এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ - ৭ 

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৭ মে ২০২৪ | ১০৭ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ - পর্ব ৭

    শ্রীমন্ত রহড়া সংঘের ফুটবল টিমের প্রথম একাদশে সুযোগ পেত না। খুব ঠেকায় না পড়লে ক্লাব কর্তৃপক্ষ ওকে মাঠে নামাত না। ও ছিল বিশ পঁচিশ মিনিট খেলার প্লেয়ার। সেদিন ট্রেনের গোলযোগের জন্য রহড়া সংঘ টিমের দূরের যাদের বাড়ি, তারা কেউ আসতে পারেনি। শ্রীমন্তকে নিয়ে কোনমতে এগারো জন হয়েছে। জোড়াতালি দিয়ে টিম হলেও খেলা সমানে সমানে চলছিল। হাফ টাইম হতে তখন আর মিনিট পাঁচেক বাকি। হঠাৎ শ্রীমন্ত মাঠ থেকে বেরিয়ে এসে সাইড লাইনের পাশে বসে পড়ল। রেফারি দেখতে পেয়ে খেলা থামিয়ে শ্রীমন্তর কাছে এসে জিজ্ঞেস করল — কি ব্যাপার, আমাকে না বলে যে মাঠ থেকে বেরিয়ে এলে?

    -- স্যার আর একটুও দম পাচ্ছিলাম না। আপনাকে যে বলব সে দমটুকুও ছিল না।

    রেফারি বিরক্ত হয়ে মাঠে ফিরে গেল। হাতে আর কোন প্লেয়ার না থাকায় রহড়া সংঘ বাকি সময়টা দশ জনে খেলল।

    আর একটা খেলায় রহড়া এক গোলে জিতছিল। দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে রহড়ার এক ডিফেন্ডার বিপক্ষ দলের ফরোয়ার্ডকে ল্যাং মারায় রেফারি রহড়ার বিপক্ষে পেনাল্টি দিয়ে দিল। অধিকাংশ দর্শকের মতে ওটা পেনাল্টি ছিল না কারণ, ল্যাং মারা হয়েছে বক্সের বাইরে। প্লেয়ারটা পেনাল্টি আদায় করার জন্য ইচ্ছে করে বক্সের মধ্যে গিয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে। বিস্তর কথা কাটাকাটির পরেও রেফারি নিজের সিদ্ধান্তে অটল হয়ে রইল। বেশ কিছু দর্শকও তখন মাঠের মধ্যে ঢুকে পড়েছে, তার মধ্যে উত্তর পাড়ার শান্তিময়ও ছিল। রেফারি কোন কথা শুনতে চাইছে না দেখে, শান্তিময় আর সময় নষ্ট না করে খেলার বলটা কুড়িয়ে নিয়ে এক ছুটে পগার পার। সেই মুহূর্তে আর কোন বল মাঠে ছিল না, ফলে সেদিনের মত খেলার দফারফা হয়ে গেল।

    নয়ন একটু বড় হওয়ার পর থেকেই বাড়ির বাজার করত। বাজার বাড়ির একেবারে কাছে হওয়ায় কোন কোন দিন একাধিক বারও যেতে হত। সেই সময় ওই বয়সী ছেলেদের বাড়ির বাজারের দায়িত্ব পাওয়া ছিল বেশ ভাগ্যের ব্যাপার। বাজারের খরচা থেকে কৌশলে বেরিয়ে আসত বেকার ছেলের হাত খরচা। যত বড় পরিবার তত বেশি সুযোগ। দাম বেশি বললে বাড়িতে ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি, তাই দাম নয় এদিক ওদিক করা হত ওজন। নয়শো বা নয়শ পঞ্চাশ গ্রাম কিনে বাড়িতে বলা হত এক কিলো। তবে লোভ বেশি করলে বিপদ ছিল। জিজ্ঞাসাবাদের কবলে পড়তে হত। হিসেব ঠিকঠাক বোঝাতে না পারলে চাকরি যাওয়ার প্রভূত সম্ভাবনা থাকত। এ চাকরির অনেক দাবীদার, জ্যাঠাতো কাকাতো ভাইয়েরা সব লাইন দিয়ে থাকত। তবে নিপুণ শিল্পীরা কলাকৌশলে মাস্টারপিস ছিল। নিত্য বাজার করলেও নয়নকে এই শিল্পে দক্ষতা অর্জন করার কোন প্রয়োজন হয়নি। কারণ বাজার করে এসে বাড়িতে ওর হিসেব বোঝাবার কোন বাধ্যবাধকতা ছিল না। নয়নদের বাড়ির পাশেই রেশন দোকান ছিল। ওরা ওখান থেকে রেশন তুলত। দোকান আটটার সময় খুলত কিন্তু লাইন পড়ত ভোর থেকে। বাড়ির বারান্দা থেকে রোজ দেখতে দেখতে অচেনা মুখগুলোও সব নয়নের চেনা হয়ে গিয়েছিল। কত গল্প, কত আলোচনা, কত কথা। ওই লাইনেই লাইন মারতে মারতে নিখিলদা ঘরে তুলেছিল তার জীবন সাথীকে। দোকানের মালিকের নাম ছিল, দেবদত্ত সাহা। পুরো নামটাই পদবীতে ভরা। দেব, দত্ত আর সাহা তিনটেই বাঙালির পদবি। ওর ডাক নাম ছিল ভদ্র, সেটাও একটা পদবী। কেউ কেউ ভাদু বলেও ডাকত। পদবীর এমন সমাহার চট করে দেখা যায় না। দেবদত্ত খুব ঝগড়াটে আর কিপটে ছিল। খরিদ্দারের সাথে কিছু না কিছু নিয়ে ঝপড়া লেগেই থাকত। এমন অভদ্র লোকের নাম ভদ্র কি করে হল সেটাই আশ্চর্যের ব্যাপার। শোনা যায় জন্ম মাস ভাদ্রই নাকি ডাক নামের উৎস। টাকা পয়সার ব্যাপারে দেবদত্তের মুঠো সহজে খুলত না। ভদ্র ছেলেরা ভদ্রভাবে চাঁদা চেয়ে ভদ্রের কাছে কখনো ইতিবাচক সাড়া পায়নি। একমাত্র যেখানে ভয়ের ব্যাপার আছে কেবল সেখানেই হাত উপুড় করত। দোকানের মালিক সুবিধের লোক না হলেও ম্যানেজার বিরেনবাবু খুব অমায়িক লোক ছিলেন। উনি দোকানের সাথে সাথে বি টি রোডে সন্ধ্যা সিনেমা হলেরও ম্যানেজার ছিলেন। বিরেনবাবু নয়নকে খুব স্নেহ করতেন। মাঝে মাঝেই ওই হলে সিনেমা দেখার পাস দিতেন। ওনার দেওয়া পাস নিয়ে নয়নরা কয়েকবার ওই হলে গিয়ে সিনেমা দেখেছে। পাসগুলো সাধারণত সাত দিনের মেয়াদের হত। নয়ন তখন ক্লাস টেনে পড়ে। বলুর স্কুল আর পাড়া দুটোই আলাদা হলেও একই কোচিং এ পড়ার কারণে নয়নের সাথে বন্ধুত্ব ছিল। বলু একই সাথে মাথামোটা এবং বদমায়েশ ছেলে ছিল। এক ক্লাসে পড়লেও বয়সে নয়নের থেকে কয়েক বছরের বড় ছিল। আসলে ভিত পোক্ত করার জন্য বিভিন্ন ক্লাসে কয়েকবার হোঁচট খেয়েছে, তাই বয়সের এই ব্যবধান। বাজারে একদিন দেখা হতে বলু এগিয়ে এসে বলল—হাবু, তোর কাছে তো সন্ধ্যা হলের পাস থাকে, একটা সিনেমা দেখা না।

    নয়ন কিছুটা অনিচ্ছায় বলল — আমি যাই না বললেই চলে।

    -- রাজেন্দ্র কুমার আর সায়রা বানুর ‘ঝুক গয়া আসমান’ চলছে, চল না দেখে আসি।

    -- এ সব বই দেখতে গেলে বিরেনদা রাগ করবে।

    -- উনিই তো তোকে পাস দিয়েছেন।

    -- তা ঠিক, কিন্তু এ সব বড়দের বই।

    -- আরে দেখতেই পাবে না। আমরা ভিড়ের মধ্যে দিয়ে টুক করে ঢুকে যাব।

    একপ্রকার বাধ্য হয়েই নয়ন রাজি হল।

    -- ঠিক আছে যাব, তবে আজ নয়। কাল আমাদের স্কুলের ছুটি আছে, ইভিনিং শোয়ে যাব।

    নয়নের স্কুল ছুটি থাকলেও বলুর স্কুলে ছুটি ছিল না। ছুটি থাকা না থাকাটা বলুর কাছে কোন ব্যাপার নয়। স্কুল কামাই ওর জলভাত।

    ভাব ভালোবাসার বই দেখে তৃপ্ত মনে যে যার বাড়ি চলে গেল। বলুর পাড়ার হরিদাস কারখানার ডিউটি শেষে সাইকেল চেপে ওই পথ দিয়ে ফিরছিল। বলু লক্ষ্য করেনি কিন্তু হরিদাস ওকে হল থেকে বেরোতে দেখল। হরিদাস তপনের এই বখাটে ভাইটাকে একদম পছন্দ করত না। কেবল বলুই নয়, হরিদাসের সাথে এলাকার বেশিরভাগ ছেলেপিলেরই বনিবনা ছিল না। কিছু না কিছু নিয়ে লেগেই থাকত। ছেলেগুলো সংখ্যায় অনেক বেশিতাই সামনাসামনি ওদের সাথে এঁটে উঠতে পারত না। বাড়ির অভিভাবকদের কাছে গিয়ে চুগলি খেত। এতে বৈরিতা আরো বাড়ত। হারিদাসের ধারণা তপনের ভাইটা হচ্ছে পালের গোদা। বেশ কয়েকবার আড়াল আবডাল থেকে ওর ‘হরি’ নামটা নিয়ে মস্করা করে ‘বলহরি হরিবোল’ বলে আওয়াজ দিয়েছে। ওর দেখাদেখি এখন অন্যগুলোও ওকে দেখতে পেলেই ‘বলহরি হরিবোল’ বলতে থাকে। ছেলেটাকে টাইট করার এ সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। বাড়ি না গিয়ে বলুদের বাড়ির উলটো দিকের রকে বসে রইল তপনের ঘরে ফেরার অপেক্ষায়। প্রায় ঘন্টা খানেক অপেক্ষার পর তপনের দেখা পেল।

    -- তপন, তোমার ভাইয়েরে তো আজ সন্ধ্যা সিনেমা হলে দ্যাখলাম। কি একখান যেন হিন্দি বই চলতাসে। বাইরে ছবি দেইখ্যা মনে হইল বড়দের বই। সঙ্গে আর এইকখান পোলা সিল। যাইগ্যা, পোলাপান ভুল কইরা ফেলসে, মাইর ধর দিও না যেন।

    নিষ্ঠা সহকারে তথ্য সরবরাহ করে হরিদাস বাড়ি চলে গেল। তপন বলুর থেকে প্রায় দশ বছরের বড়। ওদের মাঝে এক বোন আছে। বাবা মারা যাওয়ার পর থেকে তপনই ওই বাড়ির অভিভাবক।

    নয়ন বাড়ি ফিরে একটু বইপত্র নিয়ে বসেছিল। বলুও বই নিয়ে বসে ছিল কিন্তু একটু পরেই অক্ষর গুলো ঝাপসা হয়ে এল। বই খোলা রইল কিন্তু চোখ বন্ধ হয়ে গেল।

    তপন বাড়ি ঢুকে সোজা চলে এল ভাইয়ের ঘরে। বলু তখন নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছে। পড়তে বসার প্রমাণ হিসাবে বুকের ওপর খোলা বইয়ের পাতা বাঁয়ে ডাইনে লাট খাচ্ছে। দাদার এক হুংকারে বলু তিড়িং করে লাফিয়ে উঠে বসল।

    -- স্কুলে যাইস নাই?

    -- গেসিলাম তো?

    ভাইয়ের পিঠে জোরদার এক ঘা দিয়ে বলল -- জানোয়ার, মিথ্যা কথা কইবি না।

    বলু আন্দাজ করল যে কোন শালা নিশ্চই দাদার কানে লাগিয়েছে। সবে তো একটা কিল পড়েছে, জানে না আর কতগুলো ভাগ্যে আছে! উত্তর না দেয়াটাই নিরাপদ মনে করে চুপ করে বসে রইল।

    -- সন্ধ্যা হলে গেসিলি?

    অস্বীকার করলে বিপদ বাড়বে, নীরবে সম্মতি জানাল।

    -- কি বই দ্যাখলি?

    দাদার কাছে গ্রহণযোগ্য কোন নাম সেই মুহূর্তে বলুর মাথায় এল না।

    -- কিরে চুপ কইরা আছস কেন? বইয়ের নাম মনে পড়তাসে না?

    বলুর হঠাৎ মনে পড়ল আগের দিন ইতিহাস ক্লাসে স্যার বিপ্লবীদের নিয়ে আলোচনা করছিলেন।

    ও আর সময় নষ্ট না করে বলল — বিপ্লবীদের নিয়া একখান বই।

    -- ও তাই! একখান বিপ্লবীর নাম ক দিকি।

    প্রশ্নবাণে জর্জরিত হয়ে বলু একেবারে দিশেহারা হয়ে গেল। আর কত বানিয়ে বানিয়ে বলবে। অনন্ত সিংহ, দেবেন্দ্র চন্দ্র দে, গোপী মোহন সাহা আর নগেন্দ্রনাথ সেন এই চারজন বিপ্লবী মিলে একবার টেগার্টকে প্রাণে মারার একটা পরিকল্পনা করেছিলেন। ইতিহাস স্যার সেই ঘটনার কথা সেদিন বিশদে বলেছিলেন। কথা প্রসঙ্গে এও বলেছিলেন যে নগেন্দ্রনাথ সেনের ডাকনাম ছিল ‘জুলু’। বলুর পক্ষে এত কিছু মনে রাখা সম্ভব ছিল না। ছোট বলে টেগার্ট আর জুলু এই নাম দুটো ভাসা ভাসা মনে আসছিল।

    -- বিপ্লবীদের বই দ্যাখলি তাও একখান বিপ্লবীর নাম কইতে এত ভাবতাছস ক্যান?

    বলু আবছা মনে পড়া নাম দুটোকে জোড়া লাগিয়ে মিনমিন করে বলল - টেগার্ট জুলু।

    -- শুয়ার, টেগার্ট বিপ্লবী!

    এরপর বলাই বাহুল্য, বলুর উত্তম মধ্যম মেরামত হয়েছিল।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন