ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • দূরে কোথায় - ১২ 

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৬ এপ্রিল ২০২২ | ১১৩৮ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  • বুচা

    কিইভের উপকণ্ঠ বুচার পথে দেখা গেছে সারি সারি মৃতদেহ।

    রাশিয়ান বিদেশ মন্ত্রী সেরগেই ভিক্তরোভিচ লাভরভ বলেছেন রাশিয়াকে বদনাম করার  জন্য ফোটো শপের ছবি চাউর করা হচ্ছে। ভালো করে দেখুন ভিডিওতে – দেখবেন তারা উঠে চলে বেড়াচ্ছে। ফেক নিউজ।

    শ্রী লাভরভ বলেছেন রাশিয়ান সৈন্য দ্বারা কোন ব্যক্তি নিহত হন নি।  শ্রী লাভরভ একজন সম্মানিত ব্যক্তি (ফর হি ইজ অ্যান অনরেবল ম্যান)।

    ইউক্রেনের রাষ্ট্রপতি জেলেনসকি এই নির্মমতাকে গণহত্যা বলেছেন।

    কোনো এক জাতি বিশেষের  বহু সংখ্যক মানুষকে বধ করে সেই জাতিকে সমূলে উচ্ছেদ  করার যে প্রয়াস অক্সফোর্ড অভিধানের  মতে তার নাম জেনোসাইড বা গণহত্যা । অনেক হাজার বছরের  সভ্যতা এবং বর্বরতার ইতিহাসে মানুষের প্রতি মানুষের নিষ্ঠুরতার নিদর্শন অন্তহীন। তবে তার মধ্যে কোনগুলি গণহত্যার  অসম্মান অর্জন করতে পারে তা নিয়ে বিতর্ক আছে। রাজনীতিতে বিরোধী মতবাদের মানুষকে বা বিজিত শত্রুকে  ফায়ারিং স্কোয়াড দ্বারা অথবা ছুরিকাঘাতে নিধন করাকে গণহত্যা  আখ্যা দেওয়া যায় না। তাকে আমরা কখনো বলি লম্বা ছুরির রাত  (জার্মানি ৩০শে জুন ১৯৩৪) অথবা পারজ, এলিমিনেশন (অগুনতি) ।

    সঠিক সংজ্ঞা গুলি মেনে নিলে আধুনিক সভ্যতার ইতিহাসে প্রথম গণহত্যার কৃতিত্ব জার্মানদের প্রাপ্য।  স্থান জার্মান দক্ষিণ-পশ্চিম আফ্রিকা, আজকের নামিবিয়া, কাল ১৯০৪।  হেরেরো নামের স্থানীয় উপজাতির বিরোধিতায় ক্ষিপ্ত জার্মান সেনাপতি লোথার ফন ত্রথা নামের এক সেনাপতি লিখিত আদেশ দেন – "হেরেরো জাতিকে সমূলে বিনাশ করতে হবে,  শুধু বন্দুকের গুলিতে নয়,  তাদের ঠেলে পাঠাতে হবে এমন অঞ্চলে যেখানে জল নেই।" আশি হাজার হেরেরো নিধনের  পরে জার্মান কাইজারকে লিখলেন, "যেসব পুরুষ নারী ও শিশুকে পেয়েছি তাঁদের নির্মমভাবে (গ্নাদেনলোস) হত্যা করেছি।  এদের কারো কাছে অস্ত্র ছিল না।"  ফিল্ড মার্শাল আলফ্রেড ফন  শ্লিফেন সমর্থনে বলেন, "একটা জাতির বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই – তাদের বিনাশ আমাদের লক্ষ"। হিটলারের বয়েস তখন পনেরো,  গোয়েরিঙের এগারো, দুনিয়ার আলো দেখতে  আইখমানের দু বছর বাকি।  


    জার্মান সৈন্যদের  তত্ত্বাবধানে হেরেরো হত্যা

    আটত্রিশ  বছরে বাদে ভানজে কনফারেন্সে  হিটলার,  গোয়েরিং,  আইখমান  আরেক জাতিকে উচ্ছেদ করার সিদ্ধান্ত নেবেন। ব্লু প্রিন্ট তো তৈরি।

    একশো সতেরো বছর বাদে জার্মানি হেরেরো নিধনকে গণহত্যা বলে স্বীকার করেছে।

    দ্বিতীয় দৃশ্য - অটোমান তুরস্ক;  কাল ১৯১৫-১৬। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের  শুরুতে আর্মেনিয়ান ক্রিশ্চিয়ানদের আনুগত্য সম্বন্ধে সন্দিহান অটোমান সুলতানরা বিশ লক্ষ আর্মেনিয়ানকে নিধন বা  নির্বাসনের সাজা দিলেন।  সঠিক সংখ্যা কখনো জানা যাবে না তবে বন্দুকের গুলি, অনাহার, শীতে মৃতের সংখ্যা দশ  লক্ষের বেশি বলে অনুমান করা হয়ে থাকে।  


    তুরস্ক ১৯১৫ - আর্মেনিয়ানদের মৃত্যু মিছিল

    আপনার কোন তুর্কী বন্ধু জনের সমক্ষে আর্মেনিয়ান গণহত্যার প্রসঙ্গ তুললে বিপদে পড়বেন। আজও তুরস্ক স্বীকার করে না এমন কোন ঘটনা ঘটেছিল। ফেক নিউজ। কোন দেশ -যেমন হালে ফ্রান্স – এই ভুল করলে তুরস্ক তাদের কড়ি সে  কড়ি নিন্দা করে থাকে।

    এক বিদেশি শক্তির তৈরি কৃত্রিম দুর্ভিক্ষ বাঙালি দেখেছে -পঞ্চাশের মন্বন্তর। সেখানে কম করে তিরিশ লক্ষ মানুষ অনাহারে প্রাণ দিয়েছিলেন।
      
    ১৯৩২-৩৩ সালে ইউক্রেনে অন্তত সত্তর লক্ষ, মতান্তরে আরও বেশি মানুষ মারা গেছেন তাঁদের আপন দেশের তৈরি আরেক  দুর্ভিক্ষে। তার নাম  হলদমোর, বাঙলায় অনাহারে মৃত্যু।  এ নিয়ে কোন আলোচনা বারণ ছিল সোভিয়েত আমলে।  ১৯৯১ সালের পরে ইউক্রেন একে গণহত্যা বলেছে।


    ১৯৩৩ - ক্ষুধায় মৃত মানুষ - কিইভ, হলদমোর

    সোভিয়েত অর্থনৈতিক ইতিহাস পড়েছি অর্থনীতির ক্লাসে। সেখানে  যৌথ খামার (কোলখোজ) প্রকল্প ছিল  একটি বিশাল  অধ্যায়। আলেক নোভের বই ছিল পাঠ্য। ১৯১৭ সালে লেনিন সকল রাশিয়ানকে শান্তি, জমি ও রুটির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তার সফল রূপ দেবার জন্য প্রয়োজন ছিল চাষ ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন। চাষি হারাবে তার দখলি স্বত্ব -  জমির আল গুলি ভেঙ্গে ফেলে মিলিয়ে তৈরি হবে এক বিশাল বিশ, তিরিশ হাজার হেকটরের চাষের জমি – যৌথ খামার।  যেখানে ঘোড়া আর লাঙ্গল নয়, চলবে ট্র্যাক্টর, কম্বাইন হারভেসটর।

    ফসল উৎপাদনে ইউক্রেন  সোভিয়েত ইউনিয়নের সকল রিপাবলিকের সেরা। ইউক্রেন একাই পশ্চিম ইউরোপকে দুধে ভাতে রাখতে পারে। সেখানকার চাষিরা  যৌথ খামার প্রকল্পের কথা  শুনেই ‘এ দেশ তোমার আমার আর আমরা গড়ি খামার’   এই   গান গাইতে গাইতে  সে মহান আন্দোলনে যোগ দিতে চান নি।  তাঁরা  সন্দিহান ছিলেন।  জারের আমলের ভূমিদাসত্ব কি এবারে আরেক রূপ নিতে যাচ্ছে? নতুন জমিদার? পার্টি?

    ১৯৩২/ ৩৩ সালের ফসল আশানুরূপ হয় নি।  তার কারণ বহুবিধ - বড়ো খামারের উপযুক্ত আধুনিকীকরণ হয় নি, সোভিয়েত ইউনিয়নের শিল্পায়ন অনেক দূরে,  ম্যানেজমেন্ট ক্রূর কিন্তু অকর্মণ্য, আপন জমি হারানোর ভয়ে  চাষিদের বিরোধিতা, খরা।


    ফুটপাথে মৃত মানুষ - হলদমোর

    সোভিয়েত ইউনিয়নে যোগ দেবার সময় (১৯২২) ইউক্রেন আপন পতাকা,  সংবিধান বজায় রাখার এবং আপন ইচ্ছায় সোভিয়েত ইউনিয়ন পরিত্যাগ করার (রাইট টু সিসিড ) অধিকার দাবি করেছিল। লেনিন তার সমর্থন করেন। কিন্তু স্টালিন ইউক্রেনকে সন্দেহের চোখে দেখেছেন, বিশেষ করে তাদের জাতীয়তাবাদী মনোভাবকে। ১৯৩২/৩৩ সালে ইউক্রেন  পেলো তার শাস্তি – একদিকে ইউক্রেনের শস্য রপ্তানি হচ্ছে দেশের অন্যত্র বা বিদেশে কিন্তু ইউক্রেনের অধিবাসীদের জন্য কেন্দ্রীয় সরকার চালু করলেন এক কঠিন র‍্যাশন ব্যবস্থা।  প্রথম দিকে কিইভ, খারকিভ, মারিউপোলে তবু র‍্যাশন জুটত, গ্রামের দিকে ত্রাহি ত্রাহি রব। ১৯৩৩ সালের ফেব্রুয়ারি মার্চ থেকে বড়ো শহরে খাদ্য দ্রব্য মেলা ভার হল – পথে পথে ক্ষুধার্ত মানুষের সারি, ফুটপাথে মৃতদেহ।  শুধু অনাহার নয়, ওডেসা খারকিভ ভিনিতসিয়াতে ম্যালেরিয়া টাইফয়েড দেখা দিলো মহামারি রূপে। ইউক্রেনিয়ানদের গতিবিধি আপন রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ – তাঁদের হাতে যে পরিচয় পত্র ধরানো হয়েছে তাতে অন্য প্রদেশে যাওয়া মানা।

    জীনা য়হাঁ মরনা য়হাঁ।

    ইউক্রেনের সীমানার বাইরে বসবাসকারী  বহু ইউক্রেনিয়ানকে  খুঁজে খুঁজে মারা হয়। ইউক্রেনিয় ভাষা শিক্ষকদের নির্বাসন বা নিধন হল নিশ্চিত। ক্রাসনোদারে দু হাজার বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করা হয়। 

    বক্সিঙ্গের মতো টেকনিকাল পয়েন্টে হলদমোর গণহত্যা  কিনা এ নিয়ে বিসংবাদ আছে। থাকতেই পারে।  তবে ইউক্রেন সহ  অন্তত কুড়িটি দেশ আজ একে গণহত্যা বিবেচনা করে।

    বুচার ঘটনাকে কি হিসেবে মাপা হবে জানি না কিন্তু বর্তমান ঘটনাবলির পরিপ্রেক্ষিতে ইউক্রেন এবং রাশিয়ার মৈত্রীর গভীরতা অনুধাবন করতে  গেলে হলদমোরকে  একবার স্মরণ করা সঙ্গত।


    বুচা

    **

    সারবিয়ার সঙ্গে রাশিয়ানদের হৃদ্যতা আজকের নয়। সেরায়েভো শহরের ল্যাটিন ব্রিজের কোনায়  সারবিয়ান  যুবক গাভরিলো প্রিঞ্চিপ যখন ভাবী অস্ট্রিয়ান রাজার ওপরে গুলি চালালেন এবং অস্ট্রিয়া  সার্বিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করলো, তখন সেই দেশের সমর্থনে সবার আগেই  এসেছেন  রাশিয়ান জার।   ইয়ে দোস্তি অমর রহে।

    তার নমুনা আবার পাওয়া গেলো  রবিবার, জার্মান টেলিভিশনে।

    কেনিয়ার মাসাই জাতিকে বাদ দিলে  গড়পড়তা ডাচরা  দুনিয়ার সবচেয়ে লম্বা মানুষ। তারপরেই লিথুয়ানিয়ান। অনুমান করে নেওয়া সহজ যে এই দেশের  জাতীয় ক্রীড়ার নাম বাস্কেটবল!  সোভিয়েত ইউনিয়ন একাধিক অলিম্পিকে  বাস্কেটবলে সোনা জিতেছে।  লিথুয়ানিয়া আলাদা  হবার পরে একবারও  নয়!  ভিলনিউসের  বারো হাজারি স্টেডিয়ামে যে উন্মাদনা দেখেছি,  আর্সেনাল বনাম টটেনহাম হটস্পারের ম্যাচের চিল চিৎকার তার কাছে মৃদু কলরব মাত্র। অবশ্যই ইনডোর স্টেডিয়ামে আওয়াজ একটু বেশি কানে লাগে। দ্বিতীয় শহর কাউনাসের জালগিরিশ স্টেডিয়ামে পনেরো হাজার বসে এবং পাঁচ হাজার দাঁড়িয়ে খেলা দেখতে পারেন।  সেখানকার ডেসিবেল কোথায় পৌঁছুতে পারে তার নমুনা দেখা গেছে এই রবিবার তিন এপ্রিলে।


    কাউনাস লিথুয়ানিয়া ৩ এপ্রিল

    জালগিরিশ কাউনাস বনাম লাল তারা বেলগ্রেডের খেলা। জাতীয় সঙ্গীতের সময় ইউক্রেনের হলুদ নীল রঙের পটভূমিকায় স্টপ দি ওয়ার ব্যানার তুলে ধরা হলে বেলগ্রেডের প্লেয়াররা দূরে সরে দাঁড়ান। পতাকার সামনে থাকেন কাউনাসের পাঁচজন প্লেয়ার এবং তিনজন কর্মকর্তা। সমবেত বিশ হাজার লিথুয়ানিয়ান দর্শক পরবর্তী এক ঘণ্টা উচ্চস্বরে যে গাল মন্দ করেন (ইংরেজিতে ‘ফা- ইউ সার্বিয়া’  শোনা গেছে পুরো সময়) তাতে লাল তারার কর্তৃপক্ষ বিষম অপমানিত বোধ করে বাস্কেটবল অ্যাসোসিয়েশনের কাছে কাউনাস ক্লাবের শাস্তি দাবি করেছেন। তাঁরা মনে করেন খেলার সঙ্গে রাজনীতির কোন সম্পর্ক থাকা উচিত নয়।

    লাল তারা বেলগ্রেড দলের  পৃষ্ঠপোষক রাশিয়ান তেল প্রতিষ্ঠান - গাজপ্রম।

    সেই একই দিনে  শ্রী পুতিনের প্রিয় মানুষ আলেকজান্দার ভুচিচ সার্বিয়ার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেন।

    পু: খেলার ফল কাউনাস ১০৩- লাল তারা ৯৮

    ৫ এপ্রিল, ২০২২
     
  • আলোচনা | ০৬ এপ্রিল ২০২২ | ১১৩৮ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নাইটো - একক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ০৬ এপ্রিল ২০২২ ১৬:১৬506072
  • আমার কাছে এই ধারাবাহিক প্রতিবেদন সফলভাবে যেটা তুলে ধরছে সেটা এই - অন‍্য কোন দেশের কোন উস্কানি বা বিপজ্জনক ভূমিকা না থাকার দিনগুলি থেকেই রাশিয়া ইউক্রেনকে লুট করে এসেছে। কোন মন্তব্যে তথ্যগতভাবে এর বিরোধিতা নজরে আসেনি। 
  • Prabhas Sen | ০৬ এপ্রিল ২০২২ ১৭:০৭506074
  • গণহত্যার ইতিহাসে বেলজিয়ামের রাজা দ্বিতীয় লিওপোল্ডের কথা আসবেই। কম করে দশ লক্ষ কঙ্গোলিজ মানুষের হত্যার দায় এর উপরে বর্তায়। 
  • dc | 122.164.204.240 | ০৬ এপ্রিল ২০২২ ১৭:২৫506075
  • Borodyanka শহরে নাকি রাশিয়ান স্নাইপাররা সিভিলিয়ানদের মেরেছে। 
  • পলিটিশিয়ান | 63.157.188.195 | ০৬ এপ্রিল ২০২২ ১৭:৫২506076
  • দেশপ্রেম নাকি স্কাউন্ড্রেলদের জন্য ভাল জিনিস বলে শোনা যায়। ইউক্রেন নিয়ে আমরা খেয়োখেয়ি করছি, আর যাদের ক্ষীর খাওয়ার তারা খেয়ে যাচ্ছে।
     
    https://www.jacobinmag.com/2022/04/arms-weapons-manufa
  • সিএস | 49.37.34.54 | ০৬ এপ্রিল ২০২২ ২১:০০506083
  • ডিসি বিল গেটসের সাথে জেনোসাইডের খোঁজ করছিলেন না ? নিন, এই নিন, ICJ তে কেস ফাইল হয়েছে। গেটস, ফাউচি, বো জো, ভ্যাক্স কোম্পানীর মাথারা - সবাইকে পাকড়েছে।

    https://www.thedesertreview.com/opinion/columnists/gates-fauci-and-daszak-charged-with-genocide-in-court-filing/article_76c6081c-61b8-11ec-ae59-7718e6d063ed.html

    এবার এটা ফেক না পশ্চিমের কনস্পিওয়ালাদের নেই কাজ তো খই ভাজ, সেসব খুঁজুন।
  • dc | 122.164.204.240 | ০৬ এপ্রিল ২০২২ ২২:০৮506085
  • যাক গণহত্যাকারীদের লিস্টিতে বিল গেটসের নাম ছিল না দেখে একটু অশান্তিতে ছিলাম। তবে গেটস, ফাউচি, আর পিটার ডাশাক কে একসাথে পাকড়েছে মানে এটা ব্রাইটবার্ট আর টাকার কার্লসন লেভেলের ছিলো। ফাউচি আর ডাশাক রাইট উইং আর ক্রিশ্চান কনসারভেটিভদের ফেভারিট হুইপিং বয়। 
  • s | 100.36.157.137 | ০৬ এপ্রিল ২০২২ ২২:২৯506089
  • শুধু ক্রিশ্চান কনজার্ভেটিভদের দোষ দেওয়া আনফেয়ার। কোভিড আর ভ্যাক্সিন ডিনায়ারদের মধ্যে ক্রিশ্চান, হিন্দু, মুসলিম, জুইশ, কনসারভেটিভ, লিবারাল, প্রগ্রেসিভ সব স্ট্রাইপ্রের লোক  আছে।
  • পলিটিশিয়ান | 76.79.186.210 | ০৯ এপ্রিল ২০২২ ০১:৫৫506151
  • On Feb. 24, 2022, I—Vladimir Putin—sent troops into Ukraine to conduct a special military operation. As the president of Russia, I obviously expected resistance from leaders of certain key world powers, but I must say I’ve been surprised at how the United States, specifically, has reacted.
     
    What gives? I thought this was the shit America liked! I thought invasions, war, and unprovoked aggression against a small, far less militarized nation was kind of like, your thing, you know? What am I missing here?
     
     
    ওনিয়ন অনেকদিন বাদে একটা সত্যিকারের ভাল লেখা প্রকাশ করল।
  • পলিটিশিয়ান | 76.79.186.210 | ০৯ এপ্রিল ২০২২ ০১:৫৭506152
  • টাইম থাকলে পুরো লেখাটা পড়ে ফেলুন। নিতান্ত নিও কন না হলে ভাল লাগবে। মানে এই কন্টেক্সটে যদি ভাল লাগা কথাটা ব্যবহার করা যায়।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন