষ (হয় না জানি) সমর্থন দিয়েছি - আইনত্রাখত ফ্রাঙ্কফুর্ট।  তারা আজ,  ১৮ মে  , স্পেনের সেভিলে ইউরোপা লিগের ফাইনাল খেলবে গ্লাসগো রেঞ্জার্সের বিপক্ষে  ।

    শেষবার ফ্রাঙ্কফুর্ট কোন ইউরোপীয় প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হয়েছিল ১৯৮০ সালে যখন তারা ইউ ই এফ এ কাপ জেতে। ঠাণ্ডা  লড়াইয়ের শীতার্ত সন্ধেয় ফ্রাঙ্কফুর্টের ভালড স্টাডিওনে -একদা  কমেরতসবাঙ্ক আরেনা বর্তমানে ডয়েচে বাঙ্ক পার্ক-  - খেলা দেখেছি কোয়ার্টার ফাইলে আইনত্রাখত বনাম চেক টিম ব্রনো  (১-০), সেমি ফাইনালে  বায়ার্ন মিউনিক (৫-১) ফাইনালে গ্লাডবাখ (১-০)। সেই একই প্রতিযোগিতায় সে বছর খেলেছে পূর্ব ইউরোপের  অনেক দল  – ডিনামো ড্রেসডেন,  ডিনামো কিভ, শাখতার দনেস্ক, লাল তারা বেলগ্রাদ, ডিনামো জাগ্রেব, ভিজিউ উচ (পোল্যান্ড), বোহেমিয়ানস প্রাগ, সি এস কে এ সোফিয়া,ক্রাইওভা (রোমানিয়া)। এই সব দেশের নাম জেনেছি  ভূগোলের পাতায়, এককালে জমানো স্ট্যাম্পের খাতায়।

    ফ্রাঙ্কফুর্ট বনাম ব্রনোর  (বানান Brno;  চেক ভাষায় স্বরবর্ণ বড়োই অকুলান, ঘাড়ের প্রতিশব্দ krk : জার্মানে ব্রুইন বলা অনেক সহজ)  খেলায় আমার পাশে বসেছিলেন  প্রাগের অধিবাসী এক ভদ্রলোক  (সমর্থকদের রং, চেহারা বা দল অনুযায়ী কোনো  আপারথাইড প্রথা চালু হয় নি তখন)।  মোটামুটি জার্মানে কথা বলা  গেল। তিনি বলেছিলেন প্রাগ শব্দটা এসেছে সংস্কৃত প্রয়াগ থেকে।  প্রয়াগে দুটি নদীর সঙ্গম।  প্রাগেও  তাই– ভ্লতাভা (জার্মানে মলডাউ) মেশে লাবে (জার্মান এলবে) নদীর সঙ্গে। পরে ফ্যাক্ট চেকিং করতে গিয়ে এই মন্তব্যের সমর্থনে কোন তথ্য পাই নি।

    জ্ঞানী ব্যক্তিরা বলেন খেলাধুলোর সঙ্গে রাজনীতির কোনো সম্পর্ক নেই, থাকা উচিত নয়।  কিন্তু এটাও তো সত্যি যুদ্ধ বাধানোর অপরাধে জার্মানি ১৯২৪, ১৯২৮, পশ্চিম জার্মানি  ১৯৪৮,  জাপান ১৯৪৮ সালে অলিম্পিকে যোগদানের অনুমতি পায় নি ; একই কারণে ১৯৫০ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে জার্মানির দ্বার রুদ্ধ ছিল – একমাত্র বিশ্বকাপ যেখানে জার্মানি খেলেনি।  রাশিয়ার  আফঘানিস্তান  দখলের প্রতিবাদে ১৯৮০র  মস্কো অলিম্পিক বয়কট করে পশ্চিমের কিছু দেশ ; বদলা নিতে ওয়ারশ চুক্তির দেশ গুলি (ব্যতিক্রম রোমানিয়া) লস এঞ্জেলস অলিম্পিক বয়কট করে।

    ইটের বদলে পাটকেল ছোঁড়ার  এই  সম্মুখ সমরে ইউরোপীয় দলগত ফুটবল ছিল অনুপস্থিত।  মস্কো অলিম্পিকে পশ্চিমি বয়কটের  সময়ে ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে  চেকোস্লোভাকিয়া খেলেছে রোমে, লস এঞ্জেলস অলিম্পিকে পূর্ব ইউরোপের বয়কটের বছরে ইয়ুগোস্লাভিয়া, রোমানিয়া  ফাইনাল খেলেছে প্যারিসে।

    ১৯৭৯ সালে, ঠাণ্ডা লড়াই যখন তুঙ্গে, বেলগ্রাদের লাল তারা জিতেছে ইউ  ই  এফ এ কাপ, ১৯৮৬ সালে রোমানিয়ার  স্টেউয়া বুকুরেস্ত জিতেছে ফুটবলের সবচেয়ে নামি ট্রফি ইউরোপিয়ান কাপ।

    এক সূত্রে বাঁধিয়াছি সহস্রটি দল এই মন্ত্রের কি অবসান দেখতে যাচ্ছি আমরা ?

    ফেব্রুয়ারি মাসের পাঁচ তারিখে অসলোর অনতিদূরে মনডালেনের (জনসংখ্যা আট হাজার) বাসিন্দা তেইশ বছরের নরওয়েজিয়ান যুবক ওলডেন লারসেন আড়াই হাজার কিলো মিটার দূরের শহর নিঝনি নভগরদে গেলেন দল বদলের কাগজে সই করতে। নিঝনি নভগরদের জনসংখ্যা বারো লক্ষ। তাদের ফুটবল দল  রাশিয়ান প্রিমিয়ার লিগ টেবিলের  মাঝামাঝি বিরাজ করে থাকে। ওলডেনের ফুটবল জীবনে একটি বিশাল ব্রেক।  ইউক্রেনের যুদ্ধ শুরু হবার তিন সপ্তাহ বাদে  ফুটবলের সে  বিশাল মঞ্চ ছেড়ে তিনি ফিরে এসেছেন, আপাতত সুইডেনে। পিছনে চারটি রাশিয়ান প্রিমিয়ার লিগ  ম্যাচ খেলার স্মৃতি, সামনে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ।  

    পেশাদারী ফুটবলাররা চুক্তিতে আবদ্ধ থাকেন। প্রায়শ খবরের কাগজে পড়া যায় অমুক খেলোয়াড় তাঁর তিন বছরের কড়ার শেষে হবার আগেই দল বদল করতে চাইছেন – নতুন দল সাগ্রহে চুক্তি ভাঙ্গার  জরিমানা দিতে চায়।  উদাহরণ ভুরিভুরি।  কেউ যদি সেই চুক্তি না মানেন তাকে বা তার দলকে ইউ ই এফ এ কড়ি সাজা দিয়ে থাকেন।  কিন্তু ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হবার পরে তাঁরা নিয়মে নাস্তি বলে দিয়েছেন – জুন অবধি। তার পরে সেই পুরনো চুক্তি মেনে খেলতে হবে সে ক্লাব যেখানেই হোক না কেন।   রাশিয়ান ফুটবলকে  প্রথম বিদায় জানান ইউক্রেনের গোলরক্ষক ইয়ারোস্লাভ হজিউর (উরাল একাতেরিনবুরগ- যে শহরে জার নিকোলাসের  গোটা পরিবারকে গুলি করে মারা হয়েছিল)। তার পরে ইউক্রেন জাতীয় দলের আরেক সদস্য  ইয়ারোস্লাভ রাকিতস্কি (জেনিত সেন্ট পিটারসবুরগ,   অসম্ভব সফল দল – রাশিয়ার বায়ার্ন মিউনিক বা আমাদের মোহন বাগান) ফিরেছেন। ইউক্রেন সীমান্তের কাছাকাছি শহর  ক্রাসনোদার। জীবন নিরাপদ নয়। সেখানকার ফুটবল ক্লাব ত্যাগ করেছেন জার্মান কোচ ডানিয়েল ফারকে সহ আটজন বিদেশি প্লেয়ার। আরতেম পলিয়ারুস খেলছিলেন চেচনিয়ার আখমেত গ্রোজনি টিমে - চ্যাম্পিয়ন্স লিগ বা ইউরোপা লিগে পৌঁছানোর সম্ভাবনা ছিল সে  দলের।  আরতেম গ্রোজনি দল ছেড়ে এখন পোল্যান্ডের একটি ছোট দলে খেলছেন।

    রাশিয়ান প্রিমিয়ার লিগ গভীর অনিশ্চয়তায় নিমজ্জিত।  ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতা থেকে প্রভূত অর্থাগম হতো, সে পথ এখন বন্ধ।  ইউরোপে তাদের খেলতে  দেওয়া হবে না। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের খেলা রাশিয়ায় দেখানো বারণ  হয়েছে – সেখান থেকে দু পয়সা আয় করত রাশিয়ান টিভি। সেটাও গেছে খরচের খাতায়।  আপনারা যারা নিয়মিত চ্যাম্পিয়ন্স লিগ দেখেন তাঁরা হয়তো লক্ষ করেছেন সে খেলার বিরতির অঙ্গন  থেকে গাজপ্রমের বিজ্ঞাপন অন্তর্হিত হয়েছে।

    ইউরোপীয় ফুটবলের মালাটি কি ছিঁড়ে গেলো?

    খেলা ভাঙ্গার খেলা ?  

    গানের ঝর্না তলায়

    আরেকটি বন্ধন আজারবাইজান থেকে নরওয়ে, ফিনল্যান্ড থেকে সাইপ্রাস অবধি বিস্তীর্ণ ইউরোপীয় ভূখণ্ডকে  একত্র করে,  অন্তত একদিনের জন্য। মে মাসে ইউরোভিশন সং  কনটেস্ট একটি অবশ্য দ্রষ্টব্য টিভি অনুষ্ঠান,  শুধু গানের জন্য নয়। নানা জাতি নানা মত নানা পরিধান – বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান এই সদ্ভাবনার মূর্ত প্রতীক!  আমার প্রথম দুই ছেলে মেয়ের বাল্যকালে এবং এখন ছোট মেয়ের সঙ্গে সবসমেত তিন  দশক যাবত আমি এই প্রোগ্রাম দেখে চলেছি। ফাইনালে পঁচিশটি দেশের শিল্পীরা তাঁদের সঙ্গীত পরিবেশন করেন। এক সময়ে জাতীয় ভাষায় গান গাওয়া বাধ্যতামূলক ছিল – কেবল বহু ভাষিক লুক্সেমবুরগ, বেলজিয়াম এবং সুইজারল্যান্ডের অধিকার ছিল তাঁদের পছন্দ মত ভাষায় গান গাইবার। মানে না বুঝি নানা ভাষা শুনতে ভালো লাগত! দুঃখের বিষয় এখন সে নিয়মটি তুলে নেওয়া হয়েছে- ফলে বেশির ভাগ দেশের শিল্পী ইংরেজিতে গান করেন। শ্রেষ্ঠ সঙ্গীত নির্বাচিত হতো সব দেশের জুরিদের ভোটে। সে আইনটি শিথিল করে দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক দেশের বেতার কেন্দ্র সে দেশের জুরিদের ভোট সংখ্যা জানাবেন আর ইউরোপের আপামর জনগণ তাঁদের ভোট দেবেন মোবাইল ফোনের দ্বারা।  জনগণ বা বেতার কেন্দ্র আপন দেশের গানকে ভোট দিতে পারেন না।  এবার জুরি ও জনতা উভয় পক্ষের মিলিত ভোটে বিজয়ী  নির্বাচিত হয়।

    ১৯৯৭ সালের পর থেকে ইউ কে কখনো এই প্রতিযোগিতা জেতে নি। এবারে স্যাম  রাইডারের স্পেস ম্যান ভীষণ ভাবে লোকপ্রিয় সাব্যস্ত হয়। জুরিদের ভোটে সে গান একেবারে এক নম্বরে,   ইউক্রেনের গান, আপন ভাষায় গাওয়া, স্তেফানিযা   চার নম্বরে। তার পরে যখন জনগণের পছন্দের হিসেব নেওয়া  হল, দেখা গেলো তাঁরা ইউক্রেনকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করেছেন, ইউ কে এলো  দু নম্বরে।


    ইউরোভিশন সং কন্টেস্টে বিজয়ীর ট্রফি হাতে কালিস গ্রুপ

    মায়াকে বললাম এটা বোধ হয় সহানুভূতির ভোট। সে প্রতিবাদ করেছে – তার মতে গানটা ভালো।
    বলা বাহুল্য এ উৎসবে রাশিয়ার প্রবেশ অধিকার ছিল না।

    ১৮ মে, ২০২২
     
    পুঃ আইনত্রাখত ফ্রাঙ্কফুর্ট গতকাল  গ্লাসগো রেঞ্জার্সকে হারিয়ে ইউরোপা লিগ বিজয়ী হয়েছে । সকালবেলা হতেই আমার পুরনো বাসভূমিতে জনজীবন প্রায় স্তব্ধ হয়েছে বলে জানা গেল। 
  • | রেটিং ৫ (১ জন) | বিভাগ : আলোচনা | ১৮ মে ২০২২ | ৬৫২ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    কবিতা  - Suvankar Gain
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • যোষিতা | ১৮ মে ২০২২ ২৩:৫০507817
  • স্তেফানিয়া...
  • যোষিতা | ১৮ মে ২০২২ ২৩:৫১507818
  • আমি ভেবেছিলাম স্পেন জিতবে।
  • হীরেন সিংহরায় | ১৯ মে ২০২২ ০১:৩৯507819
  • অশেষ ধন্যবাদ । বদলে দিয়েছি । মলডোভার গানটি আমার খুব পছন্দের ছিল - রোমানিয়ান লোক সঙ্গীতের ওপর আধারিত এবং গভীর অর্থবহ ! কিশিনেভ আর  বুকুরেস্ত ! এক সময়ে রমুনিয়া মারে বা গ্রেটার রোমানিয়ার চর্চা হতো - এখন মলডোভা সেদিকেই যাচ্ছে কিনা কে জানে। হয়তো লক্ষ করেছেন গানটি  প্রায় তিনশ  পপুলার ভোট পায় ! 
  • যোষিতা | ১৯ মে ২০২২ ০১:৪৬507820
  • পপুলার ভোটই তো আসল। প্রথমের ভোট তো ট্যাকটিক্যাল ভোটিং। চিরটাকাল। তবে সার্বিয়ার গানটা জব্বর ছিল। ভয় পাচ্ছিলাম হাত টাত ধোওয়া হলে পরে প্যাঁট প্যাঁট করে ইনজেকশন না দিয়ে দেয়!
  • যোষিতা | ১৯ মে ২০২২ ০১:৪৬507821
  • পপুলার ভোটই তো আসল। প্রথমের ভোট তো ট্যাকটিক্যাল ভোটিং। চিরটাকাল। তবে সার্বিয়ার গানটা জব্বর ছিল। ভয় পাচ্ছিলাম হাত টাত ধোওয়া হলে পরে প্যাঁট প্যাঁট করে ইনজেকশন না দিয়ে দেয়!
  • হীরেন সিংহরায় | ১৯ মে ২০২২ ০২:২৯507823
  • আমার ছেলে মেয়েদের সঙ্গে ওই ট্যাকটিক্যাল ভোটিং নিয়ে বহু দিনের ঠাট্টা আছে - গ্রিস বারো পয়েন্ট দেবে সাইপ্রাসকে সাইপ্রাস বারো দেবে গ্রিসকে তবে এবারে অনেক ব্যতিক্রম ছিল - নরডিক /বালটিক প্রতিবেশীদের ভোট কম দিয়েছে সার্বিয়া ক্রোয়েশিয়া ওই এ বলে আমায় দ্যাখ ও বলেআমায় দ্যাখ । বেলগ্রেদের জুরি অধ্যক্ষ ডাক্তারি পোষাকে হাত ধুচ্ছিলেন ! 
  • যোষিতা | ১৯ মে ২০২২ ০৫:৪৬507824
  • বেলগ্রাদের এখন ওটাই থিম
  • dc | 122.164.202.153 | ১৯ মে ২০২২ ০৮:৩৪507828
  • ইউরোভিশান আমার খুব ফেভারিট ব্যপার। ছোটবেলায় প্রথম জেনেছিলাম অ্যাবার গান শুনতে গিয়ে, তারপর থেকে রেগুলার শুনে আসছি। প্রথমে শুনতাম রেডিওতে, তারপর টিভিতে দেখতাম। যদ্দুর মনে পড়ছে ডিডিতে বোধায় আধ ঘন্টার স্লটে দেখাতো, নাকি এমটিভিতে দেখাতো, ঠিক মনে নেই। আর এখন তো সবই য়ুটুবে পাওয়া যায়, সেই পুরনো অ্যাবা বা ব্রাদারহুড অফ ম্যানের স্টেজ পারফর্ম্যান্সগুলো অবধি আপলোড করে দিয়েছে।    
  • guru | 103.211.20.117 | ১৯ মে ২০২২ ০৯:১২507830
  • হিরেনবাবুকে ধন্যবাদ একটি সুন্দর লেখা উপহার দেবার জন্য |
     
    তবে এই যুদ্ধের অনেক গুলি দিক আছে | ভূ রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক  পেট্রো রুবল মানব ত্রাণ , এমনকি ধর্মের ব্যাপারটা পর্যন্ত আছে (রাশিয়ান অর্থডক্স ধর্ম বনাম পশ্চিমের ক্যাথলিক - প্রটেস্টান্ট ধর্ম ) |
     
    আমার মনে হয় এই যুদ্ধের কয়েকটি দিক আপনার দিক থেকে একটু বেশি করে আলোচনা করলে ভালো হতো এই ফোরাম টির দর্শকদের জন্য |
     
    1| আম্রিকি মিলিটারী ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স এর স্বার্থ | এর মধ্যেই বাইডেন প্রশাসন ৫০-৬০ বিলিয়ন USD যুদ্ধের জন্য বরাদ্দ করেছে যা রাশিয়ার সমগ্র বাজেট এর চেয়ে অনেক বেশী | এর মানে হলো যুদ্ধ এখন বেশ কিছুদিন ধরেই চলবে যা কিনা আম্রিকার বোয়িং বা লোকহীদ মার্টিন এর মতো কোম্পানি গুলোকেই প্রফিট বাড়াবে |
     
    ২ | ইউরোপের ধার্মিক দ্বন্দ্ব | রাশিয়ান অর্থডক্স ধর্ম বনাম পশ্চিমের ক্যাথলিক - প্রটেস্টান্ট ধর্ম এই দ্বন্দ্বটির কথাও বলা প্রয়োজন বলেই মনে করি |
     
    ৩ | যুদ্ধটি এখন আর শুধু ইউক্রেইন্ বনাম রাশিয়া নয় বরং সমগ্র আম্রিকি মিলিটারী ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স বনাম রাশিয়ার মধ্যে | 
    এই নিচের লিংকটি আম্রিকার এক প্রাক্তন মিলিটারি অফিসারের তরফ থেকে এসেছে যেইখানে এই যুদ্ধের জন্য আম্রিকি মিলিটারী ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সকে দায়ী করা হয়েছে | 
     
    এই বিষয়ে আপনার বক্তব্য জানবার আগ্রহ রইলো |
     
     
     
  • guru | 103.211.20.117 | ১৯ মে ২০২২ ০৯:১৪507831
  • এই মাত্র খবর পাওয়া গেলো উক্রাইনের আজভ ব্যাটেলিয়ন মারিউপোল যুদ্ধক্ষেত্রে আত্মসমর্পণ করেছে | এটাই কি ​​​​​​​শুধু ​​​​​​​জেলেনস্কি ​​​​​​​নাকি ​​​​​​​নাটোর ​​​​​​​আত্মসমর্পণ ​​​​​​​?
     
  • Ranjan Roy | ১৯ মে ২০২২ ১০:২২507834
  • হীরেনবাবু
      স্লোভান ব্রাতিস্লাভা বলে একটি চেক টিমের সঙ্গে ফুটবল ম্যাচের বেতারে শোনা ধারাবিবরণী মনে পড়ছে। একজন অল্পবয়সী ফরওয়ার্ড তখন পায়ের কাজ ও গোল করার দক্ষতায় কাগজে খুব জায়গা পেয়েছিলেন। টাটা কি সেই টিম , নাকি অন্য? কারণ টাটা (আনন্দবাজার বোধহয় তাতা লিখেছিল) নামটাও মনে পড়ছে, আর সব ঘুলিয়ে গেছে।
     
    গুরু, 
    আপনার পোস্ট পড়ে মনে পড়ছেঃ
    'মোগল শিখের রণে, মরণ আলিঙ্গনে ,
    দংশনক্ষত শ্যেনবিহঙ্গ যুঝে ভুজঙ্গ সনে'।
     
    ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার আবেদন শুনে পুতিনের দ্বিতীয় দিনে সুর বদল নিয়ে কিছু বলবেন?
  • Amit | 203.219.55.201 | ১৯ মে ২০২২ ১১:০০507839
  • একজন নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকে নিজের অভিজ্ঞতা থেকে গুছিয়ে একটা ঘটনা পরম্পরা লিখছেন। সেটা আদৌ না দেখে , সেটার প্রসঙ্গে আদৌ আলোচনা না করে , উল্টে বরং তাঁর কি কি বিষয় নিয়ে লেখা উচিত , কি কি রেফারেন্স দেখা উচিত,  প্রতিটা পর্বে সেটা ওনাকে বারবার আগ বাড়িয়ে উপদেশ দেওয়াটা একটা বিরক্তিকর পর্যায়ে পৌছেছে। 
  • guru | 115.187.60.53 | ১৯ মে ২০২২ ১৪:০৯507849
  • রঞ্জনবাবু ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার ব্যাপারটি এখনো শেষ জানা যাচ্ছেনা | এর্দোয়ান এখনো পুরো ব্যাপারটিকে ঝুলিয়েই রেখেছেন | এটি ন্যাটো দ্বারা একটি মিলিটারি ট্যাকটিক্যাল মুভ বলেই আমার ধারণা যেইখানে রাশিয়ার সামনে আরেকটি ফ্রন্ট খোলার হুমকি দেওয়া হচ্ছে | এটি নিয়ে আরো সময় দেওয়ার প্রয়োজন | পুতিন সাহেবের দিক থেকে দেখলে বলা যেতে পারে উনি কিন্তু ইউক্রেইন্ কেও ৮ বছর সময় দিয়েছিলেন যুদ্ধের আগে একটি ব্যাপারে যে তারা নাটোর সঙ্গে থেকে নিরপেক্ষ থাকবে | এখন দেখা যাক ন্যাটো ব্যাপারটি নিয়ে কি ভাবে ?
  • guru | 115.187.60.53 | ১৯ মে ২০২২ ১৪:১৯507850
  • রঞ্জনবাবু ফিনল্যান্ড ও সুইডেনের ন্যাটোয় যোগ দেওয়ার ব্যাপারটির ক্ষেত্রে আরো একটি ব্যাপার আছে | এই দুটি দেশ গত ঠান্ডা যুদ্ধের সময়েও কখনো কোনো পক্ষে যোগ দেয়নি | হঠাৎ করে এমন কি হলো যে এরা এইরকম একটা সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলো যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব আছে ? শুধু বর্তমান যুদ্ধ নিয়ে এই ব্যাপারটিকে বোঝা যাবেনা বলেই আমার ধারণা |
  • guru | 115.187.60.53 | ১৯ মে ২০২২ ১৪:২৮507851
  • হীরেনবাবু ঠান্ডা যুদ্ধের পরের থেকে তৈরী হওয়া একটি কনসেপ্ট ছিল যে সমগ্র ইউরোপ (যার মধ্যে রাশিয়াকেও একসময় ধরা হতো ) আসলে একটি যুদ্ধ বিগ্রহ হীন নিরবিচ্ছিন্ন শান্তির দ্বীপ | এটি globalization এর একটি বড় উদাহরণ | ইউরোপ তাহলে রাশিয়াকে শুধু ইউরোভিশন বা ফুটবল থেকে বের করে দিচ্ছেনা ইউরোপ globalization কেও শেষ করে দিলো | এটা থেকে প্রমান হয় globalization আসলে এমন কিছু স্থায়ী সত্য ছিলোনা ওটা একটি ইতিহাসের নির্দিষ্ট সময়ের ঘটনা ছিলো | 
  • dc | 171.60.201.188 | ১৯ মে ২০২২ ১৪:৩৪507852
  • অনন্ত খোরাক laugh
  • হীরেন সিংহরায় | ১৯ মে ২০২২ ১৬:৫৬507865
  • রঞ্জন বাবু 
     
    স্লোভান ব্রাতিস্লাভা টিম হয়তো ১৯৭৭ সালের পরে কলকাতা আসে  বা হয়তো ভুলে গেছি । এটি এককালের খ্যাতনামা চেক দল এখন স্লোভাক লিগ টেবিলের শিরোমণি ।  আপনার স্মৃতি অসাধারণ- মোহন বাগানের প্লাটিনাম জুবিলি বছরে যে হাঙ্গেরিয়ান দলটি আসে তাকে আনন্দ বাজার   তাতা বানিয়া বলে আখ্যাত করেছিল। হাঙ্গেরিয়ান বর্ণ মালা ফোনেটিক । সেখানে দ্বিধার অবকাশ নেই - টির উচ্চারণ ট । ডি এর উচ্চারণ দ । যেমন বুদাপেশট । তাই আমি টাটা বানিয়া  লিখেছি।  একটি হাঙ্গেরিয়ান ইহুদি মেয়ে একবার ইন্টার্ন হয়ে আসে- সে আমাদের টাটা কোম্পানির ফাইল আবিষ্কার করে  চমৎকৃত হয়েছিল! 
  • Ranjan Roy | ১৯ মে ২০২২ ২০:০১507870
  • গুরু
      ঘটনাচক্রে আমি পাঁচ বছর আগে হেলসিংকি ও এস্তোনিয়া বেড়াতে গেছলাম। সেখানে দেখেছি রাশিয়ার প্রতি কী অপরিসীম ঘৃণা। ট্যাক্সি ড্রাইভার জানালেন যে ওদের কারেলিয়া প্রদেশের অনেকখানি এখনও রাশিয়ার দখলে। গ্যাস ও তেল আসে রাশিয়া থেকে। বিশাল সীমান্ত। তাই সুইডেন ও ফিনল্যান্ড ন্যাটোয় এতদিন যোগ দেয় নি। কিন্তু উক্রেইনের ঘটনার পর ওরা সংসদে দু'মাস ধরে বিতর্কের পর ন্যাটোয় যোগদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বেসামরিক নাগরিকরাও মিলিটারি ড্রিল করছেন। বিমান আক্রমণে শেল্টারে ঢোকার রিহার্সাল চলছে।
    পুতিন কতগুলো ফ্রন্ট খুলবেন? 
  • guru | 103.211.20.117 | ২০ মে ২০২২ ১২:৩৮507880
  • রঞ্জন বাবু 
                ন্যাটো এপ্লিকেশন প্রসেস পূর্ণ করতে সুইডেন ও ফিনল্যান্ড আরো বেশ কিছুদিন সময় লাগবে | আমি কিন্তু মাত্র দুই মাসের সংসদে বিতর্কের পর সিদ্ধান্তটি ঠিক নয় বলেই মনে করি | সমগ্র ঠান্ডা যুদ্ধের সময়েও যারা ন্যাটোতে যোগ দেয়নি তাদের এই এতো তাড়াতাড়ি এইরকম কিছু করার আগে অনেক কিছু ভাবা উচিত ছিল বলেই আমি মনে করি | 
     
    দেখুন পুতিন সাহেব এই সুইডেন ও ফিনল্যান্ড তখনই আক্রমণ করবেন যদি তারা আম্রিকি মিলিটারি বেস তাদের দেশে বানাতে দেয় এবং তার ফলে রাশিয়ার উপর আক্রমণ আসার সম্ভাবনা থাকে | ইউক্রেইন্ এর বর্তমান পরিস্থিতি আসার আগে প্রায় ৮ বছর ধরে পুতিন সাহেব তাদের বুঝিয়েছিলেন ন্যাটো তে না যেতে আর ডোনবস কে নির্যতন না করতে কিন্তু জিলেন্সকি বা পোরোশেঙ্কো কেউই আম্রিকার চাপে সেই কথা শোনেনি | পরিনাম ইউক্রেইন্ এর প্রায় অর্ধেক মানুষ এখন হয় নিজের দেশে বা বিদেশে শরণার্থী | দেখুন এখনো যদি যুদ্ধ শেষ হয়ে যায়(যার কোনো সম্ভাবনাই এখন দেখছিনা ) তাহলেও ইউক্রেইন্ এর প্রায় পুরো উপকূলভাগ রাশিয়ার হাতে এবং আর্থিক ক্ষয়ক্ষতি যা তাতে অন্তত আগামী বেশ কয়েকটি বছর ইউক্রেইন্ মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবেনা |
     
    আম্রিকি মিলিটারী ইন্ডাস্ট্রিয়াল কম্পলেক্সের পোয়া বারো হবে এখন  এই ইউক্রেইন্ যুদ্ধ থেকে বা পরে সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ হলে কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে তার ফলে উক্রাইনের সাধারণ মানুষের কিছু লাভ হয়েছে কি ? সুইডেন ও ফিনল্যান্ডের সঙ্গে রাশিয়ার যুদ্ধ হলে কিন্তু সেই দেশের সাধারণ মানুষের সম্পূর্ণ ক্ষতি যেহেতু তাদের মোট জনসংখ্যা উক্রাইনের থেকে অনেক কম এবং যুদ্ধটি তাদের দেশেই হবে | এদের নেতাদের উক্রাইনের উদাহরণ দেখে আমার মনে হয় বিতর্কের জন্য আরো সময় নেওয়া উচিত ছিল | অবশ্য আম্রিকি মিলিটারী ইন্ডাস্ট্রিয়াল কম্পলেক্সের আর্থিক স্বার্থের প্রতিবাদ করার ক্ষমতা ইউরোপের খুব কম দেশেরই আছে |
  • Amit | 203.219.55.201 | ২১ মে ২০২২ ০৯:৫০507906
  • ভাবলাম এখানেও জিগিয়ে যাই।
     

    আজকে খবর এলো চীন নাকি পাকিস্তানে সেনা ঘাঁটি বানাতে চাইছে ? তো যারা এদ্দিন পুতিনকে সাপোর্টাছিলেন , এটাকে ইন্ডিয়ার জন্যে মেজর সিকিউরিটি থ্রেট ধরে প্রধান সেবক কে একইরকম সাপোর্টাবেন তো ? নাকি আবার মদন মিত্তিরের মত প্রেক্ষিত দেখা হবে ? 
     
    https://www.anandabazar.com/world/china-planning-to-build-an-army-base-in-pakistan/cid/1345626
  • guru | 103.135.229.33 | ২১ মে ২০২২ ১৩:৩৫507916
  • অমিতবাবু সবচেয়ে বড়ো কথা হলো যে পাকিস্তানে চীন সামরিক ঘাঁটি চাইবেই বা কেন এবং এর সঙ্গে এটা ইন্ডিয়ার জন্যে মেজর সিকিউরিটি থ্রেট কেনই ​​​​​​​বা ​​​​​​​হবে ? সবচেয়ে ​​​​​​​বড়ো ​​​​​​​কথা ​​​​​​​হলো ​​​​​​​দেখুন ​​​​​​​পাকিস্তান ​​​​​​​বা ​​​​​​​চীন ​​​​​​​কেউই ​​​​​​​এখন ​​​​​​​যুদ্ধ ​​​​​​​চায়না কাজেই এই ধরণের খবরের কোনো যুক্তি নেই |
     
    এইগুলি সবই অপ্রাসঙ্গিক ব্যাপার | আমি পাকিস্তানের কোনো Newswebsite এ এই খবরটি দেখিনি কাজেই আমার ​​​​​​​মনেই ​​​​​​​হয়না ​​​​​​​এইটা ​​​​​​​কোনো প্রকৃত ​​​​​​​সত্যি ​​​​​​​ঘটনা | আমি ​​​​​​​কোনো ​​​​​​​ভারতীয় ​​​​​​​মিলিটারি ​​​​​​​ফোরামেও  ​​​এই ​​​​​​​ধরণের ​​​​​​​খবর ​​​​​​​পাইনি |  
     
    পাকিস্তানে ​​​​​​​জাস্ট ​​​​​​​দুমাস ​​​​​​​আগে আম্রিকা ইমরান খানের নির্বাচিত সরকারকে উৎখাত করে রেজিম চেঞ্জ ​​​​​​​করেছে ​​​​​​​এইটা ​​​​​​​সবচেয়ে ​​​​​​​বড়ো ​​​​​​​ঘটনা অথচ ​​​​​​​এইটা ​​​​​​​নিয়েই ​​​​​​​এইখানে ​​​​​​​কেউ ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​বলছেনা | এখন ​​​​​​​পাকিস্তানে ​​​​​​​একটি ​​​​​​​আম্রিকি ​​​​​​​পুতুল ​​​​​​​সরকার ​​​​​​​আছে ​​​​​​​তারা ​​​​​​​কেন চীনকে সামরিক ঘাঁটি ​​​​​​​দেবে ? কাজেই আমার ​​​​​​​মনে ​​​​​​​হয় ​​​​​​​এটি ​​​​​​​একটি fake নিউজ ​​​​​​​মাত্র |
     
    এখন আসল ঘটনা হচ্ছে ইউক্রেইন্ | বাকি সবই অপ্রাসঙ্গিক | পুতিন সাহেব যেহেতু ওখানে ক্রমশঃ জিতেছেন তাই এখন এইসব অপ্রাসঙ্গিক খবর শোনানো হচ্ছে যার মধ্যে কোনো যুক্তি নেই |
    ​​​​​​​
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন