এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৫৮

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ২৫ জুন ২০২৪ | ৭৭ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গপর্ব ৫৮

    রমেনের মৃত্যু নন্দিতাকে অনেক পরিণত করে দিয়েছে। রান্না থেকে আরম্ভ করে সংসারের সব দায় দায়িত্ব একাই সামলায়। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত আহেলিকে কিছুই করতে দেয় না। আগলে রাখে বাড়ির শোকাবিষ্ট মানুষ দুটোকে। আহেলি মানা করা সত্ত্বেও, নন্দিতা বেশ কিছুদিন, রাতে নিজের ঘরে না শুয়ে শাশুড়ির কাছে শুল। নয়ন আর আহেলি, মানসিক ভাবে চরম বিপর্যস্ত এই মানুষ দুটির তখন শান্তির একমাত্র ঠিকানা ছিল নন্দিতা। এভাবে কাটল কয়েকমাস। শোকের ঘনত্ব কিছুটা কমল। সাময়িক বিরতির পর আহেলি ধীরে ধীরে ফিরে এল দৈনন্দিন কাজকর্মের মাঝে। নয়ন অনেকদিন থেকেই একজন সারা দিনের কাজের লোক রাখার কথা বলছিল, কিন্তু আহেলি আর নন্দিতার যৌথ আপত্তিতে তা রাখা যায়নি।

    আহেলি বলেছিল — এই তো মাত্র তিনজন লোক, তার জন্য হোলটাইমারের কি দরকার।

    আহেলির একদিন শরীর খারাপ হল। তেমন কিছু নয়, সামান জ্বর। ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খেতে দু তিনদিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে গেল। কয়েকদিন একটু দুর্বল লাগছিল। নয়ন আহেলির কোন ওজর আপত্তি না শুনে কাজের লোকের খোঁজ লাগাতে শুরু করল। বাড়িতে একজন ঠিকে ঝি ছিল, ওর কাজ ছিল ঘর মোছা আর বাসন মাজা। অন্যান্য কাজকর্ম করার জন্য একজন সারাদিনের লোকের দরকার। একজন কাজের মহিলা যোগাড় হল। চল্লিশের আশেপাশে বয়স। কথাবার্তা ভাল, মিশুকেও। সকাল বেলা এসে প্রথমে কাপড় চোপড় কাচত। তারপর আনাজপাতি কেটে ধুয়ে, রান্নার যোগাড় যন্তর করে বাড়ি চলে যেত। এরপর আবার দুপুরে এসে সন্ধ্যাবেলা ফিরে যেত। সেকেন্ড ফেজে তেমন একটা কাজ থাকত না। গল্প করেই কাটাত। রান্না আহেলি নিজেই করত। ভালই কাটছিল। কিছুদিনের মধ্যেই নানা জায়গা থেকে সতর্কবার্তা আসতে শুরু হল। বিষয়বস্তু মোটামুটি একই। মহিলা লুজ ক্যারেক্টার। ব্যাপারটা শোনার পর থেকে বউটার স্বাভাবিক আচরণও আপত্তিকর মনে হতে লাগল। বিশেষ করে নয়নের সাথে যখন ‘দাদাবাবু গো” বলে ন্যাকা ন্যাকা কথা বলত তখন নন্দিতার পিত্তি জ্বলে যেত। একদিন একটা ষণ্ডা মার্কা লোক বাড়িতে এল বৌটার খোঁজে। সেদিন ও কাজে আসেনি। পরিচয় জিজ্ঞেস করতে জানাল ও কাজের বৌটার দেওর। বউটাকে যখন ওই লোকটার চেহারার বিবরণ দিয়ে তার পরিচয় জানতে চাওয়া হল তখন ও আমতা আমতা করে বলল-- আমার দূর সম্পর্কের এক ভাই। একেবারে জণ্ডিস কেস।

    নন্দিতা আর রিস্ক নেয়নি। মাইনে দিয়ে মাসের গোড়াতেই ওকে বিদেয় করে দিল। এ উৎপাত বাড়িতে রাখার কোন প্রশ্নই নেই।

    নয়ন বলল — বেশ ত ছিল, মিছিমিছি তাড়ালে কেন?

    -- মিছিমিছি তাড়ালাম! একটা চরিত্রহীন মেয়েছেলে। অনেকেই ওর ব্যাপারে সতর্ক করে দিয়ে গেছে।

    -- তোমার তো কাজ নিয়ে দরকার, চরিত্র দিয়ে করবেটা কি? ও বাইরে গিয়ে যত খুশি ফষ্টিনষ্টি করুক না কেন, তোমার তাতে কি? কত সুন্দর কথাবার্তা মেয়েটার।

    -- হ্যাঁ তাইত। তোমার সাথে ন্যাকা ন্যাকা কথা বলত, ভাল তো লাগবেই।

    নয়ন মজা করে বলেছিল- শেষ পর্যন্ত কাজের বউকে তোমার সতীন ঠাওরালে?

    একদিন সকাল থেকেই নন্দিতার শরীরটা আনচান করছিল। কয়েকবার বমিও করল। নয়ন খুব ঘাবড়ে গিয়ে অফিস কামাই করে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেল। নন্দিতা শরীর খারাপ নিয়ে ডাক্তারের কাছে গিয়েছিল, ফিরল হৃদয় ভরা আনন্দ নিয়ে। টেস্টের পর ভালবাসার ফসল, তৃতীয় ব্যক্তির আগমন বার্তা নিশ্চিত হল। আহেলি খুব খুশি। রমেন মারা যাওয়ার পর ওকে এত খুশি হতে কেউ দেখেনি। নয়ন তো আনন্দে কি করবে ভেবে পায় না।

    খবরটা জানার পর ছেলেকে নিয়ে নীলিমা কয়েকদিন মেয়ের বাড়িতে এসে থেকে গেল। যাওয়ার আগে ওদের একটা ইচ্ছের কথা আহেলিকে জানিয়ে গেল।

    -- দিদি, আমাদের দুজনের ইচ্ছে আমার মেয়ের ডেলিভারি আমাদের ওখানে হোক।

    আহেলি সেই মুহূর্তে হ্যাঁ বা না কিছুই বলেনি।

    নয়নকে নন্দিতার মায়ের ইচ্ছের কথা আহেলি জানিয়েছিল।

    নয়ন শুনে বলেছিল — নন্দিতা ওনাদের সন্তান। এই ব্যাপারে ওনাদের মতামত দেওয়ার অধিকার অবশ্যই আছে। তবে নন্দিতা এখানে থাকলে আমি টেক কেয়ার করতে পারব, যা ওখানে গিয়ে টানা থেকে আমার পক্ষে করা সম্ভব নয়। তাই আমি চাই নন্দিতা এখানেই থাকুক। বরং ওনারা ডেলিভারির সময় কয়েকদিন এখানে এসে থাকলে সব দিক থেকেই ভাল হয়। পরেরটা পরে ভাবা যাবে, আপাতত একজন ভাল গাইনির সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

    অফিসে গিয়ে খোঁজ খবর নিতে, কয়েক জন ডঃ নির্মল সেনের খুব প্রশংসা করল। নয়নের অফিসের অভিভাবক সামন্ত স্যারও ডঃ সেনকে দেখাবার পরামর্শ দিলেন।

    -- আমি ব্যক্তিগত ভাবে ওনাকে চিনি। ভাল ডাক্তার, নিশ্চিন্তে দেখাতে পার।

    অতঃপর নয়ন কলকাতার নামী গাইনি নির্মল সেনের সাথে অ্যাপয়েন্টমেন্ট করল। ডাক্তার দেখাবার সময় আহেলিও সঙ্গে গিয়েছিল। সৌম দর্শন, মিতভাষী, পঞ্চাশের আশেপাশে বয়স। ব্যবহারের কারণে নন্দিতার ডাক্তার বাবুকে খুব ভাল লাগল। ডঃ সেন কালিঘাটের একটা বড় নার্সিং হোমের সাথে যুক্ত। ওনার সব কেস ওখানেই হয়। ডাক্তার বাবু নন্দিতাকে দেখে কিছু ওষুধ দিলেন, আর দিলেন খাওয়া থেকে আরম্ভ করে দৈনন্দিন যাপনের নানা পরামর্শ। ডাক্তারকে দেখিয়ে বাড়ি ফিরে সকলেই খুশি। মনের মত ডাক্তার পেয়ে বেশি খুশি নন্দিতা। একটাই চিন্তা, হঠাৎ করে পেন উঠলে অত দূরে কি করে নিয়ে যাওয়া হবে।

    আহেলি বলল — অত ভাবছিস কেন? একমাস আগে থেকে তোর পিসির বাড়িতে নন্দিতা থাকবে। ওখান থেকে তো একটুখানি।

    -- ঠিক বলেছ মা। আমার মাথাতেই ছিল না। ওখানে যত রাতই হোক, কিছু না কিছু যানবাহন থাকে। আর সব থেকে বড় কথা ওদের বাড়ি থেকে নার্সিং হোম কাছেই। আমি আজকেই পিসির সাথে কথা বলছি।

    -- এখন থেকে অত ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই। অনেক দেরি আছে, পরে এ নিয়ে চিন্তা ভাবনা করা যাবে। আর তার থেকেও বড় কথা নন্দিতার মা বাবা কি চায় দেখ। ওনারা যদি মেয়েকে নিয়ে চলে যান, তাহলে ত আর এসব নিয়ে ভেবে লাভ নেই।

    শোকের খবরটা সব আপনজনদের বাড়িতে নন্দিতা জানিয়েছিল। আনন্দের খবরটা নিজের মুখে জানাতে একটু লজ্জা করছিল। আহেলি ফোন করে সবাইকে সুসংবাদটা জানাল।

    শুরু হয়ে গেল নানা রকমের পরিকল্পনা। এক বিধবা প্রৌঢ়াকে কাজে বহাল করা হল। টুকটাক অন্যান্য কাজ করলেও তার মূল কাজ হল নন্দিতার দেখাশোনা করা। মহিলা আহেলির কালেকশন।

    নয়ন অফিস থেকে ফিরে নন্দিতাকে জিজ্ঞেস বলেছিল — এবারে আর রিস্ক নাওনি।

    -- কিসের রিস্ক?

    -- সতীনের। হিন্দিতে একটা কথা আছে, “ন রহেগা বাঁশ, ন বজেগী বাঁশুরী।”

    -- বুঝলাম না।

    -- বাঁশ না থাকলে বাঁশুরী বাজবে না। বিপদকে একেবারে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলে দিয়েছ। এমন একজনকে বহাল করেছ যে, রোমান্সের বয়স অনেককাল আগে পার করে এসেছে।

    নন্দিতা হেসে ফেলে বলল — একে আমি না, মা যোগাড় করেছে।

    প্রকৃত অর্থে হোল টাইমার, রাতেও নয়নদের বাড়িতেই থাকতেন। দু এক দিন দেখে বোঝা গেল মানুষটা ভাল। নন্দিতার খুব খেয়াল রাখতেন, যত্ন করতেন। সব থেকে বড় কথা এই সময় বাড়িতে একজন অভিজ্ঞ মহিলার খুব দরকার ছিল। ওনাকে পেয়ে সকলেই নিশ্চিন্ত হল।

    দেখতে দেখতে তিন মাস হয়ে গেল। সময় যত এগোয় ততই ঘর ভরতে থাকে খেলনা থেকে আরম্ভ করে বাচ্চার জন্য প্রয়োজনীয় নানা রকম সরঞ্জামে। প্রতিমাসে ডঃ সেনের চেম্বারে গিয়ে নন্দিতা চেক আপ করিয়ে আসে। মা ও বাচ্চা দুজনেরই কোন কমপ্লিকেশন নেই। বাচ্চার গ্রোথও সন্তোষজনক। নন্দিতার মা বাবার ইচ্ছের কথা নয়ন মন থেকে সরিয়ে দিয়েছিল।

    পিসিমার অনুরোধে নয়ন নন্দিতাকে দিন কয়েকের জন্য ওদের বাড়িতে রেখে এল। আগেও কয়েকবার থেকেছে, কিন্তু এই অবস্থায় নন্দিতার যাওয়ার ইচ্ছে ছিল না। নয়ন বোঝাল যে, ডেলিভারির আগে ওই বাড়িতে গিয়ে কিছুদিন থাকতে হবে। এখন গিয়ে দু এক দিন থাকলে ওখানকার পরিস্থিতির সাথে সড়্গড় হয়ে যাবে। আর তা ছাড়া বুড়ো মানুষ ভালবেসে দুদিন গিয়ে থাকতে বলেছেন, না গেলে কষ্ট পাবেন।

    -- মাকে একা রেখে তোমায় আমার সাথে গিয়ে থাকতে কখনই বলব না। তবে তবে দু দিন, বড়জোর তিন দিন থাকব। একদিন আমায় রেখে আসবে, একদিন আমায় আনতে যাবে। আর মাঝের দিনটা অফিস ফেরতা পিসির বাড়িতে গিয়ে আমাকে দেখে আসবে।

    নয়ন সম্মতি জানিয়ে বলেছিল — বেশ তাই হবে।

    রমেন মারা যাওয়ার পর থেকে নয়নের আড্ডায় হাজিরা খুব অনিয়মিত হয়ে পড়েছে। এমনি দিনে ত হয়ই না, ছুটির দিনেও সব সময় আসা হয়ে ওঠে না। বেশ কিছুদিন বাদে সেদিন হাঁড়ি পুকুরের চাতালে গিয়ে বসে ছিল। অনেকেই এসেছিল। গুছিয়ে আড্ডা চলছে, এমন সময় ঘুরতে ঘুরতে মন্টু পাগলা এসে হাজির। মন্টুদা নাঝে মাঝে ভালবেসে নয়নকে ‘মামা’ বলে ডাকত।

    নয়ন জিজ্ঞেস করল — মন্টুদা কেমন আছ?

    দুঃখী দুঃখী ভাব করে বলল — ভাল না।

    -- কেন, কি হল?

    -- দিনকাল ভাল না। কাল রাইতে আমার ঘরে চুরি হয়ে গেসে।

    -- থানায় জানিয়েছ?

    -- না। পুলিশ আইলে ঝামেলা বাইরা যাইব।

    -- কাউকে সন্দেহ হয়?

    -- হয়।

    -- কাকে?

    -- তরে।

    -- মন্টুদা, এই অপবাদ আমায় আজ পর্যন্ত কেউ দেয়নি। তুমি শেষ পর্যন্ত আমায় চোর সাব্যস্ত করলে!

    -- কনফার্ম নয়, আমি তরে ক্যাবল আমার সন্দেহের কথা কইসি।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন