এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ  পর্ব ৩১

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৭ মে ২০২৪ | ১৭১ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ  পর্ব ৩১

     কুণাল

    ছেলেটাকে বার দুয়েক মত ইরার বাড়িতে দেখেছি। বোনের কাছে শুনলাম, ও বাড়িওয়ালার ভাগ্নে। ওদের আচরণে আমার একটু সন্দেহ হয়। সদ্য পরিচিত বাইরের একটা ছেলের এত আপন হওয়ার কথা নয়। আমি ঘরপোড়া গরু, সিঁদুরে মেঘ দেখলেই ভয় হয়। একদিন ইরাকে ডেকে ছেলেটার ব্যাপারে জিজ্ঞেস করি। ইরা প্রথমে খোলসা করে কিছু বলতে চাইছিল না। একটু চেপে ধরতে বাস্তবটা জানাল। বুঝলাম যে আমার সন্দেহ অমুলক নয়। আমি তখনই ওদের কাছে কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়া জানাইনি। আমি ছেলেটার সাথে একবার দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করলাম। ওদের বললাম যে, সামনের রবিবার বিকেলে আমি আসব, ছেলেটি ওই সময় আসলে খুব ভাল হয়।

    সেদিন ছেলেটিকে দু চারটে প্রশ্ন করে ওর সম্বন্ধে কিছুটা জানার চেষ্টা করলাম। কথা বলার পর আমার কেন জানি না মনে হয়েছিল যে, ঈজাও আবেগের বশে ওর মায়ের মত একই ভুল করতে চলেছে। এর খেসারৎ ওর মায়ের মত ওকেও সারা জীবন দিতে হবে। ঈরার বিপদে তবু আমি ছিলাম, ওকে সাহায্য করার জন্য তো ভবিষ্যতে কেউ থাকবে না।  ঈজার ভবিষ্যতের কথা ভেবে চেষ্টা করলাম যে কোন উপায়ে সম্পর্কটা ভেঙে দিতে। ছেলেটিকে চরম অপমান করলাম। শুধু তাই নয়, ওর মামাকেও অনেক আজেবাজে কথা বলে এলাম। এত অপমানের পর কোন সম্পর্ক থাকার কথা নয়, তবু কোন ঝুঁকি নিতে চাইনি। পরের দিনই ওদের সকলকে একপ্রকার জোর করেই আমার বাড়িতে নিয়ে চলে এলাম। চোখের সামনে থাকলে  নজরদারি করাটা অনেক সহজ হবে। এখানেই শেষ নয়, ঈজাকে একান্তে ডেকে এমন কিছু কথা বলেছিলাম, যা বলতে আমার বুক ফেটে গিয়েছিল। তবু বলেছিলাম কারণ, ইরার  জীবনের পুনরাবৃত্তি আমি আর দেখতে চাইনি। ওর মায়ের জেদের কাছে আমরা হেরে গিয়েছিলেয়াম। কিন্তু ঈজা আমাকে সেই বিড়ম্বনায় ফেলেনি। বড় ভাল মেয়ে তো, সম্পর্ক থেকে সরে এসেছিল। কিন্তু তারপর থেকে অনেক চেষ্টা করেও আর কখনো খুঁজে পাইনি আমার সেই প্রাণোচ্ছল ভাগ্নিকে।

    অবশ্য জেদ সেও দেখিয়েছে, এক চরম সিদ্ধান্ত নিয়ে। সে জানিয়ে দিয়েছে, কোনদিন যেন তার বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা না করা হয়। একটা সময় পরে  নিজেকে বড় অপরাধী মনে হয়েছে। 

    ***************************************

    নয়নের সামলে উঠতে অনেকটা সময় লেগেছিল। ঈজার এই আচরণ ও কিছুতেই মেনে নিতে পারছিল না। ওর মত একটা মেয়ে এভাবে যে বিশ্বাসঘাতকতা করতে পারে তা নয়ন কখনো স্বপ্নেও ভাবেনি। বাড়িতে থাকলেই ঘটনাগুলো মনের মধ্যে পাক খেতে থাকে। তাই মামার পরামর্শমত যতটা সম্ভব বন্ধু বান্ধবদের সাথে কাটায়। কোলকাতায় ফুটবল লীগ শুরু হয়ে গেছে। মোহনবাগানের খেলা থাকলেই চলে যায়।  মাঝে মাঝে সত্যেনদার দেওয়া পাশ নিয়ে সিনেমা দেখে আসে। মাস খানেক পর পার্ট টুর ফল বেরোল। নয়ন আশাতীত নম্বর পেল। ভাগ্যিস পরীক্ষাটা এই দুর্ঘটনার আগে হয়ে গিয়েছিল, না হলে কি যে হত! ঈজা জীবনে আসার পর, ওদের অভাবের কথা চিন্তা করে নয়ন ঠিক করেছিল যে, বিএ পাশ করার  পরেই চাকরির জন্য চেষ্টা করবে।  এখন আর সে প্রয়োজন নেই তাই, নয়ন এম এ তে ভর্তি হয়ে গেল। হৃদয় জুড়ে থাকা ঈজার অস্তিত্ব পুরোটা মুছে না গেলেও সময়ের আস্তরণে তা ধীরে ধীরে ফিকে হয়ে গেল। ক্ষণে ক্ষণে মনকে আর তা ব্যাকুল করে তোলে না।  

    লং ডিস্টেন্স প্রেম। নেহার জন্য অনেকটা সময় চলে যাওয়ায়, পড়ার জন্য আর তেমন একটা সময় রজত দিয়ে উঠতে পারেনি। স্বাভাবিক ভাবেই পরীক্ষার ফলও খুব সুবিধের হয়নি। ফল  যেমনই হোক বিএ ডিগ্রিটা করায়ত্ত হয়েছে। এটুকু দরকার ছিল, না হলে চাকরির জন্য দরখাস্ত করা যাবে না।  পড়াশুনা কোন সময়েই রজতের পছন্দের বিষয় ছিল না তাই, এম এ পড়ার কু চিন্তা রজতের মাথায় ছিল না। এরপর দু একটা বইপত্র কিনে চাকরির পরীক্ষাগুলোর জন্য একটু চোখ বুলোতে হবে। নিজের জন্য খুব একটা না হলেও নেহার জন্য রজতের একটা চাকরি দরকার। বেকার ছেলের সাথে তো আর কেউ মেয়ের বিয়ে দেবে না। দুজনের ঘোরাঘুরি নিয়ম করেই চলছিল, এমনকি পরীক্ষা চলাকালীন মাঝের রোববারও বাদ যায়নি। রজত আর নেহার প্রেমালাপের জন্য বিশেষ কোন জায়গা ছিল না। এক এক দিন এক এক দিকে ঘুরতে যেত। একদিন নেহার বাবার কাছে হাতেনাতে ধরাও পড়েছে। যদিও তখন ওরা টের পায়নি। সেদিন  প্রিয়াতে ম্যাটিনি শোয়ে রাজকুমারের ‘হমরাজ’ সিনেমা দেখার পর দুজনে দেশপ্রিয় পার্কে রাস্তার ধারে একটা বেঞ্চে বসে বাদাম চিবোতে চিবোতে গল্প করছিল।  রজত নেহার কাঁধে   একটা হাত রেখে রাজকুমারের স্টাইলে সুরের পরোয়া না করে ‘অয়ে নিল গগন কে তলে’ গানটা হাল্কা করে ধরল। বিমল ল্যান্স ডাউন রোডে অফিসের কোন কাজে এসেছিল। রাসবিহারী অ্যাভিনিউয়ের দিকে হেঁটে যাচ্ছিল বাস ধরবে বলে। চোখ গেল পার্কের দিকে। কিছু  পরিশ্রান্ত মুটে মজুর মাঠে গামছা পেতে শুয়ে বিশ্রাম নিচ্ছে। ঢোকার মুখেই ফুচকা ওয়ালা পসরা সাজিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। দু চারটে কপোত কপোতী ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে পড়ন্ত বিকেলে অনুরাগের ঘ্রান নিচ্ছে। দূর থেকে একটা মেয়েকে বিমলের বড় চেনা মনে হল। রাস্তার দিকে  পিছন ফিরে বসে আছে, মুখটা পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে না। একটু এগোতেই বুঝতে পারল, ওটি তারই একমাত্র মেয়ে নেহা। কলেজ কামাই করে পার্কে বসে প্রেম করছে। কেমন নায়ক নায়িকার মত বসে রয়েছে। ছোঁড়াটা আবার দুলে দুলে গান করছে। পার্কের ভেতরে ঢুকে মেয়ের কানটা ধরে হিড় হিড় করে টেনে নিয়ে আসতে ইচ্ছে করল। বাধা দিল নিজের অতীত।  বিয়ের আগে নেহার মাকে নিয়ে তো আর কম ঘোরেনি। মেয়ে বামাল ধরা পড়ার পরেও, সেই  মুহূর্তে বিমল নিজেকে সংযত রাখল। কোন অ্যাকশন নিল না। তবু নিজের চোখে দেখার পরে  বাপ হয়ে একেবারে চুপ করে বসে থাকা যায় না। মেয়ে বাড়ি ফিরুক, তারপর খানাতল্লাসি করতে হবে।  বিমল ওদিকে আর না দেখে বাস রাস্তার দিকে এগিয়ে গেল।

    বাড়িতে গিয়ে চন্দ্রাকে মেয়ের কলেজ পালিয়ে প্রেম করার কথা জানাল।  

    -- ওমা তাই নাকি! কোথায় দেখলে? ছেলেটা কেমন দেখতে গো?

    -- তোমার কৌতূহল দেখে মনে হচ্ছে মেয়ে যেন কিছু অ্যাচিভ করেছে। মেয়ে কলেজ পালিয়ে প্রেম করছে, সেদিকে খেয়াল নেই। আজব মা তুমি।

    -- আজবের কি আছে? আমরা ঘুরিনি, গঙ্গার ঘাটে বসিনি, সিনেমা দেখিনি? আমরা কলেজ  পালাইনি? এখন সব ভুলে গেলে হবে।  মেয়ে বড় হয়েছে, কাউকে পছন্দ হতেই পারে।

    -- বাচ্চা মেয়ে, সবে কলেজে ঢুকেছে। এখনো ম্যাচিউরিটি আসেনি। আবেগে চলার বয়স।  একটা বদ ছেলের পাল্লায় পড়লে তো জীবনটা শেষ হয়ে যাবে।

    -- আগে থেকে খারাপটা ভাবছ কেন? ছেলেটা ভালও তো হতে পারে।  ছেলেটা কেমন, এটুকু শুধু আমাদের খোঁজ খবর নিতে হবে। তুমি রাগারাগি করতে যেও না,  ও বাড়ি ফিরলে আমি কথা বলছি।

    বিমল চুপ করে গেল। সাতটা নাগাদ নেহা বাড়ি ফিরল। ব্যাগ পড়ার টেবিলের ওপর রেখে মাকে জড়িয়ে ধরে বলল — তাড়াতাড়ি খেতে দাও। খুব খিদে পেয়েছে।

    চন্দ্রা জিজ্ঞেস করল — আজ এত দেরি করে ফিরলি?

    -- পৌনে ছটা  অব্দি তো ক্লাসই চলল। তারপর বেরিয়ে বাস ধরে এলাম।

    বিমলের পক্ষে আর চুপ করে থাকা সম্ভব হল না।

    -- বাবা, আজকাল তোদের সন্ধেবেলা অব্দি ক্লাস চলে!

    -- রোজ নয়, এক এক দিন হয়।

    -- তোদের কলেজটা কোথায় রে?

    -- কেন গড়িয়ায়। তুমি ফর্ম তুলে আনলে,  ফর্ম জমা দিলে, প্রথম দিন আমাকে কলেজে ছেড়ে দিয়ে এলে, এখন জিজ্ঞেস করছ আমার কলেজ কোথায়।

    -- আমি তো এতদিন গড়িয়াতেই জানতাম। আজ মনে হল দেশপ্রিয় পার্কের  দিকে তোদের কলেজের  কোন ব্র্যাঞ্চ খুলেছে।

    নেহা বাবার কথায় চমকে উঠল। বিমল বিগড়ে যেতে পারে এটা অনুমান করে চন্দ্রা কেসটা নিজে নিয়ে মেয়েকে শুধল—কতদিন ধরে চলছে?

    -- কি চলছে?

    -- কিছু বুঝতে পারছিস না? বাবা আজকে নিজের চোখে দেখেছে।

    আর উল্টোপাল্টা বকে লাভ নেই বুঝতে পেরে নেহা মাথা নিচু করে বসে রইল। যা গিয়ে ফ্রেশ হয়ে এসে আগে খেয়ে নে,  তারপর বাকি কথা হবে।

    একটু বাদে চেঞ্জ করে, নেহা খাওয়ার টেবিলে এসে বসল। খিদে মাথায় উঠেছে।

    -- কিরে, চুপ করে বসে আছিস কেন? এই তো একটু আগে বললি খিদে পেয়েছে।

    নেহা এক দু গাল খাবার মুখে দিল।

    -- ছেলেটা কোথায় থাকে, কি করে, সব এক এক করে বল।

    নেহা ধীরে ধীরে সবই বলল। ছেলেটি নয়নের বন্ধু হয় এটা জানার পর নেহার মা আর বাবা দুজনেই অনেকটা আশ্বস্ত হল।

    নেহার চোখ দিয়ে তখন জল পড়ছে। মেয়ে কাঁদছে দেখে বিমলের কষ্ট হল।  মেয়েকে কাছে ডেকে আদর করে বলল — মা, কলেজটা করিস। মেয়েদের স্বাবলম্বী হওয়াটা খুব দরকার। স্বাবলম্বী হতে গেলে পড়াশুনোটা চালিয়ে যেতে হবে।  

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন