এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • জীবন তরঙ্গ - ২৫ 

    Sukdeb Chatterjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১১ মে ২০২৪ | ১৬৩ বার পঠিত
  • জীবন তরঙ্গ - পর্ব ২৫

    বেশ কয়েকদিন অনুপস্থিত থাকার জন্য আড্ডায় গিয়ে নয়নকে অনেক গাল শুনতে হল। তখন পরের দিনের মোহন বাগান ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ নিয়ে আড্ডা সরগরম। আই এফ এ শিল্ড ফাইনালে দুই প্রধান মুখোমুখি হচ্ছে। পিন্টু সেই বছরেই ইস্টবেঙ্গলে সই করেছে। দলের প্রথম এগারোয় জায়গাও করে নিয়েছে। লিগের খেলাগুলোয় অনেক গোল করেছে। মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গলের স্ট্রাইকারে ওর খেলার সম্ভাবনাই বেশি। পাড়ার ছেলে, পরিচিতজনেরা সবাই খুব উদ্দীপিত। পিন্টু নয়নের খুব ভাল বন্ধু। ভাল ওরও লাগছে, তবে শত্রুপক্ষের হয়ে মাঠে নামবে তো, তাই মনটা খচখচ করছে। নয়নের মাঠে গিয়ে খেলা দেখা হবে না, কোলকাতায় একটা দরকারি কাজ আছে। সেইজন্য পিন্টু খেলার টিকিট দিতে চাইলেও নেয়নি। পরের দিন নয়নের কাজটা অনেক আগেই মিটে গেল। বাড়ি ফেরার জন্য এস এন ব্যানার্জী রোড ধরে শেয়ালদার দিকে হাঁটছে। মাঠের এত কাছে এসেও খেলা দেখা হবে না, মনটা খচখচ করছে।

    হঠাৎ কানে এল কালিদার গলা—কিরে হাবু, মাঠে যাবি?

    কালিদা বাটায় কাজ করত। অফিস ছিল এলিট সিনেমার উল্টো দিকে ফুটনানি চেম্বারসে। কালিদাস সেই সময় গড়ের মাঠে বেশ পরিচিত নাম। বাটা, খিদিরপুরের মত বেশ কয়েকটা প্রথম ডিভিশন ক্লাবের সাথে যুক্ত। ফলে খেলার টিকিট ও অনেক পেত।

    নয়ন তাকিয়ে দেখে কালিদা ওর অফিসের সামনে থেকে ডাকছে। নয়ন এমন সুযোগ হাতছাড়া করতে রাজি নয়। তার ওপর মোহনবাগান মাঠে খেলা। ঘরের মাঠে খেলা দেখার আনন্দই আলাদা। টিকিট নিয়ে মাঠের দিকে একটু এগোতেই নয়ন বুঝতে পারল যে ওর টিকিট গ্যালারির যে দিকে, সেটা শত্রু শিবির। এদিক ওদিক ঘুরে খানিক চেষ্টা করল টিকিট পাল্টপাল্টি করার, লাভ হল না। নিরুপায় হয়ে গেটের দিকে এগোতে লাগল। একটু যেতেই রহড়ার চার পাঁচ জন বন্ধুর সাথে দেখা হয়ে গেল। ওদেরও একই গেটের টিকিট। তবে ওরা সকলেই ইস্টবেঙ্গলের সমর্থক, ফলে ওদের কোন সমস্যা নেই। খেলা শুরু হল। মোহনবাগান আক্রমণে যেতে নয়ন অভ্যাসবশে চেঁচিয়ে ফেলেছে। আর রক্ষে নেই, আশপাশ থেকে শুরু হল ব্যাঙ্গ, বিদ্রুপ, গালমন্দ। বন্ধুবান্ধব পরিবৃত হয়ে ছিল বলে চড় চাপাটি পড়েনি। নয়ন নিজেকে অতি কষ্টে সামলে রাখল। তখন আন্দাজ করতে পারেনি যে গ্যালারির থেকে অনেক বেশি লাঞ্ছনা হতে চলেছে মাঠে। খেলা যত এগোল নয়ন স্তম্ভিত, বাকরুদ্ধ হয়ে বসে পড়ল। আগে যারা গালমন্দ করছিল, তাদেরই কেউ কেউ তখন বাড়িয়ে দিচ্ছে সিগারেট, লজেন্স। কেউ আবার চোখ মোছার জন্য এগিয়ে দিচ্ছে রুমাল। সে আর এক মানসিক যন্ত্রণা। উপায় নেই নয়নকে হজম করতে হল। ঐ দিন মোহনবাগানও একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েছিল, কাজে লাগাতে পারেনি। ইস্টবেঙ্গল শ্যাম থাপার পেনাল্টি মিস বাদ দিলে প্রায় সব সুযোগই কাজে লাগিয়েছিল। দিনটা ইস্টবেঙ্গলের ছিল। নয়নের খেলা দেখার আর তিলার্ধ আগ্রহ ছিল না। খেলা শেষ হওয়ার অপেক্ষায় বসে ছিল। রেফারির লম্বা বাঁশীতে একসময় নয়নের চরম মানসিক যন্ত্রণার ইতি হল। তাড়াতাড়ি মাঠ থেকে বেরতে যাবে, বন্ধুরা বলল, “একটু দাঁড়া, প্লেয়াররা প্রদীপদাকে নিয়ে নাচছে, একটু দেখে যাই।” অনেক হয়েছে, আর নয়। নয়ন মাঠ থেকে বেরিয়ে এল।

    বাইরে এসে মোহনবাগান মেম্বারশিপ গেটের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় বন্ধু পিন্টুর সাথে দেখা হয়ে গেল। সেদিনের সেরা গোলটা ওই করেছে। কষ্ট হলেও নয়ন অভিনন্দন জানাল।

    পিন্টু বলল—বাড়ি ফেরার জন্য ক্লাব থেকে গাড়ি ভাড়া দিয়েছে, দেখ না যদি একটা ট্যাক্সি পাওয়া যায়। খুব টায়ার্ড, ট্রেনে ফিরতে ইচ্ছে করছে না। নয়ন অনেক কষ্টে একটা ট্যাক্সি ধরল। গাড়িতে উঠতে যাবে এমন সময়, কয়েকটি মাঠ ফেরত ছেলে “সরে যান, সরে যান, পেশেন্ট আছে” বলতে বলতে, একজনকে চ্যাংদোলা করে এনে ওদের ট্যাক্সিতে উঠিয়ে পিছনের সিটে শুইয়ে দিল। ডাহা মিথ্যে কথা বলছে জেনেও কিছু করার নেই, ওরা সংখ্যায় বেশী। নয়ন একবার আস্তে করে বলল—ট্যাক্সিটা ধরলাম প্লেয়ার যাবে বলে, আপনারা উঠে পড়লেন!

    ওরা পিন্টুকে খেয়াল করেনি।

    ভেতর থেকে উত্তর এল—কোন প্লেয়ার বে? একবার থোবড়াটা একটু দেখি।

    তারপর পিন্টুকে দেখতে পেয়ে পেশেন্ট সেজে যেটা শুয়ে ছিল সেটাই প্রথম ‘গুরু’ গুরু’ করতে করতে বেরিয়ে এল। তারপর সবাই মিলে পিন্টুকে পাঁজাকোলা করে তুলে ট্যাক্সিতে বসিয়ে দিল। নয়নও উঠে পাশে বসল। তারপর সেই পেশেন্ট আর সঙ্গের পেশেন্ট পার্টি “সরে যান, সরে যান, প্লেয়ার আছে” বলে চ্যাঁচ্যাঁতে চ্যাঁচ্যাঁতে ভিড় সরিয়ে ওদের ট্যাক্সির যাওয়ার পথ করে দিল। একই ট্যাক্সিতে হর্ষ আর বিষাদ পাশাপাশি বসে বাড়ি ফিরল।

    যোগমায়ার শেষ আর আশুতোষের শুরু, এই সন্ধিক্ষণটা ঈজা আর নয়ন মোলাকাতের জন্য বেছে নিয়েছিল। প্রথমদিকে কলেজের পাশেই হাজরা পার্কে গিয়ে বসত। কিন্তু ওখানে দু একজন বন্ধু বান্ধবের নজরে পড়ে যাওয়ায় জায়গা পাল্টাতে হয়। হাজরা পার্ক ছেড়ে ওরা হরিষ পার্কে আশ্রয় নেয়। নিত্য যে ওখানেই যেত তা নয়, মাঝে মাঝে এদিক ওদিকেও যেত। এ ছাড়া সব থেকে বড় বিনোদনের জায়গা ছিল বাগবাজারের বাড়ি। নয়নের মামার বাড়ি যাওয়াটা আগের থেকে অনেক বেড়ে গিয়েছিল।

    নন্দ একদিন মজা করে ভাগ্নেকে জিজ্ঞেস করল—ভন্টে, তুই তো বাবা এত ঘন ঘন এখানে আসতিস না! কি ব্যাপার বল তো?

    -- কি আবার ব্যাপার, আসতে ভাল লাগে তাই আসি।

    -- সে তো খুব ভাল কথা। তুই এলে আমারও ভাল লাগে। কিন্তু তোর এই বাড়িতে আসার আগ্রহ হঠাৎ করে কিছুদিন হল খুব বেড়ে গেছে, সেটাই আমাকে একটু ভাবাচ্ছে। অনুরিমা মেয়েটা কেমন রে?

    নয়ন একটু লজ্জা পেয়ে গিয়ে বলল—আমি কি করে বলব? আমি আর কতটুকু দেখেছি।

    -- ভন্টে, তোর বয়সটা আমারও একসময় ছিল। মেয়েটা খুব ভাল।

    ঈজাদের আর্থিক অবস্থা ভাল নয়। উদয়নের ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের সামান্য মাইনেতে বেশ কষ্ট করেই সংসার চালাতে হয়। ইরাও কয়েকটা টিউশনি করে একটু সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে। ইরার দাদা অনেকটাই ঠেকা দেয়।

    ইরার বাপের বাড়ি তুলনায় সলভেন্ট। ইরার বাবা অনেক দিন আগেই গত হয়েছেন। বাপের বাড়িতে ওর মা আর দাদা কুনাল থাকে। ইরা লেখা পড়ায় ছোটবেলা থেকেই বেশ ভাল ছিল। পড়াশোনা নিয়েই সারাদিন কাটাত। হায়ার সেকেন্ডারিতে ফলও বেশ ভাল করেছিল। বাবার ছেলেকে নিয়ে কোন প্রত্যাশা ছিল না। কিন্তু পড়াশোনায় মাথা আছে বলে ইচ্ছে ছিল মেয়ে বড় হয়ে অধ্যাপক হোক। ইরারও মনে মনে তাই ইচ্ছে ছিল। কলেজে ইংরেজিতে অনার্স নিয়ে ভর্তি হল। পড়াশোনা ঠিকঠাকই চলছিল। পার্ট ওয়ানের ফলও ভালই হল। বাবা খুব খুশি হলেন। এর কয়েকমাস পর থেকেই ইরার আচরণে কেমন একটা আনমনা ভাব দেখা গেল। ওর মার নজরেই সেটা ধরা পড়ল। মা একদিন সকলের সামনেই ইরাকে ডেকে জিজ্ঞেস করলেন—হ্যাঁরে, তোর কি শরীর খারাপ?

    -- নাতো, কেন?

    -- সারাদিন কেমন চুপচাপ থাকিস। পড়াশোনাও আর আগের মত করতে দেখি না।

    ইরা ‘কিছু হয়নি’ বলে প্রসঙ্গটা পাশ কাটাল।

    এর কিছুদিন পর কুণাল তার এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারল যে, উদয়ন নামে একটা ছেলের সাথে ইরার ভাব ভালবাসা চলছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেল যে ছেলেটি একটা কারখানায় কাজ করে। লেখাপড়াও তথৈবচ। নিজেদের ঘরদোর নেই। ভাড়া বাড়িতে থাকে। ঘটনার উল্লেখ করে অনেক চাপাচাপির পর ইরা ব্যাপারটা স্বীকার করল। তারপর অনেক বোঝান, বকাঝকা, এমনকি গায়ে হাত তুলেও ওকে ওর সিদ্ধান্ত থেকে টলান যায়নি। ইরার বাবা বেঁকে বসলেন।

    বললেন—আমার একটা মান সম্মান আছে। ওই ছোটলোকের সাথে দাঁড়িয়ে থেকে আমি আমার মেয়ের বিয়ে দিতে পারব না।

    ইরার বাবাকে অবশ্য সে চাপ বেশিদিন নিতে হয়নি। একদিন অফিস থেকে বাড়ি ফেরার সময় পথ দুর্ঘটনায় স্পটেই মারা গেলেন। প্রাইভেট ফার্মে কাজ করতেন। যা টাকা পয়সা পাওয়া গেল তা তিনজনের চলার জন্য যথেষ্ট নয়। কুণাল লেখাপড়ায় তেমন একটা ভাল ছিল না। প্রথম দিকে বোনের থেকে দু ক্লাস উঁচুতে পড়ত, বছর দুয়েক ফেল করায় বোন আর ওর এক ক্লাস হয়ে গিয়েছিল। বাবা মারা যাওয়ার কিছুদিন আগে দুজনেই বিয়ে পাশ করেছে। কুণালের ফল যেমন হওয়ার তেমনই হয়েছে। সাদামাটাভাবে উৎরে গেছে। ইরা লেখাপড়ায় ভাল মেয়ে ছিল, তারও ফল ভাল হয়নি। সংসারের হাল ধরতে কুণাল চাকরির জন্য দৌড়দৌড়ি শুরু করল। কয়েকমাস ছোটাছুটির পর বাবার এক বন্ধুর সুপারিশে সরকারি অফিসে একটা কেরানির চাকরি জুটল। তিনজনের সংসারের গ্রাসাচ্ছাদনের একটা হিল্লে হল।

    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন