এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ পর্ব ৫১  

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৮ জুন ২০২৪ | ৯৯ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ 
    পর্ব ৫১  

    নয়নের মা বাবা আসছে শুনে নন্দিতার  আনন্দের সাথে সাথে একটু টেনসনও হচ্ছিল। বাবা ওনাদের আনার জন্য বেরিয়ে যাওয়ার পর থেকেই একবার ঘর একবার বাইরে করছে।

    নীলিমা উদ্বিগ্ন মেয়েকে আশ্বস্ত করে বলল — অত অস্থির হস না, ওরা ভাল মানুষ। দেখবি সব ভালই হবে।

    তিমির বাইরের বারান্দায় একটা মোড়ায় বসে অপেক্ষা করছিল। গাড়ি গেটের সামনে এসে থামতেই ও মালপত্র আনার জন্য দৌড়ে পৌঁছে গেল। নন্দিতা মায়ের সাথে ঘর  থেকে বেরিয়ে বারান্দায় এসে দাঁড়াল। ওরা বারান্দায় আসতে নন্দিতা রমেন আর আহেলিকে প্রণাম করল। আহেলি নন্দিতাকে জড়িয়ে ধরে অনেক আদর করল। নন্দিতার টেনশন দূর হয়ে গেল। বুঝতে পারল, এই আলিঙ্গন কিছুটা হলেও স্বীকৃতির। ঠাকুমাও বেরিয়ে এসেছিলেন।  

    নমস্কার আর প্রতিনমস্কারের পালা সাঙ্গ হলে সকলে ঘরে গিয়ে বসল। নয়ন যে ঘরে ছিল সেখানেই রমেন  আর আহেলিকেও রাখা হল।
    ঘরে ঢুকে আহেলি কত্তাকে জিজ্ঞেস করল
    — মেয়েটাকে কেমন দেখলে?
    -- তোমার ছেলের পছন্দ ভালই।

     নন্দিতা একটা জিনিস একেবারে পছন্দ করে না, তা হল বিয়ের জন্য ইন্টারভিউ দেওয়া। দোকানে গিয়ে জিনিস যাচাই করার মত মেয়েকে যাচাই করার এই সনাতন প্রথার নন্দিতা ঘোরতর বিরোধী। জানে না ওর কপালে কি আছে। একটু বাদে চা আর জলখাবার নিয়ে মায়ের সাথে নন্দিতা  অতিথিদের ঘরে গেল।

    -- এখানে কষ্ট করে আনতে গেলেন কেন? সবাই একসাথে বসে গল্প করতে করতে খেতাম। চলুন, আমি নিচে নিয়ে যাচ্ছি। 
    -- এমা না না। আমরা নিয়ে যাচ্ছি।  ঠিক আছে দিদি আপনারা আসুন, আমরা নিচে অপেক্ষা করছি।

    রমেন টয়লেট থেকে বেরোবার পর ওরা নিচে এল। ছুটির দিন, অসিতের অফিস বেরোবার কোন তাড়া নেই।  জলখাবারের টেবিলেই কেটে গেল এক ঘন্টারও বেশি সময়।  খাওয়া শেষে আহেলি নন্দিতাকে সঙ্গে করে ওপরে নিয়ে গেল। রমেনকে ইশারায় নিচেই কিছুক্ষণ থাকতে বলল। 

    -- আয় আমার পাশে বোস। তোদের এখান থেকে ফেরার পর আমার ছেলের কথাবার্তায় বুঝলাম তোকে ওর মনে ধরেছে। তোরও কি নয়নকে পছন্দ হয়? নন্দিতা লজ্জায় মাথা নিচু করে রইল।
    -- লজ্জার কিছু নেই, আমি তোর মায়েরই মত। মনের কথা খুলে বল।

    নন্দিতা সম্মতি সূচক মাথা নাড়ল।

    -- তোদের পরিচয় খুব সামান্য সময়ের। এইটুকু সময়ে ভাললাগা হয়, ভালবাসা তৈরি হতে সময় লাগে। আমরা এসেছি তোদের বিয়ের ব্যাপারে পাকা কথা বলতে। আমার বা তোর কাকুর এই ব্যাপারে কোন মতামত নেই। তোদের পছন্দই আমাদের পছন্দ।  নয়নের সাথে এই সামাজিক বন্ধনে তোর সায় আছে তো? যদি কোন রকম সমস্যা থাকে তো আমার কাছে নিঃসঙ্কোচে বলতে পারিস।
    -- আমি রাজি কাকিমা।
    -- এই ক’দিনে বড়দের নজর বাঁচিয়ে একান্তে একটু কথাবার্তা বলতে পেরেছিস?

    নন্দিতা এবার খুব লজ্জায় পড়ে গেল। কোন রকমে মাথা নাড়ল।

    -- খুব ভাল কথা। তা তোরা কি নিজেদের অতীত নিয়ে কোনরকম আলোচনা করেছিস?
    -- হ্যাঁ কাকিমা। আমাকে ও ঈজার কথা বলেছে।
    -- ওটা জানার পরেও তুই ওকে বিয়ে করতে আগ্রহী?
    -- ওর স্পস্টবাদিতায় আমি মুগ্ধ হয়েছি। ওর প্রতি আমার সম্মান আরো বেড়ে গেছে।

    আহেলি নন্দিতাকে বুকে টেনে নিয়ে বলল
    — এতগুলো কথা জিজ্ঞেস করলাম বলে যেন আমার ওপর রাগ করিস না মা। আমার কেবল  একটাই কথা জানার ছিল, এই বিয়েতে তোর মত আছে কি না। না থাকলে আমি কোন রকম জোর করতাম না। আমি খুব খুশি।

    আহেলির কোলে মুখ গুঁজে নন্দিতা বলল — আমিও খুব খুব খুশি। একটা কথা জিজ্ঞেস করব  কাকিমা?
    -- কি কথা?
    -- কাকু কি রাগী?
    -- বড় কঠিন প্রশ্ন করলি মা? আমার মুখে শুনে লাভ নেই। দু দিন তো রয়েছি, নিজেই পরখ করে দেখ। তবে জিজ্ঞেস করলি যখন বলছি, আমি বড় একটা রাগতে দেখি নি। 
    -- আর তোমার ছেলে?
    -- ওটাও আমায় বলে দিতে হবে! তবে আমার ছেলেটা একটু ছ্যাবলা কাছে।
    -- সে আমি খুব ভালোরকমই টের পেয়েছি।  
    -- আর একটা জিনিস জানিয়ে রাখি, ও একটু বারমুখো। বাড়িতে কমই থাকে। তবে সবটাই আড্ডা মারার জন্য নয়, লোকের একটু আধটু উপকারেও লাগে। যে কারণে সকলে ওকে ভালোবাসে। দ্যাখ, বিয়ের পর তুই যদি আটকে রাখতে পারিস!
    -- না কাকিমা, ও যেমন আছে তেমনই থাকুক। ওতেই ও সুন্দর।
    -- বাবা, একেবারে গিন্নিবান্নির মত কথা বলছিস যে রে!  

    অসিত আর রমেন বাইরের ঘরে বসে গল্প করছিল। রান্নাবান্না অনেকটাই সারা হয়ে গেছে তাই নীলিমা হবু বেয়ানের সাথে গল্প করার জন্য ওপরে এল। ঘরে ঢুকে মেয়েকে শাশুড়ির কোলে মাথা রেখে আদর খেতে দেখে মনটা ভরে গেল। মেয়েটা সুখী হবে। মাকে দেখে নন্দিতা উঠে বসল।

    -- কাকিমা সারারাত ট্রেন জার্নি করে ক্লান্ত হয়ে আছেন, একটু জিরোতে দে।
    -- গাড়িতে তো  শুয়ে এসেছি, ক্লান্ত হব কেন! মেয়ের সাথে একটু গল্প করছিলাম। মাসিমাকে সকালের পর আর দেখছি না, মাসিমা কোথায়?
    -- আপনারা আসার পর মা পুজো করতে গেলেন। তারপর জলখাবার খেয়ে খাটে বসে বই পড়ছেন।
    -- চলুন না, ওনার ঘরে গিয়ে সকলে মিলে গল্প করা যাক।
    -- খুব ভাল কথা, চলুন।
    -- ওনার কোন অসুবিধা হবে না তো!।
    -- না না অসুবিধা হবে কেন, মা গল্প করতে খুব ভালবাসেন।  

    ঠাকুমা খাটে জানলার ধারে বসে মন দিয়ে পাঁজি দেখছিলেন।

    -- মা দেখুন আপনার ঘরে কে এসেছে। বই থেকে মাথা তুলে আহেলিকে দেখে খুশি হয়ে বললেন — এস মা এস। খাটেতে উঠে আরাম করে বস। আমার দিদিভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে?
    -- হ্যাঁ মাসিমা। এতক্ষণ তো ওপরে ওর সাথেই ছিলাম। অনেক গল্প হয়েছে। খুব ভাল মেয়ে।
    -- কোন আপত্তি নেই তো!
    -- মাসিমা বিয়ে করবে ওরা, আমরা আপত্তি করার কে!
    -- সে কি মা, তোমরা ছেলের মা বাবা, তোমাদের মতামতের অনেক মূল্য।
    -- অমন মিষ্টি মেয়েকে কার না ভাল লাগে! ওর মতটা জানা দরকার ছিল। তাই আপনার মত আমিও  নন্দিতাকে জিজ্ঞেস করেছি,  ওর কোন আপত্তি নেই তো!  
    -- দিদিভাই তো যাওয়ার জন্য এক পায়ে খাড়া হয়ে আছে।
    -- ঠাম্মি ভাল হবে না বলছি। এরকম করলে আমি চলে যাব।
    -- চলে তো ক’দিন পরে যাবিই দিদিভাই, এখন বুড়িটার কাছে দু দন্ড একটু বোস। তোমার  ছেলেটি কিন্তু ভারি সুন্দর মা।
    -- কি সুন্দর ওর মধ্যে দেখলেন মাসিমা?
    -- যেমন কার্ত্তিক ঠাকুরের মত চেহারা, তেমনি সুন্দর ব্যবহার। ক’দিন সকলকে মাতিয়ে  রেখেছিল। আমাদের কি আনন্দে যে কেটেছে কি বলব!
    -- আপনারা নিজেরা মানুষ ভাল তাই কারো কোন দোষ দেখেন না। জানেন কি, সকালে ওকে ঠেলে না তুললে ও ঘুম থেকে ওঠে না।
    নন্দিতা বলল — আমি জানি। দু দিন চা দিতে এসে দেখি ঘুমচ্ছে। শুধু আমরা যেদিন ঘুরতে গেলাম,  সেদিন দেখি সাত সকালে ঊঠে বসে আছে।
    -- ঐ দেখুন মাসিমা, আপনার দিদিভাই ঠিক লক্ষ্য করেছে।

    একটু বাদে অসিত এসে জিজ্ঞেস করল — আমরা কি এই আড্ডায় যোগ দিতে পারি?
    আহেলি বলল — অবশ্যই, না হলে আড্ডা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে।

    তিমির বাড়িতে ছিল না। তিমির বাদে বাড়ির সব সদস্য বৃদ্ধার ঘরে অতিথিদের সাথে গল্পে মাতল। অনেক কথার মাঝে বিয়ে নিয়েও কিছু কথা হল। সকলেই খুশি, নন্দিতা বেশি খুশি  কারণ, এমন সুন্দর পাকা দেখার কথা ও স্বপ্নেও ভাবেনি। খুশি হওয়ার আর একটা কারণ, শ্বশুর মশাইকে মোটেও রাগী বলে মনে হল না। দুটো দিন সকলের খুব আনন্দে কাটল। ফিরে আসার আগে রমেন নন্দিতেকে ডেকে বলল
    — মা তোমাকে, তোমার বাড়ির লোকেদের, বাড়ির পরিবেশ, সব কিছুই আমাদের খুব ভাল লেগেছে। আমাদেরও দেখলে, জানিনা পছন্দ হয়েছে কিনা। পছন্দ না  হলেও তো তা লজ্জায় মুখের ওপর বলতে পারবে না।
    -- কাকু আপনাদের মত মানুষ হয় না। আপনাদের ব্যবহারে মনে হয়েছে যেন কতকালের চেনা। অস্বীকার করব না, শ্বশুর বাড়ির লোকজন কে কেমন হবে, এটা আমাকে খুব ভাবাত। এখন আমি নিশ্চিন্ত। আমার অনেক ভাগ্য যে আপনাদের মত  শ্বশুর আর শাশুড়ি পাচ্ছি।
    -- এবার সময় করে একবার মা বাবার সাথে রহড়ায় গিয়ে নিজের সংসারটা দেখে এস। ওটা বাসযোগ্য কি না সেটা তো একবার নিজের চোখে দেখে আসা দরকার।  

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন