ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • দূরে কোথায়  ৩২ 

    হীরেন সিংহরায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৯ জুন ২০২২ | ৫৮৬ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • রাসটন লজের দিন

    বসার ঘর ত্রাণ সামগ্রীতে ভরা। আমার প্রিয় কেদারা এবং টেলিভিশনের মাঝে স্তুপাকৃত জামা কাপড় । সেদিন একজন জিজ্ঞেস করলেন আপনি টিভির পুরো স্ক্রিন দেখতে পান ? জানাতে হল এই কয়েকদিন হল ক্রিকেট পীচের এবং ফুটবল মাঠের দুটো প্রান্ত দৃশ্যমান । আগে অনুমানে কাজ চালাতে হতো ! গোটা রাসটন লজ এমনি ভরে আছ মানুষের দানে ! 


     
    বাড়ির নাম রাসটন লজ ।

    বোলপুর থেকে ইলামবাজার যাওয়ার পথে বিশাল শালের জঙ্গলে ঢোকার ঠিক আগে বাস যেখানে দাঁড়ায় সেই বিরতি স্থলের নাম ছিল বনভিলা।  এমন নাম কেন ?  দুবরাজপুরগামী স্বাধীন ভারত বাসের কনডাকটর আমাকে বলেছিল এইখানে একটা বাড়ি আছে গো , তার নাম বনভিলা । তাই থেকে স্টপের নাম।

    সিংহরায় , আমলাপাড়া , ঝরিয়া লিখলেই চিঠি এসে পৌঁছুতো আমাদের ঝরিয়ার বাড়িতে। সামনের রাস্তার কোন নাম ছিল কিনা আজও জানি না । পদুমা গ্রামের নাম আর পোস্ট অফিস খণ্ডগ্রাম ( এই গ্রামে তরুণ মজুমদারের ফুলেশ্বরী , গণদেবতার শুটিং হয়েছে !) লেখা থাকলে রানার চিঠি দিয়ে যেতো । তার  হাতে বল্লম , সঙ্গে ঘণ্টি বাঁধা । সে চেহারাটা এখনও মনে পড়ে । মা রানারকে  চিঁড়ে মুড়ি খাওয়াতেন।

    কলকাতায় আসার পর বাড়ি নম্বর দ্বারা অলঙ্কৃত হয়েছে   । পাইকপাড়ায় আমাদের প্রথম ঠিকানা ছিলো  ১৭/১১এ /২৩/১এ রাজা মনীন্দ্র রোড । ভাগ্যক্রমে এটি এখন ২৫/৮ নর্দার্ন এভেনিউ নামে পরিচিত। দত্ত নিবাস , মুখুজ্যে পরিবার এমনকি ভালবাসা নাম বহনকারী বাড়ি দেখলাম কলকাতায় এসে । যতদূর মনে হয় পোশাকি নাম থাকলেও  সেই সব বাড়ির হয়তো নিজস্ব নম্বরও ছিল। অত্যন্ত ধনী  ব্যক্তির আবাস  বাদে জার্মানিতে বাড়ির নাম বিরল। সব জার্মান ঠিকানা তিন লাইনের – প্রাপক, রাস্তার নাম, বাড়ির নম্বর,  পিন কোড সহ শহরের নাম। ইংল্যান্ডে এসেও তার কোন ব্যত্যয় দেখি নি । তবে এ দেশে গাড়ি বাঁ দিকে চলে তাই বোধহয় নম্বরের অবস্থিতি বদলে যায়।  জার্মানিতে আমাদের ফ্রাঙ্কফুর্টের বাড়ির  ঠিকানা  ছিল স্পরস্ত্রাসে ১২ ।
     
    গোলডারস গ্রিনের বাড়ির ঠিকানা  ২৬ হীথফিল্ড গার্ডেনস। 

    সারের গ্রামে যে বাড়িটি আমরা কিনি তার কোন নম্বর নেই- একটা নাম আছে। রাসটন লজ । আমি যে বছর কাঁটাকলে অর্থনীতির শেষ পরীক্ষা দিচ্ছি , সেই বছরে জর্জ এবং জেনি অ্যাডামস এই ন্যাপহিল গ্রামে অনেকটা জমি কিনে এই বাংলো বাড়িটি বানান । জর্জ অ্যাডামসের ব্যবসা ছিল ইংল্যান্ড এবং ইউরোপ জুড়ে ক্রেন এবং মেশিনারি কেনা বেচার। তাঁর একটি বিশেষ প্রিয় ক্রেনের নাম রাসটন বুসিরুস। সেই ক্রেনের স্মৃতিতে বাড়ির নাম । তিনজন বন্ধু মিলে ন্যাপহিল গ্রামের একটি সংরক্ষিত ( কনজারভেশান ) এলাকায় বাড়ি তৈরি করার অনুমতি পেয়েছিলেন উওকিং পৌরসভার কাছে।  শর্ত অনেক । একতলা বাংলো হতে হবে , সমস্ত গাছ সরকারি কানুনে সুরক্ষিত । কোন  গাছ ছাঁটা বা কাটা হরগিজ মানা।  মাঝে মধ্যে সেটি নিরক্ষন করে যান আমলারা । 
     
    ২৭শে আগস্ট ১৯৪৯ সালে জেনি ও জর্জের বিবাহ হয় স্থানীয় গিরজেয়।  ইতিমধ্যে জর্জ সুপ্রতিষ্ঠিত এ অঞ্চলে তিনি প্রথম রোলস রয়েস গাড়ি চড়তেন। তখন তাঁরা থাকতেন নিকটবর্তী হুক হীথ গ্রামে। মেয়ে ম্যাগি জন্মানোর কিছু পরে রাসটন লজের স্থাপনা হয়। 
     
    জর্জ অ্যাডামস মারা গেছেন ২০০৭ সালে । তার দু বছর বাদে আমরা  বাড়িটি কিনি তাঁর স্ত্রী জেনি অ্যাডামসের কাছ থেকে।  তাঁদের  একমাত্র সন্তান ম্যাগি থাকেন নিকটবর্তী ফ্রিমলি গ্রামে সেখানে একটি ছোটো বাংলো কিনে উঠে গেছেন জেনি। আমাদের জন্য তাঁরা রঙ্গিন ছবি সহ রাসটন লজের একটি পরিচিতি পত্র  রেখে যান-  সেখানে আছে এ বাড়ির , অ্যাডামস পরিবারের ইতিহাস।


     
    রাসটন লজ  
     
    যা তাঁরা লিখে যান নি তা জেনেছি অনেক পরে ।

    সেটা  শুনেছি  স্থানীয় ছুতোর মিস্ত্রি বা কলের মিস্ত্রি , বাগানের মালী , হাই স্ট্রিটের  দোকানের মালিক ইত্যাদি  ন্যাপহিল গ্রামের পুরনো বাসিন্দাদের কাছে । অতি সম্প্রতি  ইউক্রেন ত্রাণে সাহায্য দিতে এমন কয়েকজন এলেন  যারা অ্যাডামস পরিবারকে সরাসরি জানতেন অথবা তাঁদের কথা শুনেছেন।কেউ বা তাঁদের দেখেন নি ,  কৃতজ্ঞ পিতা মাতার কাছে সেই আশ্চর্য দুটি মানুষের  গল্প শুনেছেন শুধু , যারা কোন খ্যাতি কোন খেতাব চান নি।  
                 
       
    দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে সব কিছুরই টানাটানি । রুটি , কয়লা র‍্যাশনে পাওয়া যেতো , চকোলেটের র‍্যাশন ছিল ১৯৫৮ অবধি।  বাড়ির বাথরুম অজানা বস্তু। মাঝে মধ্যে সার্বজনীন স্নানঘরে পয়সা দিয়ে গা ধোয়ার ব্যবস্থা।  সেন্ট্রাল হিটিং অনেক দূরে তখন।  যুদ্ধে ভাঙ্গা বহু  বাড়ির মেরামত হয় নি। যুদ্ধ থেকে যারা ফেরেন নি ব্রিটিশ সরকার তাঁদের পরিবারকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করেছেন । লন্ডন অনেক দূরের শহর ।  জর্জ এবং জেনি অ্যাডামস নিঃশব্দে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন তাঁদের দিকে ।  না,  কোন ইউনিসেফ বা অক্সফ্যামে  টাকা পাঠিয়ে বিবেক পরিষ্কার করেন নি । নিজের হাতে টাকা বা সামগ্রী পৌঁছে দিয়েছেন ।
     
    ১৯৯৯ সালের ২৭শে আগস্ট  বিবাহের সুবর্ণ জয়ন্তীর দিনে শেষ বারের মতো জর্জ অ্যাডামস জেনিকে নিয়ে গিরজে থেকে রাসটন লজ অবধি তাঁর প্রিয় সিলভার শ্যাডো রোলস রয়েস চালান । পরের দিন সেটি নিলামে তোলা হয় – সে যাবত প্রাপ্ত সমস্ত টাকা দান করেন।

    যখন কেউ বলেন , আহা কি ভালো কাজ করছেন মানুষের জন্যে,  ইউক্রেনের জন্যে , জর্জ ও জেনি অ্যাডামসের গল্প  বলি । তাঁদের ছবি দেখাই । এই বাড়িতে তাঁরা যে সদিচ্ছা রেখে গেছেন আমরা সেটি অনুসরণ করার সামান্য চেষ্টা করছি মাত্র।
     
    লজ্জার কথা এই যে আবার তার জন্য ঢাকও পেটাচ্ছি !

    অশ্রু যদি আছে চক্ষে ভরা *

    ইউক্রেনের যুদ্ধ অথবা মহামতি পুতিনের ভাষ্য অনুযায়ী  বিশেষ সামরিক উদ্যোগ চলেছে আঠারো সপ্তাহ যাবত । এর অর্ধেক সময়ে নাৎসি জার্মানি ইউরোপের অর্ধেকটা দখল করে ।

    শুরুতে আমরা ত্রাণ সামগ্রী পাঠিয়েছি ইউক্রেনে। গত তিন মাস ধরে  ইউক্রেনের শরণার্থীরা সারেতে  আসছেন শূন্য হাতে , কখনো এক বস্ত্রে । তাঁদের প্রয়োজনের সঙ্গে আমাদের সাধ্য সব সময় মেলে না – যেমন জুতোর নম্বর জামার সাইজ ! কখনো আবার বিশেষ অনুরোধ আসে,  কাকতালীয়বৎ যোগাযোগ হয়ে যায় । এক মা সেদিন বললেন অন্যদের মতো তাঁর আট বছরের ছেলে স্মার্ট ফোন নিয়ে খেলে না। সে লেগো পাগল। দু দিন বাদে হঠাৎ একজন একটা বিশাল লেগোর বাকসো দিয়ে গেলেন!  আমি গাড়ি নিয়ে ছুটেছি সেটি পৌঁছে দিতে । লেগো পাওয়ার পরে বনিস্লাভ নামক বালকের মুখের সেই হাসিটি আমার বাকি জীবনের সম্পদ হয়ে থাকবে ।

    আরেকজন পুশ চেয়ার বা প্র্যাম  খুঁজছিলেন তাঁর আঠারো মাসের মেয়ের জন্য । কাল একজন এলেন প্র্যাম নিয়ে – ইতস্তত করে বললেন এটা কি কোন কাজে লাগবে ? বললাম কাজে লাগবে মানে? উওকিঙ্গে একটি মা হা পিত্যেশ করে বসে আছেন !

    ভিক্তরিয়া কাজ করতেন বি এন পি ব্যাঙ্কের কিভ শাখাতে ।  কিভে অবস্থা এখন একটু ভালো । ব্যাঙ্ক থেকে ফোন এসেছে ভিক্তরিয়া কি ফিরে আসবেন কাজে ? মুশকিল হল কিভে তাঁর বাস ভবন উড়ে গেছে রাশিয়ান মিসাইলে ? থাকবেন কোথা ?

       
    ভিক্তরিয়ার ফ্ল্যাট   মে ​​​​​​ ২০২২ 
     
    আনা কাজ করতেন একটি সুপার মার্কেটে তার ছবি দিলেন – বোমার আঘাতের আগে ও পরে।
     

    .             
     

     
     
     মারিউপোল থেকে ওডেসা, তিরাসপোল হয়ে রোমানিয়া দিয়ে এসেছেন ভিকতর । তাঁর শহরের ছবি সমান মর্মভেদী।

    ইউক্রেনের যুদ্ধক্ষেত্র  থেকে প্রাণ নিয়ে যারা এ দেশে এসে পৌঁছেছেন তাঁদের ক্যামেরায় ধরা আছে  মৃত্যু এবং ধ্বংসের  অজস্র দলিল ।  অনেক কিছু তাঁরা  তুলে দিয়েছেন এই সামান্য বাঙালি প্রতিবেদকের হাতে ।  অনুমতি দিয়েছেন তাঁদের বিধ্বস্ত জীবনের কাহিনি বাইরে দূরে পৌঁছে দেওয়ার । এই  নির্মম মৃত্যু এবং ধ্বংসের ছবি আমাদের আহত করে, বিচলিত করে । এই পৃথিবীর রণ রক্ত কোন সফলতা আনে না ।
     
     

    https://youtube.com/shorts/F31Jy54iAAA
     
    পূর্ব ইউক্রেনে - মহিলা কণ্ঠে ব্যঙ্গক্তি শোনা যায় রাশিয়ান -ঈশ্বরের করুণা আমরা আমেরিকায় নয়  রাশিয়ায় বাস করি !
     
     

    মৃত্যুপথের যাত্রী  বুচা 
     
    https://youtube.com/shorts/2aSx
     
     
     

     
     জুন ৩০ , ২০২২ 

     
    * If you have tears, prepare to shed them : Mark Anthony's speech at the Pulpit : Julius Ceaser : Act III Scene 2
  • আলোচনা | ২৯ জুন ২০২২ | ৫৮৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • যোষিতা | ০১ জুলাই ২০২২ ১০:০১509527
  • দূরে কোথায় থেকে বাইরে দূরে হয়ে গেল শিরোনাম?
  • :|: | 174.251.161.216 | ০১ জুলাই ২০২২ ১০:২৩509529
  • মন খারাপ করিয়ে দেয়া লেখা। 
    "বোলপুর থেকে ইলামবাজার যাওয়ার পথে বিশাল শালের জঙ্গলে ঢোকার ঠিক আগে বাস যেখানে দাঁড়ায় সেই বিরতি স্থলের নাম ছিল বনভিলা।"
    বনলক্ষ্মী জানতাম। 
  • যোষিতা | ০১ জুলাই ২০২২ ১০:৫৫509530
  • ২৬ নর্দার্ন অ্যাভিনিউএ আমাদের একটা প্লট ছিল।
  • যোষিতা | ০১ জুলাই ২০২২ ১০:৫৬509531
  • আরেকটা ১৬ শ্রীনাথ মুখার্জি লেন, পাইকপাড়া।
  • হীরেন সিংহরায় | ০১ জুলাই ২০২২ ১২:২৯509532
  • আপনি বরানগর এবং পাইকপাড়া দু জায়গায় প্রতিবেশী ! পাইকপাড়ায় কখনো ছিলেন? 
  • যোষিতা | ০১ জুলাই ২০২২ ১৩:৩৯509534
  • না। পাইকপাড়ায় থাকি নি। গৌরীবাড়ী হালসিবাগানের লোক আমরা।
  • guru | 103.171.247.20 | ০৫ জুলাই ২০২২ ০৯:০৮509656
  • @হীরেনবাবু ও @ঘোষিতা 
     
    আমার সেজদাদুর বাড়ি ছিলো পাইকপাড়ায় | তাছাড়া আমার অনেক বন্ধুবান্ধব এই পাইকপাড়াতে থাকেন এখনো |
     
     @ঘোষিতা হালসিবাগানে কোথায় থাকতেন ? হরি সাহা মার্কেট এলাকাতে থাকতেন কি ?
  • Abhyu | 97.81.101.181 | ০৫ জুলাই ২০২২ ০৯:৩১509658
  • হীরেনবাবু, আমেরিকা থেকে সব লিংক খুলছে না, স্ক্রীনশট দেখুন।
     
  • যোষিতা | ০৫ জুলাই ২০২২ ০৯:৫৭509659
  • পরেশনাথ মন্দিরের সামনের রাস্তাটার পাশেই ছিল আমাদের বাড়ি। বদ্রীদাস টেম্পল স্ট্রীট।
  • হীরেন সিংহরায় | ০৫ জুলাই ২০২২ ১১:১৬509660
  • অভ্যু 
     
    আপনি  সোজা ইউ টিউবে গিয়ে আমার চ্যানেলে দেখতে পারেন । 
    ১ Thank God we live in Russia
    ২ Dark Streets
     
    একবার দেখুন 
     
     
  • NIRMALYA NANDI | ১১ জুলাই ২০২২ ১৭:০৫509787
  • হীরেন বাবু আপনার চ্যানেলের লিঙ্ক টা দয়া করে দিতে পারেন? ধন্যবাদ আপনাকে। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন